ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেল


ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেল

ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৮তম অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর ফলে ভারতের ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানগুলোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ টিতে।

ইউনেস্কোর দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক ও প্রতিনিধি টিম কার্টিস এই স্বীকৃতিকে ভারত সরকার ও জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তিনি বিশেষভাবে বলেন, ‘ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে ভারত সরকার ও জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। সারনাথ, যেটি আড়াই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি তীর্থস্থান ও অনুপ্রেরণার উৎস, এখানেই গৌতম বুদ্ধ প্রথম ধর্মদেশনা দেন। যেখানে তিনি করুণা, প্রজ্ঞা ও শান্তির বাণী প্রচার করেছিলেন। সেই শিক্ষা আজও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। সারনাথের মন্দির, স্তূপ ও বিহার শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের বিশ্বাস, ভক্তি এবং অভিন্ন মানবিক ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে। এই অসাধারণ ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।’

বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন জনবসতিপূর্ণ নগরী বারাণসীতে অবস্থিত সারনাথের প্রত্নতাত্ত্বিক ও স্থাপত্য নিদর্শনগুলোই এই বিশ্ব ঐতিহ্য সম্পদের অন্তর্ভুক্ত। বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে বোধিলাভের পর গৌতম বুদ্ধ সারনাথে এসে তাঁর প্রথম পাঁচ শিষ্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সেখানেই তিনি প্রথম ধর্মদেশনা দেন। বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাসে এই ঘটনাকে ধর্মচক্র প্রবর্তনের সূচনা হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।

পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে সারনাথ বৌদ্ধ শিক্ষা, গবেষণা ও তীর্থযাত্রার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। বিভিন্ন রাজা, দাতা ও বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্প্রদায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে অসংখ্য স্তূপ, মন্দির ও বিহার নির্মিত হয়। ফলে সারনাথ বিশ্বের চারটি প্রধান বৌদ্ধ তীর্থস্থানের একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর প্রদেশ পর্যটন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৮ সালের ৩ জুলাই সারনাথকে ইউনেস্কোর প্রাথমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। প্রায় ২৮ বছর পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানের মর্যাদা পেল। এর আগে রাজ্যের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান ছিল— তাজমহল, আগ্রা ফোর্ট ও ফতেহপুর সিক্রি—যেগুলো আগ্রা অঞ্চলে অবস্থিত।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

সারনাথ সেই পবিত্র ভূমি, যেখানে বোধিলাভের পর প্রভু বুদ্ধ মানবজাতির উদ্দেশ্যে তাঁর প্রথম ধর্মদেশনা দেন এবং ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন’ শুরু করেন। প্রাচীন বৌদ্ধ গ্রন্থে এটি ‘ঋষিপত্তন’ নামেও উল্লেখিত।

মনোনয়নের কয়েক মাস আগে, ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ (এএসআই) সাইটটির ইতিহাস সংশোধনের অংশ হিসেবে পূর্বের ফলকটি পরিবর্তন করে। এতে ঔপনিবেশিক শাসকদের পরিবর্তে স্থানীয় রাজপরিবারকে আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানায়, ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদদের কৃতিত্ব দেওয়ার প্রচলিত ধারণা বদলানোর একটি প্রস্তাব আনা হয়েছিল।

জগত সিংহের বংশধর প্রদীপ নারায়ণ সিংহ এক বিবৃতিতে জানান, “প্রামাণ্য নথি ও প্রাথমিক ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণের পর এএসআই স্বীকার করেছে যে, বারাণসীর সারনাথ প্রথম আলোচনায় আসে বাবু জগত সিংহের নির্দেশে পরিচালিত খননের মাধ্যমে।”

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, “সারনাথ প্রভু বুদ্ধের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত, যার জ্ঞান, করুণা ও সম্প্রীতির বার্তা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করে। এই স্বীকৃতি ভারতের গভীর সভ্যতা ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের উদযাপন।”

সংরক্ষণ স্থপতি অভা নারায়ণ লাম্বা, যিনি সারনাথের ইউনেস্কো মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, “সারনাথের পরিচয় শুধু এর স্থাপত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে এখানে বৌদ্ধ তীর্থযাত্রার ঐতিহ্য জীবন্ত রয়েছে—এই সমন্বিত সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যই সারনাথকে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদার জন্য অনন্যভাবে যোগ্য করে তুলেছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাতার মধ্যে অভিনব কৌশলে রাখা বোমাটি জিআই পাইপে তৈরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ এম


