০৮:২৮ পি.এম
বগুড়ার গাবতলীতে পারিবারিক কলহের কারণে এক গৃহবধূকে রশি দিয়ে হাত বেঁধে মারধর করার অভিযোগে পুলিশ স্বামী ইদ্রিস আলীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি হাফানিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত মন্টু আকন্দের পুত্র। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছাঃ সুমি বেগম (২৮) গাবতলী থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, নির্যাতিত সুমি বেগমের বিয়ে হয় উপজেলার নারুয়ামালা ইউনিয়নের হাপানিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত মন্টু আকন্দের পুত্র মোঃ ইদ্রিস আলীর (৫০) সাথে। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই ইদ্রিস আলী স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার স্থানীয় সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও নির্যাতন থামেনি। সুমি বেগম মামলায় আরও উল্লেখ করেন যে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭ টায় স্বামীর বাড়িতে অবস্থানকালে সংসারিক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। ইদ্রিস আলী তাকে গালিগালাজ করেন। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে তার দুই হাত রশি দিয়ে বেঁধে ফেলেন। রামদা গলায় ধরে তার মাথার চুল কেটে দেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে আহত করেন। এরপর সুমি বেগমকে ঘরে আটকে রেখে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ইদ্রিস বাইরে চলে যান।
আরও পড়ুন: কাউখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে ফার্মেসিকে জরিমানা, পুড়িয়ে ধ্বংস
নির্যাতনের সময় ১২ বছর বয়সী মেয়ে মোছাঃ সোহাগী আকতারের সহায়তায় সুমি বেগম সেখান থেকে বের হয়ে বাবার বাড়ি গাবতলী জয়ভোগা গ্রামে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এই ঘটনার পর সুমি বেগম বাদী হয়ে গাবতলী মডেল থানায় স্বামী ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিব হোসেন জানান, স্ত্রী সুমি বেগমের মামলায় স্বামী ইদ্রিস আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন