ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫ অক্টোবর থেকে শুরু নোবেল পুরস্কার ঘোষণা, বাড়ল অর্থমূল্য


৫ অক্টোবর থেকে শুরু নোবেল পুরস্কার ঘোষণা, বাড়ল অর্থমূল্য

চলতি বছরের নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ৫ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ছয়টি বিভাগে ধাপে ধাপে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। নোবেল পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক সব ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এবং বিস্তারিত তথ্য নোবেল পুরস্কারের নিজস্ব মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

প্রথম তিন দিনে বিজ্ঞানের তিন শাখার নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। ৫ অক্টোবর, সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেলজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হবে।

এরপর ৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ৭ অক্টোবর, বুধবার একই সময়ে রসায়নে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রেক্ষিতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আহ্বান ইরানি আইনপ্রণেতার

নোবেল পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্ব, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি—এই ছয়টি বিভাগে প্রদান করা হয়।

এবার নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিটি পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৬ সালে তা বাড়িয়ে ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি পুরস্কারে ১০ লাখ ক্রোনা বা প্রায় ৯ শতাংশ অর্থমূল্য বেড়েছে।

নোবেল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হানা স্টিয়ারনে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে নোবেল পুরস্কারের ১২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে অর্থমূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা করা হয়েছিল। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অর্থমূল্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

আরও পড়ুন: ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমুদ্রসৈকত বন্ধ

যদি কোনো বিভাগে একাধিক ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার পান, তবে নির্ধারিত ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। বর্তমান হিসাবে এই অর্থের মূল্য প্রায় ১২ লাখ ৮ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি।

প্রতিটি নোবেলজয়ী একটি নোবেল পদক, একটি সনদপত্র এবং নির্ধারিত অর্থমূল্য পাবেন। বিজ্ঞানের তিন বিভাগের পুরস্কার ঘোষণার পর পর্যায়ক্রমে সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

সূত্র: দ্য নোবেল প্রাইজ

আরও পড়ুন: সীমান্ত আলোচনা শুরু করতে উত্তর কোরিয়াকে প্রস্তাব দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এশিয়ান গেমসে লড়াই করেও চাইনিজ তাইপের কাছে হার বাংলাদেশের মেয়েদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


এশিয়ান গেমসে লড়াই করেও চাইনিজ তাইপের কাছে হার বাংলাদেশের মেয়েদের

শেষ রক্ষা হয়নি, যদিও বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল। এশিয়ান গেমসের নারী হকির গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জাহিদ হোসেন রাজুর দল চাইনিজ তাইপের কাছে ৩-২ গোলে পরাজিত হয়েছে।

গিফু প্রিফেকচারাল গ্রিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশ শুরুতেই গোল হজম করে। ম্যাচের ৬ মিনিটে চাইনিজ তাইপের হয়ে গোল করেন হুয়াং ইউ-টিং। তবে বাংলাদেশের মেয়েরা দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে। ১৯ মিনিটে কনা আক্তার গোল করে বাংলাদেশকে সমতায় ফিরিয়ে আনে। এরপর ২৪ মিনিটে আবারও গোল করে কনা। এতে বাংলাদেশ ২-১ গোলে এগিয়ে যায়।

প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। লাল-সবুজের দল এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র পরিবর্তিত হয়। ৪৫ মিনিটে ওয়াং ইউ-চিউ গোল করে চাইনিজ তাইপেকে সমতায় ফেরায়। এর চার মিনিট পর, আবারও গোল করে চাইনিজ তাইপে। হুয়াং ইউ-টিংয়ের দ্বিতীয় গোলেই তারা ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চাইনিজ তাইপে।

গ্রুপ পর্বের পাঁচ ম্যাচে বাংলাদেশের এটি চতুর্থ পরাজয়। এর আগে তারা চীনের কাছে ১৩-০, মালয়েশিয়ার কাছে ৩-১ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৮-০ গোলে হেরেছিল। কাজাখস্তানের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করে তারা এক পয়েন্ট পেয়েছিল।

চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েছিল। দুই গোলের লিড নিয়েও তারা শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ধরে রাখতে পারেনি।

পাঁচ ম্যাচ শেষে এক পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে বাংলাদেশ নারী হকি দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনবিআরের ‘থ্রি-আর’ কৌ'শ'লে রাজস্ব বাড়ানোর নতুন প'রি'ক'ল্প'না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


এনবিআরের ‘থ্রি-আর’ কৌ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা কর প্রশাসনে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, করদাতা সেবার মানোন্নয়ন এবং কর পরিপালন নিশ্চিত করার উপর ভিত্তি করে তৈরি।

এ উদ্দেশ্যে এনবিআর চলতি অর্থবছরের জন্য রাজস্ব কৌশল ‘থ্রি-আর’ বা তিনটি মূলনীতির ভিত্তিতে সাজিয়েছে। এই তিনটি মূলনীতি হলো—রিকভারি (পুনরুদ্ধার), রেস্টোরেশন (পুনর্বহাল) এবং রিকনস্ট্রাকশন (পুনর্গঠন)।

রিকভারি কৌশলের আওতায় রাজস্ব আদায়ে গড়ে ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রেস্টোরেশন কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো করের আওতা সম্প্রসারণ এবং ব্যবসাবান্ধব রাজস্ব পরিবেশ তৈরি করা। অন্যদিকে, রিকনস্ট্রাকশন কৌশলের আওতায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও স্বেচ্ছায় কর পরিপালন নিশ্চিত করে রাজস্ব আদায়ের গতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

গত মাসে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এনবিআরের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসব পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে এনবিআরের সক্ষমতা, কর-জিডিপি অনুপাতের ব্যবধান কমাতে গৃহীত পদক্ষেপ এবং সংস্থাটির সাংগঠনিক কাঠামো ও প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়।

এনবিআর চলতি অর্থবছরে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বিভিন্ন খাত থেকে রাজস্ব সংগ্রহের পরিকল্পনাও তুলে ধরেছে।

লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে আয়কর অনুবিভাগের জন্য ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অনুবিভাগের জন্য ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা এবং কাস্টমস অনুবিভাগের জন্য ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ‘আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস প্রশাসনে সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে চলতি অর্থবছরে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে এনবিআর আশা করছে।’

আয়কর খাতে বাড়তি আদায়ের পরিকল্পনা

রাজস্ব আদায়ের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, আয়কর খাতে প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, কর ফাঁকি দেওয়া অর্থ উদ্ধার, উৎসে করের আওতা সম্প্রসারণ, ব্যক্তিশ্রেণির কর কাঠামো ও বিনিয়োগে কর রেয়াতের পরিবর্তন, মূলধনি মুনাফার ওপর কর আরোপ, কর পরিপালন জোরদার এবং করসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে রাজস্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আয়কর অনুবিভাগ নিয়মিত প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কর ফাঁকি দেওয়া অর্থ উদ্ধার এবং বিভিন্ন নীতিগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে চায়।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর ও ভ্রমণ কর বাবদ আদায় হয়েছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ১০ শতাংশ নিয়মিত প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে অতিরিক্ত ১৪ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা আদায়ের প্রত্যাশা করছে এনবিআর।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল, আয়কর গোয়েন্দা বিভাগ, আইআইসি এবং কর সার্কেলের মাধ্যমে কর ফাঁকি দেওয়া অর্থ উদ্ধার করে আরও ৩ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। নিরীক্ষা ও আয়কর আইনের ২১২ ধারায় পুনরায় মামলা খোলার মাধ্যমে সৃষ্ট করসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করে আরও ১ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিলম্বে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ দিয়ে স্বেচ্ছায় কর পরিপালনে উৎসাহিত করার মাধ্যমে আরও ৫শ’ কোটি টাকা আদায়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

