ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিতেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল


দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিতেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

বিশ্বের অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রেখে ইতিহাসের সর্বোচ্চ উন্নয়ন অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি উল্লেখ করেন, 'বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও জনগণের কল্যাণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরো জোরদার করা হবে।'

নাটোরের লালপুর উপজেলার মোহড়কয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, 'বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার প্রভাব অনেক দেশকে পিছিয়ে দিলেও বাংলাদেশ পরিকল্পিত পদক্ষেপ ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে যাচ্ছে।' জনগণের অংশগ্রহণ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ, সড়ক পাকা না হওয়ায় কৃষকদের সমস্যা

প্রধান অতিথির বক্তৃতার সময় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, 'সরকার শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে।'

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহড়কয়া ডিগ্রি পাস ও অনার্স কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর ইসমত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরকত উল্লাহ।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে লালপুর উপজেলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে ১ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক, সহায়তায় প্রতিমন্ত্রী টুকু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে জন্মহার ২ শতাংশ বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


দেশে জন্মহার ২ শতাংশ বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘জন্মহার কমিয়ে আমরা বিশ্বে সুনাম করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় বর্তমানে আমাদের জন্মের হার ২ শতাংশ বেড়েছে।’

আজ রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরে আকস্মিক সফরে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে এক পিস অতিরিক্ত কনডম পাইনি, মানুষকে দেওয়ার মতো সুখী ট্যাবলেট নেই। জন্মনিয়ন্ত্রণের কোনো ঔষধ স্টক নেই। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমার জন্মনিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতির বাফার স্টক করব।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সারা দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানের সঙ্গে তুলনা করলে চাঁদপুরে খুব ভালো পেয়েছি। খাবার থেকে টয়লেটের পরিচ্ছন্নতা, ডাক্তার-নার্স-অ্যাটেনডেন্টে আমি সন্তুষ্ট।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করব। এ জন্য যা যা করার প্রয়োজন, আমরা এরই মধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমরা প্রতিজ্ঞা করছি, দেশকে উন্নত করব এবং স্বাস্থ্য বিভাগকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন সরঞ্জাম অযথা ফেলে রেখে নষ্ট করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশকে কতদিনে উন্নত করা সম্ভব হবে, তা বলা কঠিন।’

এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, সিভিল সার্জন ডা. নুর আলম দীন, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমানসহ চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অব্যবস্থাপনা দেখে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. নুরে আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে মৌখিকভাবে তাকে সতর্ক করে স্ট্যান্ড রিলিজ প্রত্যাহার করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪২ ঋণখেলাপির পাচার করা অর্থ উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


৪২ ঋণখেলাপির পাচার করা অর্থ উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু

দেশের ব্যাংক খাতের বড় ঋণ খেলাপি ঋণের টাকা আদায়ের জন্য এবার বিদেশে অবস্থিত সম্পদ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। বিদেশে পাচার করা ঋণের অর্থ অথবা বিদেশে অবস্থানরত ঋণখেলাপিদের সম্পদ চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ ঘটানোর এবং দেশে ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো।

এই কার্যক্রমের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণের অধিকারী ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিদেশে অবস্থিত সম্পদের সন্ধান ও উদ্ধারের কাজে আটটি আন্তর্জাতিক আইন ও পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত রয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ২০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া কিছু ঋণের অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে থাকতে পারে এবং কিছু ঋণগ্রহীতার মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশে পাওয়া যাচ্ছেন না। এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বিদেশে অবস্থিত সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। যেখানে অর্থ অথবা সম্পদ পাচার হয়ে থাকতে পারে, সেসব দেশের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো সম্পদ উদ্ধার করা গেলে, তা হলে চুক্তির আওতায় উদ্ধার করা অর্থের একটি অংশ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে পারিশ্রমিক হিসেবে সরবরাহ করা হবে।

প্রথম ধাপে ১১ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যারা বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে গঠিত যৌথ তদন্ত দলের তালিকায় রয়েছে। এখানে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), কাস্টমসের গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এবং আয়কর বিভাগের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এর ওপর।

এছাড়া, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাংকগুলোর পাওনা খেলাপি ঋণ আদায়েও বিদেশি আইন ও পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। এই কার্যক্রমে গ্র্যান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি ও পিডব্লিউসি, ডিএলএ পাইপার ও ক্রল, ইওয়াই ও ডেন্টনস, রহমান রাভেলি ও ইন্টারপাথ, হোয়াইট অ্যান্ড কেস এবং ডেলয়েট সহ বহু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে— এমন ৪২টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোর (সিআইবি) তথ্য বিশ্লেষণ করে। আটটি বিদেশি আইন ও পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানকে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদেশে অবস্থিত সম্পদের সন্ধান করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংক্রমিত অন্যান্য দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুর, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, হংকং, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।

বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের মাধ্যমে নির্ধারণ করছে যে বিদেশে প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে কি সম্পদ রয়েছে, তার অবস্থান, ধরণ এবং সম্ভাব্য মূল্য। সম্পদের সন্ধান পেলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী তা স্থগিত, জব্দ বা আটকের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে সম্পদ পাঠানোর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে এবং বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কেও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে, চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে যে "উদ্ধার না হলে পারিশ্রমিক নয়", যা ব্যাংকগুলোকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা খরচ না করতে সহায়তা করবে।

বিদেশে থাকা সম্পদ চিহ্নিত ও উদ্ধারের এই উদ্যোগটি বড় খেলাপিদের ঋণ আদায়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে দেশের বিচার প্রক্রিয়া চলমান। তবে, বিদেশে থাকা সম্পদ জব্দ, বিক্রি বা নিষ্পত্তির সমস্ত পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল, যা সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

