শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশ আর্কসামিট ২০২৬-এর শিক্ষার্থী বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্থাপত্য বিভাগের একটি দল। দেশের ১৬টি স্থাপত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই সাফল্য অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা, যা বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের (বাস্থই) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বিজয়ী দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রথম স্থান অর্জনকারী দলের সদস্যরা হলেন শাবিপ্রবির স্থাপত্য বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তানজিয়া নুসরাত সুহা, ফারজানা কবির প্রীতি ও মেহজাবিন আরোবী। তাদের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন একই বিভাগের প্রভাষক মো. ফেরদৌস রহমান।
প্রতিযোগিতায় দলটি ‘উত্তরণ’ শিরোনামে একটি স্থাপত্য নকশার প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে। সিলেটের নগর বাস্তবতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা এই নকশায় কিশোর অপরাধী চক্রের সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সাথে, পথশিশুদের ইতিবাচক উপায়ে সমাজের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাস্তব সমস্যা সমাধানে সংবেদনশীল ও উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন থাকায় বিচারকদের প্রশংসা অর্জন করে দলটির প্রস্তাবনা। এই অর্জনে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, দলগত দক্ষতা ও বাস্তবমুখী নগর পরিকল্পনার ধারণা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
বিজয়ী শিক্ষার্থী দল ও তাদের মেন্টরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ইফতেখার রহমান। বিভাগের শিক্ষকেরা জানান, এই সাফল্য স্থাপত্য শিক্ষায় উদ্ভাবন, দলগত প্রচেষ্টা এবং টেকসই নগর নকশাচর্চার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম মন্তব্য করেন, জাতীয় পর্যায়ে ১৬টি স্থাপত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে প্রথম স্থান অর্জন শিক্ষার্থীদের মেধা ও দলগত পরিশ্রমের প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, সিলেটের স্থানীয় নগর বাস্তবতা এবং পথশিশুদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থাপত্য নকশার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন ভাবনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সুনাম বাড়াবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের আক্কেলপুরে অবৈধভাবে সার পরিবহনের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)। একই সাথে জব্দকৃত ১৮ বস্তা টিএসপি সার উপস্থিত কৃষকদের মাঝে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৌধুরী আল মাহমুদ।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, বৈধ ক্রয় রশিদ ছাড়া অবৈধভাবে ১৮ বস্তা টিএসপি সার (যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৪,৩০০ টাকা) পরিবহন করার সময় মোঃ ইসমাইল (পিতা: আব্দুল মান্নান) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। উপযুক্ত কাগজপত্র ও সঠিক জবাব দেখাতে না পারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করেন এবং বহনকৃত ১৮ বস্তা সার বাজেয়াপ্ত করেন। অভিযানে প্রসিকিউশন প্রদান করেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাসান আতিকুর রহমান।
পরবর্তীতে জব্দকৃত সারসমূহ স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গানিউল ইসলাম এবং ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলামের জিম্মায় দেওয়া হয়। জিম্মাদারদের উপস্থিতিতে জব্দকৃত সার তাৎক্ষণিকভাবে এলাকার উপস্থিত সাধারণ কৃষকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। সার বিক্রির মোট ২৪,৩০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের জন্য আদায় করা হয়েছে।
কৃষি খাতের সুরক্ষায় ও সারের অবৈধ কারবার রুখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকা সহ মোট ৪২টি পূজামণ্ডপে ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবি সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির (পিএসসি)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাইতকোনা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মণ্ডপ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার সময় তিনি এই তথ্য জানান।
বিজিবি অধিনায়ক উল্লেখ করেন যে, দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার ৮ কিলোমিটারের মধ্যে ২২টি এবং ব্যাটালিয়ন সদরের ৩ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ২০টি পূজামণ্ডপ সহ মোট ৪২টি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির ৮টি প্লাটুন মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।
১৬ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বিজিবির এই দলগুলো সার্বক্ষণিক বিশেষ নজরদারি ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এছাড়া, সীমান্তের দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি এবং নিয়মিত টহল পরিচালনার সুবিধার্থে একটি বিশেষ বেইস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির বলেন, ‘স্থানীয় প্রশাসন, পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সীমান্তে স্বাভাবিক নজরদারি ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে জননিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) সর্বদা বদ্ধপরিকর।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নারী দলের সাবেক ব্যাটার পুনম রাউত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। জাতীয় দলের বাইরে দীর্ঘ সময় থাকার পর তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার কথা জানান।
২০০৯ সালে পুনমের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ভারতের হয়ে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে চারটি টেস্ট, ৭৩টি ওয়ানডে এবং ৩৫টি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সব ফরম্যাটে মিলিয়ে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সংগ্রহ ৩ হাজার ২৮২ রান।
