বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ পি.এম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বৈঠকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারসাম্যপূর্ণ রাখার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে বলা হয়, প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারি থাকবে। তবে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে গুরুত্বারোপ করেছেন বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
বৈঠকে অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। আলোচনায় উঠে আসে, বিগত সময়ে বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় গুরুতর পদ্ধতিগত দুর্বলতা ছিল। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই কর্মী পাঠানোর কারণে দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, বর্তমানে সেগুলো মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রবাসী কর্মীদের তথ্য ও নথিপত্রের যথাযথ সত্যায়ন বা ‘অথেন্টিকেশন’ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রক্রিয়া গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে উপযুক্ত ও যাচাই করা রিক্রুটিং অ্যাজেন্সির মাধ্যমে প্রবাসী কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত এবং প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘মাইগ্রেশন উইং’ চালু করা হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।
সম্ভাব্য অভিবাসীদের দালাল ও অননুমোদিত মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রতারণা থেকে সুরক্ষায় তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান পরিচালনা এবং বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
এদিকে বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সমস্যা সমাধানে অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়।
রোহিঙ্গা সংকটের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে কমিটি আগামী অক্টোবর মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আশা প্রকাশ করেছে।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, মো. আমানউল্লাহ আমান, এস কে আজিজুল বারী, এ বি এম মোশাররফ হোসেন এবং সানজিদা ইসলাম অংশগ্রহণ করেন। কমিটির বিশেষ আমন্ত্রণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও বৈঠকে অংশ নেন।
এ ছাড়া বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে কাদের সিদ্দিকী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান।
রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীকে ধন্যবাদ জানানোর মাধ্যমে অভিনন্দন গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং জানায়, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
তারা একে অপরের সঙ্গে পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন এবং দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উপাচার্য সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এবং জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আত্মদানকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ধরনের সংকট ও অচলাবস্থা বিদ্যমান ছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁকে উদারভাবে গ্রহণ করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে সমাধানের মাধ্যমে সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
উপাচার্য আরও জানান, শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ, শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক সেমিনার, প্রশাসনিক সংস্কার ও ডিজিটালাইজেশন, দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন কোর্স, গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
আগামী দিনের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, একাডেমিক ও ইঞ্জিনিয়ারিং মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন, উন্নত আবাসিক, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি ও পাঠাগার সুবিধা নিশ্চিতকরণ, গবেষণার মান বৃদ্ধি, ডিজিটাল ও ভাষাগত দক্ষতা এবং পেশাগত উন্নয়নের জন্য কোর্স চালু, আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে ডিজিটালাইজেশন ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা আরও সম্প্রসারণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে জ্ঞান, গবেষণা, উদ্ভাবন, মানবিক মূল্যবোধ ও দক্ষতার সমন্বয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ আলমকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শোকজ করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ‘Jagannath University’-তে জবি ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, উপাচার্যের অনুমোদন ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দলীয় আবরণে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল পেজে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির শিরোনাম প্রচার করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং প্রশাসন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন এবং ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী। এটি অসদাচরণের শামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বর্ণিত অসদাচরণের জন্য কেন তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৬ সেপ্টেম্বর জবি ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অফিশিয়াল পেজ থেকে পোস্টটি সরিয়ে নেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা জোটের পরিধি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন যেকোনো দেশ, যারা অভিন্ন নীতিতে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এই জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ খোলা রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, এই চুক্তি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি প্রতিবেশী ইরানসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘমেয়াদী দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ জানান, তিন দেশের অভিন্ন নীতি হচ্ছে অন্য কোনো দেশে আগ্রাসন না করা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। সম্মিলিত প্রতিরোধের মূলনীতির ভিত্তিতে এই জোট গঠিত হয়েছে। নতুন অংশীদার হিসেবে যারা এই নীতিগুলো সমর্থন করবে, তাদের জন্য যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে নতুন দেশ যুক্ত করার সময় ও প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবেন তিন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এটিকে সামগ্রিক কোনো মুসলিম সামরিক জোট হিসেবে উল্লেখ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই চুক্তিকে মূলত একটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা ত্রিদেশীয় সম্পর্ককে এখন একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক কাঠামো দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে এই চুক্তির ফলে ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো টানাপোড়েন সৃষ্টি হবে না। তারা উল্লেখ করেছে, প্রতিটি দেশের সঙ্গে পৃথক ও স্বাধীন কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা হয়। ঠিক যেমন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের প্রভাব চীন বা ইরানের সম্পর্কের ওপর পড়ে না। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পাকিস্তান চায় আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে অঞ্চলটিতে স্থায়ী শান্তি ফিরে আসুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