বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৫ পি.এম
অভিনয় ও মডেলিংয়ের পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। তবে তাঁর একাডেমিক পরিচয়ও অত্যন্ত আকর্ষণীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তিনি নিজের উচ্চশিক্ষার বিষয় বেছে নেওয়ার পেছনের গল্প শেয়ার করেছেন।
মিথিলা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়ার সিদ্ধান্তটি খুব একটা পরিকল্পিত ছিল না। বরং ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে যাতায়াতের স্মৃতিই অবচেতনভাবে তাঁকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল।
তিনি বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি—দুটিই তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সম্পন্ন করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন।
মিথিলা বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছি। অনার্স এবং মাস্টার্স দুটোই।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছেটা তাঁর মধ্যে অনেক আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল।
ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে কলাভবনে যাওয়ার স্মৃতির কথা উল্লেখ করে মিথিলা বলেন, ‘আমার ধারণা, অবচেতন মনে আমার ভেতরে একটা ভালোবাসা ছিল ওই জায়গাটার প্রতি। সেখান থেকে আমি ভাবলাম যে, না ঠিক আছে আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ব। কিন্তু যদি পড়ি তাহলে আমি কলাভবনেই পড়ব। অন্য কোনো ডিপার্টমেন্টে পড়ব না।’
তবে কলাভবনে গিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলেন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মিথিলা। কারণ সেখানে গিয়ে কোন বিষয় বেছে নেবেন, সে সম্পর্কে তাঁর তেমন ধারণা ছিল না।
মিথিলা বলেন, ‘সায়েন্সের মানে ম্যাথস, ফিজিকস, কেমিস্ট্রি এসব বিষয় পড়ে আমার অভ্যাস। সেখানে (কলা ভবন) যাওয়ার পর যখন আমাকে বিভিন্ন ধরনের বিষয় বলা হচ্ছিল, পলিটিক্যাল সায়েন্স, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ, ইকোনমিকস—আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।’
মিথিলার পরিবারে তিনিই ছিলেন তার প্রজন্মের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয় পড়া উচিত, সে বিষয়ে তাঁকে পরামর্শ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞতাও পরিবারের কাছাকাছি ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভর্তি সাক্ষাৎকারের সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়ার পরামর্শ পান তিনি। খুব বেশি না ভেবেই সেই বিষয়টিই বেছে নেন।
মিথিলার ভাষায়, “ইন্টারভিউয়ের সময় আমাকে বলল, ‘তুমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান না?’ আমি বললাম, ঠিক আছে। তার মধ্যে বিজ্ঞান তো আছে। সে রকমভাবে কিছু জেনে বুঝে আমি আমার বিষয়টা নির্বাচন করতে পারিনি আসলে।”
এভাবেই অনেকটা আকস্মিক সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন মিথিলা। পরে সেই বিষয়েই অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রথমবারের মতো সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এক বছরের মধ্যে ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে সরকারের পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদনটি জানায়, গত অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে। এ সময় সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। তবে সরকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা বেশি ঋণ গ্রহণ করেছে। এর ফলে অর্থবছরের শেষে সরকারের পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণ একটি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে যায়।
গত অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার ১ লাখ ৩১ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৭৭ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে এই খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৪২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা।
এছাড়া, বিদেশি ঋণের স্থিতিও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অপর একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত মার্চের শেষে সরকারের বিদেশি ঋণের স্থিতি ৯১ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৫ টাকা ধরে হিসাব করলে, দেশের মুদ্রায় সরকারের বিদেশি ঋণের স্থিতি ১১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। সরকারের বিদেশি ঋণের জুন পর্যন্ত সর্বশেষ হিসাব এখনো প্রকাশিত হয়নি, ফলে গত অর্থবছরের শেষে বিদেশি ঋণের স্থিতি কেমন ছিল তা জানা যায়নি।
তবে মার্চ পর্যন্ত বিদেশি ঋণের স্থিতি বিবেচনায়, সরকারের দেশি ও বিদেশি ঋণের স্থিতি প্রায় সমান। দেশি ও বিদেশি ঋণ মিলিয়ে সরকারের ওপর এখন প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে। ঋণের পরিমাণ যত বাড়ছে, ঋণের সুদের চাপও তত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেয়েদের এশিয়া কাপ ফাইনালে ট্রফি বিতর্কের প্রেক্ষাপটে সাবেক পাকিস্তানি ব্যাটার মোহাম্মদ ইউসুফ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
