রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০১ এম
বিশ্বের প্রতিদিনের ঘটনাবলীতে ঘটে নানা কিছু। অনেক উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয়। জন্মের পাশাপাশি ঘটে মৃত্যুর ঘটনাও। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৬৫৭ সালে মোগল সম্রাট শাহজাহান আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে সিংহাসন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
১৭১৬ সালে বোস্টনে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়।
১৭৭৮ সালে হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা স্থাপন করা হয়।
১৮৭৯ সালে লন্ডনে ব্রিটেনের প্রথম টেলিফোন একচেঞ্জ স্থাপন করা হয়।
১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ শুরু হয়।
১৯০৫ সালে আটলান্টা জীবন বিমা কম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯০৮ সালে কলকাতায় সর্বপ্রথম কলকাতা গাণিতিক সমিতি গঠিত হয়।
১৯৬৫ সালে প্রথম পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৬৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ড ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
১৯৯৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে ডায়াবেটিক সোসাইটির মরণোত্তর স্বর্ণপদক দেওয়ার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক প্রদান শুরু হয়।
জন্ম
১৭৬৬ সালে জন ডাল্টন, একজন ইংরেজ রসায়নবিদ, স্কুলশিক্ষক, আবহাওয়া বিজ্ঞানী ও পদার্থবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮০৮ সালে আব্দুল কাদের আল-জাজায়িরি, আলজেরিয়ার একজন জিহাদী মুজাহিদ হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৬০ সালে জেন অ্যাডামস, একজন সমাজ সংগঠক, অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী ও লেখক হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৭৬ সালে জন জেমস রিকার্ড ম্যাক্লিয়ড, স্কটিশ প্রাণরসায়নবিদ ও শারীরতত্ত্ববিদ হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৮৯ সালে শরৎচন্দ্র বসু, একজন বাঙালি জাতীয়তাবাদী, ব্যারিস্টার এবং ভারতের স্বাধীনতা কর্মী হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৯২ সালে অ্যাডওয়ার্ড ভিক্টর অ্যাপলটন, ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯০৬ সালে লুইস ফেদেরিকো লেলইর, আর্জেন্টাইন চিকিৎসক ও জৈবরসায়নবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯১৩ সালে লিওনিদাস, একজন প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার হিসেবে পরিচিত হন।
১৯১৭ সালে বাসন্তী দুলাল নাগ চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি পদার্থ বিজ্ঞানী, ভারত সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ও পারমাণবিক পদার্থ বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত হন। জর্জ মান, একজন ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯১৮ সালে জগন্ময় মিত্র, ভারতীয় বাঙালি সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯২০ সালে শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন বাঙালি কবি, কথা-সাহিত্যিক ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৪২ সালে রিচার্ড হাটন, একজন ইংরেজ ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৪৯ সালে রাকেশ রোশন, একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও চিত্র সম্পাদক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৬৪ সালে রোজি পেরেজ, একজন মার্কিন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, আলাপচারিতা অনুষ্ঠান সঞ্চালক, লেখিকা, নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৬৮ সালে সাঈদ আনোয়ার, পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৭২ সালে ইদ্রিস এলবা, একজন ইংরেজ অভিনেতা, প্রযোজক, সঙ্গীতজ্ঞ ও ডিজে হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৭৬ সালে নাওমি হ্যারিস, একজন ইংরেজ অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৯৫ সালে মুস্তাফিজুর রহমান, একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত হন।
মৃত্যু
১৯০৭ সালে সুলি প্রুদোম, একজন ফরাসি সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৫৯ সালে এডমুন্ড গোয়েন, একজন ইংরেজ অভিনেতা হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৭২ সালে উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, একজন প্রখ্যাত বাঙালি সেতার ও সানাই বাদক হিসেবে পরিচিত সঙ্গীতজ্ঞ।
১৯৮২ সালে অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, একজন খ্যাতনামা গণিতের অধ্যাপক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৮৯ সালে মোহাম্মদ ইব্রাহিম, একজন বাংলাদেশি চিকিৎসক এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৯০ সালে লেন হাটন, একজন ইংরেজ ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৯৬ সালে সালমান শাহ, একজন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৯৭ সালে পি. এইচ. নিউবি, একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও বিবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৯৮ সালে আকিরা কুরোসাওয়া, একজন জাপানি চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে পরিচিত হন।
২০১৭ সালে লতফি জাদেহ, একজন ইরানি ও আজারবাইজানি বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বাড্ডা এলাকার সাতারকুলে অবস্থিত একটি আসবাবপত্রের (ফার্নিচার) গোডাউনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর সকাল পৌনে ১০টার দিকে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে সাতারকুল এলাকায় ফার্নিচারের গোডাউনে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়ার পর বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট দ্রুত রওনা হয়ে সকাল ৯টা ১৯ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নেভানোর কার্যক্রম শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বিবেচনা করে সহায়তার জন্য পূর্বাচল ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল।
তবে বারিধারা স্টেশনের কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন না হওয়ায় পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের ইউনিট দুটিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতর থেকে ফেরত পাঠানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে আগুন আশপাশের ভবনে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। আগুন পুরোপুরি নেভানোর পাশাপাশি কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছিল এবং এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংগঠনটি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পেয়েছে। এ কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হবে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, ৩ সেপ্টেম্বর সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১১২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫৫ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
সোনার দাম কমানোর পরও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১৩২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬৮ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩৫ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩৩ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টায়।
আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ২৫ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ শুরু হবে ৬টা ১৫ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৭টা ৩০ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ২৯ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৬টা ১৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪১ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ইরানের ইসলামী রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের দাবি করেছে যে, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি বিমানবাহী রণতরি ও একটি ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে, যা ইরানি জাহাজে নৌ অবরোধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে করা হয়েছে।
, তাদের হামলার ফলে মার্কিন জাহাজ দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এবং পরবর্তী আক্রমণের আশঙ্কায় উক্ত এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
আইআরজিসির এই দাবির পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) পাল্টা বিবৃতি দিয়েছে। সেন্টকম জানায়, তাদের একটি বিমানবাহী রণতরি এবং একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সফলভাবে এড়িয়ে গেছে এবং এতে কোনো মার্কিন সৈন্য আহত হয়নি। তবে তাদের জবাবে খাগ দ্বীপের উপকূলে আইআরজিসির দুটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজকে স্থায়ীভাবে অচল করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
এছাড়া, ওমান উপসাগরে এমটি কাইলো নামের আরেকটি ইরানি তেল ট্যাংকার ধ্বংস করে দেওয়ার বিষয়টি সেন্টকম নিশ্চিত করেছে।
উভয় পক্ষ থেকেই সমুদ্রপথে পাল্টাপাল্টি হুশিয়ারি ও সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আইআরজিসি হরমুজ প্রণালিতে অননুমোদিত জলপথ পরিহার করতে সাধারণ জাহাজগুলোকে সতর্ক করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নেবে, ফলে সমগ্র অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