ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়ন করে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়


বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়ন করে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

ঢাকা দক্ষিণ, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, নির্বাচনে জনগণের কাছে যা কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পূরণ করতে বিএনপি সরকার সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর।

আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ উপজেলার তেঘুরিয়া ও কোণ্ডা ইউনিয়নে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি বীজ এবং সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা আমাদের নির্বাচনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। স্থানীয় নির্বাচন, অন্যান্য উন্নয়ন কাজ এবং বিভিন্ন সুবিধার যে দাবিগুলো রয়েছেÑ সেগুলো আমরা শুনবো এবং তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। আমি আশা করি, এ পথচলায় আপনাদের সকলের পূর্ণ সহযোগিতা পাবো।

আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিলে শিক্ষকেরও জবাবদিহি থাকা উচিত: মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেÑ এই কথাটি আপনাদের সবসময় বিশ্বাস রাখতে হবে। কারণ আপনি সকলেই আমাকে মনোনীত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আমাদের সব জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি এবং যা কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা রক্ষা করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছি। আমরা এখান থেকে আপনাদের কেবল দোয়া এবং সমর্থন কামনা করছি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় তেঘুরিয়া ও কোণ্ডা ইউনিয়নের শতাধিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জাতের গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

এ সময় কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: মানবতার জয়: বসুন্ধরা শুভসংঘের ‘সেরা সংগঠন সম্মাননা’ পেল Blood Donation Society of Lalmonirhat

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থানচিতে পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তিন গাইড বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


থানচিতে পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তিন গাইড বহিষ্কার

বান্দরবান, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের কারণে বান্দরবানের থানচিতে নয় দিনের ব্যবধানে তিনজন নিবন্ধিত পর্যটক গাইডকে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ গতকাল রোববার একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে সাশৈথোয়াই মারমা নামে এক পর্যটক গাইডকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর পূর্বে ২ আগস্ট একজন গাইড এবং ৬ আগস্ট আরও একজন গাইডকে বহিষ্কার করা হয়। এর ফলে চলতি আগস্ট মাসে এ পর্যন্ত তিনজন পর্যটক গাইডকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ বহিষ্কারাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত পর্যটক গাইড সাশৈথোয়াই মারমা, বাবা চাই অং প্রু মারমা, ওয়েলাওয়াও পাড়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড, থানচিÑ প্রশাসনের বিধি-বিধান অমান্য করে পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন। গত ৮ আগস্ট পর্যটন তথ্যসেবা কেন্দ্রের সামনে পর্যটকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তাকে গাইড হিসেবে বহিষ্কারের বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হয়েছে। একইসাথে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক, আইনশৃঙ্খলা ও পর্যটন বিষয়ে যেসব দপ্তর ও সংগঠন রয়েছে, তাদেরকে এই বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

থানচির পাহাড়, ঝরনা, খুম, নদী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসেন। পাশাপাশি, পর্যটকদের নিরাপত্তা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং সুন্দর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় গাইডদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন, গাইডদের অনিয়ম এবং পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের প্রভাব কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর গুটিয়ে থাকে না; বরং এর নেতিবাচক প্রভাব পুরো পর্যটন খাতের ওপর পড়ে। তাই গাইডদের আচরণবিধি অনুসরণ করা, প্রশাসনের নির্দেশনা মানা এবং পর্যটকদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল বাসসকে বলেছেন, থানচির পর্যটন খাতকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং পর্যটকবান্ধব করতে নিবন্ধিত গাইডদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতনতা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

এ ধারাবাহিক বহিষ্কারের ঘটনা থানচির পর্যটক গাইড ব্যবস্থাপনা, গাইডদের আচরণবিধি এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোর বোর্ডে এসএসসি পাসের হারে শীর্ষে খুলনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


যশোর বোর্ডে এসএসসি পাসের হারে শীর্ষে খুলনা

খুলনা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যশোর। আজ সোমবার যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রকাশিত ফলাফলগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় খুলনা জেলা মোট ৫৪টি কেন্দ্রে ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১৪ হাজার ৪২১ জন, যার ফলস্বরূপ পাসের হারে ৬৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটির মাধ্যমে খুলনা বোর্ডের শীর্ষে অবস্থান গড়ে উঠেছে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা যশোর জেলায় ৫৩টি কেন্দ্রে ৪৯৫টি প্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার ৯০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে পাস তাদের ১৫ হাজার ১১৮ জন।

এছাড়া, বাগেরহাট জেলা থেকে ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, এবং তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৫৭ জন পাস করেন, পাসের হার দাঁড়ায় ৬৬ দশমিক ৩৭।

সাতক্ষীরা থেকে ১৪ হাজার ২৪৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন, এবং ৯ হাজার ৪৪৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন, পাসের হার এখানে ৬৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

কুষ্টিয়া জেলার ১৯ হাজার ৯৮২ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১২ হাজার ৫৬৯ জন, যার পাসের হার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা থেকে ৮ হাজার ৫৯৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫ হাজার ৯০৪ জন, পাসের হার ৬৮.৭০।

মেহেরপুর জেলা থেকে অংশ নিয়েছিল ৬ হাজার ১২৫ শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৩ হাজার ৯৩৫ জন, পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।

নড়াইল জেলা থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৬ হাজার ১৯৪ জন এবং ৪ হাজার ৩৬ জন পাস করেছেন, পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৬ শতাংশ।

ঝিনাইদহ জেলা থেকে আসা ১৫ হাজার ৯৬৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১০ হাজার ৫৪ জন, পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