ছাতার মধ্যে অভিনব কৌশলে রাখা বোমাটি জিআই পাইপে তৈরি

রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া শক্তিশালী বোমাটির বিভিন্ন উপকরণের ফরেনসিক পরীক্ষা করছে পুলিশ। এই বোমার উৎস নিয়েও তদন্ত চলছে। সমকাল এক প্রতিবেদনে জানায়, বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আশপাশের সিসি ক্যামেরার যেসব ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এর আগে উদ্ধার হওয়া বোমার সঙ্গে এর মিল রয়েছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন। ছাতার ভেতরে অভিনব কৌশলে রাখা বোমাটি জিআই পাইপ দিয়ে তৈরি। এটিতে সার্কিট ও ব্যাটারি যুক্ত ছিল। শুক্রবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টো রথযাত্রা যখন মতিঝিলের মেট্রোস্টেশন এলাকার কাছ দিয়ে যায়, তখন পুলিশ বোমাটি ঘিরে রেখে 'শর্টসার্কিট'-এর কথা বলে তাদের পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রথযাত্রায় নাশকতার উদ্দেশ্যে এটি রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় শুক্রবার রাতে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক মির্জা মোহাম্মদ মুক্তা বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। বেআইনিভাবে বিস্ফোরক দ্রব্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ, বহন বা ব্যবহার এবং অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করার অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়। সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জীবন বিপন্ন করার লক্ষ্য ছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রশিক্ষিত ব্যক্তি ছাড়া এ ধরনের শক্তিশালী বোমা তৈরি প্রায় অসম্ভব। বিভিন্ন সময় জব্দ বোমার সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বোমার উৎস ও এর পেছনে কোনো উগ্রপন্থি নেটওয়ার্ক রয়েছে কিনা, তা তদন্ত চলছে। কেরানীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া বোমা; যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও কুমিল্লার সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের সঙ্গে এ ঘটনার সম্ভাব্য যোগসূত্র যাচাই করা হচ্ছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, বোমাটি ছাতাটির সঙ্গে অভিনব কৌশলে লাগানো ছিল। কেউ কৌতূহলবশত খুললেই বিস্ফোরণ ঘটত। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটত। এটা কারা করেছে এবং কী উদ্দেশ্য করেছে, এখনও পরিষ্কার নয়। পুলিশসহ একাধিক সংস্থা তদন্ত করছে। সিটিটিসির আরেক কর্মকর্তা বলেন, বোমাটি কী কী উপকরণে তৈরি, তা শনাক্তে আলামতের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। এদিকে মতিঝিল থানার মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রথযাত্রার নিরাপত্তায় দায়িত্বরত সার্জেন্ট কাওসার হোসেন ঢাকা মহানগর পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে (কন্ট্রোল রুম) ফোন করেন। তিনি জানান, মেট্রারেলের নিচে একটি ছাতা পাওয়া গেছে। সেই ছাতায় আলো জ্বলছে। এরপর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বেতার যন্ত্রের মাধ্যমে মতিঝিল থানাকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়। তখন মতিঝিল থানার ওসি পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে মির্জা মোহাম্মদ মুক্তা ও মেট্রোরেলের নিচে দায়িত্বে থাকা সহকারী উপপরিদর্শক সোহেল রানাকে জানিয়ে দেন। এর পরই মির্জা মোহাম্মদ তাঁর ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে জেনারেটর রুম-সংলগ্ন জায়গায় ছাতার ভেতরে 'বোমাসদৃশ' বস্তু দেখতে পান। বস্তুটিতে লাল আলো মিটমিট করে জ্বলছিল। এরপর ওসির পরামর্শে তারা জায়গাটি ঘিরে রাখেন। এরপর পুলিশ উল্টো রথযাত্রার অংশগ্রহণকারীদের 'বৈদ্যুতিক শর্টশার্কিট'-এর কথা বলে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে বলে। ঘটনার মধ্যে ঘটনাস্থলে যান মতিঝিল থানার ওসি। রথযাত্রা শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তিনি বিষয়টি জানান মতিঝিল বিভাগের এডিসিকে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলকে খবর দেওয়া হয়। তারা সাত মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে। ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের এক কর্মকর্তা জানান, এটি ছিল আইইডি বা পাইপ বোমা। এর ভেতরে প্রায় দেড় কেজি বিস্ফোরক পদার্থ, বিপুল সংখ্যক লোহার টুকরো ও বিয়ারিং বল ছিল। ব্যাটারি ও সার্কিটের মাধ্যমে ওইভাবে বোমাটি তৈরি করা হয়েছিল, যাতে কেউ ছাতার বোতাম চাপলেই বিস্ফোরণ ঘটত। পুলিশের মতিঝিল বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাস্পিয়ান সাগরে জাহাজে হামলার জেরে ইউক্রেনের কূটনীতিক তলব ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ এম


