মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০৭ পি.এম
ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘কমনওয়েলথ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি পুরুষ ও নারী কাবাডি দলের সদস্যদের আতিথেয়তা প্রদান করেছে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসন্ন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের সাফল্য কামনা করে বিশেষ শুভকামনা জানান।
এ সময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ জাতীয় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার স্টিফেন ফ্লেমিং বিশ্বাস করেন যে, ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হওয়া উচিত মূলত ইংল্যান্ডের একজন। তিনি এই মন্তব্যটি ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর করেছেন।
ফ্লেমিং ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ হিসেবে তার প্রথম সিরিজ শুরু করবেন।
১৯৯৯ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্বে মাত্র দুজন ইংলিশ কোচ ছিলেন, তারা হলেন পিটার মুরস (দুই দফায়) এবং ক্রিস সিলভারউড। এই সময়ে অ্যাশলে জাইলস সাদা বলের ক্রিকেটে দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে, একই সময়ে জিম্বাবুয়ের ডানকান ফ্লেচার ও অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রেভর বেলিসও ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফ্লেমিং দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তার স্বদেশি ব্রেন্ডন ম্যাককালামের কাছ থেকে। ম্যাককালাম বর্তমানে ইংল্যান্ডের সাদা বলের দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করছেন। অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু মটও এক সময় ইংল্যান্ডের সাদা বলের দলের কোচ ছিলেন।
গত সপ্তাহে ফ্লেমিংয়ের কোচিং স্টাফে ইংল্যান্ডের স্থানীয় কোচদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
ইংল্যান্ডের সাবেক ওপেনার মার্কাস ট্রেসকোথিক তার সঙ্গে কাজ করবেন। চলতি বছরের শুরুতে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন টেস্ট কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া সাবেক ইংলিশ উইকেটরক্ষক জেমস ফস্টার ও সাবেক স্পিনার রিচার্ড ডওসনও কোচিং স্টাফে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
অ্যাশেজজয়ী জোনাথন ট্রট শিগগিরই ইংল্যান্ড লায়ন্সের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। ফ্লেমিং নিয়োগ পাওয়ার আগে ট্রট ও ডওসন দুজনই ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে ছিলেন।
বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ফ্লেমিং জানান, ইংলিশ কোচদের বিকাশে সহায়তা করা তার দায়িত্ব পালনের অন্যতম অগ্রাধিকার হবে।
তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় দলের কোচ মূলত সেই দেশেরই হওয়া উচিত, যার প্রতিনিধিত্ব দলটি করে। এই সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। তবে কোচিংয়ের ক্ষেত্রে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ হবে, যা আমাদের কোচিং স্টাফের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।”
ইংল্যান্ড জাতীয় দলের টেস্ট ও সাদা বলের ক্রিকেটে ফ্লেমিং ও ম্যাককালাম প্রধান কোচের দায়িত্বে থাকলেও দলটির নির্বাচক মার্কাস নর্থ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।
গত সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হয়, অস্ট্রেলিয়ার আরেক সাবেক ক্রিকেটার লিয়া পল্টন ইংল্যান্ড নারী দলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নেবেন। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড নারী দলের প্রধান কোচ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার লিসা কাইটলি।
নিজের কোচিং স্টাফের সদস্যদের উন্নয়নের পাশাপাশি কাউন্টি দলের কোচ ও ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটারদেরও মাঝে মাঝে কোচিং কার্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ফ্লেমিংয়ের।
তিনি বলেন, “কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আবারও এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, যা আমাকে আনন্দিত করেছে। তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। একই সঙ্গে কাউন্টি দলের কোচদেরও নির্দিষ্ট সময়ে যুক্ত করা হবে। সাবেক খেলোয়াড়দেরও আবার ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ব্যবস্থা, যেখানে আশপাশে থাকা দক্ষ ব্যক্তিদের কাজে লাগানোর পাশাপাশি কাউন্টি ক্রিকেট ও ইংলিশ ক্রিকেটের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
