ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

কালাইয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের রাস্তা ও খাসজমি দখলের অভিযোগ


কালাইয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের রাস্তা ও খাসজমি দখলের অভিযোগ

 

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের তেলিহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের চলাচলের রাস্তা, পুকুরপাড় এবং অন্যান্য সরকারি খাস সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, সরকারি খাস খতিয়ানের জমিকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে সেখানে ইটের স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে, চলাচলের রাস্তা সংকুচিত করা হচ্ছে, পুরোনো গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে এবং কবরস্থান ও পুরোনো উপাসনাস্থলের জায়গা দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর পৃথক লিখিত আবেদন করে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

উক্ত অভিযোগের মধ্যে তেলিহার গ্রামের মো. আশরাফ ফকির, সিরাজুল ইসলাম ফকির এবং মো. ওসমান মোল্লার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট জমি তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি এবং এর পক্ষে তাঁদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে।

আরও পড়ুন: ভলাকুট বিএনপির রাজনীতিতে এখনো আলোচনায় দুই সহোদর আয়ূব ও সোয়াব খান

সরকারি নথিতে খাস সম্পত্তির উল্লেখ

আশ্রয়ণ প্রকল্পের পক্ষ থেকে ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর দেওয়া পৃথক আবেদনে সংশ্লিষ্ট জমিকে সরকারি খাস সম্পত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনে সংশ্লিষ্ট দাগ ও খতিয়ানের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, ওই জমির অংশবিশেষ পুকুরপাড়, উপাসনাস্থল এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের চলাচলের রাস্তা এবং কমিউনিটি ক্লিনিকে যাতায়াতের পথেও বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা, স্থানীয় দরিদ্র মানুষ এবং চিকিৎসাসেবা নিতে আসা ব্যক্তিরা দুর্ভোগে পড়ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে সংশ্লিষ্ট জমির বিবরণে সিএস খতিয়ান নং ৪৭, এমআর খতিয়ান নং ০১ এবং সংশ্লিষ্ট দাগ নম্বরের উল্লেখ রয়েছে। সেখানে পুকুরপাড় ও উপাসনাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত জমির পরিমাণও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আগমনী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়,

এ বিষয়ে তেলিহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি মো. ফজলুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, এখানে ২৬ বছর যাবত প্রায় ৪০টি ভূমিহীন পরিবার বসবাস করছে। ২০০০ সাল থেকে তাঁরা এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। তাঁদের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত প্রায় ১০ থেকে ১২ ফুট প্রশস্ত রাস্তা ছিল। হঠাৎ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এসব জায়গা নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে দখল শুরু করেন। দখলের কারণে বর্তমানে রাস্তা অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গেছে।

আশ্রয়ণের বাসিন্দা বন্যা জানিয়েছেন, রাস্তা সংকুচিত হওয়ায় ছোট-বড় যানবাহন ঢুকতে চায় না। এতে পুকুরের মাছ এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে এবং ক্লিনিকে রোগী যাতায়াতেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মুঞ্জুয়ারা নামে আরেক বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন যে, রাস্তার ওপর স্থাপনা নির্মাণের সময় আশ্রয়ণ প্রকল্পের নারীরা বাধা দিয়েছিলেন। তখন তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। এমনকি একজন কোদাল দিয়ে তাঁকে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়। আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সহিদা বেগম জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যের কবর ওই স্থানে রয়েছে। তাঁরা কবরগুলো ঘিরে গাছ লাগিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে কবরের চিহ্ন নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। "আমার ভাসুর, ভাসুরের স্ত্রী এবং আমাদের দুই সন্তানের কবর এখানে রয়েছে। আমরা মারা গেলে কবর দেওয়ার জায়গা কোথায় হবে-এটাই আমাদের চিন্তা।" তেলিহার গ্রামের ৮৫-৮৬ বছর বয়সী হাফিজ উদ্দিন বলেছেন, "আমার স্মরণশক্তি হওয়ার পর থেকেই ওই জমিকে খাস জমি হিসেবে দেখে আসছি। সেখানে কবরস্থান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনার স্থানও ছিল।"

