ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চিন্ময় সুতারের অপরাজিত ৪০০ রানের ইতিহাস সৃষ্টি


চিন্ময় সুতারের অপরাজিত ৪০০ রানের ইতিহাস সৃষ্টি

ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের রনজি ট্রফিতে একটি নতুন ইতিহাস গড়েছেন মিজোরামের ব্যাটার চিন্ময় সুতার। সোমবার, প্লেট গ্রুপের ম্যাচে নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪০০ রানের একটি অসাধারণ মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে এই মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিয়েছেন চিন্ময়। সুতার হলেন ইতিহাসের মাত্র দশম ব্যাটার, যিনি চারশ রান পূর্ণ করলেন।

২৯ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটার নাগাল্যান্ডের বোলারদের সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করে ৫১৭ বলে ৪০০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার এই অতিমানবীয় ইনিংসটি ছিল ৪৬টি চার এবং ৭টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কায় সাজানো। এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় প্রথম শ্রেণির ম্যাচ। মুম্বাইয়ের এই ক্রিকেটার বর্তমান মৌসুমে নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট নিয়ে মিজোরামে যোগ দিয়েই এই অবিশ্বাস্য কাণ্ডটি ঘটালেন।

নাগাল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে, মিজোরাম ৩৯২ রানে নবম উইকেট হারায়। সুতার তখন ২৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন। এরপর তিনি দশম উইকেটে লালরেমপুইয়াকে নিয়ে ১৮৯ রানের একটি অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। এই জুটিতে লালরেমপুইয়ার অবদান ছিল ৭৬ বলে মাত্র ১৪ রান।

আরও পড়ুন: জাতীয় দলে উপেক্ষিত, অবসরের বিষয়ে মুখ খুললেন মোহাম্মদ শামি

সুতার তার সঙ্গীকে নিরাপদে রেখে অন্যপ্রান্তে রানের স্রোত অব্যাহত রাখেন। নবম উইকেট পড়ার পর ২০১ বল খেলে আরও ১৬৯ রান যোগ করেন তিন নম্বরে নামা ব্যাটার। সব মিলিয়ে তার ৪০০ রান পূর্ণ হওয়ার পর মিজোরাম ৯ উইকেটে ৫৮১ রানে ইনিংস ঘোষণা করে।

সুতারের আগে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে চারশ রান করার কৃতিত্ব ছিল শুধু ভাউসাহেব নিম্বালকারের। ১৯৪৮ সালের রঞ্জি ট্রফিতে মহারাষ্ট্রের হয়ে কাঠিওয়ারের বিপক্ষে ৪৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন ভাউসাহেব।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সুতারের আগে ৪০০ রানের নজির আছে আর ৯ জনের- ব্রায়ান লারা (৫০১* ও ৪০০*), হানিফ মোহাম্মদ (৪৯৯), ডন ব্র্যাডম্যান (৪৫২*), ভাউসাহেব নিম্বালকার (৪৪৩*), বিল পন্সফোর্ড (৪৩৭ ও ৪২৯), আফতাব বালুচ (৪২৮), আর্চি ম্যাকলারেন (৪২৪) ও স্যাম নর্থইস্ট (৪১০*), গ্রায়েম হিক (৪০৫*)।

আরও পড়ুন: ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে স্মিথের ১১ হাজার রানের রেকর্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের সদরঘাটে আকস্মিক পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের সদরঘাটে আকস্মিক পরিদর্শন

দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার লক্ষ্যে ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) টার্মিনাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান, এমপি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে, তিনি সদরঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, যাত্রী সেবার মান এবং নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা সরজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময়, প্রতিমন্ত্রী টার্মিনালের পন্টুন, লঞ্চের ফিটনেস, যাত্রী ধারণ ক্ষমতা এবং কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন। এবারের দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সদরঘাটে সাধারণ ঈদ উৎসবের মতোই ব্যাপক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়েছে।

লঞ্চ মালিক, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানকালে, প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দুর্গাপূজা দেশের একটি অন্যতম বৃহৎ উৎসব। এই সময়ে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে গমনকারী সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকল নৌ যাত্রীর নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সদরঘাটে যেন কোনো ধরনের অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই বা হয়রানি না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। ঈদের মতো করেই এখানে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।"