টেস্ট দলের কোচ হিসেবে ম্যাককালামের চার বছরের মেয়াদে কাউন্টি ক্রিকেটের সঙ্গে তার পর্যাপ্ত যোগাযোগ না থাকার জন্য সমালোচনা হয়েছিল।
গত সেপ্টেম্বরে কয়েকটি কাউন্টি ক্লাব পরিদর্শন করেন ফ্লেমিং। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রতি নিজের ভালো লাগার কথাও জানান তিনি। খেলোয়াড়ি জীবনে নটিংহ্যামশায়ার, ইয়র্কশায়ার ও মিডলসেক্সের হয়ে খেলেছেন সাবেক এই ব্যাটার।
আগামী গ্রীষ্মে ঘরের মাঠে অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটের কিছু ম্যাচ দেখার পরিকল্পনার কথাও নিশ্চিত করেছেন তিনি।
ফ্লেমিং বলেন, “হ্যাঁ, আমি সেখানে থাকব। এ বছর সবার সঙ্গে দেখা করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। যাদের সঙ্গে একসময় খেলেছি, তাদের অনেকেই এখন কাউন্টি ক্লাবের কোচ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কাউন্টি ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। আমি সত্যিই উপভোগ করেছি। খেলোয়াড়দের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
জুলাইয়ে ফ্লেমিংকে ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে তিনি দায়িত্ব পালন করেননি। ফলে ডিসেম্বরে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তিন ম্যাচের সিরিজই হবে প্রধান কোচ হিসেবে তাঁর প্রথম দায়িত্ব।
ওই সিরিজের জন্য ইংল্যান্ডের দল নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের কোনোটিতেই বিশেষজ্ঞ স্পিনার খেলায়নি ইংল্যান্ড। তার পরিবর্তে চারজন মূল পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছিল।
এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলমান টেস্টে সফরকারী দলটি অফস্পিনার ন্যাথান লায়নকে একাদশের বাইরে রেখেছে। অথচ টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের তালিকায় ৫৭৩ উইকেট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন তিনি।
গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা খেলোয়াড়দের তালিকায় একমাত্র বিশেষজ্ঞ লাল বলের স্পিনার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন শোয়েব বশির। অন্যদিকে ম্যাসন ক্রেন ও লিয়াম প্যাটারসন-হোয়াইট উন্নয়নমূলক চুক্তি পেয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে স্পিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বশিরের চুক্তি পাওয়ার অর্থ তিনিই ইংল্যান্ডের এক নম্বর স্পিনার কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ফ্লেমিং বলেন, ডার্বিশায়ারের এই স্পিনার দলে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিনিধিত্ব করছেন।
ফ্লেমিং বলেন, “আমি স্বীকার করছি, তার ঠিক পরেই আরও বেশ কয়েকজন স্পিনার রয়েছেন, যারা বিভিন্ন সময়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন। এখানে অনেক স্পিনার রয়েছেন, যারা সুযোগের অপেক্ষায় আছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো কন্ডিশনে, দু-তিনজন স্পিনারকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী দলটি বেশ ভিন্ন রকম হতে পারে। এটাই নির্দিষ্ট কন্ডিশনের জন্য উপযুক্ত খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার উদাহরণ। তবে বশিরের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং সে এখনো অনেক তরুণ। স্পিন বিভাগে সঠিক সমন্বয় খুঁজে বের করার জন্য আমাদের আরও পর্যবেক্ষণ ও উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের বেসাঁসোঁ শহরে বাংলাদেশ কমিউনিটি বেসাঁসোঁ (ACBB)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ACBB-এর সভাপতি শাকির হাসান। আবু নাঈম সঞ্চালনা করেন। উদ্বোধন করেন সুইজারল্যান্ডের জেনেভার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও অ্যালিমেন্টেশন মনসুনের চেয়ারম্যান শ্যামল খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাত্তার আলী সুমন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাত্তার আলী সুমন মন্তব্য করেন, কমিউনিটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি কমিউনিটির কল্যাণ, সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
উদ্বোধকের বক্তব্যে শ্যামল খান উল্লেখ করেন, প্রবাসে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে কমিউনিটির স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি রাজনৈতিক বিভেদ ও মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে কমিউনিটির উন্নয়নের পাশাপাশি প্রবাসে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আরও সমৃদ্ধভাবে তুলে ধরা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নবকণ্ঠের সম্পাদক আবু তাহির, সুইজারল্যান্ড চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি আলী আকবর, সাধারণ সম্পাদক সসীম জি. সি. এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অসংখ্য বড়ুয়া। এছাড়া ফ্রান্সপ্রবাসী ব্যবসায়ী মাহবুব আহমদ ও আহমদ সোহেলও উপস্থিত ছিলেন।
