ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইনানীর আগুনে শোকের ছায়া, অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৌসিফ


ইনানীর আগুনে শোকের ছায়া, অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৌসিফ

পর্যটনের আনন্দঘন মুহূর্তগুলো মুহূর্তেই ভয়াবহ শোকে পরিণত হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে টুপটুপ রিসোর্টে একটি অগ্নিকাণ্ডের ফলে শিশুসহ ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। স্বজন হারানোর আহাজারিতে চারপাশ ভারী হয়ে উঠেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দেশের মানুষ শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে। শোকের পাশাপাশি রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ছোটপর্দার অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব।

ছোট পর্দার অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে লেখেন, ‘এটা আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন।’ তার এই সংক্ষিপ্ত বার্তায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর বেদনা এবং অসহায়ত্ব ফুটে উঠেছে।

ইনানীর এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড শুধু একাধিক প্রাণ কেড়ে নেয়নি, বরং অসংখ্য পরিবারের আজীবনের ক্ষতও রেখে গেছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে এবং অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি উঠছে। কারণ, হারিয়ে যাওয়া প্রাণগুলো আর কখনো ফিরে আসবে না। তবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে ভবিষ্যতে এমন ট্র্যাজেডি ঠেকানো সম্ভব হতে পারে।

আরও পড়ুন: এআইয়ের ব্যবহার রুখতে আদালতে কৃতি, মন্তব্য দিল্লির হাইকোর্ট

তৌসিফ মাহবুবের শোক এবং প্রশ্ন যেন মনে করিয়ে দেয়, ব্যবসা কিংবা বিনোদন সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানুষের জীবন। পর্যটনের আনন্দ যেন কখনোই নিরাপত্তাহীনতার কারণে হৃদয়বিদারক শোকে পরিণত না হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নব্য ফ্যাসিবাদের পতন ঘটানোর ঘোষণা জামায়াত আমিরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নব্য ফ্যাসিবাদের পতন ঘটানোর ঘোষণা জামায়াত আমিরের

জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি পতিত স্বৈচারের নির্দেশিত পথ অনুসরণ করছে। তিনি বলেছেন, "জুলাই সনদ আর গণভোটের গণরায় বিরোধী দল বাস্তবায়ন করেই ছাড়বে।"

রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা বিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এবি পার্টি কর্তৃক আয়োজিত জুলাই সনদ স্বাক্ষরের বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির উল্লেখ করেছেন, শপথের দিন থেকেই বিএনপি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও প্রতারণা শুরু করেছে। তিনি বলেন, "প্রত্যেকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে বিএনপি দলীয়করণ করে চলেছে, প্রত্যেকটি ধ্বংস করা হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় ক্যাডার দিয়ে পরিপূর্ণ করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি পতিত স্বৈচারের দেখানো পথেই হাঁটছে। তিনি আবারও উল্লেখ করেন, "জুলাই সনদ আর গণভোটের গণরায় বিরোধী দল বাস্তবায়ন করেই ছাড়বে।" জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংগ্রামের মাধ্যমে নব্য ফ্যাসিবাদের পতন ঘটানো হবে। তিনি বলেন, এই সরকারের যোগ্যতা নেই, বিরোধীদলের সহযোগিতা গ্রহণের।

সংসদ সদস্য ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেন, বিএনপি জুলাই সনদ নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তিনি বলেন, "বিএনপির মুখে জুলাই সনদ, বুকে আওয়ামী লীগ।" তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ না মেনে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে বাংলাদেশকে তুলে দেয়া হয়েছে।

এনসিপির এ নেতা আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট অংশের ব্যবসায়িক লাভের জন্যই জুলাই সনদকে বাতিল করা হচ্ছে। তিনি বলেন, "জুলাই সনদ আমাদের আকাঙ্ক্ষার সনদ। নতুন বাংলাদেশের দলিল জুলাই সনদ।" তিনি বিএনপির প্রতারণার ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হয়ে গেছে। তিনি বলেন, "রাজনৈতিক প্রশ্ন সংবিধান দিয়ে মোকাবিলার চেষ্টা জাতির সঙ্গে প্রতারণা।" তিনি সতর্ক করেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সাংবিধানিক সব প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে পড়বে। রাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাধ্য করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তদন্তের মধ্যে থাকা রিজওয়ানকে ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


তদন্তের মধ্যে থাকা রিজওয়ানকে ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি

গত আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সিরিজ চলাকালীন অনলাইন বেটিং ও জুয়া-সংক্রান্ত অভিযোগের কারণে অভিযুক্ত হন পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অথরিটির (এনসিসিআইএ) তদন্তের আওতায় রয়েছেন।

ইংল্যান্ড সফরের সময় রিজওয়ানের মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছিল। জানা গেছে, সেটি এখনও এনসিসিআইএর কাছে রয়েছে। তবে এর মধ্যে রিজওয়ান ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি পেয়ে গেছেন। তিনি পাকিস্তানের ২০২৬–২৭ মৌসুমের প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড-১-এ সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের হয়ে খেলবেন। এই দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্বও তার কাঁধে রয়েছে।

সুই নর্দার্নের ক্রিকেট পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ঘরোয়া ক্রিকেট বিভাগের পরিচালকের কাছ থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ১৯ অক্টোবর থেকে দলের হয়ে খেলতে শুরু করবেন রিজওয়ান।

জিও সুপারের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রিজওয়ান প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে অংশ নিতে পিসিবির কাছ থেকে কোনো অনাপত্তিপত্র চাননি। তবে, তিনি নেপাল প্রিমিয়ার লিগে খেলার জন্য পিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন অনাপত্তিপত্রের জন্য। ওই টুর্নামেন্টের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে তার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।

রিজওয়ান নেপাল প্রিমিয়ার লিগের জন্য প্রেসিডেন্টস ট্রফি শেষ হওয়ার পর ছাড়পত্র পেতে পারেন। কারণ, পাকিস্তানে ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রতিযোগিতা চলাকালীন বিদেশি লিগে খেলার জন্য ক্রিকেটারদের এনওসি দিতে পিসিবি অনাগ্রহী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে বাধা কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে বাধা কোথায়?

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও চলতি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত সফরের পরিকল্পনা করছেন। এই সফরে দুই দেশের দীর্ঘপ্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, রুবিও ভারতের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে তার এই সফরে নয়াদিল্লি বাদ পড়ছে। পরিবর্তে, তিনি ভারতের বাণিজ্যিক কেন্দ্র মুম্বাই এবং জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র জামনগর সফর করবেন। জামনগরে রয়েছে ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন বিশ্বের বৃহত্তম তেল পরিশোধন কমপ্লেক্স।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সফরের আলোচনার মূল বিষয় হয়ে উঠবে দুই দেশের দীর্ঘপ্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে না পারার বিষয়টি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপক শুল্ক আরোপ, জ্বালানি আমদানি নিয়ে মতবিরোধ এবং ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের উষ্ণতর সম্পর্কসহ বেশ কয়েকটি কারণে আলোচকদের জন্য চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, রুবিও শনিবার ছয় দিনের বিদেশ সফর শুরু করবেন। প্রথমে তিনি উজবেকিস্তান যাবেন, এরপর ভারত সফর করবেন।

দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তির পথে প্রধান বাধা এবং সামনে কী সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিয়ে এএফপির প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

শুল্ক নিয়ে আইনি অনিশ্চয়তা

ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির কাঠামোতে সম্মত হয়েছিল। এর আওতায় ওয়াশিংটন ভারতের ওপর পাল্টা শুল্কের হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করার এবং ভারত বিভিন্ন শিল্পপণ্য ও কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর কথা ছিল।

তবে কয়েক মাস ধরে আলোচনা চললেও চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং স্বাক্ষরিতও হয়নি। এর একটি কারণ হলো, ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা নিয়ে আইনি অনিশ্চয়তা। আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পাল্টা শুল্কের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ায় প্রস্তাবিত চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বাণিজ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ অজয় শ্রীবাস্তব এক নোটে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির কাঠামোতে ভারতের জন্য পাল্টা শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যার বিনিময়ে ভারতকে উল্লেখযোগ্য ছাড় দিতে হতো। কিন্তু ওই শুল্কব্যবস্থা আদালতে বাতিল হয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের মূল্য কতটা, তা অস্পষ্ট হয়ে পড়ে।’

এ ছাড়া ওয়াশিংটনের নতুন কিছু বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নিয়েও ভারতের উদ্বেগ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি দেশে কথিত অন্যায্য বাণিজ্যচর্চা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত এবং রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সুযোগ রেখে প্রণীত একটি নতুন আইন রয়েছে।

তবে শুক্রবার ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে ওই হুমকির মুখে থাকা নিষেধাজ্ঞাগুলো কার্যকর না করার নির্দেশ দেন।

আলোচনায় অগ্রগতি থমকে গেছে

চলতি বছরের বেশির ভাগ সময় দুই দেশের সরকারই অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী বক্তব্য দিয়েছে। জুনে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেছিলেন, আলোচকেরা চুক্তির ‘শেষ এক শতাংশ’ নিয়ে কাজ করছেন।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে সতর্কতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন গত সপ্তাহে বলেন, আলোচনা ‘একটি পর্যায়ে এসে থেমে গেছে’ এবং আরও ছাড় দেওয়ার সুযোগ খুবই সীমিত।

এর কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারও বলেছিলেন, চুক্তি নিয়ে ঘোষণা ‘অবিলম্বে’ আসছে না।

কৃষি ও জ্বালানি নিয়ে মতপার্থক্য

ভারতের জন্য কৃষি এখনো অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। বিদেশি পণ্যের সঙ্গে বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখে দেশের কৃষকদের ফেলতে চায় না নয়াদিল্লি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চায় ভারত আরও বেশি মার্কিন জ্বালানি কিনুক।

এ ছাড়া ভিয়েতনামের মতো আঞ্চলিক উৎপাদন প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় ভারতের শুল্কহার প্রতিযোগিতামূলক রাখার ওপর জোর দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল চলতি সপ্তাহে বলেন, চুক্তির প্রথম পর্যায় চূড়ান্ত করার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থান নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি কার্যকর করা হবে না।

তিনি বলেন, ‘চুক্তিটি এখন চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ ও আইনি খসড়া তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। আমরা আশা করছি, শিগগিরই এটি চূড়ান্ত করতে পারব। তবে সমপর্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পরই এটি কার্যকর করা হবে।’

রপ্তানি বাড়লেও শুল্ক নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পণ্য রপ্তানি গত বছরের একই মাসের তুলনায় আগস্টে ২১ শতাংশ বেড়ে ৮৩০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের আগস্টে ভারতকে ৫০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়তে হয়েছিল।

রপ্তানি বৃদ্ধিকে ভারতের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানির উচ্চমূল্যে দেশটির অর্থনীতি যখন চাপের মুখে, তখন রপ্তানির এ প্রবৃদ্ধি কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।

তবে উচ্চ শুল্ক আবার কার্যকর হলে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে অর্থনীতিবিদেরা সতর্ক করেছেন। এতে বাজারের আস্থা কমতে পারে এবং আগে থেকেই দুর্বল রুপির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাস শিক্ষা দিতে নীতিনির্ধারকদের প্রশিক্ষণ দিল ইউনেস্কো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


ইতিহাস শিক্ষা দিতে নীতিনির্ধারকদের প্রশিক্ষণ দিল ইউনেস্কো

অতীতের সহিংসতা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়, কিন্তু শিক্ষা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সেই ইতিহাসের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সক্ষম। এই উদ্দেশ্যে ১১টি দেশের নীতিনির্ধারকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো, যা গণহত্যা ও অতীতের সহিংসতার ইতিহাস পাঠদানের উপর কেন্দ্রিত।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে ‘ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রাম অন হলোকাস্ট অ্যান্ড জেনোসাইড এডুকেশন’ (আইপিএইচজিই) কর্মসূচির আওতায় চার দিনের এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের অতীতের সহিংস ঘটনাবলী সম্পর্কে সমালোচনামূলক চিন্তা করতে শেখানো এবং শান্তি, সহমর্মিতা ও পুনর্মিলনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয় কম্বোডিয়ার তিনটি স্মৃতিবিজড়িত স্থান—তুওল স্লেং গণহত্যা জাদুঘর, চোউং এক গণহত্যা কেন্দ্র এবং সাবেক এম-১৩ কারাগারকে কেন্দ্র করে। স্থানগুলো ২০২৫ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত খেমার রুজ শাসনামলে সংঘটিত অপরাধের ইতিহাস বহন করছে এই স্থানগুলো।

ইউনেস্কো ও যুক্তরাষ্ট্রের হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়ামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় কম্বোডিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, কেনিয়া, নামিবিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, রুয়ান্ডা, স্পেন ও তিমুর-লেস্তের শিক্ষা খাতের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি ভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে সহিংস অতীতের ইতিহাস কীভাবে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়।

কম্বোডিয়ার শিক্ষা, যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী এবং উপপ্রধানমন্ত্রী হাং চুয়োন ন্যারন উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, "শিক্ষা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, মানবিক মর্যাদা, সহমর্মিতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" তিনি আরও বলেন, "এটি শান্তির প্রতি সবার অভিন্ন অঙ্গীকার গড়ে তুলতে সহায়তা করে।"

তিনি উল্লেখ করেন, ভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার নীতিনির্ধারক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একত্র করার গুরুত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, "প্রতিটি সমাজের অভিজ্ঞতা আলাদা হলেও শিক্ষা মানুষকে অতীত স্মরণ, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা এবং পুনর্মিলন ও শান্তির পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে।"

ইউনেস্কোর মতে, অতীতের সহিংসতার ইতিহাস পড়ানো মানে কেবল ঐতিহাসিক তথ্য তুলে ধরা নয়। শিক্ষকদের সংবেদনশীল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার উপযুক্ত দক্ষতা থাকতে হয়। কঠিন আলোচনা পরিচালনা এবং কোন পরিস্থিতি ও সিদ্ধান্ত সহিংসতার দিকে নিয়ে যেতে পারে, তা শিক্ষার্থীদের বুঝতে সহায়তা করাও তাদের দায়িত্ব।

কর্মশালায় আলোচনা করা হয়, কীভাবে পেশাগত প্রশিক্ষণ, ইতিহাস শিক্ষা ও নাগরিকত্ববিষয়ক পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষকদের এ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করা যায়। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠদানের পদ্ধতি কীভাবে সাজানো যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়।

এ প্রশিক্ষণে ইউনেস্কোর অ্যাড্রেসিং ভায়োলেন্ট পাস্টস থ্রু এডুকেশন: আ পলিসি গাইড শীর্ষক নীতিনির্দেশনার সুপারিশ অনুসরণ করা হয়। পাশাপাশি ২০২৩ সালে গৃহীত শান্তি ও মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া, সহযোগিতা, মৌলিক স্বাধীনতা, বৈশ্বিক নাগরিকত্ব এবং টেকসই উন্নয়নবিষয়ক শিক্ষা সুপারিশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এতে ইতিহাস সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক শিক্ষা এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

গণহত্যার স্মৃতিবিজড়িত স্থান পরিদর্শন

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা তুওল স্লেং গণহত্যা জাদুঘর ও চোউং এক গণহত্যা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এছাড়া কম্বোডিয়ার আদালতের বিশেষ চেম্বারের (ইসিসিসি) রিসোর্স সেন্টার ঘুরে খেমার রুজ শাসনামল এবং ওই সময়ের নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কিত নথি ও শিক্ষাসামগ্রী সম্পর্কে জানেন তাঁরা।

এসব কার্যক্রমে স্মৃতিবিজড়িত স্থান, আর্কাইভ ও ঐতিহাসিক নথি কীভাবে শিক্ষা কার্যক্রমে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সংবেদনশীল ইতিহাস পড়ানোর সময় ভুক্তভোগীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংবেদনশীলতা বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

তুওল স্লেং পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস শিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ও কর্মশালার বক্তা জেসন টড বলেন, "স্থানটি আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। একসময় সেখানে একটি স্কুল ছিল।" তিনি বলেন, "বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ও উঠান ঘিরে বারান্দা রয়েছে। কিন্তু কাঁটাতার এবং সেখানে সংঘটিত অপরাধের ইতিহাস সেই পরিচিত পরিবেশকেও অসহনীয় করে তুলেছে।"

তিনি আরও বলেন, "স্থানটিকে কীভাবে দেখা উচিত, তা নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল—এটি কি ধ্বংসাবশেষ, জাদুঘর, স্মৃতিসৌধ, অপরাধস্থল, নাকি একটি স্কুল?"

