মো:নিয়াজ মোরশেদ জামালপুর (বকশীগঞ্জ) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৬ পি.এম
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে বকশীগঞ্জে সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। বক্তাদের দাবি, এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে একটি জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন মিলে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানের হোল্ডিং থেকে রাস্তার অংশ আলাদাভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে ওই জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি কৌশলে রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও তাকে মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য জানা যায়নি।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু,সাংবাদিক মারুফ হাসান, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, তাহের, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।বকশীগঞ্জে সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
রাশেদুল ইসলাম রনি :
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে বকশীগঞ্জে সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। বক্তাদের দাবি, এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে একটি জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন মিলে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানের হোল্ডিং থেকে রাস্তার অংশ আলাদাভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে ওই জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি কৌশলে রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও তাকে মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য জানা যায়নি।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু,সাংবাদিক মারুফ হাসান, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, তাহের, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের তারকা ফাস্ট বোলার মার্ক উড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, বারবার আক্রান্ত বাম হাঁটুর গুরুতর ইনজুরির কারণে ৩৬ বছর বয়সী এই গতিদানব তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ছেন, তবে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উড জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার পক্ষে টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়, এই কারণে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটাচ্ছেন।
২০১৫ সালে অভিষেকের পর থেকে উড তার ১১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের অন্যতম প্রধান শক্তি ছিলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি চোটের সাথে অবিরাম লড়াই করেও বল হাতে গতির ঝড় তুলেছেন এবং ইংল্যান্ডের বড় বড় সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
তিনি ইংল্যান্ডের হয়ে সব ফরম্যাটেই অসাধারণ অবদান রেখেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে ৩৮ ম্যাচে ১১৯ উইকেট এবং ওয়ানডেতে ৭০ ম্যাচে ৮০ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া, টি-টোয়েন্টিতে ৩৮ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ৫৪ উইকেট।
আরো পড়ুন
অঘটনের শঙ্কা জাগিয়ে ভারতের কাছে হারল জাপান।
মার্ক উড শুধুমাত্র গতির জন্যই পরিচিত ছিলেন না, বরং তিনি ইংল্যান্ডের আধুনিক ক্রিকেটের বেশ কিছু বড় সাফল্যের নেপথ্য কারিগরও ছিলেন। ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক অ্যাশেজ জয়ে ট্রেন্ট ব্রিজে দলের জয়সূচক শেষ উইকেটটি নিয়েছিলেন তিনি।
এছাড়া, ইংল্যান্ডের ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম প্রধান শক্তি ছিলেন এই পেসার।
আরো পড়ুন
ফিফা সংস্কারের প্রস্তাব ইনফান্তিনোর
বিদায়বেলায় উড আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘পরিসংখ্যান হয়তো বলবে না যে আমি ইতিহাসের সেরা বোলার ছিলাম, তবে আমি আশা করি আমার সতীর্থরা মনে রাখবে যে আমি প্রতিবার মাঠে নিজের শতভাগ উজার করে দিয়েছিলাম।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফিজ নাঈমুর রহমানকে পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে রাজধানী ইসলামাবাদমুখী লং মার্চ স্থগিত রাখতে অনুরোধ করেছেন।
এছাড়া, তিনি জ্বালানি কর নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনায় বসার প্রস্তাবও দিয়েছেন। তবে জামায়াতের আমির জানিয়েছেন, লং মার্চ স্থগিত হলেও প্রতিবাদ করার অধিকার তারা ছাড়বে না।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামাবাদমুখী মার্চের সময় জামায়াতের আমির মুলতানে পৌঁছানোর পর শেহবাজ তাকে ফোন করেন। এই ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের ইসলামাবাদমুখী মার্চ স্থগিত রাখার অনুরোধ করেন।
হাফিজ নাঈম প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের জবাবে বলেন, জামায়াতের উদ্দেশ্য সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দিকে ঠেলে দেয়া নয়। তারা জনগণের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরতেই রাস্তায় নেমেছেন এবং প্রতিবাদ করার অধিকার সরকারের সম্মান করা উচিত।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজের অনুরোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পরিষদ শুরার সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, সরকারের অনুরোধে মার্চ স্থগিত করা হলেও প্রতিবাদ করার অধিকার জামায়াত ছাড়বে না।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হাফিজ নাঈমের নেতৃত্বে জামায়াতের ট্রেন মার্চ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মুলতানে পৌঁছায়। সেখানে রেলস্টেশনে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের আমির।
