ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিল্লির বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ


দিল্লির বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান দেশে ফিরে আসছেন, কারণ দিল্লির বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে, যদিও তাঁকে আগাম অবহিত করা হয়েছিল।

রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় তিনি দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। আগামী সোমবার (১৫ জুন) থেকে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সম্মেলনে অংশ নেয়ার কথা ছিল তার।

তবে জানা গেছে, গত শুক্রবার, দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায় যে, ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতা হিসেবে উপদেষ্টার অংশগ্রহণ হবে। কিন্তু সন্ধ্যায় যখন তিনি দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করেন, তখন ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে তাকে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে। সেই সময় তাকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্টতা পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা

এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে, জাহেদ উর রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। রাতেই তিনি তৃতীয় একটি দেশ হয়ে দেশে ফিরে আসার পরিকল্পনা করেন। সোমবার দুপুরের আগেই তার দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের বাসে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৪ এম


নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের বাসে আগুন

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন (এনবিএ) ফাইনালে জয় পেয়েছে ‘নিউইয়র্ক নিকস’। পাঁচ দশকের বেশি সময় পর এ জয় পায় দলটি।

এই ঐতিহাসিক জয় উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটানের মিডটাউনে সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হয়।

স্থানীয় সময় গত শনিবার রাতে দলটির হাজারো উন্মত্ত ভক্ত রাস্তায় নেমে উল্লাস শুরু করলে একপর্যায়ে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। এ সময় টাইমস স্কয়ারে এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বিশ্বকাপের দর্শক নামিয়ে দিয়ে ফেরা একটি বাসে।

১৯৭৩ সালের পর নিউইয়র্ক নিকস এমন অভাবনীয় পারফরম্যান্স ও ফাইনাল জয় উদ্‌যাপন করতে পানশালা ও খোলা মাঠ থেকে হাজারো সমর্থক স্লোগান দিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। অনেককে আতশবাজি ও স্মোক বা ধোঁয়ার গ্রেনেড ফাটাতে দেখা যায়।

বাস্কেটবলপ্রেমীদের এই উন্মত্ত উল্লাসের মধ্যে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ব্রাজিল ও মরক্কোর মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ শেষে দর্শকদের নামিয়ে দিয়ে ফেরা ১৫টি শাটল বাসের একটি বহর আটকা পড়ে। শত শত তরুণ বাসের ওপর উঠে পড়েন।

কিছু তরুণকে চালকের আসনে বসে থাকতে দেখা যায়।

একের পর এক, নিউইয়র্ক সিটি সরকারের ভাড়া করা হলুদ রঙের স্কুলবাসগুলোর একটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সের একজন সাংবাদিক বাসটিকে দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখেন। এভাবে আরো তিনটি বাস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাসের ওপর উঠে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থকদের পতাকা উড়াতে দেখা গেছে।

ব্রাজিলের ম্যাচ দেখতে আসা মরক্কো বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক ইউসেফ সাব্বর (৪৯) বলেন, তাঁরা তাঁদের আনন্দ প্রকাশ করছেন। কিছুটা সহিংসভাবে হলেও পৃথিবীর সবখানে দল জয় পেলে এমনটা ঘটে।

নিউইয়র্ক পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, রাত ২টার দিকে টাইমস স্কয়ারে উল্লাসের মধ্যে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের পায়ে গুলি লাগে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভিড়ের মধ্যে মুখ রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হেঁটে যেতে দেখা গেলেও তাঁর আঘাতের কারণ জানা যায়নি।

পানশালা থেকে খেলা দেখে বের হওয়া রিয়েল এস্টেট এজেন্ট পঞ্চাশোর্ধ্ব ক্যারল মারিনো বলেন, মনে হচ্ছে একসঙ্গে ২০টি থার্টি ফার্স্ট নাইট উদ্‌যাপন করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দাঙ্গা পুলিশ ও ঘোড়সওয়ার পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে।

