ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাহাড়ে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ


পাহাড়ে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

পার্বত্য অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাঙ্গামাটিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রাঙ্গামাটি শহরের বনরূপায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় সংগঠনটির উদ্যোগে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক এবং জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন

সংবাদ সম্মেলনে পিসিএনপির নেতারা দাবি করেন যে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পার্বত্যাঞ্চলে সশস্ত্র সংগঠন জেএসএস, ইউপিডিএফ ও কেএনএফের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের ফলে প্রায় ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

তাদের দাবির মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব ঘটনার মধ্যে ৪৭টি অপহরণের এবং ১৬টি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক, চালক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ।

নেতারা আরও অভিযোগ করেছেন যে, জেএসএস, ইউপিডিএফ (প্রসীত) ও কেএনএফসহ আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ৭০ জনের বেশি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু-কিশোরকে জোরপূর্বক সশস্ত্র কর্মকাণ্ড ও দলীয় কাজে সম্পৃক্ত করেছে, যা শিশু অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এছাড়া ১৪ জন নারী অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, পাহাড়ি সশস্ত্র আঞ্চলিক দলগুলোর জন্য চাঁদাবাজি একটি প্রধান আয় উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের দাবির মাঝে রয়েছে, গত এক বছরে পার্বত্যাঞ্চলে এক হাজার ৫২০টির বেশি চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসায়ী, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করা চাঁদা এবং মুক্তিপণই এসব সংগঠনগুলোর প্রধান অর্থের উৎস।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ১৮

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন নয়, বরং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ, ভূমি বিরোধের ন্যায়সংগত নিষ্পত্তি এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমে পার্বত্যাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জব্দ সম্পদ ইস্যুতে হরমুজ নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


জব্দ সম্পদ ইস্যুতে হরমুজ নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, জব্দ করে রাখা ইরানের সম্পদ ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট দেশ বা কোম্পানিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

এই সতর্কবার্তা তেহরান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর দিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে জানায়, “যেসব দেশ বা কোম্পানি ট্রাম্পের প্রস্তাবকে স্বাগত জানাবে এবং ইরানের অবরুদ্ধ (জব্দ) সম্পদ ব্যবহার করবে, তাদের হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না।”

এছাড়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সম্পদ অন্যের স্বার্থে ব্যবহারের যেকোনও প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং এর পরিণতির দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষকেই বহন করতে হবে।

ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘উসকানিমূলক’ বলছে তেহরান। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ ও পণ্যবাহী কার্গোর কোনও ক্ষয়ক্ষতি হলে তার ক্ষতিপূরণ ইরানের জব্দ সম্পদ থেকে আদায় করা হবে।

তেহরান ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে ‘উসকানিমূলক’ আখ্যা দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে। তেহরানের দাবি হলো, অন্য দেশে আটকে রাখা ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করার কোনও আইনি ভিত্তি নেই।

খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের এই হুমকি আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “ইরানের জব্দ সম্পদ ব্যবহারের যেকোনও প্রচেষ্টা একটি অবৈধ পদক্ষেপ এবং এর জবাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হয়। ফলে এই প্রণালীকে ঘিরে যেকোনও উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সর্বশেষ এই হুঁশিয়ারি বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌ চলাচল, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: অনাস্থার মেঘ কেটে নতুন অধ্যায়ের আভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: অনাস্থার মেঘ কেটে নতুন অধ্যায়ের আভাস

 

বাংলা বদ্বীপের বিস্তীর্ণ ধানখেতে যে কৃষকেরা কাজ করেন, তাদের ধৈর্য পরম শিক্ষা। বীজ বোনার দিনেই তারা পরিষ্কার বুঝে যান আগামী দিনের ফসলের ভবিষ্যৎ।

খেত জুড়ে আগাছা রেখে সোনারঙা ধানের প্রত্যাশা যেমন অমূলক, দুটি প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের সমীকরণও ঠিক তেমনই।

