বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৭ পি.এম
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বুধবার মক্কার ওপর সংঘটিত ন্যক্কারজনক ও জঘন্য হামলার প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এই হামলার জন্য ইয়েমেনের হুতিদের দায়ী করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে শাহবাজ শরীফ উল্লেখ করেন, ‘এই ন্যক্কারজনক ও জঘন্য ঘটনায় পাকিস্তানের জনগণ গভীরভাবে মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন।’
তবে হুথিরা ইসলাম ধর্মের পবিত্র নগরী মক্কায় হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ পঞ্চগড় পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ূন কবির উজ্জলকে আটক করেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের ঢাকাইয়াপট্রি এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে সদর থানার পুলিশ সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করেন।
এটি জানা গেছে যে, এস এম হুমায়ুন কবির উজ্জলের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে নিখোঁজ আল আমিনকে নিয়ে একটি মামলা, ছাত্রদের উপর হামলা এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের পাঁচ দিন পর গুলশান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকে ক্লোজ করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে ১৬ সেপ্টেম্বর পূর্বাহ্নে দাউদ হোসেনকে ডিএমপি সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত (ক্লোজ) করা হলো।
ডিএমপির মিডিয়া উইং থেকে বুধবার জানানো হয়েছে, ওই কর্মকর্তাকে প্রশাসনিক কারণে ক্লোজ করা হয়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। মিছিল থেকে দুজনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন আব্দুর রহিম ও আরাফাত।
জানা গেছে, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের একটি গলিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৫০ থেকে ২০০ নেতা কর্মী জড়ো হন। তারা মিছিল শুরু করলে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করতে গেলে মিছিলকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুটি রাবার বুলেট ছুড়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তবে শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে।
গুলশানে মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, দিনে বেলা ১১টার দিকে জুমার নামাজ আদায়ের কথা বলে সেখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলে সোহরাফ গাজীর জালে ধরা পড়েছে একটি বড় ইলিশ, যার ওজন ২ কেজি ১০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৭ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়। পরে কুয়াকাটা মা মনি ফিসের ম্যানেজার মিজান মাছটি নিলামে কিনে নেন।
জেলে সোহরাফ গাজী জানান, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) শেষ বিকালে বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দরসংলগ্ন পাইপ বয়ার গভীরে মাছটি ধরা পড়ে। তিনি বলেন, "বঙ্গোপসাগরের গভীরে গিয়ে ১০ বছর ধরে ইলিশ মাছ ধরি। এতবড় ইলিশ এই প্রথমবারের মতো পেলাম। জাল তুলতেই অন্যান্য মাছের সঙ্গে এই ইলিশটিও উঠে আসে।"
তিনি আরও জানান, নিলামে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মণ দরে প্রতি কেজি ৭ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়েছে। সোহরাফ গাজী বলেন, "সচরাচর জেলেদের জালে এত বড় ইলিশ পাওয়া যায় না। আলহামদুলিল্লাহ, আমি খুবই খুশি।"
মাছটি কিনে নেওয়া কুয়াকাটা মা মনি ফিসের ম্যানেজার মিজান বলেন, "এত বড় মাছ এই বাজারে এখন খুব কম দেখা যায়। নিলামের মাধ্যমে মাছটি কিনেছি। এটি শরীয়তপুরের এক প্রবাসী ভাইয়ের বাসায় পাঠাব। এ ধরনের মাছ পাওয়া গেলে আড়তদারসহ জেলেরা সবাই লাভবান হতে পারি।"
স্থানীয় বাসিন্দা জামাল ঘরামি মন্তব্য করেন, "৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কেজি দরে ইলিশ আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। আগে বছরে অন্তত একবার ঘরে ইলিশ উঠত, এখন সেটাও স্বপ্ন হয়ে গেছে।"
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার বলেন, "ছোট ইলিশের অযাচিত আহরণ, নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়া, বাঁধ ও স্লুইস গেটের কারণে মাছের অভিবাসনে বাধা, অবৈধ জালের ব্যবহার এবং সহব্যবস্থাপনা কমিটির অভাবে বড় ইলিশের সংখ্যা কমছে। পাশাপাশি পানি দূষণ, প্ল্যাঙ্কটনের ঘাটতি, জলবায়ু ও লবণাক্ততার পরিবর্তন ইলিশের প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।" তিনি জানান, এসব কারণে বড় ইলিশের সংখ্যা কমছে।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, "এটি অত্যন্ত ভালো খবর এবং নিষেধাজ্ঞার সুফলও বলা যায়। বড় ইলিশে ফ্যাট বেশি থাকায় এতে ওমেগা-৩ ও ভিটামিন থাকে, যা হৃদরোগ, চোখের সমস্যা ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। জালের প্রশস্ততা বাড়ালে এ ধরনের বড় মাছ আরও বেশি ধরা পড়বে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের হাটিকুমরুল থেকে চান্দাইকোনা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অসংখ্য হোটেল ও রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে খাবার খেতে আসা বাস, ট্রাক এবং অন্যান্য যানবাহন মহাসড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী এবং স্থানীয়রা। দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় ৩২টি হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা না থাকায় খাবার খেতে আসা যানবাহনগুলো সড়কের ওপরই রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে ঘুড়কা এলাকায় একাধিক হোটেল থাকায় সেখানে প্রায়ই সারিবদ্ধভাবে বাস ও ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন মহাসড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় সড়কের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে দ্রুতগতির যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে পাশ কাটিয়ে চলাচল করে। ব্যস্ত সময়ে এই কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়। রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পি মজুমদার, বাবর আলী এবং মোখলেসুর রহমান জানান, বছরের পর বছর ধরে হোটেলগুলোর সামনে মহাসড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। এতে অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও দুর্ভোগে পড়ে।
তবে হোটেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চালকদের মহাসড়কের ওপর গাড়ি না রাখার জন্য নিষেধ করা হলেও অনেকেই তা মানছেন না।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, মহাসড়কের ওপর গাড়ি পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি। এ বিষয়ে শিগগিরই অভিযান চালিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের ওপর অবৈধ পার্কিং বন্ধের পাশাপাশি হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