উল্লেখ্য, পূজার ছুটিতে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে যাওয়ার জন্য সদরঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ-এর বিশেষ টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর এই ঝটিকা পরিদর্শনে সাধারণ যাত্রী ও ঘাট সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে আচরণগত পরিবর্তনের ওপর বিশেষজ্ঞদের জোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে আচরণগত পরিবর্তনের ওপর বিশেষজ্ঞদের জোর

সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য আইন প্রয়োগের পাশাপাশি চালক, যাত্রী এবং পথচারীদের মধ্যে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলার ওপর বিশেষজ্ঞরা গুরুত্ব আরোপ করেছেন। দুর্ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে তথ্যের ঘাটতি কমানো, শিশুদের জন্য যানবাহনে নিরাপদ আসন নিশ্চিত করা এবং দুর্ঘটনার পর জরুরি সেবা জোরদার করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। আগামী ২২ অক্টোবর জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস পালনের অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিআইপিআরবির নির্বাহী পরিচালক ডা. আমিনুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির রোড সেফটি প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কাজী বোরহান উদ্দিন। প্রবন্ধে তিনি বিশ্বজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনার পরিস্থিতি, বাংলাদেশে দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান, দুর্ঘটনার কারণ এবং সড়ক পরিবহন আইন ও নীতিমালার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন।

কাজী বোরহান উদ্দিন নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ যথাযথভাবে প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই পদ্ধতিতে সড়কব্যবস্থার বিভিন্ন উপাদানকে সমন্বিতভাবে নিরাপদ করার মাধ্যমে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সিআইপিআরবির নির্বাহী উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ কে এম ফজলুর রহমান বলেন, "শুধু আইন প্রয়োগ করে সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে দায়িত্বশীল আচরণ ও নিরাপদে চলাচলের অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।" তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতিবেদন তৈরির ঘাটতি কমাতে হবে।

সভায় সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে সিআইপিআরবির বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির উপনির্বাহী পরিচালক ও আরটিআই প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ ইউনিটের পরিচালক ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী। মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি।

মুক্ত আলোচনায় দুর্ঘটনার পর জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্সচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ দেওয়ার এবং এ-সংক্রান্ত নির্দেশিকা তৈরির প্রস্তাব আসে। এছাড়া সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা কার্যক্রমে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন অংশগ্রহণকারীরা।

আলোচনায় সড়ক নিরাপত্তার সব উদ্যোগে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এবং দেশে ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। শিশুদের সুরক্ষায় যানবাহনে নিরাপদ শিশু আসন স্থাপনের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

ডা. আমিনুর রহমান বলেন, "সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সিআইপিআরবি দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও এসব উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এসব কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফারুক হোসেন, টঙ্গী (গাজীপুর)

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

গাজীপুর জেলার অসচ্ছল, দরিদ্র ও দুস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিনামূল্যে ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে গাজীপুর জেলা পরিষদ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ২টায় জেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের উপকারভোগী নারীদের মধ্যে এসব সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকার। গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী (বার-এট-ল) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একটি সেলাই মেশিনের মাধ্যমে একজন নারী নিজ বাড়িতে বসেই পোশাক তৈরি ও সেলাইয়ের কাজ করে আয় করতে পারেন। এতে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়ার পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
তাঁরা আরও বলেন, দরিদ্র ও অসচ্ছল নারীদের শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং আয়বর্ধক কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। সেলাই মেশিন বিতরণের মতো উদ্যোগ নারীদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বক্তারা এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, উপকারভোগী নারীরা সেলাই মেশিন ব্যবহার করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবেন এবং ধীরে ধীরে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণের এ উদ্যোগকে অসচ্ছল নারীদের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের পথে একটি সহায়ক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এসব সেলাই মেশিন কাজে লাগিয়ে উপকারভোগী নারীরা নিজেদের আয়ের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জেলার ২’ আয় ৪২৪ কোটি, ৫০০ কোটির পথে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


‘জেলার ২’ আয় ৪২৪ কোটি, ৫০০ কোটির পথে

দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। মুক্তির পর থেকেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের ভিড় দেখা যাচ্ছে, এবং ছবিটির আয় প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রথম সপ্তাহান্তে অসাধারণ ব্যবসার ফলে মুক্তির মাত্র চার দিনের মধ্যে ছবিটি বিশ্বজুড়ে ৪২৪ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে। বর্তমানে ৫০০ কোটি রুপির মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় রয়েছে এই অ্যাকশনধর্মী সিনেমাটি।

