ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফের অশান্ত ভারতের মণিপুর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিহতদের লাশ রেখে বিক্ষোভ


ফের অশান্ত ভারতের মণিপুর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিহতদের লাশ রেখে বিক্ষোভ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে সংঘাতের অবসান ঘটার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, যা গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলমান। রাজ্যটিতে গত এক মাসের মধ্যে সহিংসতায় অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ সোমবার কাংপোকপি ও ইম্ফল সীমান্তে সশস্ত্র হামলায় আরও দুজন নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা নিহতদের লাশ মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের গেটের সামনে রেখে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতে মণিপুরে মোট নিহতের সংখ্যা প্রায় ২৬০ জনে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি গত কয়েক দিন ধরে নতুন করে চরম আকার ধারণ করেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে কুকি ও নাগাদের সংঘাতে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে শেষ এক মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইউ খেমচাঁদ সিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উপযুক্ত নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও সহিংসতা থামছে না। বরং প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় তা ছড়িয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন: লিমোজের ঐতিহাসিক টাউন হলে আগুন, ৩৪ বছর বয়সী সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

গত ৯ ও ১০ তারিখে কামজং, কাংপোকপি ও উরখুল জেলায় সংঘর্ষে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়। গত শনিবার মিয়ানমার সীমান্তবর্তী কামজং জেলার চাসাদ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কুকি সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি নিহত ও চারজন আহত হন। এরপর ওই জেলার বিভিন্ন গ্রামে অন্তত ২৮টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

গত রবিবার রাতে থৌবাল জেলার খাঙ্গাবক গ্রামে একটি কনসার্ট চলাকালীন দুষ্কৃতীদের পাথর নিক্ষেপের কারণে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে লাইশরাম রাকেশ নামের এক ব্যক্তি নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। বেশ কিছু বাড়িঘর ও যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় থৌবালে কঠোর বিধিনিষেধ ও কারফিউ জারি করে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার সকালে ইম্ফল পূর্ব ও কাংপোকপি জেলার সীমান্তবর্তী নংশুম ও খোংবাল থাংখুল জঙ্গলে কাঠ কুড়াতে গিয়ে সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের হামলায় দুজন নিহত ও তিনজন আহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা নিহতদের মরদেহ নিয়ে সরাসরি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের গেটের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: যেসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করবে না ইরান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের কর্মী ছাড়া কাউকে ভিক্ষাও দেয় না’ এমপি খোকন তালুকদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


জামায়াতের কর্মী ছাড়া কাউকে ভিক্ষাও দেয় না’ এমপি খোকন তালুকদার

জামায়াতের কর্মী ছাড়া কাউকে ভিক্ষাও দেয় না’—এমপি খোকন তালুকদার

‘জামায়াত ১৮ কোটি মানুষের জন্য কাজ করে না। সাধারণ মানুষ বলে, জামায়াতের কর্মী ছাড়া জামায়াত কাউকে ভিক্ষাও দেয় না। তারা কোনো রাজনৈতিক দল নয়, একটি সমিতি।’ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ (কালকিনি-ডাসার) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ২৩টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতের সমালোচনা করে খোকন তালুকদার আরও বলেন, দলটির কর্মকাণ্ড তাদের নিজস্ব কর্মী ও সমর্থকদের ঘিরেই পরিচালিত হয়। সাধারণ মানুষের জন্য তাদের কার্যক্রমের পরিধি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত সুন্দরভাবে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। কালকিনি উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে গিয়ে তাঁরা খোঁজখবর নিচ্ছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাঁদের পাশে পেয়ে আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি মন্দির ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হবে বলেও জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি, মাদারীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গাউছ-উর রহমানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
শাওন বল
মাদারীপুর | ১৯ অক্টোবর ২০২৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ করলেন আইসিটি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


মধুপুরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ করলেন আইসিটি মন্ত্রী

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আলহাজ ফকির মাহবুব এনাম স্বপন এমপি। উপজেলার ৬০টি পূজামণ্ডপের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য এ সহায়তা দেওয়া হয়।

রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মধুপুর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মধুপুর উপজেলা ও পৌর শাখার যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সহায়তা বিতরণ করেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব এনাম স্বপন। আয়োজকরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত বস্ত্রের পাশাপাশি মন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ করা হয়। উপজেলার ৬০টি পূজামণ্ডপের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য তিনটি করে শাড়ি ও নগদ অর্থসহ এ সহায়তা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজাই প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম. রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সহসভাপতি লিলি সরকার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন তরফদার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবলু এবং পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না।

