বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৪ পি.এম
ইতালির আনকোনায় অবস্থিত ফিনক্যানতিয়েরি শিপইয়ার্ডে মঙ্গলবার গভীর রাতে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে একজন শ্রমিকের করুণ মৃত্যু ঘটেছে এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত শ্রমিকের বয়স ৫৫ বছর এবং তিনি একজন তিউনিসীয় নাগরিক। অপরদিকে, আহত ব্যক্তি ২৯ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশি।
সূত্র অনুযায়ী, আহত বাংলাদেশি শ্রমিককে বর্তমানে আনকোনা আঞ্চলিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে, তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁকে পিসার একটি বিশেষায়িত বার্ন সেন্টারে স্থানান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
এই দুই শ্রমিক একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অধীনে কর্মরত ছিলেন এবং যখন তারা জাহাজে কাজ করছিলেন, ঠিক তখনই হঠাৎ আগুন লেগে যায় এবং তারা তীব্র শিখায় আটকা পড়ে যান।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর বুধবার শিপইয়ার্ডের বাইরে ফিয়োম, ফিম এবং উইলম নামের স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়নগুলি বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। তারা একযোগে ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি বা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ইতালিতে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার অভাব এবং দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা বীমা সংস্থা আইএনএআইএল-এর গত সপ্তাহে প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালে ইতালিতে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার কারণে ১,১৮৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এটি ২০২৪ সালের তুলনায় ৩৭ জন কম (৩.০২% হ্রাস), তথাপি হিসাব অনুযায়ী ইতালিতে প্রতিদিন গড়ে ৩ জনেরও বেশি মানুষ কর্মক্ষেত্রে প্রাণ হারাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে চলতি বছরে মশাবাহিত এই রোগে মোট প্রাণহানি ২৪৫ জনে পৌঁছেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত একদিনে নতুন করে ১ হাজার ৯৪৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছর দেশে মোট ৭৯ হাজার ৬২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৪৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ১৮৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২১০ জন, খুলনা বিভাগে ২৪৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২১১ জন, রংপুর বিভাগে ৯৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৪ জন রয়েছেন।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৭৩ হাজার ৮৯০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৮৮২ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনার বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং কানেক্টেড প্রযুক্তি নির্ভর একটি বৃহৎ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে, যা স্মার্টফোনের গণ্ডি পেরিয়ে যাবে। প্রতিষ্ঠানটি স্মার্টফোনের পাশাপাশি ট্যাবলেট, পরিধানযোগ্য ডিভাইস, ল্যাপটপ, টিভি এবং অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসগুলোকে একত্রিত করে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ করার প্রযুক্তি নিয়ে এগোচ্ছে।
ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে সোমবার আয়োজিত ‘অনার কানেক্ট’ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির নতুন পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তির অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো অনারের রোবট ফোন প্রদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নতুন ব্র্যান্ড লোগোও উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অনারের নতুন স্লোগান ‘ডেয়ার টু বি’-এর ধারণা উপস্থাপন করা হয়। প্রযুক্তিকে মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সহজভাবে যুক্ত করা এবং দৈনন্দিন জীবনে এর ব্যবহারকে সহজতর করাই এই স্লোগানের মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।
অনার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জিটিএম পরিচালক লিও পেই মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশে অনার স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও এখন ফোন তাদের বিস্তৃত স্মার্ট ডিভাইস ইকোসিস্টেমের একটি অংশ।" তিনি বলেন, ফোন, ট্যাবলেট, পরিধানযোগ্য ডিভাইস, ল্যাপটপ ও টিভিগুলো এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে এগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বুঝে কাজ করতে পারে।
অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও জানান, "বাংলাদেশের মানুষ এমন প্রযুক্তি চায়, যা দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মানিয়ে যায়।" তিনি আরও বলেন, রোবট ফোনও অনারের বৃহৎ ইকোসিস্টেমের একটি অংশ। সামনে আরও নতুন প্রযুক্তি ও ডিভাইস বাজারে আনা হবে।
অনুষ্ঠানে অনার ম্যাজিক৯ প্রো আনার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ফোনটি বাংলাদেশে পাওয়া যাবে। চলতি বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববাজারে উন্মোচিত এই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনটি সিনেমা ক্যামেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যারির সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে চলচ্চিত্র নির্মাতা রায়হান রাফি এবং সিনেমাটোগ্রাফার সুমন সরকার উপস্থিত ছিলেন। তারা অ্যারি প্রযুক্তি নিয়ে একটি বিশেষ সেশন পরিচালনা করেন। রোবট ফোন নিয়ে রায়হান রাফি বলেন, "ডিভাইসটি দিয়ে পরীক্ষামূলক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, প্রচলিত ফিল্ম ক্যামেরা আকারে বড় হওয়ায় অনেক পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় শট নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। রোবট ফোনের ক্যামেরা যেকোনো জায়গায় রেখে শুট করা এবং ক্যামেরার স্বয়ংক্রিয় মুভমেন্টের সুবিধা কাজে লাগানো যেতে পারে।