বক্স অফিস ট্র্যাকিং সংস্থা স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (১৮ অক্টোবর) মুক্তির চতুর্থ দিনে ভারতে ছবিটির নেট আয় ছিল ৫৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। এর ফলে প্রথম চার দিনে ভারতের বাজারে ছবিটির মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে ১৯৯ কোটি ৯০ লাখ রুপি। অন্যদিকে, ভারতের বাজারে মোট গ্রস আয় ২৩৪ কোটি ২৫ লাখ রুপি।

রবিবার ভারতের ১৫ হাজার ৪৭৩টি শোতে ছবিটির গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল প্রায় ৬২ শতাংশ। আগের দিন শনিবার ৪৭ কোটি ২৫ লাখ রুপি আয়ের তুলনায় চতুর্থ দিনে আয় বেড়েছে প্রায় ১৮ দশমিক ২ শতাংশ। রবিবারেই ছবিটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত হন ৩৬ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৯ জন দর্শক।

মুক্তির প্রথম দিন থেকেই ‘জেলার ২’ ভালো ব্যবসা করে আসছে। গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি প্রথম দিনে ১৬ হাজার ৫৯৯টি শো থেকে ভারতে ৫৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি নেট আয় করে। সেদিন গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ।

দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার আয় কিছুটা কমে ৩৭ কোটি ১০ লাখ রুপিতে দাঁড়ায়। ১৩ হাজার ১৫৭টি শোতে সেদিন দর্শক উপস্থিতি ছিল ৪৮ দশমিক ২ শতাংশ। তবে সপ্তাহান্তে ছবিটি আবার ঘুরে দাঁড়ায়। শনিবার ১৪ হাজার ৬০৪টি শো থেকে আয় হয় ৪৭ কোটি ২৫ লাখ রুপি। সেদিন দর্শক উপস্থিতি ছিল ৫৩ দশমিক ৯ শতাংশ। রবিবার আয় বেড়ে ৫৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপি পৌঁছায়।

তামিল সংস্করণে সবচেয়ে বেশি আয়

ভাষাভিত্তিক আয়ের হিসাবে ছবিটির তামিল সংস্করণ এখনও এগিয়ে রয়েছে। রবিবার ৮ হাজার ১৭৩টি শো থেকে এই সংস্করণের নেট আয় হয়েছে ৩৯ কোটি ৯৫ লাখ রুপি। দর্শক উপস্থিতি ছিল প্রায় ৮০ শতাংশ।

অন্যদিকে, ২ হাজার ২৩৪টি শো থেকে তেলুগু সংস্করণের আয় ৯ কোটি ৫০ লাখ রুপি। ৪ হাজার ৯০২টি শো থেকে হিন্দি সংস্করণ আয় করেছে ৫ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। আর ১৬৪টি শো থেকে কন্নড় সংস্করণের সংগ্রহ ৬৫ লাখ রুপি।

দর্শক উপস্থিতির বিস্তারিত হিসাবেও তামিল সংস্করণের দাপট স্পষ্ট। তামিল দ্বিমাত্রিক শোগুলোতে গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল ৮২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। সকালের শোতে উপস্থিতি ছিল ৬৭ দশমিক ০৮ শতাংশ। দুপুর, বিকেল ও রাতের শোগুলোতে এই হার ছিল যথাক্রমে ৮৭ দশমিক ০৮, ৮৮ দশমিক ৭৭ ও ৮৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

হিন্দি সংস্করণের ক্ষেত্রে সকালের শোতে দর্শক উপস্থিতি ছিল ২৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। দুপুরে তা বেড়ে ৪৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ হলেও বিকেল ও রাতের শোতে উপস্থিতি ছিল যথাক্রমে ৪৭ দশমিক ৮৩ ও ৪৬ শতাংশ। তেলুগু সংস্করণেও দুপুর ও বিকেলের শোগুলোতে দর্শক উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি ছিল।

বিদেশের বাজারেও দাপট

ভারতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ‘জেলার ২’ ভালো ব্যবসা করছে। স্যাকনিল্কের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রবিবারেই বিদেশের বাজার থেকে ছবিটির গ্রস আয় হয়েছে প্রায় ৪০ কোটি রুপি। ফলে চার দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে মোট গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯০ কোটি রুপি।

ভারতের বাজারে ২৩৪ কোটি ২৫ লাখ রুপি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় ১৯০ কোটি রুপি মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ছবিটির মোট গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ৪২৪ কোটি ২৫ লাখ রুপি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%