ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘পুরস্কার দিলেই ছুটে যান মোদি’- কংগ্রেসের কটাক্ষে নতুন বিতর্ক


‘পুরস্কার দিলেই ছুটে যান মোদি’- কংগ্রেসের কটাক্ষে নতুন বিতর্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফরের সময়কালে একের পর এক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গ্রহণ নিয়ে আলোচনা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি, তিনি ভারত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সেশনেলস সফর করেন এবং সেখানে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গৃহীত হয়। তবে, এই সম্মাননার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক যথেষ্ট পরিমাণে সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত সপ্তাহে সেশনেলসে পৌঁছানোর পর তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির হাত থেকে 'গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন' বলে একটি সম্মাননা গ্রহণ করেন। ওই পুরস্কারটি একটি ট্রফি ও সনদসহ ছিল এবং মোদিকে হাস্যোজ্জ্বলভাবে দেখতে পাওয়া যায়।

তবে, পুরস্কার ঘোষণার পরপরই এর সত্যতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন হয়। পর্যবেক্ষকদের মতে, সম্মাননার সনদে একাধিক বানান ভুল ছিল। রিপাবলিক (Republic) শব্দটি ভুলভাবে 'Repubblic' এবং দেশের নাম সেশনেলস (Seychelles) এর বানান ভুল করে 'Seycheeles' লেখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ইরানের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামরিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগে বিতর্কের সৃষ্টি

এছাড়া, এটি জানা গেছে, মোদির সফরের মাত্র তিন দিন আগে এই সম্মাননা চালু করা হয়েছিল এবং রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনিই এই সম্মানের প্রথম ও একমাত্র প্রাপক। বিতর্ক আরও বেড়ে যায় যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) শনাক্তকরণ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সনদটি পরীক্ষা করে অনেকেই দাবি করেন, এটি এআই দ্বারা তৈরি।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে, ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস আস্তে আস্তে সমালোচনা করতে শুরু করে। দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “মোদিকে যেকোনও পুরস্কার দিলেই তিনি তা নিতে ছুটে যাবেন।”

তিনি আরও মন্তব্য করেন, “এত তাড়াহুড়া করে পুরস্কার তৈরি করা হয়েছে যে, সেশনেলস প্রজাতন্ত্রের সরকারি নামটিও ঠিকভাবে লেখা হয়নি।”

অন্যদিকে মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বিরোধীদের সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। দলের বক্তব্য হলো, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নে মোদির নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে এবং এটি ভারত রাষ্ট্রের জন্য গর্বের বিষয়।

আরও পড়ুন: দুই বাংলাদেশির বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য দেয়নি সৌদি সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

বিভিন্ন বিতর্কের পর গত বৃহস্পতিবার সেশনেলসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায় যে, ভুলবশত সম্মাননার একটি 'কার্যকরী খসড়া' প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে এর যথাযথভাবে অনুমোদিত আসল সনদ জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে, 'গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন' সম্মাননা সম্পূর্ণ বৈধ এবং এর উপর উত্থাপন করা প্রশ্নগুলি ভিত্তিহীন।

মোদির বিদেশ সফরে পুরস্কার গ্রহণের প্রতি আগ্রহের বিষয়টি সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিদেশে বিভিন্ন পুরস্কার গ্রহণের ক্ষেত্রে মোদির বিশেষ আগ্রহ দেখা গেছে।

এর আগে ইসরায়েল সফরের সময়, দেশটির পার্লামেন্ট কনেসেট দ্রুত 'মেডেল অব দ্য কনেসেট' নামে নতুন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা চালু করে। মোদি দেশে পৌঁছানোর পর তাকে সেই পদক প্রদান করা হয়। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনিই সেই পদকের একমাত্র প্রাপক।

২০১৯ সালে মোদিকে 'ফিলিপ কটলার প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ড'-এর প্রথম প্রাপক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তাকে 'দেশ পরিচালনায় অসাধারণ নেতৃত্বের' জন্য এই সম্মাননার সম্মান দেওয়া হয়েছিল। তবে, এরপর থেকে আর কাউকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটও দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের দুই যুবকের সউদী আরব ও লিবিয়ায় মৃত্যু

নরেন্দ্র মোদির জীবনীকার নিলাঞ্জন মুখোপাধ্যায় মনে করেন, বিদেশে বিভিন্ন সম্মাননা সংগ্রহের এই প্রবণতা তার ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক কৌশলের অংশ।

তিনি বলেন, “অনেকে প্রশ্নবিদ্ধ পরিস্থিতিতে দেওয়া পুরস্কারের মাধ্যমে সমর্থকদের মধ্যে বার্তা পৌঁছানো হচ্ছে যে, মোদির ব্যক্তিগত নেতৃত্বের জন্য তাকে সম্মান জানানো হচ্ছে এবং ভারতের আন্তর্জাতিক প্রভাবও তার ব্যক্তিত্বের ফল।”