স্থানীয় বাসিন্দা লালচান রবিদাসের দাবি, ওই এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি পুরোনো উপাসনাস্থল রয়েছে। বিভিন্ন গ্রামের মানুষ সেখানে মানত ও পূজা করতে আসেন। বর্ষাকালে পূজা ও ভোগের সুবিধার জন্য স্থানীয়রা সেখানে টিনের ছাউনি তৈরি করেছিলেন। পরে ওই স্থাপনা ভেঙে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে কাঁঠাল চাঁদপুর সর্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করলেন ইউএনও জিল্লুর রহমান

সরেজমিনে ওই এলাকায় একটি পুরোনো গাছের নিচে ধর্মীয় উপকরণ ও একটি শিবলিঙ্গসদৃশ স্থাপনা, কবরস্থান, একটি ক্লিনিক, ৪০টি ভূমিহীনদের আশ্রয় ঘর এবং ১০ বিঘার একটি পুকুর দেখা যায়। বর্তমানে আশ্রয়ণবাসীর প্রশস্ত রাস্তার ওপর ইটের স্থাপনা নির্মাণ করায় রাস্তার প্রস্থ এখন বড়জোর সাড়ে চার ফুটের মতো রয়েছে। ফলে মানুষ চলাচল, ক্লিনিকে রোগী আসা, পুকুরে মাছের খাবার নেওয়া কিংবা মাছ পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে।

সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকারি রেকর্ডে জমির প্রকৃত মালিকানা ও শ্রেণি যাচাই করে দখল হয়ে থাকলে তা দ্রুত উদ্ধার করা হোক। তাঁদের আরও দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে যে জায়গা দিয়ে জনগণ চলাচল করেছে, তা নিজেদের জায়গা হলেও জোরপূর্বক সংকুচিত করা রাস্তা প্রশাসনকে আগের মতো প্রশস্ত করে চলাচলের উপযোগী করে দিতে হবে। একই সঙ্গে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের চলাচলের রাস্তা, কমিউনিটি ক্লিনিকে যাওয়ার পথ এবং জনসাধারণের ব্যবহার্য স্থানগুলো দখলমুক্ত করার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে মো. সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, "সেখানে কোনো মন্দির নেই। একটি পুরোনো গাছ আছে, যেখানে হিন্দু-মসলমান মানত করে। কবরস্থানের কথা বলা হলেও সেখানে কয়েকটি কবর আছে, সেগুলো আমাদের স্বজনদের। অন্য কোনো গ্রামবাসীর কবর নেই।"

আনীত আরও কয়েকজন অভিযুক্ত মো. আশরাফ ফকির ও মো. ওসমান মোল্লা দাবি করেছেন, যে পুরোনো গাছগুলো কাটা হয়েছে, সেগুলো তাঁদের নিজেদের। সরকারি কোনো গাছ কাটা হয়নি। জমির মালিকানার পক্ষে তাঁদের কাগজপত্র রয়েছে বলেও দাবি করেন। এ বিষয়ে কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সাল আহমেদ বলেছেন, "বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে জমির রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। এরপর যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: বান্দরবানে তিন্দু সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাবতলীতে স্ত্রীর চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


গাবতলীতে স্ত্রীর চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার

 

বগুড়ার গাবতলীতে পারিবারিক কলহের কারণে এক গৃহবধূকে রশি দিয়ে হাত বেঁধে মারধর করার অভিযোগে পুলিশ স্বামী ইদ্রিস আলীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি হাফানিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত মন্টু আকন্দের পুত্র। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছাঃ সুমি বেগম (২৮) গাবতলী থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, নির্যাতিত সুমি বেগমের বিয়ে হয় উপজেলার নারুয়ামালা ইউনিয়নের হাপানিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত মন্টু আকন্দের পুত্র মোঃ ইদ্রিস আলীর (৫০) সাথে। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই ইদ্রিস আলী স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার স্থানীয় সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও নির্যাতন থামেনি। সুমি বেগম মামলায় আরও উল্লেখ করেন যে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭ টায় স্বামীর বাড়িতে অবস্থানকালে সংসারিক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। ইদ্রিস আলী তাকে গালিগালাজ করেন। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে তার দুই হাত রশি দিয়ে বেঁধে ফেলেন। রামদা গলায় ধরে তার মাথার চুল কেটে দেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে আহত করেন। এরপর সুমি বেগমকে ঘরে আটকে রেখে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ইদ্রিস বাইরে চলে যান।

