ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কালুরঘাটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ১ জন নিহত


কালুরঘাটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ১ জন নিহত

চট্টগ্রাম নগরীর কালুরঘাটের খেজুরতলা এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় সৈয়দ শফিকুল রহমান (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তার মৃত্যু ঘটে।

নিহত শফিকুল বোয়ালখালী উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আকুবদণ্ডী এলাকার সৈয়দ চাঁন চৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সৈয়দ আব্বাস আলী চৌধুরীর বাড়ির মরহুম আবুল হোসেনের মেজো ছেলে।

নিহতের ভাই সৈয়দ ওহিদুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে বের হন শফিকুল রহমান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে রেলওয়ে পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহ শনাক্ত করেন।

আরও পড়ুন: মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক মো. রায়হান নিহত

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল রহমান প্রায় ২০ বছর প্রবাসে ছিলেন। এর আগে তিনি দুবার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় অসুস্থ হয়েছিলেন।

রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক বিকাশ বড়ুয়া বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পশ্চিম কালুরঘাটের খেজুরতলা এলাকায় কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীতাকুণ্ডে উদ্ধার হলো হাত বাঁধা নারীর মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


সীতাকুণ্ডে উদ্ধার হলো হাত বাঁধা নারীর মরদেহ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুলিশ এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে টেরিয়াইল স্কুলের পাশে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত নারীর গলায় জড়ানো ওড়না দেখে তাদের ধারণা, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া, তার হাত বাঁধা ছিল। হাতে শাখা থাকায় তাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বলে মনে করা হলেও, তার পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে টেরিয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। এরপর পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহত গৃহবধূর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তার গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল এবং শরীরে থ্রিপিস ও হাতে শাখা পরা ছিল।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন জানান, টেরিয়াইল স্কুলের পাশে মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে, তার নাম ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেহেরপুর সীমান্তে ৪ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবি ও জনতার প্রতিরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


মেহেরপুর সীমান্তে ৪ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবি ও জনতার প্রতিরোধ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার শেওড়াতলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) শিশুসহ চারজনকে পুশ ইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির কার্যক্রম ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার ফলে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে বিএসএফ ওই চারজনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর আওতাধীন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার শেওড়াতলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৪৪/৪-এস এর কাছে এই ঘটনা ঘটে।

৪৭ বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, ভারতের ১১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের বিজয় মাঠপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেন। গোয়েন্দা তথ্য ও সীমান্তে বিজিবির টহল দলের সতর্ক অবস্থানের কারণে বিষয়টি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় বিজিবি সদস্যরা ওই প্রচেষ্টা প্রতিহত করেন।

ঘটনার পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিজিবি তীব্র প্রতিবাদ জানায়। পাশাপাশি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি পাঠানোর কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে সীমান্তের ১০৪ নম্বর গেট দিয়ে বিএসএফ সদস্যরা ওই চারজনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যান।

বিশেষ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তারা বর্তমানে বিজয় মাঠপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্তে সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তে নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে। শেওড়াতলা সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টার বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পরপরই টহল দল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় বিএসএফের সেই চেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সীমান্তে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি পতাকা বৈঠকে উত্থাপন করে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাস: একাদশের সবার বয়স ৩০ বছরের উপরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাস: একাদশের সবার বয়স ৩০ বছরের উপরে

অস্ট্রেলিয়া ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ডারবান টেস্টের একাদশে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ক্রিকেটারের বয়স ৩০ বছর বা তার অধিক। এই ঘটনা অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটলো।

এই ইতিহাসের অংশীদার ক্রিকেটাররা হলেন—ট্রাভিস হেড (৩২), নিক ম্যাডিনসন (৩৪), মারনাস লাবুশেন (৩২), স্টিভেন স্মিথ (৩৭), ম্যাট রেনশ (৩০), অ্যালেক্স ক্যারি (৩৫), বিউ ওয়েবস্টার (৩২), প্যাট কামিন্স (৩৩), মিচেল স্টার্ক (৩৬), নাথান লায়ন (৩৮) এবং জশ হ্যাজলউড (৩৫)।

ম্যাডিনসন প্রায় এক দশক পর টেস্ট দলে ফিরেছেন। টেস্টিকুলার ক্যানসারকে হারিয়ে তিনি মাঠে ফিরে এসেছেন। কিন্তু বাঁহাতি ব্যাটারের প্রত্যাবর্তন সুখকর হয়নি। ৩৩ বল খেলে তিনি রানের খাতা খুলতে পারেননি। ২০১৬ সালে মেলবোর্নে তার সর্বশেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ টেস্ট সিরিজের স্মৃতি খুবই সুখকর নয়। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত চার টেস্টের সিরিজে তারা ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। প্রথম টেস্টে জয় পেলেও পরবর্তী তিনটি টেস্টে তারা দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছিল।

অস্ট্রেলিয়ার জন্য দীর্ঘ ৮ বছর পর সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সময় এসেছে। সেই উদ্দেশ্যে ২০২৩ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাধারীরা অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মাঠে নামিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ভালো হয়নি। ডারবানে প্রথম টেস্টে নেমে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা ৮৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

প্রথম টেস্টের ফলাফল কি হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরণখোলায় কৃষকরা সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই ফসলে বিষ ছিটাচ্ছেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


শরণখোলায় কৃষকরা সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই ফসলে বিষ ছিটাচ্ছেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

