ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এডেন বিমানবন্দরে হামলা, যাত্রীবাহী বিমান অল্পের জন্য রক্ষা


এডেন বিমানবন্দরে হামলা, যাত্রীবাহী বিমান অল্পের জন্য রক্ষা

ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান সমর্থিত হুথিদের দ্বারা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সংঘটিত এ হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র দুটি বিমানবন্দরের রানওয়ের নিকটে আঘাত হানে। এ সময় একটি বিমান উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ক্ষেপণাস্ত্র দুটি বিমানটির থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে আঘাত হানে। দেশটির পশ্চিমা সমর্থিত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এতে যাত্রী ও ক্রুদের মধ্যে কেউ হতাহত হয়নি।

এক দিন আগে একই শহরে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছিল হুথিরা। ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মুয়াম্মার আল-এরিয়ানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে বলেন, শুক্রবার এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এ সময় একটি বিমান উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ক্ষেপণাস্ত্র দুটি বিমানটির থেকে প্রায় ৫০০ মিটার বা ১ হাজার ৬৪০ ফুট দূরে পড়ে।

তিনি জানান, এ ঘটনায় সব যাত্রী ও বিমানের ক্রুরা নিরাপদে আছেন। সম্ভাব্য ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় এড়ানো যাওয়ার জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আল-এরিয়ানি। বিমানবন্দরে হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে ৮ বছরের পুরোনো মানহানির মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

তবে হুথিরা বিমানবন্দরে হামলার কথা সরাসরি স্বীকার করেনি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার হুথিদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সামরিক সূত্রের বরাতে জানানো হয়, এডেন প্রদেশে বদর শিবিরে সৌদি বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তর এবং একটি অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

ইয়েমেনে পশ্চিমা সমর্থিত সরকারের সদর দপ্তর এডেনে অবস্থিত। দেশটিতে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও ইরান সমর্থিত হুথিদের মধ্যে নতুন করে তীব্র লড়াই চলছে। দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাত আরো জোরালো হয়েছে।

মারিবে সরকারি বাহিনীর অগ্রগতির দাবি

গত শুক্রবার ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী সানার উত্তর-পূর্বে মারিব প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে তারা অগ্রগতি অর্জন করেছে। সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আল-নাজিলি বলেন, বিমান সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে সরকারি বাহিনী উল্লেখযোগ্য ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলোও নিজেদের দখলে নিয়েছে।

আরও পড়ুন: আলবেনিয়ায় সহিংস বিক্ষোভ: সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন

আল-নাজিলির দাবি, ২৪ ঘণ্টায় সরকারি বাহিনীর অভিযানে হুথিদের ৪৩০ জনের বেশি যোদ্ধা ‘নিষ্ক্রিয়’ হয়েছেন। এ ছাড়া হুথিদের শতাধিক যানবাহন ও সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস বা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে।

তবে এসব দাবির বিষয়ে হুথিদের বক্তব্য জানা যায়নি। যুদ্ধের আরেক গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্র তায়েজ প্রদেশেও লড়াই চলছে। পশ্চিমা সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর দাবি, সেখানে হুথিদের বেশ কয়েকটি বড় ধরনের হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। এতে হুথিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া তায়েজ এলাকায় হুথিদের সঙ্গে যুক্ত একটি বিশেষ ড্রোন পরিচালনাকারী দলকেও আটক করার দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিরা ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তায়েজ ঘিরে ফেলেছে। শহরটি থেকে দক্ষিণে এডেন যাওয়ার প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেওয়ায় ব্যাপকসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এতে ওই অঞ্চলের মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।

রিয়াদের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত

আরও পড়ুন: সকালে উঠে নাশতা তৈরি করি, থালাবাসনও ধুই: জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি

এদিকে শুক্রবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এই জোট।

সৌদি আরবের অভিযোগ, ইরান হুথিদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে হামলায় উৎসাহিত করছে। তবে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরান বলেছে, হুথিদের কোনো সামরিক অভিযানে ইরান জড়িত নয়। একই সঙ্গে হুথি ও রিয়াদের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাবও আবার তুলে ধরেছে দেশটি।