কাস্পিয়ান সাগরে জাহাজে হামলার জেরে ইউক্রেনের কূটনীতিক তলব ইরানের

কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নাবিক নিহত ও আরও একজন আহত হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, শনিবার (২৫ জুলাই) ঘটনার জন্য ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে অভিহিত করে ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করছে, ইউক্রেনের নেতৃত্ব এ হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তেহরানের বক্তব্য হলো, এটি ইরানের প্রতি কিয়েভের ‘অযৌক্তিক ও বৈরী নীতির’ ধারাবাহিকতা। একই সময়ে, ইরান তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছে।

ইরান আরও বলেছে, এ হামলা জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন করে এবং তা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত ও উসকে দিতে পারে।

আপনারা জানবেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে টেলিফোনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে বলা হয়, আরাঘচি এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর প্রতিক্রিয়া দাবি করেছেন। পাশাপাশি, এ ঘটনার জন্য দায়ীদের এবং তাদের সমর্থকদের জবাবদিহির আওতায় আনতে আহ্বান জানান তিনি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে দাবি করেছেন, কাস্পিয়ান সাগরে দূরপাল্লার হামলায় ইউক্রেন ‘খুব শক্তিশালী ফলাফল’ অর্জন করেছে। তার দাবি, যে জাহাজটি ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক মালামাল বহনে ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি যুদ্ধজাহাজে আঘাত হানা হয়েছে। তবে, তেহরান উল্লেখ করা বাণিজ্যিক জাহাজের নাম উল্লেখ করেননি।

জেলেনস্কি আরও অভিযোগ করেন, রাশিয়া উপসাগরীয় দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনার স্যাটেলাইট চিত্র ইরানকে সরবরাহ করছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯ ও ২০ জুলাই বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতের বিমানঘাঁটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

আপনারা জানবেন, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর, ইরান রাশিয়াকে শাহেদ ড্রোন সরবরাহ করে আসছে। ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ৪৪ হাজারের বেশি ইরানি নকশার ড্রোনকে ভূপাতিত করেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ এম


চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

এবার চট্টগ্রামের খুলশীতে অভিযান চালাতে গিয়ে সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে ডবলমুরিং থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

নাম মোবিনুল ইসলাম (৩৬) নিয়ে কথা হচ্ছে। তিনি ডবলমুরিং থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত আছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অন্তত ১৭টি মামলার আসামি, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি আলমগীরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে ডবলমুরিং থানার একটি বিশেষ দল আমবাগান এলাকায় অভিযান চালাতে যায়।

অভিযানের সময় দুষ্কৃতকারীরা অতর্কিতভাবে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এরপর ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা আহত এসআই মোবিনুল ইসলামকে উদ্ধার করে রাত পৌনে নয়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের মিনি অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, এসআই মবিনুল ইসলামের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করা হয়েছে। তিনি এখন চিকিৎসাধীন আছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) ছুরিকাঘাত করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত পুলিশের ওই কর্মকর্তার নাম মো. ওসমান গনি। তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ঢাকার ইমিগ্রেশনে শাখায় কর্মরত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঙ্গোতে ইবোলা রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৩০৭৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ এম


কঙ্গোতে ইবোলা রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৩০৭৫

কঙ্গোতে ইবোলা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৭৫ জনে। সরকারি তথ্যে জানা গেছে, এর মধ্যে ১৩৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা শনিবার (২৫ জুলাই) প্রকাশিত হয়েছে।

আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) জানিয়েছে যে, বর্তমানে এই প্রাদুর্ভাবটি মহাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ইবোলা প্রাদুর্ভাব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে কর্তৃপক্ষের নজরদারির আড়ালে রোগটি ছড়িয়ে পড়া শুরু করে, এরপর গত ১৫ মে কঙ্গো সরকার নতুন করে এই প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেয়। চিকিৎসকদের মতে, এই সংক্রমণটি বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ভাইরাসের কারণে ঘটেছে, যা কোনো অনুমোদিত টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এবং প্রতিষেধক খোঁজার লক্ষ্যে গবেষকদের বহু প্রতীক্ষিত একটি গবেষণার পর, চিকিৎসার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) শুরু হয়েছে।

কিন্তু কঙ্গোতে ইবোলা নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একদিকে তহবিলের তীব্র ঘাটতি তো অন্যদিকে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় সংঘাতময় এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর দ্বারা বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে সম্পূর্ণরূপে কাজ করতে পারছেন না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%