বর্তমানে বাংলাদেশের ও ভারতের বর্তমান কূটনৈতিক অবস্থান একটানা রূপান্তরের সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক বছরের টানাপোড়েন ও অনাস্থার বরফ গলানোর জন্য এখন একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সম্পর্ক গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা ও নয়াদিল্লির সামনে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক রদবদল এবং নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে অনেক কিছু পরিবর্তনের দৃশ্যমানতা লক্ষিত হচ্ছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকাশ্যে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো, ফোনালাপ করা এবং আসন্ন সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি নিছক ‘কূটনৈতিক প্রথা’ হিসাবে সামান্য দেখার সুযোগ নেই। কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এটি পুরোনো অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন আলাপে পদক্ষেপ নেওয়ার সুস্পষ্ট বার্তা।

দীর্ঘ সময় ধরে উভয় দেশ সরাসরি আলাপের চেয়ে ‘একে অপরকে নিয়ে’ মন্তব্য করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছে। ঢাকার রাজনৈতিক রূপান্তর, নয়াদিল্লির নিরাপত্তাকেন্দ্রিক উদ্বেগ এবং বিভিন্ন ধরনের জল্পনা-কল্পনার সুযোগে কূটনীতির বাস্তবতার চেয়ে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা ও গুজবের গতিই ছিল বেশি।

দুই দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে এমন কিছু পক্ষ রয়েছে, যারা পুরোনো ক্ষত তাজা রেখে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে পছন্দ করে। প্রতিটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এখানে ‘আত্মসমর্পণ’ বা কোনো মতপার্থক্যকে ‘গোপন এজেন্ডা’ হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু পত্রিকার মুখরোচক শিরোনামের খোরাক জোগালেও, এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিবেশীর সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক গড়ার ভিত্তি হতে পারে না—তা আজ পরিষ্কার।

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষ থেকে আপসহীন। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করবে না—এটি স্বাভাবিক।

অন্যদিকে, ভারতের স্থলসীমান্ত ভাগ করে নেওয়ার কারণে কিছু ভৌগোলিক ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থাকা অস্বাভাবিক নয় বলেই মনে করছেন অনেকে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংকটের মূল শুরু হয় যখন কোনো একটি পক্ষ নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অন্য দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার মনে করে।

কিন্তু ইতিহাস, ভূগোল এবং সংস্কৃতির দিক থেকে এ দুটি দেশের মধ্যে সংযোগ অত্যন্ত গভীর। নদ-নদী সীমানা তোয়াক্কা না করে, যৌথ সাহিত্য, দেশভাগের স্মৃতিবাহী পরিবারগুলো ও সর্বোপরি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ—দুই দেশের সম্পর্কের মূল স্তম্ভ। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা ও সাধারণ মানুষের সংহতি ইতিহাসের এক চিরন্তন সত্য। তবে অতীতকে দীর্ঘমেয়াদি দেনা-পাওনার খাতা হিসেবে না রেখে, বরং সামনে এগিয়ে যাওয়ার আলো হিসাবে ব্যবহার করার সময় এসেছে।

ইতিহাস প্রমাণ করে, তীব্র সংঘাতের পরও বিশ্বমঞ্চে বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ উদ্যোগ ইউরোপের অন্যতম বিপজ্জনক তিক্ততাকে আজ সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদারিত্বে পরিণত করেছে। বিশালভাবে, ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের তিক্ত অতীত থেকে সামনে গিয়ে নতুন পথ তৈরি করেছে।

দক্ষিণ এশিয়াতেও ব্যতিক্রম নয়। ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী যৌথ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইতিহাসের নতুন গতিপথ তৈরি করেছিলেন। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত—অন্ধ অনুসরণ নয় বরং পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সমতা ও পারস্পরিক আস্থা।