ইয়েমেনে নতুন করে তীব্র হচ্ছে গৃহযুদ্ধ

২০১৪ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ওই বছর হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে সরকারকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে। হুথিরা ‘আনসার আল্লাহ’ নামেও পরিচিত। আরবি এই নামের অর্থ ‘আল্লাহর সমর্থক’।

আরও পড়ুন: অধিকৃত পশ্চিম তীরে মার্কিন সাংবাদিক হেইডি লেভিনের ওপর ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা

এর পর ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট হস্তক্ষেপ করে। এরপর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে বছরের পর বছর লড়াই চলে।

২০২২ সালে জাতিসংঘের সমর্থনে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এতে বড় ধরনের সংঘর্ষ অনেকটাই কমে আসে। তবে গত জুলাইয়ে হুথিরা সৌদি আরবের বন্দর এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর নৌ অবরোধ ঘোষণার পর থেকে উত্তেজনা বেড়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে হুথিরা আকস্মিক স্থল অভিযান চালিয়ে লোহিত সাগর উপকূলের বন্দরনগরী মোখায় অগ্রসর হয়। এ সময় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর অনুগত সেনারা শহরটি থেকে পিছু হটে। একই মাসে হুথিরা দেশটির পশ্চিম উপকূল ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশের আরো কিছু এলাকা দখল করে নেয়। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মাইয়ুন দ্বীপও তাদের নিয়ন্ত্রণে যায়।

সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা অভিযানে ইয়েমেনের সংঘাত আরো বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এডেন বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং সৌদি আরবের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা আঞ্চলিক উত্তেজনাও বাড়িয়ে তুলেছে।

আরও পড়ুন: হোদেইদায় হুথিদের অস্ত্র পাচারকেন্দ্রে সৌদি জোটের হামলা, তাইজে চলছে তীব্র লড়াই

উল্লেখ্য, রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের একটি বড় অংশ এবং প্রধান সরকারি অফিসগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত হুথিদের হাতেই রয়েছে। ২০১৪ সালের শেষের দিকে হুথিরা সানা দখল করার পর থেকেই তারা সেখানে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো ও সরকার পরিচালনা করে আসছে। তবে, কূটনীতি এবং জাতিসংঘের দপ্তরে ইয়েমেনের বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি ভোগ করে কথিত ‘সরকারি বাহিনী’, যাদের সঙ্গে হুথিদের সংঘাত চলছে।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ১২ হাজার ৫০০ জেলে খাদ্য সহায়তার বাইরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


বরগুনায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ১২ হাজার ৫০০ জেলে খাদ্য সহায়তার বাইরে

মা ইলিশ রক্ষায় নদ-নদী ও সাগরে নিষেধাজ্ঞা চলছে টানা ২২ দিন। বরগুনায় অভিযান, মোবাইল কোর্ট এবং বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে আইন ভাঙা ঠেকাতে। ৮ থেকে ১৬ অক্টোবরের মধ্যে ১২৮টি অভিযান এবং ৩১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ১ দশমিক ১৩৫ টন ইলিশ এবং ২ দশমিক ১৫ কিলোমিটার অবৈধ জাল। সাত জেলেকে আটক করা হয়েছে এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে, অভিযানের এই তৎপরতার মধ্যে নিষেধাজ্ঞার সময় জীবিকা বন্ধ হয়ে যাওয়া জেলেদের সহায়তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নিবন্ধিত ১২ হাজার ৫০০ জেলে সরকারি খাদ্যসহায়তার তালিকার বাইরে রয়েছেন। এছাড়াও, নিবন্ধনবঞ্চিত বিপুলসংখ্যক জেলের জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বরগুনার ছয় উপজেলা- সদর, আমতলী, তালতলী, পাথরঘাটা, বেতাগী ও বামনায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ কাজ করছে। সদর, পাথরঘাটা ও তালতলীর সমুদ্রগামী জেলেদের পাশাপাশি বিষখালী, পায়রা ও বলেশ্বর নদনির্ভর জেলেরাও মাছ ধরা থেকে বিরত রয়েছেন। ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া নিষেধাজ্ঞা ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ সময় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ।

ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে, এ সময় জেলে পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা ও জীবিকা সুরক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ। বরগুনার সরকারি সহায়তার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, নিবন্ধিত জেলেদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ চলতি দফায় ঘোষিত খাদ্যসহায়তার আওতায় নেই।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বরগুনায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৫২ হাজার ৪৭৬ জন। চলতি নিষেধাজ্ঞায় ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় তাঁদের মধ্যে ৩৯ হাজার ৯৭৬ জনকে পরিবারপ্রতি ২৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন।

হিসাব অনুযায়ী, নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ জন এ দফায় ঘোষিত চালসহায়তার আওতায় নেই। অর্থাৎ নিবন্ধিত জেলেদের প্রায় ২৪ শতাংশই এই সহায়তা পাচ্ছেন না। এর বাইরে অনিবন্ধিত জেলের সংখ্যা আরও প্রায় অর্ধলাখ বলে স্থানীয় পর্যায়ে দাবি রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের একটি বড় অংশ খাদ্যসহায়তার বাইরে থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিবন্ধিত হয়েও সহায়তা না পাওয়া জেলেদের কারণ নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা এবং অনিবন্ধিত প্রকৃত জেলেদের শনাক্ত করা জরুরি হয়ে উঠেছে। উপজেলা-ভিত্তিক বরাদ্দ, উপকারভোগীর তালিকা ও চাল বিতরণের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হলে সহায়তা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলেদের আয়ও বন্ধ হয়ে যায়। সংসারের খরচ, ঋণের কিস্তি, চিকিৎসা, সন্তানদের পড়াশোনা এবং মাছ ধরার সরঞ্জাম মেরামতের ব্যয় থেমে থাকে না। কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউ নৌকা ও ট্রলারের যন্ত্রপাতি ঠিক করছেন। কিন্তু এসব প্রস্তুতির মধ্যেও নগদ অর্থের সংকট কাটছে না। পরিবারপ্রতি ২৫ কেজি চালের সহায়তা কিছুটা স্বস্তি দিলেও সব ধরনের ব্যয় মেটানোর জন্য তা যথেষ্ট নয়।

পাথরঘাটার মাছ অবতরণকেন্দ্রকেন্দ্রিক জেলেদের নিষেধাজ্ঞার সময় আয় বন্ধ থাকা, সংসারের খরচ ও ঋণের কিস্তি নিয়ে তাঁদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। সেখানে চালের পাশাপাশি নগদ সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন জেলেরা।

মৎস্য বিভাগের দেওয়া অভিযানসংক্রান্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৮ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বরগুনায় ১২৮টি অভিযান ও ৩১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ৩৯টি মাছ অবতরণকেন্দ্র, ২০০টি মাছঘাট, ৩৭৩টি আড়ত এবং ৩৭৬টি বাজার পরিদর্শন করা হয়।

অভিযানে ১ দশমিক ১৩৫ টন ইলিশ ও ২ দশমিক ০১৫ কিলোমিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬৮ লাখ ৬৯ হাজার ৭০০ টাকা। এ সময় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সাত জেলেকে আটক করা হয়েছে।

মা ইলিশ রক্ষা শুধুমাত্র অভিযান পরিচালনার বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের মৎস্যসম্পদ, ভবিষ্যৎ উৎপাদন এবং উপকূলীয় জনগণের জীবন-জীবিকা। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর না হলে ইলিশের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অন্যদিকে, নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা জেলেরা খাদ্য ও জীবিকার সংকটে পড়লে তাঁদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়ে।

সচেতন মঙ্গল মনে করেন, অবৈধ মাছ ধরা, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ বন্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সময়মতো খাদ্যসহায়তা পৌঁছানো, তালিকাবঞ্চিত প্রকৃত জেলেদের শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনে নগদ সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। সহায়তা বিতরণের অগ্রগতি ও উপকারভোগীদের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার পাশাপাশি তাঁদের ন্যায্য সহায়তা নিশ্চিত করাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। অভিযানকে কার্যকর ও টেকসই করতে হলে নদ-নদী ও সাগরে নজরদারির পাশাপাশি জেলে পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা এবং জীবিকা সুরক্ষায়ও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘ মহাসচিব পদের ৭ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভেটো দিয়েছে স্থায়ী সদস্যরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


জাতিসংঘ মহাসচিব পদের ৭ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভেটো দিয়েছে স্থায়ী সদস্যরা