নীতিগত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ৫ শতাংশ করহার পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত প্রগতিশীল করহার চালুর মাধ্যমে অতিরিক্ত ৩ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ রেয়াতের সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ লাখ টাকা নির্ধারণ করে আরও ১ হাজার কোটি টাকা আদায়ের প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের করদাতাদের জন্য টার্নওভার কর চালুর মাধ্যমে আরও ১ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী করদাতাদের আয়কর রিটার্নের সঙ্গে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও হিসাবের বিবরণী জমা বাধ্যতামূলক করে ৫শ’ কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা (বিজনেস-টু-বিজনেস) মডেলে খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে উৎসে কর আদায়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আবাসন খাতের ডেভেলপারদের হিসাবরক্ষণে আইএফআরএস-১৫ চালুর মাধ্যমে আরও ৪ হাজার কোটি টাকা এবং জমি, ফ্ল্যাট ও অন্যান্য মূলধনি সম্পদ বিক্রি থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর নিয়মিত করহার প্রয়োগ করে আরও ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের প্রত্যাশা করছে এনবিআর।

ভ্যাট আদায়ে প্রবৃদ্ধি ও পরিপালনে জোর

ভ্যাট অনুবিভাগ নিয়মিত প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা নিয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৯ কোটি টাকা আদায় হয়েছিল। চলতি অর্থবছরে ১০ শতাংশ নিয়মিত প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে অতিরিক্ত ১৫ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা আদায়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উন্নয়ন বাজেটের (এডিপি) বাস্তবায়ন বাড়ার ফলে আরও ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং বিড়ি ও সিগারেটসহ তামাক খাত থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। অবৈধ সিগারেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে আরও ২ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নিরীক্ষা, বকেয়া রাজস্ব আদায়, ভ্যাট নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি এবং কর পরিপালনের ঘাটতি কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ভ্যাট অনুবিভাগের লক্ষ্য, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বিচারাধীন মামলার ৫০ শতাংশ এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে অনিষ্পন্ন মামলার অন্তত ৯৫ শতাংশ নিষ্পত্তি করা।

কাস্টমসে ১ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য

চলতি অর্থবছরে কাস্টমস অনুবিভাগের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪০ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে আদায় হয়েছিল ১ লাখ ১১ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা।

নিয়মিত প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ১১ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের বিভিন্ন পদক্ষেপ থেকে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আদায়ের প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বকেয়া রাজস্ব আদায়, গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রতিরোধমূলক অভিযান, পণ্য খালাস-পরবর্তী নিরীক্ষা, নিলাম, আমদানিপণ্যের সঠিক শ্রেণিবিন্যাস ও মূল্য নির্ধারণ, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধ এবং স্থগিত রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

পণ্য খালাস-পরবর্তী নিরীক্ষা থেকে ৫শ’ কোটি টাকা, নিলাম থেকে ৫শ’ কোটি টাকা, আমদানিপণ্যের সঠিক শ্রেণিবিন্যাস ও মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে ৪ কোটি টাকা, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধ করে ১ হাজার ৮শ’ কোটি টাকা এবং স্থগিত রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে ১৪০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এডিবি বাংলাদেশকে সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


এডিবি বাংলাদেশকে সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের জনগণের জন্য সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন ঋণের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে। বিশেষভাবে নারী এবং প্রচলিত ব্যাংক ঋণের বাইরে থাকা পরিবারগুলো এই ঋণের সুবিধা গ্রহণ করবে।

এডিবির এই অর্থ পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং এর আওতাধীন যোগ্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। এর আওতায় দীর্ঘমেয়াদি ও জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করা হবে, যা পরিবারগুলোকে নতুন ঘর নির্মাণ, পুরোনো ঘর মেরামত ও উন্নয়ন করতে সহায়তা করবে।