এ ছাড়া উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি বিকাশ চন্দ্র ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক মানিক চন্দ্র চন্দসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া, অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

তাঁরা আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখা জরুরি। উৎসবের আনন্দ কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমেই একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিন্ময় সুতারের অপরাজিত ৪০০ রানের ইতিহাস সৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


চিন্ময় সুতারের অপরাজিত ৪০০ রানের ইতিহাস সৃষ্টি

ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের রনজি ট্রফিতে একটি নতুন ইতিহাস গড়েছেন মিজোরামের ব্যাটার চিন্ময় সুতার। সোমবার, প্লেট গ্রুপের ম্যাচে নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪০০ রানের একটি অসাধারণ মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে এই মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিয়েছেন চিন্ময়। সুতার হলেন ইতিহাসের মাত্র দশম ব্যাটার, যিনি চারশ রান পূর্ণ করলেন।

২৯ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটার নাগাল্যান্ডের বোলারদের সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করে ৫১৭ বলে ৪০০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার এই অতিমানবীয় ইনিংসটি ছিল ৪৬টি চার এবং ৭টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কায় সাজানো। এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় প্রথম শ্রেণির ম্যাচ। মুম্বাইয়ের এই ক্রিকেটার বর্তমান মৌসুমে নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট নিয়ে মিজোরামে যোগ দিয়েই এই অবিশ্বাস্য কাণ্ডটি ঘটালেন।

নাগাল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে, মিজোরাম ৩৯২ রানে নবম উইকেট হারায়। সুতার তখন ২৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন। এরপর তিনি দশম উইকেটে লালরেমপুইয়াকে নিয়ে ১৮৯ রানের একটি অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। এই জুটিতে লালরেমপুইয়ার অবদান ছিল ৭৬ বলে মাত্র ১৪ রান।

সুতার তার সঙ্গীকে নিরাপদে রেখে অন্যপ্রান্তে রানের স্রোত অব্যাহত রাখেন। নবম উইকেট পড়ার পর ২০১ বল খেলে আরও ১৬৯ রান যোগ করেন তিন নম্বরে নামা ব্যাটার। সব মিলিয়ে তার ৪০০ রান পূর্ণ হওয়ার পর মিজোরাম ৯ উইকেটে ৫৮১ রানে ইনিংস ঘোষণা করে।

সুতারের আগে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে চারশ রান করার কৃতিত্ব ছিল শুধু ভাউসাহেব নিম্বালকারের। ১৯৪৮ সালের রঞ্জি ট্রফিতে মহারাষ্ট্রের হয়ে কাঠিওয়ারের বিপক্ষে ৪৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন ভাউসাহেব।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সুতারের আগে ৪০০ রানের নজির আছে আর ৯ জনের- ব্রায়ান লারা (৫০১* ও ৪০০*), হানিফ মোহাম্মদ (৪৯৯), ডন ব্র্যাডম্যান (৪৫২*), ভাউসাহেব নিম্বালকার (৪৪৩*), বিল পন্সফোর্ড (৪৩৭ ও ৪২৯), আফতাব বালুচ (৪২৮), আর্চি ম্যাকলারেন (৪২৪) ও স্যাম নর্থইস্ট (৪১০*), গ্রায়েম হিক (৪০৫*)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের সদরঘাটে আকস্মিক পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের সদরঘাটে আকস্মিক পরিদর্শন

দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার লক্ষ্যে ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) টার্মিনাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান, এমপি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে, তিনি সদরঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, যাত্রী সেবার মান এবং নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা সরজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময়, প্রতিমন্ত্রী টার্মিনালের পন্টুন, লঞ্চের ফিটনেস, যাত্রী ধারণ ক্ষমতা এবং কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন। এবারের দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সদরঘাটে সাধারণ ঈদ উৎসবের মতোই ব্যাপক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়েছে।

লঞ্চ মালিক, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানকালে, প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দুর্গাপূজা দেশের একটি অন্যতম বৃহৎ উৎসব। এই সময়ে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে গমনকারী সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকল নৌ যাত্রীর নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সদরঘাটে যেন কোনো ধরনের অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই বা হয়রানি না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। ঈদের মতো করেই এখানে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।"

উল্লেখ্য, পূজার ছুটিতে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে যাওয়ার জন্য সদরঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ-এর বিশেষ টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর এই ঝটিকা পরিদর্শনে সাধারণ যাত্রী ও ঘাট সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%