ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন


ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মন্ত্রিসভা ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ -এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছে, যা সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনকে সহজতর করবে।

আজ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে এই খসড়া অধ্যাদেশটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ খাতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি ভর্তুকির চাপ হ্রাস, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

সরকার আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। এ লক্ষ্যে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কোম্পানির স্থাপনার ছাদে বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নে অপারেশনাল এক্সপেনডিচার (ওপেক্স) মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয় রয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ আয় বিবেচনায় ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার (ক্যাপেক্স) মডেলেও সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ওপেক্স মডেলে সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে ১৫ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ, ছাদের ভাড়া হিসেবে বিদ্যুতের অংশ প্রদান এবং রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান নেই। অন্যদিকে, ক্যাপেক্স মডেলে সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান আইনে সুনির্দিষ্ট বিধানের ঘাটতি রয়েছে।

এ কারণে বিনিয়োগ, চুক্তি, বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে অধ্যাদেশটির খসড়া প্রণয়ন করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬, ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬ এবং বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-তে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান না থাকার বিষয়টি খসড়া প্রণয়নের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মীরসরাইয়ে স্বজনদের তিন দিনব্যাপী বইপড়া উৎসব শেষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


মীরসরাইয়ে স্বজনদের তিন দিনব্যাপী বইপড়া উৎসব শেষ

মীরসরাইয়ে তিন দিনব্যাপী বইপড়া উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান স্বজন সমাবেশের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রবীণদের বইপড়া, শরতের কবিতা ও বাউল গানের পরিবেশন করা হয়। এই উৎসবটি মীরসরাই পৌরসভার পূর্ব গোভানিয়ার রোকেয়া সাত্তার স্মৃতি পাঠাগার প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানের আঙ্গিনা রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল এবং জীবনানন্দের প্রকৃতির বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে শরতের বন্দনায় মুখরিত হয়ে ওঠে। অনেকের স্বরচিত পরিবেশনা ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

যুগান্তর স্বজন সমাবেশ মীরসরাই উপজেলা শাখা ও স্থানীয় খবরিকার উদ্যোগে আয়োজিত এই বইপড়া উৎসবের সমাপনী দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীরসরাইয়ের সহকারী কমিশনার ভূমি ও মীরসরাই পৌরসভার প্রশাসক তানভীরুল কাদের। তিনি বই পাঠের উদ্বুদ্ধকরণের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং সৃজনশীল সব কাজের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন। তিনি পাঠাগারের আশপাশের এলাকার সার্বিক উন্নয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রফেসর আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কবি ও সাংবাদিক মাহবুব পলাশের সঞ্চালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মীরসরাই প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম, মীরসরাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি রাজিব মজুমদার, প্রফেসর সামছুন্নাহার, চট্টগ্রামের কবি ও লেখক আলমগীর হোসেন, কবি ও সমাজসেবক রাফিয়া ডলি, কবি ও লেখক নিগার সুলতানা, কবি রেহেনা আক্তার, কবি শাহাদাত হোসেন লিটন, লুৎফুল কবির ভূঞা, মাস্টার হোছাইন সবুজ, কবি ও শিক্ষক শিউলি বড়ুয়া, কবি ও শিক্ষক শাহীন মীর শাহিন, মাস্টার মাজহারুল হক, মাওলানা আলাউদ্দিন, তাছলিমা চৌধুরী সুরভী, আলমগীর হোসেন, জলিল মাস্টার, শক্তি মজুমদার, মুসলিম উদ্দিন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- সাংবাদিক নাছির উদ্দিন, সাংবাদিক ইমাম হোসেন, জাবেদ হোসাইন, শিহাব উদ্দিন শিবলু, আজমল হোসেন, হারাধন চক্রবর্তী, রাকিবুল হাসান, মুসলিম উদ্দিন, তাবিবুর রহমান প্রমুখ।

বিভিন্ন পর্যায়ের বই পাঠকদের পুরস্কৃত করা হয় এই অনুষ্ঠানে। সবশেষে, চট্টগ্রাম থেকে আসা সুজন বাউল ও শুভশ্রীর পরিবেশনায় লালন গান সবাইকে মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানে খবরিকার নির্বাচিত ৫ জন সেরা কবি- সিত্তুল মুনা, রাফিয়া ডলি, নিগার সুলতানা, রেহেনা আক্তার ও মাহবুবা চৌধুরীকে সংবর্ধিত করা হয়।

উল্লেখ্য, উক্ত বইপড়া উৎসব গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) উদ্বোধন করেন মীরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌস হোসেন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রোজিনা রহমান। ১৬ অক্টোবর দ্বিতীয় দিনে উপস্থিত ছিলেন মীরসরাই কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নুরুল আফছার ও অধ্যক্ষ রেজাউল করিম। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি ও সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ভারতের দুর্গাপূজার মধ্যে গভীর মিলের কথা বললেন ডেপুটি হাই কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


বাংলাদেশ-ভারতের দুর্গাপূজার মধ্যে গভীর মিলের কথা বললেন ডেপুটি হাই কমিশনার

বাংলাদেশ ও ভারতের দুর্গাপূজার উৎসবের মধ্যে একটি গভীর মিল রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেপুটি হাই কমিশনার পবন ভাদে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং জীবনযাত্রার আদান-প্রদান এই সাধারণ বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করে।"

রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির দুর্গামন্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের জবাবে পবন ভাদে বলেন, "আমি বুঝতে পারছি যে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনা যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ও প্রয়োজনীয় ঘোষণা দিচ্ছে।"

ভিসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ডেপুটি হাই কমিশনার জানান, ভারতীয় ভিসার সমস্ত ক্যাটাগরি বা বিভাগ বর্তমানে সম্পূর্ণ চালু রয়েছে। তিনি বলেন, "চার মাস আগেই আমরা ভিসা প্রক্রিয়া খুলে দিয়েছি এবং সব ধরনের ভিসার জন্যই আবেদন করা যাচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "মূল সমস্যা স্লট নিয়ে, কারণ অনেক দালাল বা এজেন্ট তাদের নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে আগেভাগেই স্লটগুলো দখল করে রাখে। এর ফলে সাধারণ নাগরিকরা ভিসা পাওয়ার জন্য স্লট পান না এবং দুর্ভাগ্যবশত তাদের বাধ্য হয়ে এসব দালালের শরনাপন্ন হতে হয়।"

"তবে কিছু অসাধু এজেন্ট প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অগ্রিম স্লট বুক করে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত ফিচারগুলো প্রতিনিয়ত উন্নত করার চেষ্টা করছি, যাতে আপনারা কোনো এজেন্টের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি ভিসার স্লট এবং ভিসা পেয়ে যান। ইতোমধ্যে অনেকেই সরাসরি আবেদন করে সুফল পাচ্ছেন," তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের নৌবাহিনীর প্রধান ভিক্রম চৌহান, বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর, বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান অ্যাম্বাসিডর, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, ডেনমার্ক ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সোলাইমান পিপিএম, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ (নারী ও শিশু) আব্দুল মাজেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৌহিদ রেজা, মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ রণদার বাড়ির পুজামন্ডপ পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রটারডাম কনভেনশনে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা পাবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


রটারডাম কনভেনশনে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা পাবেন

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ও কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘রটারডাম কনভেনশন’-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির (অ্যাকসেশন) প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।

আজ রোববার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে ‘রটারডাম কনভেনশন অন দ্য প্রায়র ইনফর্মড কনসেন্ট প্রসিডিউর ফর সার্টেন হ্যাজার্ডাস কেমিক্যালস অ্যান্ড পেস্টিসাইডস ইন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড’-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।

১৯৯৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর গৃহীত এই কনভেনশন ২০০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিপজ্জনক, সীমাবদ্ধ ও নিষিদ্ধ রাসায়নিক পদার্থ এবং কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি-রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও দায়িত্ব ভাগাভাগির কাঠামো তৈরি করা। বর্তমানে ১৬৭টি দেশ এই কনভেনশনের সদস্য।

বাংলাদেশ ও ভুটান ছাড়া দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) অন্যান্য সব সদস্য দেশ এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

কনভেনশনটিতে যুক্ত হলে বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে বৈদেশিক অর্থায়ন পেতে সহায়তা, রাসায়নিকের তথ্যভাণ্ডার তৈরি এবং এসব পদার্থের চলাচল অনুসরণে (ট্র্যাকিং) সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবে।

এছাড়া, কনভেনশনের তৃতীয় পরিশিষ্টে (অ্যানেক্স-৩) তালিকাভুক্ত রাসায়নিকের আমদানি বিষয়ে পূর্বানুমতিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও যৌথ দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হবে।

কনভেনশনের ১৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকসংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক, কারিগরি, অর্থনৈতিক ও আইনি তথ্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বিনিময় করতে পারবে।

পাশাপাশি, ১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় কনভেনশনের সচিবালয় থেকে কারিগরি সহায়তা নেওয়ার সুযোগ পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের পক্ষ, হুথিদের অস্ত্রদাতারা মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না: ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ পি.এম


ইরান যুদ্ধের পক্ষ, হুথিদের অস্ত্রদাতারা মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না: ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইয়েমেনে সংকট সমাধানে ইরানের মধ্যস্থতার প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফতাহ আল-জৌবা। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ইয়েমেন সংকটে হুতি বিদ্রোহীদের সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থন দিয়ে যারা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছে, তারা কখনোই নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) একটি বিস্তারিত বার্তায় আল-জৌবা বলেন, "যুদ্ধে যেকোনো এক পক্ষকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্যকারী পক্ষ কখনো সেই একই যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, হুতিদের অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র, মিসাইল ও ড্রোন সরবরাহ করে তেহরান সরকার ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই যুদ্ধের একটি অংশীদার হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেওয়ার পরিবর্তে তেহরানের উচিত ইয়েমেন থেকে তাদের প্রভাব ও অস্ত্র প্রত্যাহার করা, অন্যান্য জাতির সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানো এবং আন্তর্জাতিক আইন ও সপ্রতিবেশিসুলভ নীতি মেনে চলা।

ইয়েমেনি এই কর্মকর্তা ইরানকে অভিযুক্ত করেছেন যে তারা হুতিদের সমর্থন অব্যাহত রেখে সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে। তিনি বলেন, তেহরানের পক্ষ থেকে যখনই মধ্যস্থতার কথা বলা হয়, ঠিক তখনই ইয়েমেনে সশস্ত্র তৎপরতা আরও বাড়িয়ে তোলা হয়।

তিনি জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন রাজধানী এডেনে রাষ্ট্রপতি ও সরকারি সদর দপ্তরে হামলা, তায়েজে অবরোধ আরোপ, ইয়েমেনের ভেতরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা এবং সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক চলাচলের ওপর হুমকি ও হামলা তীব্র করে তুলেছে এই মিলিশিয়ারা।

আল-জৌবা যুক্তি দেখান যে, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া পুনর্বহালের জন্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাসহ হুতিদের রাজনৈতিক উদ্যোগ প্রত্যাখ্যানের নীতির সঙ্গে ইরানের মধ্যস্থতার প্রস্তাবের চরম বিরোধ রয়েছে। তিনি বলেন, হুতি গোষ্ঠী সংঘাত হ্রাসের সময়গুলো কেবল নিজেদের শক্তি পুনরুদ্ধার এবং সামরিক অস্ত্রাগার সমৃদ্ধ করার কাজে ব্যবহার করেছে। তেহরান তাদের আঞ্চলিক সংঘাতের স্বার্থে ইয়েমেনকে কেবল একটি "দরকষাকষির হাতিয়ার" হিসেবে ব্যবহার করছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, যার মাধ্যমে হুতিদের ইয়েমেনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে অথবা চলমান সংঘাতকে ইয়েমেন ও সৌদি আরবের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বিরোধ হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, "এই অভ্যুত্থানকারী মিলিশিয়ার সাথে তেহরানের যোগাযোগ তাদেরকে কোনো বৈধতা বা ইয়েমেনের প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার দেয় না, কিংবা ইয়েমেনের জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ইরান সরকারকে কোনো হুকুমদারি করার ক্ষমতাও দেয় না।"

তিনি যোগ করেন যে, গোষ্ঠীটি নিজেদের কর্মের জন্য নিজে দায়ী হলেও, তাদের দেওয়া সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তার দায় থেকে ইরান কোনোভাবেই মুক্ত হতে পারে না। বিপ্লব গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কর্তৃক সশস্ত্র এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রাক্কলনের ওপর ইয়েমেন ও অঞ্চলের নিরাপত্তা নির্ভর করবে না।

আল-জৌবা সৌদি আরবের সাথে সংহতি প্রকাশ করে দেশটির নিরাপত্তা রক্ষা এবং তাদের নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষার অধিকারকে সমর্থন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের নিরাপত্তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইরান যেখানে হুতিদের টিকিয়ে রাখতে অস্ত্র দিয়ে যাচ্ছে, সেখানে সৌদি আরব সবসময় ইয়েমেনি রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য অর্থনৈতিক, মানবিক এবং উন্নয়নমূলক সহায়তার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে গেছে।

তাছাড়া, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) এবং জর্ডান যেসব হুমকি ও হামলার মুখোমুখি হচ্ছে, সেগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে বরং অন্যান্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং মিলিশিয়াদের অস্ত্র ও অর্থায়ন করার সামগ্রিক "ইরানি নীতির" অংশ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

রাষ্ট্রসমূহের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর ইরানি আহ্বানকে চ্যালেঞ্জ করে আল-জৌবা বেশ কিছু ঘটনার উল্লেখ করেন যা ইয়েমেনের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর মধ্যে রয়েছে—তেহরানে হুতি প্রতিনিধিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা এবং তাকে ইয়েমেনি কূটনৈতিক সদর দপ্তরের দায়িত্ব হস্তান্তর করা, সানা বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অনুমোদনহীন ফ্লাইট পরিচালনা এবং সানায় হুতিদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানি প্রতিনিধি নিয়োগ করা। তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশন্স-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের দাবি

ইয়েমেনে ইরানি হস্তক্ষেপ মোকাবিলা করতে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারসহ সমগ্র ইয়েমেনি ভূখণ্ডে সরকারি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি "কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ" নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি আরও দাবি জানান যে, হুতিদের আনুষ্ঠানিকভাবে "সন্ত্রাসী সংগঠন" হিসেবে ঘোষণা করা হোক, তাদের অর্থায়নের উৎসগুলো বন্ধ করা হোক, তাদের মদদদাতাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী তাদের ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা হোক।

আল-জৌবা তার বিবৃতির শেষে এই ওপর জোর দিয়ে বলেন যে, ইয়েমেনে শান্তি ফিরিয়ে আনার একমাত্র শর্ত হলো হুতিদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন: "যে ব্যক্তি ইয়েমেনে শান্তি চান, তাকে ইয়েমেনিদের হত্যার অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার মাধ্যমেই কাজ শুরু করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%