ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গার তদন্ত শুরু


শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গার তদন্ত শুরু

শ্রীলঙ্কায় একটি কারাগারে ঘটে যাওয়া দাঙ্গার তদন্ত আজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ২৭ জনে পৌঁছেছে এবং এতে আহত হয়েছে শতাধিক মানুষ।

সোমবারের সংঘর্ষের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে। যদিও নেগোম্বো কারাগারের ভেতরে সশস্ত্র পুলিশ ও কমান্ডো মোতায়েন করা হয়নি, তবে কারাগারের চারপাশে তারা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলছে, তবে উদ্বেগ রয়ে গেছে

বিচারমন্ত্রী হর্ষানা নানায়াক্কারা মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এ বিষয়ে জানান, সরকার একটি তদন্ত কমিশন গঠন করার পাশাপাশি ফৌজদারি তদন্তও শুরু করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা অন্তত ২৭ এবং এই সংখ্যার মধ্যে রাতে আরো একজন বন্দির মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীর উত্তরে অবস্থিত ওই কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি চক্রের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তারা কারারক্ষীদের পরাজিত করে তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় এবং গুলি চালাতে থাকে।

নানায়াক্কারা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় বন্দিরা একটি সিসিটিভি ক্যামেরাও ভাঙচুর করে।

আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

চিকিৎসকরা জানান, নেগোম্বো হাসপাতালে বর্তমানে ৯৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে ২৩ জন কারারক্ষী রয়েছে। তারা গুলিবিদ্ধ, কাটা জখম এবং গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এছাড়া, আরো ১৯ জন বন্দি বর্তমানে কলম্বোর একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

এক পুলিশ কর্মকর্তা এএফপি-কে জানান, সোমবার দাঙ্গা থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে সাতজন কারারক্ষী নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ১১ জনের মৃত্যু, আতঙ্কের মধ্যে লাখো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ১১ জনের মৃত্যু, আতঙ্কের মধ্যে লাখো মানুষ

টানা ভারি বর্ষণে কক্সবাজারে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজার শহরের দরিয়ানগর এলাকায় বিশ্রামে থাকা স্বামী-স্ত্রীর উপর পাহাড়ের মাটি ধসে পড়লে স্ত্রী নাসিমা আক্তার লিমার মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার জেরে নিহতের স্বামী জসিম উদ্দিন গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মৃত নাসিমার লাশ বর্তমানে সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং আহত স্বামী একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে, যেখানে এক রাতেই তিনটি পৃথক স্থানে আটজন নিহত হন। সোমবার (৬ জুলাই) পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নে পাহাড়ধসে মো. মিনহাজ উদ্দিন (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটে।

এছাড়া কক্সবাজার শহর, সদর উপজেলার দরিয়ানগর এবং পেকুয়ায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলার পাহাড়ঘেরা এলাকায় প্রায় তিন লাখ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্প নয়, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও রামুর বিভিন্ন পাহাড়ঘেরা এলাকায় প্রায় তিন লাখ মানুষ পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে বসবাস করছেন। টানা বর্ষণে এসব এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটার কারণে ক্যাম্পের বহু এলাকা চরম ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার মতে, এটি শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং অবৈধ পাহাড় কাটার কারণে সৃষ্টি হওয়া মানবসৃষ্ট বিপর্যয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর বিরুদ্ধে অভিযান, গাবুরায় উচ্ছেদ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশেষ প্রতিনিধি সাতক্ষীরার শ্যামনগর

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর বিরুদ্ধে অভিযান, গাবুরায় উচ্ছেদ শুরু