এক্ষেত্রে দীর্ঘদিন আটকে থাকা ঋণ আদায়ে বিদেশে থাকা সম্পদ শনাক্তের এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫০ কোটি টাকায় পিকে-শাকিরার প্রাসাদসম বাড়ি কিনলেন ইয়ামাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


১৫০ কোটি টাকায় পিকে-শাকিরার প্রাসাদসম বাড়ি কিনলেন ইয়ামাল

অভাবের কারণে একসময় লামিনে ইয়ামাল এমন এক ফ্ল্যাটে থাকতেন, যেখানে রান্নাঘর আর শোবার ঘর একসঙ্গে ছিল।

আজকের ইয়ামাল ফুটবল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তারকা হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি তিনি স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার পর, এবার কিনলেন প্রাসাদসম এক একটি বাড়ি। এই বাড়িটি আগে ছিল বার্সা কিংবদন্তি জেরার্দ পিকে ও তাঁর সাবেক প্রেমিকা পপ গায়িকা শাকিরার।

স্পেনের ক্রীড়া দৈনিক স্পোর্তের খবরে প্রকাশ পায়, কাতালোনিয়ার এসপ্লুগেস দে লোব্রেগাত এলাকায় ইয়ামালের কেনা ওই বাড়িটির দাম ১ কোটি ৫ লাখ ইউরো, যা বাংলাদেশের হিসেবে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার সমান।

পিকে ও শাকিরার সম্পর্ক শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে এবং বাড়িটি ২০১২ সালে নির্মিত। তারা ওই বাড়িতে ২০২২ সালে বিচ্ছেদের আগ পর্যন্ত বসবাস করতেন। দুজন আলাদা হওয়ার পর এ বাড়িটি বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।

স্পেনের আরেক সংবাদমাধ্যম এল পাইসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ামালের বাড়িটি ৩৮০০ বর্গমিটারের বিশাল জায়গাজুড়ে অবস্থিত। এখানে তিনটি ভবন রয়েছে—একটি প্রধান বাড়ি ও দুটি আলাদা বাড়ি।

এছাড়া, এখানে ইনডোর ও আউটডোর সুইমিংপুল, টেনিস কোর্ট, জিমনেসিয়াম, একাধিক চত্বর, সিনেমা হল এবং একটি রেকর্ডিং স্টুডিও রয়েছে।

প্রথমে এই সম্পত্তির দাম ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো (প্রায় ২০০ কোটি টাকা)। ২০২২ সালে এটি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। কিন্তু এরপর একটি ছোট বাড়ি বিক্রি হয়ে যাওয়ার পরে পুরো দাম থেকে ৩৫ লাখ ইউরো (প্রায় ৫০ কোটি টাকা) কমানো হয়। সুতরাং বর্তমানে এর মূল্য ১ কোটি ৫ লাখ ইউরো (প্রায় ১৫০ কোটি টাকা) দাঁড়িয়েছে।

এই দুই ভবনে শোবার ঘর ছয়টি ও বাথরুম পাঁচটি রয়েছে। ১৯ বছর বয়সী ইয়ামাল শুরু থেকেই এই প্রাসাদ কিনতে আগ্রহী ছিলেন। এটি কেনার জন্য তিন মাস ধরে আলোচনা চলছিল। আইনজীবীরা পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেছেন। সাবেক মালিক পিকে ও শাকিরা অনুপস্থিত থাকায় দর-কষাকষির পর সমঝোতায় পৌঁছাতে সময় লেগেছে।

এখন মালিকানা পাওয়ার পর ইয়ামাল নিজের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী বাড়িটি সাজাতে চান। এ জন্য কিছু অর্থ সংস্কারকাজে ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছেন বলে এল পাইস জানিয়েছে।

এত দামী একটি বাড়ি কেনার সামর্থ্য অনেক ফুটবলারের নেই। কিন্তু ইয়ামালের ফুটবল প্রতিভা তাকে বিশাল অংকের অর্থ উপার্জনের সুযোগ এনে দিয়েছে।

বার্সেলোনার সঙ্গে ইয়ামালের চুক্তি রয়েছে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত। এই চুক্তিতে তার বার্ষিক বেতন প্রায় ৩ কোটি ইউরো (৪২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা)। যদি তিনি চুক্তির পুরো সময় বার্সেলোনায় কাটান, তবে ১৮ কোটি ইউরো (২৫৬৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা) পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। এছাড়া বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করে আরও বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জন করবেন।

বিখ্যাত সাময়িকী ফোর্বস জানায়, ইয়ামালের মোট বার্ষিক আয় হতে পারে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো (প্রায় ৫২৭ কোটি টাকা)। এতে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলারদের তালিকায় স্থান পাবেন, যেখানে লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপ্পে, জুড বেলিংহামের মতো খেলোয়াড়রা রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মা-বাবা, অভিযোগের পর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মা-বাবা, অভিযোগের পর কারাদণ্ড

যশোরের অভয়নগরে মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিলেন ভুক্তভোগী মা-বাবা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আছাদ শেখ (৩৮) নামের ওই ছেলেকে আটক করে।

অভিযানের পর, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ কুমার বসু এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আছাদ শেখ উপজেলার বুইকারা গ্রামের আনছার আলী শেখ ও তফুরা খাতুনের ছেলে। পেশায় তিনি ঘাটশ্রমিক। স্থানীয় সূত্র জানায়, আছাদ শেখ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তিনি প্রায়ই মা-বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। একপর্যায়ে তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে তারা অভিযোগ করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার মো. খায়রুজ্জামান জানান, রবিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বুইকারা গ্রামের কলোনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় আছাদ শেখকে দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আশীষ কুমার বসু বলেন, 'মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার মা-বাবা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে মাদকদ্রব্য ও সেবনের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। শুনানি শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%