আমনের মাঠে পোকা দমনের জন্য কৃষকরা শরীরে হাফহাতা গেঞ্জি পরে, কারো পিঠে আবার কারো কাঁধে ঝোলানো স্প্রে মেশিন নিয়ে বিষাক্ত কীটনাশক ছিটাচ্ছেন। পায়ে গামবুট নেই, চোখে চশমা নেই, মুখে মাস্ক কিংবা হাতে গ্লাভসও নেই। এভাবে খোলামেলা অবস্থায় নির্বিঘ্নে ধানক্ষেতে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করছেন কৃষকরা।

স্প্রে করার সময় বাতাসে উড়ে আসা কীটনাশকের কণা সরাসরি তাদের চোখে-মুখে ও শরীরে লাগছে। অথচ এসব রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই।

সুরক্ষার নিয়ম সম্পর্কে তারা জানেন না, আবার কেউ জানলেও তা মানার প্রয়োজন মনে করেন না। এভাবে পোকা দমন করতে গিয়ে অজান্তেই প্রতিনিয়ত বিষ গ্রহণ করছেন কৃষকরা। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত কীটনাশক ব্যবহার করার ফলে কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

বাগেরহাটের শরণখোলার বিভিন্ন এলাকায় আমন ধানের মাঠে এখন এমন দৃশ্য প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে। ফসল রক্ষায় কীটনাশক ব্যবহার করতে গিয়ে কৃষকদের একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই স্প্রে করছেন। এতে তাৎক্ষণিকভাবে চোখ, ত্বক ও শ্বাসতন্ত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা করছেন কৃষি ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আমন ধানের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই ফসলে বিষ ছিটাচ্ছেন, যা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে!

স্প্রে করার সময় বাতাসের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বা বাতাসের গতিপথ বিবেচনা না করেই কীটনাশক ছিটাচ্ছেন তারা। ফলে বিষাক্ত রাসায়নিকের কণা তাদের শরীরের উন্মুক্ত অংশে ছড়িয়ে পড়ছে। কাজ শেষে হাত-মুখ ধোয়া এবং ব্যবহৃত পোশাক পরিষ্কারের ক্ষেত্রেও তারা উদাসীন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুরক্ষা সরঞ্জাম পরার বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। আবার অনেকে দীর্ঘদিন ধরে একইভাবে কীটনাশক ব্যবহার করে আসছেন। এখন পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যার শিকার না হওয়ায় বিষয়টিকে তেমন ঝুঁকিপূর্ণ বলেও মনে করেন না তারা।

কিন্তু কৃষি বিভাগ বলছে, ফসলের রোগবালাই ও পোকার ধরন অনুযায়ী সঠিক কীটনাশক নির্বাচন, নির্ধারিত মাত্রায় প্রয়োগ এবং ব্যবহারের সময় ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। কিন্তু অনেক কৃষক এসব নিয়ম মানছেন না। এতে কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা থাকে। তাছাড়া পরামর্শ না মানায় অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত কীটনাশক ব্যবহারের প্রবণতা রয়েছে। যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের কৃষক মজিবর হাওলাদার জানালেন, দীর্ঘ সময় ধরে ধানক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে করলে চোখ ও মুখ জ্বালাপোড়া করে। রাতে কাশিও হয়। তবে এসব যে কীটনাশকের প্রভাবে হচ্ছে, তা জানা নেই।

রাজাপুর গ্রামের কৃষক মুক্তা হাওলাদার ও সলিম খান জানিয়েছেন, তারা এভাবেই স্প্রে করেন। মাঝে মাঝে একটু হাত ও চোখ-মুখ জ্বলে, তা পানি দিয়ে ধোয়ার পরে আবার ঠিক হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত বড় কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানান তারা।

রায়েন্দা বাজারের কীটনাশক ব্যবসায়ী কবির জমাদ্দার বলেন, কৃষকরা কীটনাশক কিনতে এলে তাদের নিয়ম মেনে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকি আমরা। তাছাড়া ব্যবহারের সময় কী ধরণের সুরক্ষা প্রয়োজন এবং প্রয়োগবিধি সবই বোতল বা প্যাকেটের গায়ে লেখা রয়েছে। সেগুলো অনুসরণ করতে বলা হয় কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, কৃষকদের কীটনাশক ব্যবহারে সচেতন করতে গ্রামে গ্রামে মাঠ সমাবেশ করা হয়। ফসল ও পোকার ধরন অনুযায়ী কীটনাশক নির্বাচন, সঠিক মাত্রা নির্ধারণ এবং প্রয়োগের নিয়ম হাতে-কলমে শেখানো হয়। একই সঙ্গে কীটনাশক ব্যবহারের সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম পরার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। কৃষকদের নিরাপদ উপায়ে কীটনাশক ব্যবহারে বার বার সচেতন হলেও অনেকে এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন না। এতে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ফসল রক্ষায় কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা কমাতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বা আইপিএম পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। কীটনাশকের ব্যবহার কম হলে ফসলে মাঠের মাটি ও পানির গুণগত মান বজায় থাকবে। বীষমুক্ত ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি রক্ষা পাবে পরিবেশ ও ফসলের জন্য উপকারী কীট-পতঙ্গ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রীয় গোপাল বিশ্বাসের মতে, খোলামেলা ভাবে ও সুরক্ষা ছাড়াই কীটনাশক ব্যবহার মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর বিষাক্ত উপাদান স্পর্শ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। পাশাপাশি চোখ, ত্বক ও মুখে জ্বালাপোড়া এবং বমি ও কাশি হতে পারে। তাই কীটনাশক ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন এবং কোনো ধরনের অসুস্থতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%