অবশ্যই পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা, বাণিজ্য ঘাটতি এবং আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি সম্পর্কিত সংবেদনশীল ইস্যুগুলো রাতারাতি গায়েব হবে না। একটি পরিণত সম্পর্কের পরিচায়ক সমস্যা গুলোর অনুপস্থিতি নয়, বরং সমস্যা গুলোকে কিভাবে সমাধান করা হচ্ছে তার পরিপক্বতায়।

উগ্র বক্তব্য বা সাময়িক রাজনৈতিক আবেগের হাতে কূটনীতিকে জিম্মি হতে দেওয়া যাবে না। প্রতিটি সমঝোতাকে ‘দেশ বিক্রি’ বা প্রতিটি আলাপকে ‘দুর্বলতা’ হিসেবে দেখা থেকে বের হয়ে আসা উচিত।

রাজনীতির চেয়ে ভূগোলের ধৈর্য শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়। দুই দেশের সামনে এখন একে অপরকে ছাড় দেওয়ার নয় বরং নিজেদের সার্বভৌম অবস্থান ধরে রেখে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে পরবর্তী অধ্যায় লেখার সুযোগ এসেছে।

বাংলায় একটি পরিচিত প্রবাদ আছে—‘যেমন বুনবে, তেমনই কাটবে’। সম্পর্কের বীজ আজ মাটিতে পড়েছে। আগামী দিনে এর ফসল কেমন হবে তা নির্ভর করছে আজ ঢাকা ও নয়াদিল্লি কীভাবে এটি যত্ন করে লালন-পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের উদ্ভাবন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান ডিএনসিসি প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


তরুণদের উদ্ভাবন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান ডিএনসিসি প্রশাসকের

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান তরুণদের উদ্ভাবন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মানবিক নেতা, এবং তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সবাই দেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, রাজধানীর মিরপুর-১৪ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিএন কলেজে ‘স্টার্টআপ সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক আরও জানান, শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহজ হবে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের মাধ্যমে অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করতেই এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মসূচি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সিটি কর্পোরেশনের সেবা ও নাগরিক সুবিধা সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি নেভি কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রতিভা, গান ও নৃত্য পরিবেশনকে প্রশংসা করেন। আন্তরিক চেষ্টা থাকলে সফলতা সম্ভব এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোকে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় ছড়িয়ে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার কাজে ব্যবহার করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন।

পুরস্কার বিতরণের পর, নৌবাহিনী কলেজ, ডেন্টাল কলেজ এবং নেভি স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিতে আধুনিক ডাস্টবিন ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএন কলেজের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন এম. ইসমাইল মজুমদার। এসময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডোর হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবির দুই ছাত্রী হলে ডিএসসিসি প্রশাসকের ফগার মেশিন বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


ঢাবির দুই ছাত্রী হলে ডিএসসিসি প্রশাসকের ফগার মেশিন বিতরণ

রাজধানীর আজিমপুর এলাকায় অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীদের দুটি আবাসিক হলে মশক নিধনে (এডাল্টিসাইডিং) ব্যবহার করার জন্য ফগার মেশিন বিতরণ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তিনি আজ মঙ্গলবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল’ ও ‘বেগম ফজিলातুন্নেছা মুজিব হল’ এর প্রশাসনের নিকট ১টি করে ফগার মেশিন হস্তান্তর করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বানে ডিএসসিসি প্রশাসক দুইটি হল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় হলে বিদ্যমান জলাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি মশক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের ফগার মেশিন বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।

মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, 'আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুমে এডিস মশা প্রতিরোধে আমরা সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি। আজ প্রদত্ত ফগার মেশিনের সঠিক ব্যবহারে হলের শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু ও এডিস মশার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।'

বিশেষভাবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএসসিসি প্রশাসকের পক্ষ থেকে ঢাবি ছাত্রদলকে ৫০০টি চারাগাছ উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

ফগার মেশিন হস্তান্তর কার্যক্রমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এবং সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দীন শাওন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ, হলের প্রাধ্যক্ষ, আবাসিক শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%