নবনির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাদাত হোসেন সাইফুল তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বেসাঁসোঁতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন খান সুমন নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নাম ও পদবি ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে ACBB-এর নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। আয়োজকেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন কমিটির মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
গানে-আড্ডায় সাংস্কৃতিক মিলনমেলা
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন প্যারিসের সংগীতশিল্পী মিষ্টি বিশ্বাস এবং সুইজারল্যান্ডের সংগীতশিল্পী গৌরীচরণ রিমি। তাঁদের পরিবেশনায় উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে।
অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে এ ধরনের আয়োজন দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে প্রবাসীদের মধ্যে পরিচিতি, বন্ধুত্ব এবং ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার হয়।
অতিথিদের জন্য মধ্যাহ্নভোজনের ব্যবস্থা করা হয়। পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের পিঠা। দেশীয় খাবারের এই আয়োজন প্রবাসে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা, কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সহসভাপতি আবু তালহা, দপ্তর সম্পাদক রূপা হোসেন, অর্থ সম্পাদক আসাদ হোসেন রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় মাহমুদ, উপদেষ্টা মোজাম্মেল হক, সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নিকিল বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পিঙ্কি সরকার, কার্যকরী সদস্য হৃদয় মনি এবং সহসম্পাদক শামসুল আলম।
এছাড়া অনুষ্ঠান সফল করতে অবদান রাখেন তানিয়া লাবনী, নিলুফার ইয়াসমিন নীলা, মুসাম্মৎ নিলুফা, এলজোনা নাতাশা রনি, সাবিনা ইয়াসমিন রিতা, তামিম শোয়াক, সালমান এবং আবু সাঈদ নিশানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ
প্রধান উপদেষ্টা: আনোয়ার হোসেন খান সুমন, উপদেষ্টা: এইচ এম মোজাম্মেল হক (দুলাল), সভাপতি: শাকির হাসান, সহসভাপতি: আবু তালহা, সাধারণ সম্পাদক: সাদাত হোসেন (সাইফুল), দপ্তর সম্পাদক: শারমিন সুলতানা রূপা হোসেন, সহদপ্তর সম্পাদক: তানিয়া লাবনী, কোষাধ্যক্ষ: আসাদ হোসেন রনি, সহ-অর্থ সম্পাদক: মোহাম্মদ শামসুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক: হৃদয় আহমেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: বিশ্বাস নিখিল, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক: সালমান ফার্সি স্বপিল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক: পিঙ্কি সরকার, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক: নিলুফার ইয়াসমিন নীলা, সহ-মহিলাবিষয়ক সম্পাদক: সাবিনা ইয়াসমিন (রিতা), আপ্যায়ন সম্পাদক: মুসাম্মৎ নিলুফা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: এলজোনা নাতাশা রনি, ক্রীড়া সম্পাদক: মো. তনিম আহমেদ, কার্যকরী সদস্য: হৃদয় মনি, সাধারণ সদস্য: আবু সাঈদ নিশান, সাধারণ সদস্য: মো. শোয়াগ মিয়া।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য, সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। ভবিষ্যতে বেসাঁসোঁতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কল্যাণে সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরতে কাজ করার আশাবাদ জানান আয়োজকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে সিটি ক্লাবকে পরাজিত করে চারবারের চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। রবসন এবং এমেকার দ্বারা করা গোলে সিটি ক্লাবকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে জয় অর্জন করে বসুন্ধরা।
মানিকগঞ্জে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক খেলা প্রদর্শন করছিল। ম্যাচের ১২ মিনিটে সিটি ক্লাব এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। অধিনায়ক সলোমনের বাড়ানো বল লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হন বোকাফোর।
বিস্তারিত আসছে..
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষক ভাইদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকার গঠনের সাত দিনের মধ্যে এই প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ১৩ লাখ কৃষক ভাইদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি লোন সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ) অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় উপস্থিত আখচাষিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় ৩৮ থেকে ৩৯ হাজার আখচাষি ভাইদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে আগামী মৌসুমে আখ চাষের জন্য তাদের কষ্ট কিছুটা কম হয়। বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের কৃষক বাঁচলে এবং কৃষি বাঁচলে দেশ বেঁচে থাকবে।’
কৃষকদের সহায়তায় ‘ফার্মারস কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘ক্ষুদ্র, মাঝারি, প্রান্তিক, ভূমিহীন ও বড় কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে। এ বছরেই সমগ্র বাংলাদেশে ৪০ লাখ ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষক ভাইয়ের কাছে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে। যদি কোনো কৃষক ভাই বছরে দুটো বা তিনটি ফসল উৎপাদন করেন, তাহলে আমরা কৃষক কার্ডের মাধ্যমে অন্তত একটি ফসলের সার, বীজ ও কীটনাশক পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করব, যাতে তার কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়।’
কৃষক কার্ডের অন্যান্য সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে চাষিরা ক্ষেতের ফসলের বীমা করতে পারবেন এবং ব্যাংকঋণ সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না। ফলে কৃষক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন তিনি বীজ বপন করবেন নাকি সার দেবেন। এই কৃষক কার্ডে প্রায় ১০টি সুবিধা থাকবে।’
সেচ সুবিধা ও খাল খনন কর্মসূচির বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘কৃষক ভাইয়েরা যাতে সঠিকভাবে সেচ সুবিধা পান এবং গ্রামের মা-বোনদের দূর থেকে কষ্ট করে পানি আনতে না হয়, সেজন্য সারা দেশে খাল খনন এবং নদী সংস্কার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। গেল আট মাসে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হয়েছে। পানির সমস্যা দূর করতে উত্তরাঞ্চলে তিস্তা এবং রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে দুটো ব্যারেজ তৈরি করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের পানির হিস্যা আদায়ের জন্য যতদূর প্রয়োজন আমরা যাব এবং দ্রুত পদ্মা ও তিস্তা ব্যারেজের কাজ শুরু ও শেষ করব।’
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ বেড থেকে ১৫০ বেডের হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। সেখানে শিশু এবং মা-বোনদের জন্য আলাদা বেড ও কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা থাকবে। গেল জুনের বাজেটে কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিসের ওষুধ এবং হার্টের চিকিৎসার সরঞ্জামের ওপর ট্যাক্স কমিয়ে দেয়া হয়েছে, ফলে চিকিৎসার খরচ অর্ধেকে নেমে এসেছে।’
কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীদের স্বাবলম্বী করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শ্রমিক ভাইয়েরা যাতে বেকার না থাকেন, সেজন্য সরকার গঠনের পর সাত মাসে সারা দেশে বন্ধ থাকা ৬টি মিল-কারখানা বিভিন্ন উদ্যোক্তার মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪৬টি বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মা-বোনদের শিক্ষা অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে করা এবং ভালো ফলাফলকারীদের উপবৃত্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নারীদের অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করতে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে আর্থিক সহযোগিতা পৌঁছে দেয়া হবে। পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার।’
দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের পরিষ্কার তথ্য আছে, পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে এবং দেশে ভ্রান্তি ছড়ানো একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ও রাজপথে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। দেশের উন্নয়নের গতি এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেজন্য জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