আজ প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবি জানায়, দেশে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসনের অভাব এবং আবাসন ঋণ পাওয়ার সীমিত সুযোগ মোকাবিলায় এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো প্রচলিত আবাসন ঋণব্যবস্থার বাইরে থাকায় তাদের জন্য এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এডিবির বাংলাদেশে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, "আবাসন মানুষের মর্যাদা, সুযোগ ও দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি।" তিনি উল্লেখ করেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবার, বিশেষ করে নারীদের নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল বাড়ি নির্মাণে সহায়তার মাধ্যমে এ প্রকল্প দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।

প্রকল্পের আওতায় ২০৩১ সালের মধ্যে অন্তত ৪০ হাজার পরিবারকে আবাসন ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৩২ হাজার নারী এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা এলাকায় বসবাসকারী অন্তত ২৪ হাজার ঋণগ্রহীতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এছাড়া, প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক ও ভূমিসংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে এবং আবাসনের অধিকার সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা হবে। নারীদের আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঋণগ্রহীতাদের স্বামী-স্ত্রীর বসবাসসংক্রান্ত ব্যবস্থার যথাযথ নথিপত্র সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দুর্যোগসহনশীল আবাসন নিশ্চিত করতে ঘর নির্মাণের নকশা, নির্মাণ প্রক্রিয়া ও দুর্যোগের ক্ষতি থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর ফলে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, তীব্র তাপপ্রবাহসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও চরম আবহাওয়ার প্রভাব মোকাবিলায় বাড়িগুলো আরও সক্ষম হয়ে উঠবে।

এডিবি জানাচ্ছে, প্রকল্পটি দেশের আবাসন অর্থায়নব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি এ খাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। এ লক্ষ্যে পিকেএসএফ ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তথ্য ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকি মূল্যায়ন, দুর্যোগের ঝুঁকি যাচাই, ঋণ পোর্টফোলিও পর্যবেক্ষণ ও ডিজিটাল প্রতিবেদনব্যবস্থা উন্নত করা হবে।

১০ কোটি ডলারের এই ঋণের মধ্যে ৪ কোটি ডলার এডিবির জলবায়ু অভিযোজন তহবিল থেকে দেওয়া হবে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা হিসেবে আরও ৬ লাখ ডলার অনুদান প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে ৩০ বছরেও সংস্কার হয়নি ফাতেমা স্কুল সড়ক, ভোগান্তিতে বসবাসরত এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সানি

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে ৩০ বছরেও সংস্কার হয়নি ফাতেমা স্কুল সড়ক, ভোগান্তিতে বসবাসরত এলাকাবাসী

বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফাতেমা স্কুলের রাস্তাটি দীর্ঘ তিন যুগ ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয়দের তথ্য মতে, ফাতেমা স্কুল থেকে আলাম খাঁর ঘর পর্যন্ত প্রায় ২০০০ ফুট দীর্ঘ এই সড়কটি দিয়েই ১ নং ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধশত পরিবারসহ হাজারো মানুষ এবং ফাতেমা স্কুলের শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই ফাতেমা স্কুল থেকে আলাম খাঁর ঘর পর্যন্ত ২০০০ ফুট রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। হাঁটু সমান কাদা জমে যায় পুরো রাস্তায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বসবাসরত এলাকাবাসী। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে। কাদায় তাদের স্কুলের পোশাক নষ্ট হয়ে যায় এবং প্রায়ই পিছলে পড়ে আহত হয় তারা। বর্ষা মৌসুমে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলেই আসতে পারে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাকেরগঞ্জ পৌরসভার প্রায় সকল রাস্তারই উন্নয়ন ও পাকাকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু নানা অবহেলার কারণে ১ নং ওয়ার্ডের ফাতেমা স্কুল থেকে আলাম খাঁর ঘর পর্যন্ত এই ২০০০ ফুট গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘ ৩০ বছরেও সংস্কারের ছোঁয়া পায়নি। বর্ষাকালে এই সড়ক দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না, এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচল করাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
অবহেলিত এই রাস্তাটি দ্রুত পাকাকরণ ও সংস্কারের জন্য বাকেরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন চন্দ্র পাল এবং বাকেরগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ১ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%