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নে নদীর বাঁধ কেটে বসানো ‘নাইনটি’ পাইপ উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে ঘের মালিকদের নদী থেকে লবণাক্ত পানি উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত এসব পাইপ নতুন নির্মিত বেড়িবাঁধের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছিল। অবশেষে জনসচেতনতা, স্থানীয়দের প্রতিবাদ এবং গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরার পর প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযানে নামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘের মালিকরা নদী থেকে লবণাক্ত পানি তুলতে বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে এসব পাইপ ‘নাইনটি’ নামে পরিচিত। সম্প্রতি গাবুরায় নির্মাণাধীন নতুন কংক্রিটের বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য পাইপ বসানো হয়, যা বাঁধের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হলে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। মানববন্ধনের ডাকসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

এরপর সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা জানান, ৭ ও ৮ জুলাই নাইনটি উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। ঘোষণার পর অনেক ঘের মালিক রাতের মধ্যেই স্বেচ্ছায় তাদের পাইপ সরিয়ে নেন।

মঙ্গলবার সকালে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগে কয়েকটি পাইপ অপসারণ করেন। পরে প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টির মধ্যেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি দল নদী পেরিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিনে একটি এলাকায় অভিযান সীমাবদ্ধ থাকলেও আগামী দিনগুলোতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, গাবুরায় প্রায় *১,০২০ কোটি টাকা* ব্যয়ে নির্মাণাধীন টেকসই বেড়িবাঁধ উপকূলবাসীর জীবন ও সম্পদ রক্ষার অন্যতম ভরসা। তাই বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে ক্ষতিসাধনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপকূলবাসীর ভাষ্য, বাঁধ কেটে লবণাক্ত পানি প্রবেশের ব্যবস্থা করা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, এটি জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তার পরিপন্থী একটি গুরুতর কাজ। ভবিষ্যতে যাতে কেউ আর বাঁধে ‘নাইনটি’ পাইপ বসাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এদিকে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সচেতন মহল বলছে, ঘেরে পানি নেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। তাই সাময়িক সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকার বেড়িবাঁধ ঝুঁকির মুখে না ফেলে সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। উপকূল রক্ষায় প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগই হতে পারে স্থায়ী সমাধান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনৈতিক মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


রাজনৈতিক মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেসব মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি সেগুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

তিনি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আরেকটি কমিটির কাছে আসে।

সেখানে প্রতিটি মামলা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর বিষয়ে আইনসম্মত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। এর ফলে প্রকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যায়।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সরকার মামলা প্রত্যাহার করতে পারে না। কোনো মামলায় আপিল বিচারাধীন থাকলে প্রথমে সেই আপিলের নিষ্পত্তি হতে হবে।

আপিল নিষ্পত্তির পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারবেন। এরপর এই বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতি আইন অনুযায়ী সাজার মওকুফ বা ক্ষমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদেও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ রয়েছে। এখানে আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাবে এবং আইন মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করবে।

এ খুঁজে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মামলা প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই; তবে আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সাজার মওকুফ বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এদিন পাবলিক এক্সামিনেশন অফেনস এমেন্ডমেন্ট সংশোধিত বিল ২০২৬ সংসদে পাস হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শপিংয়ের লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে নিয়ে আবাসিক হোটেলে যুবক, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


শপিংয়ের লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে নিয়ে আবাসিক হোটেলে যুবক, অতঃপর...

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শপিং করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় একজন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্তের জন্য রবিবার (৫ জুলাই) রাতে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের মনোহরদী এলাকা থেকে যুবক রিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার মনোহরদী এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, কয়েক মাস আগে রিটনের সাথে এই ১৬ বছরের কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ৪ জুলাই (শনিবার) রূপগঞ্জের গাউছিয়া মার্কেটে শপিং করার কথা বলার পর অভিযুক্ত রিটন কিশোরীকে গাউছিয়া নুর ম্যানশনের ৪র্থ তলায় অবস্থিত সুগন্ধা আবাসিক হোটেলে একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর রোববার দুপুরে কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে রূপগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ভিত্তিতে রোববার রাতেই পুলিশ আড়াইহাজারের মনোহরদী এলাকা থেকে অভিযুক্ত রিটনকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার গ্রেপ্তারকৃত রিটনকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%