২০২১ সালের অক্টোবরের পর পুনম আর ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি। দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর তিনি এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন। তবে ২০১৭ সালের নারী বিশ্বকাপে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ভারতীয় ক্রিকেটে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে পুনমের টেস্টে ২৬৪, ওয়ানডেতে ২ হাজার ২৯৯ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৭১৯ রান রয়েছে। ওয়ানডেতে তিনটি সেঞ্চুরি এবং টেস্টে একটি সেঞ্চুরি রয়েছে তার। এছাড়া, ওয়ানডেতে ১৫টি এবং টি-টোয়েন্টিতে চারটি অর্ধশতক করেছেন তিনি।
পুনমের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অধ্যায় ২০১৭ সালের নারী বিশ্বকাপ। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সেই আসরে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন তিনি। টুর্নামেন্টে ৩৮১ রান করে ভারতের ফাইনালে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন পুনম।
লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে তিনি ৮৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেছিলেন। তবে ভারত শেষ পর্যন্ত ৯ রানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে। ওই বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পুনম ১০৯ রানের ইনিংসও খেলেছিলেন। দীপ্তি শর্মার সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে গড়েছিলেন ৩২০ রান, যা নারী ওয়ানডেতে একটি রেকর্ড জুটি হিসেবে পরিচিত।
অবসরের বার্তায় পুনম নিজের ক্রিকেটযাত্রার নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি মুম্বাইয়ের ক্রিকেটের পরিসর থেকে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার পুরো পথচলাকে আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন।
বিদায়বার্তায় পুনম লেখেন, "মুম্বাইয়ের রাস্তা থেকে ভারতীয় জার্সি পরা পর্যন্ত এই যাত্রা আশীর্বাদের চেয়ে কম কিছু ছিল না। এই সফরে ছিল অনেক ত্যাগ, লড়াই, কখনো না ভোলার মতো জয় এবং কঠিন শিক্ষা, যে মুহূর্তগুলো সারা জীবন আগলে রাখব।"
ভারতের প্রতিনিধিত্ব করাকে তিনি কেবল স্বপ্নপূরণ নয়, বিশেষ সৌভাগ্য হিসেবেও দেখেন। জাতীয় দলের হয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ তিনি গর্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছিলেন বলে জানান।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অধ্যায় শেষ করার মুহূর্তে পুনম পাশে থাকা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তার ওপর আস্থা রাখা, সহযোগিতা করা এবং ক্রিকেটজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সমর্থন জোগানো প্রত্যেকের অবদান স্মরণ করেছেন তিনি।
অবসরের পর ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার আগ্রহও জানিয়েছেন পুনম। খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ হলেও তিনি ক্রিকেটকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নতুন ইনিংস শুরু করতে চান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির উলটো দিকের ফুটপাতসংলগ্ন দেয়ালে গুণী ব্যক্তিদের প্রতিকৃতি আঁকা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এটি করা হয়েছে। সেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, ফকির লালন শাহ, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় ও অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদিসহ ১০ জন গুণী ব্যক্তির প্রতিকৃতি স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে সঞ্জীব চৌধুরীও ছিলেন।
তবে হঠাৎ করেই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন সাংবাদিক, কবি, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী সঞ্জীব চৌধুরী। তার ছবি মুছে ফেলা হয়েছে। নতুন করে সেখানে যুক্ত হয়েছে বেগম রোকেয়া, কবি জীবনানন্দ দাশ ও জসীম উদ্দীনের প্রতিকৃতি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সঞ্জীব চৌধুরীকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন কথা লিখেছেন অনেকে। সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদারও তাদের মধ্যে একজন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে সঞ্জীব চৌধুরীকে স্মরণ করে বাপ্পা লেখেন, ‘সঞ্জীব দা....আপনি মানুষের হৃদয়ে .... ওটাই সব চেয়ে বড় স্থান ...।’
এ বিষয়ে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার জানান, প্রথমে কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও পরে অন্যদের বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি আঁকা হলে আজম খান ও আইয়ুব বাচ্চুর মতো শিল্পীদের ছবি কেন থাকবে না, এমন প্রশ্নও সামনে আসে।
তিনি জানান, সঞ্জীব চৌধুরী, আইয়ুব বাচ্চু, আজম খানসহ নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের প্রতিকৃতি অন্য কোনো জায়গায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ডিএসসিসির।
প্রতিকৃতি নির্বাচনের বিষয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, এটি কারও একক সিদ্ধান্ত নয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা আলোচনা করে সাংস্কৃতিক অবদান বিবেচনায় প্রতিকৃতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শিল্পকলা একাডেমিসংলগ্ন এলাকা হওয়ায় সেখানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
সবাইকে একই জায়গায় স্থান দেওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যে কোনো উদ্যোগের সবকিছু সবার পছন্দ হবে না।’ তবে অধিকাংশ মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখলে কাজটি এগিয়ে নেওয়ার উৎসাহ পাওয়া যায় বলেও জানান তিনি।
গত ৫ অক্টোবর ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম শিল্পকলা একাডেমিসংলগ্ন ফুটপাতের দেয়ালে সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন করেন। এর পাঁচদিনের মাথায় গত ১০ অক্টোবর দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতি বিকৃত ও নষ্ট করার চেষ্টার ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