মাগুড়া জেলার ৭ হাজার ৪৯৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশগ্রহণ করেছে। এখানে ৪ হাজার ৮৬০ জন পাস করেছেন, এবং পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী মন্তব্য করেন, ইংরেজি ও গণিতের কারণে আমাদের ফলাফল কিছুটা খারাপ হয়েছে, যার জন্য পাসের হার কমেছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি বিষয়েই ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি।

তিনি আরো জানান, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও নির্ধারিত নিয়মগুলি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যা নয়, শিক্ষার গুণগত মানই বোর্ডের উদ্দেশ্য।

ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


হঠাৎ দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক হঠাৎ করে দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করেছে।

গ্রাহকদের দেওয়া আমানতের সুদ বা মুনাফার বিপরীতে নির্ধারিত হারে উৎসে কর (টিডিএস) কাটা সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, কাটা কর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ সোমবার (১০ আগস্ট) একটি সার্কুলার জারি করে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংকে আমানতের সুদ বা মুনাফা পরিশোধের সময় সঠিক হারে উৎসে কর কর্তন করা হয়নি এবং তা যথাসময়ে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও ত্রুটি ধরা পড়েছে। এতে পরবর্তীতে কর সমন্বয় ও নিরীক্ষার সময় জটিলতা তৈরি হচ্ছে। একই সময়ে, নির্ধারিত হারে কর না কাটার কারণে সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১০২ ধারা অনুযায়ী, সঞ্চয়ী, স্থায়ী, মেয়াদি কিংবা অন্য যে কোনো ধরনের আমানতের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ বা মুনাফা থেকে গ্রাহকদের ধরন অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে উৎসে কর কাটতে হবে। অতিরিক্তভাবে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪২ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো গ্রাহক রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বা পিএসআর (প্রুফ অব সাবমিশন অব রিটার্ন) দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে স্বাভাবিক হারের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি হারে উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলারে উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সময়সীমা স্পষ্ট করা হয়েছে। উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৩ অনুসারে, জুলাই থেকে মে মাস পর্যন্ত কোনো মাসে কর কাটা হলে ওই মাস শেষ হওয়ার পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

জুন মাসের ১ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে কর কর্তন করা হলে সার্ভার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে তা জমা দেওয়া হবে। আর ২১ তারিখ থেকে মাসের শেষ দিন পর্যন্ত কর কাটা হলে পরের দিনই সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কর্তৃক কাটা উৎসে কর নির্ধারিত সময়ের পর জেনারেল লেজার বা অন্য কোনো হিসাবের মধ্যে আটকে রাখা যাবে না। সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার জন্য সময়সীমার মধ্যে কাজ করতে হবে।

এছাড়াও, উৎসে কর কর্তনের সব তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ, প্রয়োজনীয় বিবরণী প্রস্তুত এবং চালানের কপি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল নিশ্চিত করার ব্যাপারে নির্দেশনা রয়েছে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, উৎসে কর কর্তন ও সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩ এবং উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৩-এর অন্যান্য প্রযোজ্য বিধানও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০০ পি.এম


অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবিক অর্থেই আমাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ এবং গুরুত্বপূর্ণ মিত্র।

সোমবার (১০ আগস্ট) বরিশালের গৌরনদী ক্যাথলিক চার্চে আন্তঃধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়টি উল্লেখ করেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, পোশাক রপ্তানি, রেমিট্যান্স এবং বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে দু’দেশের এই অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আমাদের রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এই তথ্যও তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিবাসীরা প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছেন। এছাড়া, বাংলাদেশে আসা মোট বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) সিংহভাগই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে, যা আমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় বড় অবদান রাখছে।

এসময় তিনি মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ঘুরতে যাওয়ায় স্বাগত ও অভিনন্দন জানান।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে এবং সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির চর্চা হয়ে আসছে, যা এই অনুষ্ঠানে প্রতিফলিত হয়েছে।

নিজ দেশের মূলনীতির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত জানান, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ২৫০ বছর উদযাপন করছে। আমাদের দেশের অন্যতম মূল ভিত্তি হলো ধর্মীয় স্বাধীনতা, যেখানে প্রতিটি মানুষ কোনো ভয়ভীতি বা নিপীড়ন ছাড়া স্বাধীনভাবে নিজ ধর্ম পালন করতে পারে। এই নীতি যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সূচনা থেকেই চলে আসছে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং বিশ্বজুড়ে সম্প্রীতির পক্ষে অবস্থান তুলে ধরে।

সার্বজনীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, উৎসব সবার জন্য হওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রেও আমরা ঈদ, দীপাবলি, ক্রিসমাস ও ইস্টারের মতো অনুষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে পালন করি, যা বিভিন্ন সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মানুষের মাঝে মেলবন্ধন তৈরি করে।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য ধর্মীয় গুরুদের অবদান অপরিসীম। স্থানীয় কোনো ধর্মীয় বিরোধ যেন বড় কোনো সংঘাতে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে ধর্মীয় ও স্থানীয় নেতাদের সর্বদা সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। ধর্ম যার যার উৎসব সবার, বাংলাদেশের এই ধারণা একটি চমৎকার উদ্যোগ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গৌরনদী ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পুরোহিত ফাদার লিটন ফ্রান্সিস গোমেজ। সভায় গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম, আগৈলঝাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিরুপম মজুমদার, কলেজ অব ক্রিশ্চিয়ান থিওলজি বাংলাদেশের উপাচার্য রেভারেন্ড ড. পলাশ রায়সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%