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতিসংঘের মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাতজন প্রার্থী প্রত্যেকে অন্তত একজন স্থায়ী সদস্যের কাছ থেকে ‘অনুৎসাহিত’ ভোট পেয়েছেন। এটি কার্যত ভেটোর সমতুল্য বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার, একজন কূটনীতিক সর্বশেষ অনানুষ্ঠানিক ভোটের এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

জাতিসংঘ থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থা এই খবরটি জানিয়েছে।

শুক্রবারের ভোটে প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ভেটো বোঝাতে রঙিন কাঠি ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে, নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচিত ১০ সদস্য আগের মতো সাধারণ কাঠি ব্যবহার করেছেন। এই ভোটে সদস্যদের পরিচয় গোপন রাখা হয়।

কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান আগের পাঁচ দফা ভোটেও শীর্ষে ছিলেন। এবারও তিনি সবচেয়ে বেশি ‘সমর্থন’ ভোট অর্জন করেছেন। তবে তিনি পাঁচটি ‘অনুৎসাহিত’ ভোটও পেয়েছেন, যার মধ্যে দুটি স্থায়ী সদস্যদের কাছ থেকে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সাত প্রার্থীর কাউকেই সমর্থন করছে না ওয়াশিংটন।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ এ প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে শুক্রবার তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময়ই বলে আসছি, আমাদের শুধু সেরা প্রার্থীটিকেই প্রয়োজন।’

নতুন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যোগ দিতে পারবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াল্টজ বলেন, ‘কোনো দেশ যদি আরও প্রার্থী দিতে চায়, তবে তা অবশ্যই তাদের সার্বভৌম অধিকার।’

কূটনীতিকদের মতে, সম্ভাব্য নতুন প্রার্থীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর অধীনে গাজার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তুরস্কের ফেরিদুন হাদি সিনিরলিওগলুর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে। তিনি ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থার (ওএসসিই) মহাসচিব।

অনানুষ্ঠানিক ভোটের প্রথম পাঁচ দফায় গড় হিসেবে সবচেয়ে ভালো ফল করেছিলেন গ্রিনস্প্যান। শুক্রবারও তিনি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন, যদিও তিনি দু’টি ভেটো পেয়েছেন।

অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রড্রিগেস-বার্কেট, জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার বর্তমান প্রধান আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, সেনেগালের ম্যাকি সাল, ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকি ও মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা এবং উগান্ডার ওলারা ওতুনু।

বিদায়ী মহাসচিব পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় পাঁচ বছর মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে।

নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় নয়টি ভোট পেলেও, কোনো প্রার্থীকে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো এড়াতে হবে। এই পাঁচ শক্তিধর দেশের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য বিদ্যমান।

যদি কোনো প্রার্থী এই দুই শর্ত পূরণ করতে সক্ষম হন, তবে তাঁর নাম চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জাতিসংঘের সব সদস্য দেশের সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে।

দুই প্রার্থীর নামেই ভেটো পড়ায় সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটাতে ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে নিরাপত্তা পরিষদের এই ধরনের ভোটের পদ্ধতি চালু করা হয়।

প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ নয়—এমন সমালোচনা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপে এই অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতি চালু রয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যকে প্রতিটি প্রার্থীর বিষয়ে গোপন ব্যালটে তিনটির মধ্যে একটি মত দিতে হয়—‘সমর্থন’, ‘অনুৎসাহিত’ অথবা ‘কোনো মতামত নেই’।

জাতিসংঘের শীর্ষ পদটি পালাক্রমে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রার্থীদের দেওয়ার রীতি রয়েছে। সেই রীতি অনুসারে, এবার পদটি ল্যাটিন আমেরিকার কোনো প্রার্থীর পাওয়ার কথা। এ অঞ্চল থেকে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সাল ও ওতুনু আফ্রিকার প্রার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঙ্গোলিয়া বিশ্বব্যাংকের আইডিএ তহবিলের দাতা, অনুমোদন ৪৮০ কোটি তুগরিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


