ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর


সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

সৌদি আরবে অবস্থানরত অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর করেছে দেশটির সরকার। নতুন নিয়মের আওতায় স্বামী বা স্ত্রী, ২৫ বছরের কম বয়সী পুত্র এবং অবিবাহিত কন্যাকে সঙ্গে নেয়ার সুযোগ থাকবে।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলে অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য পরিবার নিয়ে সৌদি আরবে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরো সহজ হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের কাজের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাদের পরিবারের যোগ্য সদস্যদের সৌদি আরবে আনার সুযোগ প্রদান করেছে সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য ২০০ ট্রলি প্রদান

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সৌদি আরবে বসবাসরত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা। নতুন ব্যবস্থায় যোগ্য বিদেশি কর্মীরা তাদের স্ত্রী বা স্বামী, ২৫ বছরের কম বয়সী পুত্র এবং অবিবাহিত কন্যাকে সৌদি আরবে নিয়ে যেতে পারবেন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের যোগ্য সদস্যদের প্রবেশ ভিসা বিদেশি কর্মীর ওয়ার্ক ভিসার প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে প্রদান করা হবে। তবে এ জন্য আবেদনের সব শর্ত পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ, পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে নিজের ওয়ার্ক ভিসা সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর দেশটির প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী তাদের বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
গাজায় ইসরাইলি বর্বরতার ৩ বছর

ধ্বংসস্তূপে ফিলিস্তিনিদের টিকে থাকার লড়াই অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৯ পি.এম


ধ্বংসস্তূপে ফিলিস্তিনিদের টিকে থাকার লড়াই অব্যাহত

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার ফলে ১ হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জন অপহৃত হওয়ার পর শুরু হওয়া ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ গাজাকে বিধ্বস্ত করে ফেলেছে। সেখানে বসবাসকারী ২০ লাখ মানুষ চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। একই সময়ে ইসরাইলিরা দিনটিতে শোক পালন করছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দক্ষিণ ইসরায়েলের বিভিন্ন সড়ক ও আশ্রয়কেন্দ্রে শোক পালন করেন ইসরাইলিরা। তিন বছর আগে হামাসের হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া সংগীত উৎসবের স্থানে তারা শোক পালন করেছেন।

ফিলিস্তিনিদের জন্য বার্ষিকীটি চরম দুর্দশা ও কষ্টের আরেকটি দিন নিয়ে এসেছে। গাজায় ইসরাইলের পাল্টা অভিযানে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। উপত্যকাটির ২০ লাখ মানুষের অধিকাংশই বর্তমানে অস্বাস্থ্যকর তাঁবুর নিচে বসবাস করছেন এবং শহরগুলোর অধিকাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অঞ্চলটির অর্ধেকেরও বেশি এলাকা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দখলে রয়েছে এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার প্রায় এক বছর পরেও প্রতিদিনই ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

এই অঞ্চলের জন্য দিনটি গত তিন বছরে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে। হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের কারণে ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ লেবাননের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছে। হামাসের সমর্থনে ২০২৩ সালে ইসরাইলে হামলা শুরু করেছিল হিজবুল্লাহ।

এছাড়া ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের ফলে আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা হয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এই সংঘাতের পেছনে ইসরাইলের ভূমিকা ছিল এবং গাজা যুদ্ধ সম্ভবত এর পথ প্রশস্ত করেছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেখানকার ৭৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় বেসামরিক নাগরিক ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের মধ্যে পার্থক্য না করলেও, নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী ও শিশু ছিলেন। হামাস-পরিচালিত সরকারের অংশ হওয়া সত্ত্বেও, জাতিসংঘ ও স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞরা সাধারণত মন্ত্রণালয়ের এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করেন।

১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির ফলে তীব্র লড়াই থেমে গেলেও ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইল দাবি করছে, তারা হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে গাজায় ১ হাজার ১৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে সাতজন ইসরাইলি সেনাও প্রাণ হারিয়েছেন।

হামাস ৭ অক্টোবরের হামলাকে ইসরাইলের কয়েক দশকের সামরিক দখলদারিত্ব, ভূমি বাজেয়াপ্তকরণ এবং বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে একটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন এখন আরও দূরবর্তী বলে মনে হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব

চলতি মাসের শেষের দিকে ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া একটি বিতর্কিত নির্বাচন এবারের বার্ষিকীর প্রেক্ষাপটে বিশেষ প্রভাব ফেলছে। গত ৫ অক্টোবর দিবসটি উপলক্ষে ইসরাইলি সরকারের আনুষ্ঠানিক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই পৃথক স্মরণসভাগুলো প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি এবং সেই দিনের ব্যর্থতার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্তে তার অনীহা নিয়ে বিদ্যমান গভীর বিভাজনকেই নির্দেশ করে।

এই হামলার ফলে ধারাবাহিক ঘটনার সূত্রপাত ঘটে, যা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে। সিরিয়া ও লেবাননের বিশাল এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইসরাইল, যার ফলে ৩ লাখেরও বেশি লেবানিজ নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রও ইসরাইলের সঙ্গে যোগ দিয়ে দুই দফায় ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর হামলা চালায়। এতে ইরান যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বহু দূরে অবস্থিত বিশ্ববাজারও অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।

ইসরাইল-অধিকৃত পশ্চিম তীরেও সহিংসতা বেড়েছে। সেখানে ইসরাইলের কট্টর-ডানপন্থি সরকার বসতি স্থাপনকারীদের আরও বেপরোয়া ও সাহসী করে তুলেছে, যারা ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং তাদের সম্পত্তি ধ্বংস করছে। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে প্রত্যেক জেলে পরিবার পেল ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল অবরোধে সহায়তা বাড়ানোর দাবি জেলেদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৯ পি.এম


কাউখালীতে প্রত্যেক জেলে পরিবার পেল ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল অবরোধে সহায়তা বাড়ানোর দাবি জেলেদের

পিরোজপুরের কাউখালীতে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালে জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে বরাদ্দের পরিমাণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা ৩১০টি নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারকে ২৫ কেজি করে মোট ৭ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়।
চাল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশুতোষ বড়াল এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইকবাল হোসেন।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কাউখালী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ৬৫০টি নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় মোট ৪১ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে চাল নিতে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলেরা। জেলে লিটন সেখ ও সুকুমার বড়াল বলেন, ‘বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তাতে ২২ দিনের অবরোধকালে মাত্র ২৫ কেজি চাল দিয়ে একটি পরিবারের সংসার চালানো কঠিন। চালের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যও কিনতে হয়। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি, অবরোধকালীন সরকারি সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হোক।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘মা ইলিশ রক্ষায় প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জেলেদের অবরোধকালীন সহায়তার জন্যই সরকার ভিজিএফের চালের ব্যবস্থা করেছে। সুনির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী স্বচ্ছতার সঙ্গে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। তবে জেলেদের সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর যে দাবি রয়েছে, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
মৎস্য কর্মকর্তারা জানান, ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা জরুরি। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ নিয়মিতভাবে তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেজগাঁওয়ে যুবদলের ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩০ পি.এম


তেজগাঁওয়ে যুবদলের ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল রাজধানীর পূর্ব তেজতুরী বাজার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করেছে, যা তাদের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ।

বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইসলাম স্বপন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তেজগাঁও থানা যুবদলের নেতাকর্মীরাও সেখানে ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা এবং মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়।

নেতাকর্মীরা এ সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার, কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার আহ্বান জানান।

স্বপন মন্তব্য করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিজেদের বাসা-বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।"

নেতা-কর্মীরা জানান, যুবদলের এই কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডারবান টেস্টে গ্রিনকে পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩১ পি.এম


ডারবান টেস্টে গ্রিনকে পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া

পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত শেষ ওয়ানডেতে পেটে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় গ্রিন ডারবান টেস্ট থেকে বাদ পড়েছেন; সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে ফিরলেও তাকে শুধুমাত্র ব্যাটার হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার।

অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন পেটের চোটের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ডারবানে প্রথম টেস্টে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে গকেবেরহা বা কেপটাউন টেস্টে তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। ফিরলেও বোলিং করার সম্ভাবনা নেই; আপাতত তাকে শুধুমাত্র ব্যাটার হিসেবে ফিরিয়ে আনার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।

পচেফস্ট্রুমে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে করবিন বশের বিপক্ষে মাত্র তিন বলের স্পেল করার সময় গ্রিন পেটে আঘাত পান। সেই ওভারে ছক্কা হজম করার পর তাকে মাঠ ছাড়তে হয় এবং পরে আউট হন। চোটটি ক্রিকেটে বিরল হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেল দল অন্যান্য খেলাধুলায় একই ধরনের চোটের উদাহরণ খুঁজে দেখছে। কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড জানিয়েছেন, গ্রিনের পুনর্বাসন ভালোভাবে এগোচ্ছে, তবে এ সপ্তাহে তাকে ধীরে ধীরে বিভিন্ন কার্যক্রমে ফেরানো হবে।

কাঁধের চোটের কারণে আগে থেকেই দীর্ঘ সময় বোলিংয়ের বাইরে থাকা গ্রিনকে এখনই বল হাতে ফেরানোকে ‘খুব বেশি ঝুঁকি’ মনে করছেন ম্যাকডোনাল্ড। তাই ব্যাটার হিসেবে তার প্রত্যাবর্তনই অগ্রাধিকার। বাংলাদেশের বিপক্ষে আগস্টের সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন গ্রিন এবং গত অ্যাশেজে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তনের পর ৫ নম্বর পজিশনে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলেন। ম্যাকডোনাল্ডের মতে, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স তার আত্মবিশ্বাসে বড় পরিবর্তন এনেছিল। বল হাতে গ্রিনের ভূমিকা না থাকলেও বিউ ওয়েবস্টার প্রয়োজনে কাছাকাছি ভূমিকা পালন করতে পারেন।

গ্রিনের বদলে ডারবান টেস্টে মূল বিকল্প হিসেবে কুপার কনোলি ও সদ্য দলে ফেরানো নিক ম্যাডিনসন রয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিননির্ভর কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে ম্যাডিনসনের স্পিন খেলার দক্ষতাকে তার দলে ফেরার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশে কেশব মহারাজের সঙ্গে সাইমন হারমারকে খেলানোর সম্ভাবনাও রয়েছে, যদিও শুরু থেকেই স্পিনাররা খেলবেন নাকি ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী আসবেন, তা নিশ্চিত নয়।

এদিকে ট্রাভিস হেড ওপেনিংয়ে থাকবেন বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ড, আর বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ নম্বরে ব্যাট করা অ্যালেক্স ক্যারিকে এর চেয়ে ওপরে তোলার পরিকল্পনা নেই। ২০২৫ সালের মার্চের পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট না খেলা ম্যাডিনসনকে ক্যানসারের চিকিৎসার পর দলে ফেরানো হয়েছে। ম্যাকডোনাল্ড বলেন, অসুস্থতার আগের বছরগুলোর পারফরম্যান্স বিবেচনায় তার নির্বাচকদের নজর থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়ার কথা নয়। চলতি মৌসুমের প্রথম ওয়ানডেতেই সেঞ্চুরি করে তিনি নিজের প্রত্যাবর্তনের জানান দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%