টডের এই অভিজ্ঞতা নৃশংস অপরাধের ইতিহাস পড়ানোর জটিলতা তুলে ধরে। কর্মশালায় আলোচনা করা হয়, কীভাবে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের এমন সহিংসতা সম্ভব করে তুলেছিল—এমন প্রতিষ্ঠান, পরিস্থিতি ও সিদ্ধান্তগুলো বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করতে পারেন। একই সঙ্গে এসব ইতিহাসের আবেগগত জটিলতা মোকাবিলায়ও তাদের সহায়তা করা প্রয়োজন।

বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময়

১১টি দেশের নীতিনির্ধারক ও শিক্ষা খাতের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের ফলে কঠিন ইতিহাস পাঠদানের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষা কীভাবে শিক্ষা নীতি ও বাস্তব প্রয়োগে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়।

ইউনেস্কোর গণহত্যা শিক্ষা ও প্রতিরোধবিষয়ক অনানুষ্ঠানিক একাডেমিক নেটওয়ার্কের সদস্য এবং বিভিন্ন শিক্ষাবিদের অংশগ্রহণে আলোচনা আরও সমৃদ্ধ হয়। কর্মশালার পাশাপাশি নেটওয়ার্কটির বার্ষিক সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

কম্বোডিয়ায় ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ও কার্যালয়প্রধান ফ্লাভিও বনেত্তি সমাপনী বক্তব্যে সংলাপ ও জ্ঞান বিনিময়ের জন্য এমন আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মশালায় শুরু হওয়া অভিজ্ঞতা বিনিময় ও আলোচনা নির্ধারিত সময়ের বাইরেও অব্যাহত থাকবে।

রুয়ান্ডা থেকে অংশ নেওয়া ওলেগ অলিভিয়ের কারামবিজি বলেন, "কয়েক দিনের এ আয়োজন ছিল স্বল্প সময়ের হলেও তা গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।" তিনি বলেন, "তুওল স্লেং ও চোউং এক পরিদর্শন, বিভিন্ন দেশের ক্ষত ও আশা নিয়ে আলোচনা এবং স্মরণকে কীভাবে প্রতিরোধের শক্তিতে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়ে শেখার অভিজ্ঞতা আমার কাছে বিশেষ অর্থবহ।"

প্রশিক্ষণের শিক্ষা বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ

প্রশিক্ষণ শেষে নিজ নিজ দেশে ফিরে পাওয়া অভিজ্ঞতাকে শিক্ষা নীতি ও পাঠদানের বাস্তব পদ্ধতিতে প্রয়োগ করাই অংশগ্রহণকারীদের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজ নিজ দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদ্ধতি তৈরি করা গেলে সহিংস অতীত এবং তার দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি মোকাবিলায় শিক্ষা ব্যবস্থার ভূমিকা আরও জোরদার হতে পারে বলে মনে করছে ইউনেস্কো।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়ামের সঙ্গে যৌথভাবে আইপিএইচজিই কর্মসূচি চালু করে ইউনেস্কো। এই কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ শিক্ষা খাতের কর্মকর্তাদের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংঘটিত সহিংসতার ইতিহাস নিয়ে শিক্ষাক্রম প্রণয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত ইউনেস্কোর সব অঞ্চলের ৩৪টি সদস্যরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সরকার কর্মসূচিটিকে সহায়তা দিচ্ছে।

কম্বোডিয়ার শিক্ষা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি ও চারুকলা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ইউনেস্কোর চলমান অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবেও এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এর লক্ষ্য উন্নত পাঠ্যসামগ্রী, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং ইতিহাস সম্পর্কে উপলব্ধি, সহমর্মিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক শিক্ষাপদ্ধতির মাধ্যমে গণহত্যা বিষয়ে শিক্ষাকে শক্তিশালী করা।

এই উদ্যোগ কম্বোডিয়ায় ইউনেস্কোর কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (কোইকা)-অর্থায়িত চলমান ‘পিস’ প্রকল্পের শান্তি শিক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের পরিপূরক হিসেবেও কাজ করছে। আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক—উভয় ধরনের শিক্ষাব্যবস্থায় শান্তি শিক্ষার উপকরণ তৈরি এবং তা কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানো এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

সূত্র: www.unesco.org

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%