প্রায় দুই ঘণ্টা ধৈর্য ধরে অপেক্ষার পর পুলিশের সদস্যরা লাঠি উঁচিয়ে সমর্থকদের ধাওয়া দিয়ে রাস্তা ফাঁকা করেন। ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের আশপাশের রাস্তাগুলো কর্ডন বা ঘিরে ফেলা হয়।

পুরো জীবন নিকসের সমর্থক হিসেবে পার করে দেওয়া নিউইয়র্কের দম্পতি ডিন ও ক্রিস্টিনা স্মিরোস বলেন, আমাদের জন্মের পর এই প্রথম দল এভাবে জিতল, আমরা ভীষণ খুশি।

এর আগে ১৯৯৪ ও ১৯৯৯ সালে ফাইনালে উঠলেও যথাক্রমে হিউস্টন রকেটস ও সান আন্তোনিও স্পার্সের কাছে হেরেছিল নিউইয়র্ক নিকস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের বিপক্ষে একপেশে জয় ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ এম


পাকিস্তানের বিপক্ষে একপেশে জয় ভারতের

এগিয়ে চলা ক্রীড়া ডেস্কের একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভারতের পাকিস্তানের বিপক্ষে একপেশে জয় হয়েছে।

টসের সময় এবং ম্যাচ শেষে দুই দলের মধ্যে হাত মেলানো ক্রীড়াঙ্গনে অলিখিত একটি নিয়ম। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে এর বিপরীত দৃশ্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এখন এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ক্ষেত্রে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে হাত না মেলানো। ছেলের পর এবার মেয়েদের বেলাতেও এ দৃশ্য দেখা গেল।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারত-পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটারই একবারের জন্যও হাত মেলাননি। যদিও সেই বির্তক কিছুটা উত্তাপ ছড়ালেও মাঠের ওপরে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে তা প্রভাব ফেলেনি।

অবশ্য, ভারত ম্যাচটি একপেশে জয় বাড়িয়ে নিয়েছে। ৬৪ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে তারা টুর্নামেন্ট শুরু করেছে স্মৃতি মান্ধানা এবং হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে।

বার্মিংহামে ১৭১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে পাকিস্তান বেশ ভালো শুরু করেছিল। উদ্বোধনী জুটিতে দুই ওপেনার ৩৮ রান যোগ করেছিলেন।

কিন্তু ব্যক্তিগত ১২ রানে ওপেনার গুল ফিরোজা আউট হয়ে যাওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। এর ফলে তারা ১০৬ রানেই অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন আরেক ওপেনার মুনিবা আলী, যিনি ৪১ রান করেন।

দুই দিক থেকে, পাকিস্তানকে বলা যায় একাই ধসিয়ে দিয়েছেন দিপ্তী শর্মা। ১০ রানে ৫ উইকেট নেওয়ার পথে তিনি একটি রেকর্ডও গড়েছেন ভারতীয় অফস্পিনার।

অন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এখন তার সর্বোচ্চ ১৬৬ উইকেট রয়েছে। আগের রেকর্ডটি ছিল থাইল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার থিপাচা পুত্থাওংয়ের, যিনি ১৬৫ উইকেট নিয়েছিলেন।

এছাড়া, ব্যাট হাতে ১২ রানের অপরাজিত ইনিংসও খেলেন দিপ্তী। এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য তিনি পরে ম্যাচসেরার স্বীকৃতিও পেয়েছেন। যদিও ভারতের বিশাল সংগ্রহে অবদান রেখেছেন ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা। তিনি ওপেনিংয়ে নেমে ৬৮ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন, যার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৫৪.৫৪।

এছাড়া, তার ইনিংসটি দুই ছক্কা এবং ৯ চারের সমন্বয়ে সাজানো ছিল। বিপরীতে, দুটি ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছেন হরমনপ্রীত (৩৬) এবং রিচা ঘোষ (৩৪)। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ২টি উইকেট নিয়েছেন সাদিয়া ইকবাল ও ফাতিমা সানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশেষ বৃত্তি ও বাজেট বৃদ্ধির দাবিতে জবি ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫২ এম


বিশেষ বৃত্তি ও বাজেট বৃদ্ধির দাবিতে জবি ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ

‘লংমার্চ টু যমুনা’ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ বৃত্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বৃদ্ধি এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তি একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরবেলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়, নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে জবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ মন্তব্য করেন, ‘যমুনা আন্দোলনের সময় রাষ্ট্র শিক্ষার্থীদের জন্য যে বিশেষ বৃত্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। সরকার থেকে ৫৬ কোটি টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীরা বর্তমানে শুধু ১০ কোটি টাকা পেয়েছে। বর্তমান উপাচার্যের কাছে আমাদের অনুরোধ, রাষ্ট্রের দেওয়া এই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাকি অর্থ আদায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করুন।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘পূর্ববর্তী প্রশাসনের কারণে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ বিষয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

শাখা ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস শেখ উল্লেখ করেন, ‘পুরান ঢাকায় নির্মাণাধীন দুইটি হল এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের কাজ নিয়ে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র আমরা প্রতিহত করব। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আমরা একসাথে রয়েছি।’

সংগঠনের সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম করে চলেছে। সর্বশেষ “লংমার্চ টু যমুনা” কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার থেকে ৫৬ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের অবহেলার কারণে সেই অর্থ এখনও পুরোপুরি পাওয়া যায়নি। বরং প্রতিশ্রুতি অস্বীকারের প্রচেষ্টা চলছে, যা শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’

সমাবেশে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা সতর্ক করে দেন, দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিরোপার স্বপ্নে নেদারল্যান্ডস–জাপান মহারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০১ এম


শিরোপার স্বপ্নে নেদারল্যান্ডস–জাপান মহারণ

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে নেদারল্যান্ডস ও জাপান। দুই দলই নিজেদের গ্রুপের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। এর ফলে, এই ম্যাচটিকে দেখা হচ্ছে নকআউট পর্বের আগাম পরীক্ষার মঞ্চ হিসেবে।

নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের দ্বিতীয়বার দায়িত্ব নেওয়া রোনাল্ড কুমান। তিনি ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে দলে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার যোগ্যতা এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু আসর শুরুর আগেই ক্লাব ফুটবলে যোগ দিতে দায়িত্ব ছাড়েন। সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব পর্যায়ে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও, তিনি আবারও জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন।

নেদারল্যান্ডসের মাঝে অন্যতম ভরসা হল তেইয়ানি রেইন্ডার্স। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি ইউরোপের সেরা মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। আক্রমণ ও রক্ষণে সমান দক্ষ এই ফুটবলারের পারফরম্যান্সের ওপর অনেকটা নির্ভর করবে নেদারল্যান্ডসের সাফল্য।

অন্যদিকে, জাপানও এসেছে শক্তিশালী দল নিয়েই। প্রধান কোচ হাজিমে মোরিয়াসুর দল আক্রমণাত্মক ফুটবলের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে রক্ষণাত্মক কৌশলও দারুণভাবে প্রয়োগ করতে পারে। দীর্ঘদিন চোটে ভোগার পর অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তাকেহিরো তোমিয়াসুর দলে ফেরা জাপানের জন্য বড় এক স্বস্তি।

মাঝমাঠে অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দোর নেতৃত্ব, দাইচি কামাদার সৃজনশীলতা এবং আও তানাকার কর্মক্ষমতা জাপানকে দিয়েছে বাড়তি শক্তি। আর আক্রমণভাগে দাইজেন মায়েদা দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। তবে নির্ভরযোগ্য একজন খাঁটি গোলদাতার অভাব জাপানের বড় দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গ্রুপের অন্য দুই দল সুইডেন ও তিউনিসিয়া। তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, নেদারল্যান্ডস ও জাপানই শেষ ষোলোতে ওঠার সবচেয়ে বড় দাবিদার। সেই কারণে, নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্ত অবস্থান জানান দিতে মরিয়া হয়ে রয়েছে দুই দল।

বিশ্বকাপের এই লড়াই শুধু তিন পয়েন্টের নয়, বরং শিরোপার স্বপ্নে কতটা দূর যেতে পারে তারও এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%