নির্যাতনের সময় ১২ বছর বয়সী মেয়ে মোছাঃ সোহাগী আকতারের সহায়তায় সুমি বেগম সেখান থেকে বের হয়ে বাবার বাড়ি গাবতলী জয়ভোগা গ্রামে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এই ঘটনার পর সুমি বেগম বাদী হয়ে গাবতলী মডেল থানায় স্বামী ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিব হোসেন জানান, স্ত্রী সুমি বেগমের মামলায় স্বামী ইদ্রিস আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচবিবির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিরাতুন্নবী (সা.) উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


পাঁচবিবির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিরাতুন্নবী (সা.) উদযাপন

 

আজ পাঁচবিবির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছেলেরা পায়জামা, পাঞ্জাবি, টুপি এবং মেয়েরা ছেলোয়ার, কামিজ, ওড়না ও হিজাব পরিধান করে সিরাতুন্নবী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কড়িয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সীরাতুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হয়।

সকাল সাড়ে ১০ টায় মাদ্রাসা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কড়িয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আনিছুর রহমান।

অনুষ্ঠানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পৃথিবীতে আগমন ও তিরোধান দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা করেন মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা রেজাউল করিম এবং সহকারী মাওলানা শাহনুর রহমান। এদিকে, বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পাঁচবিবি, মহব্বতপুর আমিনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, শিরট্টি সিনিয়র মাদ্রাসা, ফতেপুর মাদ্রাসাসহ পাঁচবিবি বাইতুল আমান জামে মসজিদ, সিটমানিক বাইতুস সালাহ জামে মসজিদ এবং অন্যান্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের খবর পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরারগঞ্জে ১১টি চোরাই স্মার্টফোনসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​সাকিব চৌধুরী (চট্টগ্রাম)

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


জোরারগঞ্জে ১১টি চোরাই স্মার্টফোনসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার

জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ চট্টগ্রাম থেকে ফেনীগামী একটি বাসে অভিযান পরিচালনা করে ১১টি বিভিন্ন মডেলের চোরাই স্মার্টফোন উদ্ধার করেছে এবং চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয়কারী সিন্ডিকেটের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক সাড়ে পাঁচটায় জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট পৌরসভাস্থ কমফোর্ট হাসপাতালের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানার সামনেরখীল এলাকার মৃত নুরুর সোবাহানের ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন (৪৫), সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার বাদে বাসা এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন (২৮) এবং কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানার চারগ্রাম এলাকার সোলেমান মিয়ার ছেলে মোঃ সুজাত মিয়া।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, চট্টগ্রাম থেকে “এডিএম” পরিবহনের একটি বাসে করে তিন ব্যক্তি চোরাই মোবাইল ফোন নিয়ে ফেনীর দিকে যাচ্ছেন। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বারইয়ারহাট পৌরসভাস্থ কমফোর্ট হাসপাতালের সামনে মহাসড়কে তাৎক্ষণিক চেকপোস্ট পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহভাজন বাসটি থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে ১১টি চোরাই মোবাইলসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, আটককৃতরা একটি সংগঠিত চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয় সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনসমর্থন না থাকায় মুখের ভাষা দিয়ে আলোচনায় থাকতে চায় এনসিপি: খোকন তালুকদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


জনসমর্থন না থাকায় মুখের ভাষা দিয়ে আলোচনায় থাকতে চায় এনসিপি: খোকন তালুকদার

জনসমর্থন না থাকলেও বিভিন্ন বক্তব্য ও মুখের ভাষার মাধ্যমে আলোচনায় থাকতে চায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)- এমন মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার।

বুধবার বিকেলে কালকিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খোকন তালুকদার বলেন, বর্তমানে এনসিপির নেতারা তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আলোচনায় থাকার চেষ্টা করছেন। তাদের দল থাকলেও জনসমর্থন নেই। এরপরও বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়ে তারা আলোচনায় থাকার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এনসিপি নেতাদের এসব আচরণ ও ভাষা কখনো মেনে নিতে পারে না। রাজনীতি করতে হলে তাদের সঠিক পথে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি, যুবদল নেতা মামুন শিকদার, কালকিনি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%