মঙ্গোলিয়া বিশ্বব্যাংকের আইডিএ তহবিলের দাতা, অনুমোদন ৪৮০ কোটি তুগরিক

মঙ্গোলিয়া আন্তর্জাতিক ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) তহবিলের দাতা হিসেবে যুক্ত হয়েছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের স্বল্প আয়ের দেশগুলোর উন্নয়ন সহায়তা তহবিলে। দেশটির সংসদ আইডিএ তহবিলে ৪৮০ কোটি মঙ্গোলীয় তুগরিক (এমএনটি) (প্রায় ১৩ লাখ মার্কিন ডলার) দেওয়ার অনুমোদন প্রদান করেছে। মঙ্গোলিয়ার এই যাত্রাকে দেশটির উন্নয়নের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংককে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

১৯৯১ সালে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সদস্য হওয়ার পর থেকে মঙ্গোলিয়া ১৬২ কোটি ডলারের বেশি উন্নয়ন অর্থায়ন লাভ করেছে। এই অর্থায়ন পরিবহন, গ্রামীণ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে প্রদান করা হয়েছে। ২০২০ সালের জুলাইয়ে আইডিএ থেকে উত্তরণ ঘটে মঙ্গোলিয়ার। এরপর থেকে দেশটি বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংকের (আইবিআরডি) আওতাভুক্ত গ্রাহক হিসেবে রয়েছে।

গত তিন দশকে মঙ্গোলিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে দারিদ্র্য কমিয়েছে এবং মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) তিন গুণ বৃদ্ধি করেছে। ২০২৪ সালে দেশটি উচ্চমধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করবে। এবার আইডিএর ২১তম পুনরর্থায়ন কর্মসূচিতে (আইডিএ২১) অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন ভূমিকা গ্রহণ করতে যাচ্ছে দেশটি।

মঙ্গোলিয়ার অর্থমন্ত্রী মেন্দসাইখান জাগদজাভ মন্তব্য করেন, "আইডিএ২১-এ মঙ্গোলিয়ার অবদান বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।" একই সঙ্গে তিনি বলেন, "এটি আন্তর্জাতিক সংহতির প্রতি দেশটির অঙ্গীকারের প্রতিফলন।"

তিনি যোগ করেন, "আইডিএর সহায়তা থেকে সরাসরি উপকৃত হওয়ায় মঙ্গোলিয়া বুঝতে পেরেছে, দারিদ্র্য হ্রাস, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে সহজ শর্তের অর্থায়ন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।" মঙ্গোলিয়া নিজেদের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি অন্য দেশগুলোকে তাদের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পেরে গর্বিত।

বিশ্বব্যাংকের অংশীদারত্ব, উদ্ভাবন ও সম্পদ সংগ্রহবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট লিসা ফিনেরান বলেন, "মঙ্গোলিয়ার উন্নয়ন অগ্রগতি দেখিয়েছে, ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে কী অর্জন সম্ভব।" তিনি মঙ্গোলিয়াকে আইডিএর দাতা গোষ্ঠীতে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "অন্য দেশগুলোর সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে দেশটির এই অঙ্গীকারের জন্য বিশ্বব্যাংক কৃতজ্ঞ।"

আইডিএ হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি তহবিল, যা ৭৮টি স্বল্প আয়ের দেশকে অনুদান ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে। দারিদ্র্য কমানো, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন এ তহবিলের প্রধান লক্ষ্য।

প্রতি তিন বছর পর আইডিএর অর্থায়ন পুনর্গঠন ও নতুন অবদানের মাধ্যমে তহবিলের সংস্থান করা হয়। আইডিএর ২১তম পুনরর্থায়ন কর্মসূচি (আইডিএ২১) ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হবে। বর্তমানে ৭৮টি দেশে উন্নয়ন কার্যক্রমে অর্থায়ন করছে সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোয়ালখালীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ নুর মোহাম্মদ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


বোয়ালখালীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ নুর মোহাম্মদ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ নুর মোহাম্মদ (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) উপজেলার কালুরঘাট পানামা ব্রিজের ওপর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া নুর মোহাম্মদ কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের তাইজ্জাকাটা এলাকার মৃত কবির আহাম্মদের ছেলে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোয়ালখালী পৌরসভার কধুরখীল এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালুরঘাট পানামা ব্রিজে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, “৪০০ পিস ইয়াবাসহ নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%