গ recientes, মোদি ইথিওপিয়ার 'গ্রেট অনার নিশান' এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগো প্রজাতন্ত্রের অর্ডার অব দ্য রিপাবলিক-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা লাভ করেছেন। এসবের ক্ষেত্রেও তিনি প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ওই সম্মান গ্রহণ করেছেন।

বিজেপির দাবির প্রকৃত ভিত্তিতে, এসব পুরস্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, কূটনৈতিক সাফল্য এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের স্বীকৃতি ঘটায়।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর ইরানের সরকার উৎখাতের অঙ্গীকার, সফলতা নিয়ে প্রশ্ন

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে জেলা পরিষদ প্রশাসককে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


কুড়িগ্রামে জেলা পরিষদ প্রশাসককে সংবর্ধনা

কুড়িগ্রামে শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের উদ্যোগে জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদকে সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েেছে।

আজ শনিবার দুপুরের দিকে শহরের রামকৃষ্ণ আশ্রম মন্দিরে ভগবান শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের পুজা ভোগ নিবেদন এবং নারায়ন সেবা অনুষ্ঠানে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সহস্রাধিক ভক্তবৃন্দের মাঝে নারায়ণ সেবা প্রদান করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রামকৃষ্ণ আশ্রমের সভাপতি ডা. অমিত কুমার বসু, সাধারণ সম্পাদক শিক্ষাবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক উদয় শঙ্কর চক্রবর্তী, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্যামল ভৌমিকসহ অন্যান্যরা।

এ সময় সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, "সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেই আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সকে ‘আফ্রিকার দল’ বলা নিয়ে বিতর্কে প্যারাগুয়ের কিংবদন্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


ফ্রান্সকে ‘আফ্রিকার দল’ বলা নিয়ে বিতর্কে প্যারাগুয়ের কিংবদন্তি

বিশ্বকাপের শেষ ১৬–এর লড়াই আজ (৪ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ফিলাডেলফিয়ায় দ্বিতীয় ম্যাচে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের মোকাবিলা করবে প্যারাগুয়ে। এই ম্যাচের একদিন আগে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন প্যারাগুয়ের কিংবদন্তি গোলরক্ষক হোসে লুই চিলাভার্ট। ফ্রান্সের সাবেক ফুটবলার ক্রিস্টফ ডুগেরির মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে তিনি একটি মন্তব্য করেন, যা নতুনভাবে বর্ণবাদের ইস্যুকে উসকে দিয়েছে।

চিলাভার্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘১৯৯৮ বিশ্বকাপে আমরা ফ্রান্সের মুখোমুখি হয়েছিলাম, আর এবার প্যারাগুয়ে আফ্রিকার একটি দলের বিপক্ষে খেলবে।’ ফরাসি দলে থাকা বিভিন্ন জাতিসত্তার খেলোয়াড়দের প্রতি ইঙ্গিত করেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন, যা ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে ডুগেরির এক সাক্ষাৎকার থেকে। তিনি রেডিও মন্টে কার্লোকে বলেন, ‘প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে দেওয়া হবে, অপমান করা হবে। তারা শুধু রক্ষণই করতে চাইবে, কারণ তারা কিছুই করতে পারে না। আমি আবারও বলছি, আক্রমণভাগে তারা ভয়াবহ দুর্বল।’

ডুগেরির এমন অবমাননাকর মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে চিলাভার্ট ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর সেই ম্যাচের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। নিয়মিত সময় গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ২৩তম মিনিটে লরা ব্লাঁর ঐতিহাসিক ‘গোল্ডেন গোল’-এ ১-০ ব্যবধানে জয় পায় ফ্রান্স। সেই আসরেই শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ‘লে ব্লু’রা।

সাম্প্রতিককালে চিলাভার্ট এবারই প্রথম বিতর্কে জড়াননি; কয়েক দিন আগে তিনি প্যারাগুয়ে জাতীয় দলের কোচ গুস্তাভো আলফারোকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন। সেই সাথে গোলরক্ষক ওরল্যান্ডো গিলেরও তিনি সমালোচনা করেন। সেই ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার পর গিলের স্ত্রী প্রকাশ্যে স্বামীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে চিলাভার্টের মন্তব্যের কড়া জবাব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালোগান বললেন, ‘কখনও দু:খ পেয়েছি, কখনও আনন্দ হয়েছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


বালোগান বললেন, ‘কখনও দু:খ পেয়েছি, কখনও আনন্দ হয়েছে’

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ বসনিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই ম্যাচে জয় লাভের চেয়েও মার্কিন ফরোয়ার্ড বালোগানের লাল কার্ড নিয়েই তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও থেকে শুরু করে অনেকে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

এবার নিজের লাল কার্ড নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন ফোলারিন বালোগান। তিনি বলেছেন, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রাপ্ত লাল কার্ডটি ছিল একটি কঠোর সিদ্ধান্ত। তবে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে তিনি নিজেকে এক উৎসাহদাতা হিসেবে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিতে তিনি বিশ্বকাপের নিজের তৃতীয় গোলটি করে যুক্তরাষ্ট্রকে শুরুতেই এগিয়ে দিয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় বসনিয়ার ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের গোড়ালির ওপর তার পা পড়ার কারণে তাকে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে মোনাকোর এই ফরোয়ার্ডের জন্য ম্যাচটি ছিল বেশ ঘটনাবহুল।

যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো এই লাল কার্ডের সমালোচনা করে একে ‘দুর্ঘটনাবশত শারীরিক সংস্পর্শ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বালোগানও সেই মতের সঙ্গে একমত পোষণ করে ঘটনাটিকে ‘অনিবার্য’ বলে মন্তব্য করেন।

ম্যাচ-পরবর্তী সময়ে বালোগানের অনুভূতি ছিল মিশ্র। তিনি তার গোল উদযাপনের বিষয়ে এনবিএ-র কিংবদন্তি লেব্রন জেমসের প্রতিক্রিয়াকে ‘অবাস্তব এক মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করেন।

অনুশীলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বালোগান নানা আবেগের দোলাচলের বিষয়টি তুলে ধরেন। এই ফুটবলার জানান, কখনও দুঃখ পেয়েছেন, কখনও আনন্দ অনুভব করেছেন। সত্যি বলতে, পুরো বিষয়টি ছিল এক অবাস্তব অভিজ্ঞতার মতো। তিনি বলেন, সবার আগে এটা বলা জরুরি যে, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। আমি নিশ্চিত অনেকেই তা জানেন। আমার কাছে মনে হয় না সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। আমার মতে, হলুদ কার্ড দিলেই তা ন্যায্য হতো।

তবে বালোগান জোর দিয়ে বলেন, মাঠে খেলতে না পারলেও পরবর্তী ম্যাচে দলের জন্য তার ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, মূলত সতীর্থ ও দলকে সমর্থন জোগানোই আমার কাজ। আমাদের এই যাত্রা এবং কর্মকাণ্ডের প্রতি দেশের মানুষের যে গভীর সম্পৃক্ততা ও আগ্রহ, তা দেখতে আমার খুব ভালো লাগে। আমি মনে করি, সবার পাশে থাকা এবং দলের মনোবল চাঙ্গা রাখার কাজটিই এখন আমার ভূমিকা।

এখন, আগামী ৭ জুলাই শেষ ষোলোর খেলার জন্য বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামবেন যুক্তরাষ্ট্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাবিতে মধ্যরাতে নবীনদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


জাবিতে মধ্যরাতে নবীনদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইতিহাস বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের ‘ম্যানার’ শেখানোর নামে গভীর রাতে র‍্যাগিং করার অভিযোগ উঠেছে বিভাগের একদল শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ১২ শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগের পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরাও র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি লিখিতভাবে স্বীকার করেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের সদস্য। তাদের মধ্যে রয়েছেন—সুভাশীষ রায়, নাছিম উদ্দিন মজুমদার, আবু আবতাহী অনিক, নাইমুল হাসান, আব্দুল্লাহ মাহদী, ইসফাক হাদী সিক্ত, মো. রায়হান খান, কাজী শাহ জামসেদ আলম নাবিল, সাইফুল্লাহ মানসুর আনান, মো. মাহফুজুর রহমান অন্ত, শ্রী কার্তিক চন্দ্র রায় এবং নাইম আহমেদ সজিব।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে ইতিহাস বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ফোন করে প্রথমে মহুয়া মঞ্চের সামনে এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে যেতে বলা হয়। সেখানে প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করানোর পর তাদের মাঠসংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ‘ফরমাল পরিচয়’ ও ‘ম্যানার’ শেখানোর কথা বলে তাদের বাবা-মাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়। সেইসাথে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা এবং বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, আমাদের বাবা-মাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়। কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় এবং ফরমাল পরিচয়ের নামে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে জাকসুর নেতা মোহাম্মদ আলী চিশতী, হুসনে মোবারক এবং প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে এসে আমাদের উদ্ধার করেন।

প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে দেওয়া লিখিত স্বীকারোক্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমরা ইতিহাস বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ম্যানার শেখানোর নামে জাবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ডেকে নিয়ে র‍্যাগিং করেছি।

জাকসুর স্বাস্থ্য ও খাদ্যবিষয়ক সম্পাদক এবং অ্যান্টি-র‍্যাগিং সেলের সদস্য হুসনে মোবারক বলেন, রাত ২টার দিকে খবর পেয়ে আমি ও জাকসুর কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতী ঘটনাস্থলে যাই।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসনকে জানানো হয়। শেষে সহকারী প্রক্টর ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এসে অভিযুক্তদের নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার কথা স্বীকার করেন।

তিনি আরো বলেন, র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে পুরো ক্যাম্পাস যখন সোচ্চার, তখন গভীর রাতে শিক্ষার্থীদের নির্জন স্থানে নিয়ে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে জাকসু কঠোর অবস্থানে থাকবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা অফিসে এনে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডির সভায় উপস্থাপন করা হবে। সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%