তিনি জানান, ট্রেনটি চার ঘণ্টা দেরিতে মুলতানে পৌঁছেছে। তবে এই বিলম্বও সমর্থকদের মার্চকে স্বাগত জানাতে আসা ঠেকাতে পারেনি। হাফিজ নাঈম বলেন, ‘যারা ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা মুলতানে আমাদের স্বাগত জানাতে কত মানুষ বেরিয়ে এসেছে, তা দেখুক।’
বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ার বিভিন্ন শহর ও জনপদেও একইভাবে মানুষ জামায়াতের এই মার্চকে স্বাগত জানাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, এই মার্চ দক্ষিণ পাঞ্জাব হয়ে মধ্য পাঞ্জাবে যাবে।
সরকারের উদ্দেশে পাকিস্তান জামায়াতের আমির বলেন, রাস্তায় কনটেইনার ফেলে, বাধা দিয়ে এই মার্চ থামানো যাবে না। তিনি পেট্রোলিয়াম লেভির মধ্যে থাকা কথিত ‘চাঁদাবাজির কর’ প্রত্যাহার এবং জনগণকে স্বস্তি দেয়ার দাবি জানান।
জামায়াতের আমির বলেন, তারা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরছেন। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো রাজনৈতিক দলগুলো যথাযথভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। ভোক্তাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপের উদাহরণ হিসেবে গম, আটা ও চিনির দাম বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন তিনি।
হাফিজ নাঈম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আটা ও চিনি ব্যবসায়ীদের প্রভাব রয়েছে। তিনি সরকারের নীতিতে চিনি আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে অসঙ্গতির বিষয়েও সমালোচনা করেন।
স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের সঙ্গে সরকারের চুক্তি নিয়ে জামায়াতের আগের আন্দোলনের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ওই ক্ষেত্রেও দলটি জনগণের স্বার্থ তুলে ধরেছিল বলে দাবি করেন জামায়াতের আমির।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে করাচি থেকে লং মার্চ শুরু করে জামায়াতে ইসলামী। পরে ট্রেন ও সড়কপথে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সেই আন্দোলন ইসলামাবাদের দিকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি দলটি দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভও করেছে। এর আগে দাবিগুলো নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনাও করেছে জামায়াত।
এদিকে মুলতানে পৌঁছানোর পর জামায়াতের এই বহর লাহোরের দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর লং মার্চের শেষ ধাপে ইসলামাবাদের দিকে অগ্রসর হবেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সংঘটিত মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থী শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন হাসন নগর এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সেজুল মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রধান সড়কে একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে এবং এতে শ্রাবণসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা উচিত।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, কে প্রথম হামলা করেছিল এবং শ্রাবণ কী পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে জড়িয়েছিল—এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাদের দাবি, শুধু কোনো এক পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে নয়, ঘটনার পুরো ধারাবাহিকতা যাচাই করেই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা উচিত।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, শ্রাবণ একজন শিক্ষার্থী। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই তাকে সামাজিকভাবে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী বা অপ্রাপ্তবয়স্কের ছবি ও পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও অধিকার যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়। এছাড়া শ্রাবণের বাবা জুবাব আলীকে মামলায় আসামি করার বিষয়েও আপত্তি জানানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, জুবাব আলী নতুন হাসননগর এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এ ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শ্রাবণ ও তার পরিবারের বক্তব্যও তদন্ত প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, একপাক্ষিক বয়ান নয়, পুরো ঘটনা সামনে আসুক। অভিযোগ নয়—তদন্তের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসুক।
সংবাদ সম্মেলনে তহুর আলী,আন্জব আলী, তহির মিয়া, তফিক মিয়া, ময়না মিয়া, মাহমুদ আলী, রেজুয়ান, ফরিদ মিয়া, সাঈদুল ইসলাম, আকিনুর, আমিন, ফরিদ আলী, জামাল, ও মাহিবুরসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং শ্রাবণ ও তার পরিবারের বক্তব্য যথাযথভাবে তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ আরিফ উল্ল্যাহ জানান,পুলিশ কখনো পক্ষপাতিত্ব তদন্ত করেনা। মামলা যেহেতু হয়েছে প্রকৃত সত্যি উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