স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, অনার বর্তমানে বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে ডিভাইস উৎপাদন করছে। তিনি দাবি করেন, উৎপাদনের মান বিশ্বের সেরা কারখানাগুলোর সমমানের। ধাপে ধাপে অনারের অন্যান্য ডিভাইসও বাংলাদেশের বাজারে আনার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, "১৯৯৮ সাল থেকে পার্টনারদের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে আসছে তাদের প্রতিষ্ঠান।" গ্রাহকদের পরামর্শ ও সমালোচনাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অনার বাংলাদেশের হেড অব বিজনেস আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ডিরেক্টর ও হেড অব প্রোডাক্ট অ্যান্ড মার্কেটিং সৈয়দ মো. বদরুল আরেফিনও বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ এক্সপেরিয়েন্স জোনে অনারের বিভিন্ন ইকোসিস্টেম পণ্য প্রদর্শন করা হয়। রোবট ফোনের পাশাপাশি নতুন ফোল্ডেবল স্মার্টফোন ম্যাজিক ভি৬, বিভিন্ন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ইয়ারবাড, হেডফোন ও স্মার্টওয়াচও প্রদর্শিত হয়।
এ ছাড়া বাংলাদেশে ল্যাপটপ ও টিভি বাজারে বড় পরিসরে প্রবেশের প্রস্তুতির কথাও জানায় অনার। ল্যাপটপে একাধিক সিরিজের পণ্যের পাশাপাশি টিভি বিভাগে ৩২ থেকে ১০০ ইঞ্চি পর্যন্ত বিভিন্ন মডেল এবং আধুনিক ডিসপ্লে প্রযুক্তি আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে জামায়াতের ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত বিতর্কিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামের আপস রফা হওয়ার বিষয়টি আইনজীবী মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন। আদালতে ভুক্তভোগীর পরিবারের একটি আপসনামাও দাখিল করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে এই বিষয়টি তুলে ধরেন আইনজীবী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানিয়েছেন, আদালত এটি আমলে নেননি।
মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলায় বাদীপক্ষের সঙ্গে আসামিপক্ষের আপস মীমাংসা হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানালেন, আদালত এটি আমলে নেননি।
এদিন গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত বয়স ও নারী বিবেচনায় শুধু মাকছুদার জামিন মঞ্জুর করেন।
শুনানিতে মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ জানান, গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই। তবে আদালত মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করলেও গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, আপসের শর্তে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসা হয়ে গেছে। শুনানিতে বাদী উপস্থিত থেকে দুই আসামির জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, আদালত শুনানি শেষে মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন, কিন্তু গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।
আপসনামায় যা আছে-
আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, মরিয়ম গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। বিয়ের পর মরিয়ম গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সংসার করে আসছিলেন।
আপসনামা অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে ঢাকায় নিজ বাসভবনে মরিয়ম আত্মহত্যা করেন। পরে গাজী নজরুলের ফোন পেয়ে বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাসায় গিয়ে মেয়ের আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারেন তার বাবা।
মেয়ের জামাইয়ের বাসায় ঘটনাটি ঘটায় সন্দেহের বশে মরিয়মের বাবা গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করেন।
পরে দুই পক্ষের মধ্যে আপস হয়। আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে বাদী বা তার পরিবারের কারও কোনো আপত্তি নেই। উভয়পক্ষ হৃদ্যতাপূর্ণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া বিচারাধীন মামলায় উভয়পক্ষ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলে আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে বলা হয়েছে, উভয়পক্ষ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে এবং কারও প্ররোচনা ছাড়া আপসনামায় স্বাক্ষর করেছে।
আপসনামাটি ২৯ সেপ্টেম্বর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সত্যায়িত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ শহরে লাইসেন্সবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে জেলা প্রশাসন ৭টি পশু খাদ্যের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে নগদ জরিমানা করা হয়েছে এবং অপর ২টি প্রতিষ্ঠানকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নওগাঁ সদর উপজেলার ধর্মতলা রোড ও আটাপট্টি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন নওগাঁ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রাণিসম্পদ ও উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শহরের বিভিন্ন পশু খাদ্য ও ফিডের দোকানে নিয়মিত মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, অনেক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের বৈধ লাইসেন্স নবায়ন না করেই পশুখাদ্য ও মুরগির খাবার বিক্রি করছিলেন। আইন অমান্য করায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১২ হাজার জরিমানা করা হয়। শ্রী রতন লাল চৌধুরীকে ১৫০০ টাকা, সরদার টেডার্সকে ২০০০ টাকা, আলহাজ্ব ফিড অ্যান্ড চিকেন সেন্টারকে ৪০০০ টাকা, মেসার্স জে এস এন্টারপ্রাইজকে ১৫০০ টাকা এবং ময়েজ পোল্ট্রি ফিডকে ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জনি সাহা এবং দ্বিপ খাদ্য ভাণ্ডার নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে নিয়মের বাইরে না যাওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক গণমাধ্যমকে জানান, লাইসেন্স নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স নবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাজারে পশুখাদ্য ও বিভিন্ন পণ্যের মূল্য নিয়ে যাতে কোনো ধরনের কারসাজি না হয়, সে বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম আদায় না করার জন্য কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে বাজারে যেমন শৃঙ্খলা ফিরে আসবে, তেমনি খামারি ও সাধারণ ক্রেতারা অতিরিক্ত দামের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। প্রাণিসম্পদ খাতের সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আমিনুল ইসলাম সহ প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