গত রোববার, ভারত ছেলেদের পর মেয়েদের এশিয়া কাপেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গত বছর সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলেও, ভারত মহসিন নাকভির পাকিস্তানি হওয়ার কারণে তার কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি। দুই দেশের মধ্যে চলমান শত্রুতার চিহ্ন গত মেয়েদের টুর্নামেন্টেও দেখা গেছে। হারমানপ্রীত কৌরের দলেরও একই আচরণ লক্ষ্য করা গেছে।
ফাইনাল শেষ হওয়ার পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা মাঠে আসেননি। নাকভি পুরস্কার বিতরণের মঞ্চে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর শ্রীলঙ্কাকে রানার্সআপ মেডেল ও চেক প্রদান করে মাঠ ত্যাগ করেন।
এই ঘটনার পর ইউসুফ পিসিবি ও এসিসি প্রধানের মধ্যে কোনো সমস্যা দেখছেন না। মঙ্গলবার এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে সাবেক এই ব্যাটার তার মতামত প্রকাশ করেন। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ‘ঔদ্ধত্যের’ অভিযোগ তুলেছেন।
ইউসুফ ভারতীয়দের মধ্যে বিনয়ের অভাব লক্ষ্য করেছেন। তিনি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘যখন জাতীয় গর্ব ঔদ্ধত্যে পরিণত হয়, বিজয় তখন পুরস্কার বা সম্মান এনে দেয় না। একটি দল হয়তো জিততে পারে, কিন্তু যে জাতির মাঝে বিনয় নেই, তারা পরাজিতই থেকে যায়! ট্রফি নয়, তাদের মাথা থাকে পায়ের তলায়। ভালো করেছেন মহসিন নাকভি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজস্থানের জয়পুরের একটি মন্দিরে বিয়ের পথে বাধা দূর করার উদ্দেশ্যে এবং মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার আশায় বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম ঘটেছে। মন্দিরে বিশেষভাবে প্রদান করা মেহেদি সংগ্রহের জন্য কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত সময়ের আগেই মেহেদি বিতরণ শুরু করতে হয়।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিনজারা উৎসব উপলক্ষে জয়পুরের বিখ্যাত মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে এই বিশাল ভিড় দেখা যায়।
বিশ্বাস করা হয়, যাদের বিয়েতে বিভিন্ন ধরনের বাধা রয়েছে, তারা মন্দিরে মেহেদি নিবেদন করেন। পরে সেই মেহেদি হাতে লাগিয়ে নেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এভাবে মেহেদি ব্যবহারের পর এক বছরের মধ্যে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী পাওয়া যায়।
একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জানানো হয়েছে, মাত্র তিন ঘণ্টায় প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি বিতরণ করা হয়েছে। মেহেদি সংগ্রহ করতে দিল্লি, চণ্ডীগড়সহ বিভিন্ন শহর থেকে ভক্তরা মন্দিরে আসেন। কেউ কেউ আগের রাতেই মন্দির এলাকায় পৌঁছে যান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, মন্দিরের বাইরে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড় ও দীর্ঘ সারি। ভিড়ের কারণে আশপাশের এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
মন্দির প্রাঙ্গণে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে। এ সময় মহারাষ্ট্র থেকে আসা এক নারী ভক্ত ভিড়ের মধ্যে অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একজন রসিকতা করে মন্তব্য করেন, "সালমান খান কোথায়?" আরেকজন লিখেছেন, "এত মানুষ অবিবাহিত থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশের জনসংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।"
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোয়ার ৩৭ বছর বয়সী ক্লাইড দিয়াস, যিনি উয়েফার ‘এ’ লাইসেন্সধারী, বায়ার্ন মিউনিখের একাডেমি কাঠামোয় যুক্ত হয়েছেন। তাঁর নতুন দায়িত্ব তরুণ প্রতিভাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রথম দলের জন্য প্রস্তুত করা।
ভারতীয় ফুটবলের জন্য ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ক্লাবের দরজা নতুনভাবে খুলে গেল। জার্মানির অন্যতম সফল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের একাডেমিতে যোগ দিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী ভারতীয় কোচ ক্লাইড দিয়াস। উয়েফার ‘এ’ লাইসেন্সধারী এই কোচের নতুন দায়িত্ব তরুণ ফুটবলারদের গড়ে তোলা।
দিয়াস মিউনিখের বিখ্যাত বায়ার্ন ক্যাম্পাসে কাজ করবেন। সেখানে সম্ভাবনাময় তরুণদের কারিগরি দক্ষতা উন্নত করা এবং যুব দল থেকে প্রথম দলের পর্যায়ে উত্তরণের জন্য প্রস্তুত করাই হবে তাঁর কাজের অন্যতম অংশ।
তরুণ খেলোয়াড়দের বায়ার্নের ফুটবল কাঠামোর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং তাদের সম্ভাবনাকে পরিণত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শীর্ষ ক্লাবের নিজস্ব একাডেমিতে কাজের সুযোগ ভারতীয় কোচের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।
২০১৬ সালে জার্মানিতে পাড়ি জমান দিয়াস। এরপর তিনি দেশটির যুব ফুটবলে বেশ কয়েক বছর কাজ করেছেন। ট্যালেন্টপ্রজেক্ট ও ডিএফআই বাদ আইবলিং প্রকল্পে অনূর্ধ-১৯ দলের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি মিউনিখ ফুটবল স্কুল ও কির্শহাইমারেও কাজ করেছেন।
জার্মানিতে যাওয়ার আগে, ভারতীয় গোয়ায় তরুণ ফুটবলার তৈরিতে কাজ করেছেন দিয়াস। কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার জিকোর অধীনে প্রতিভা উন্নয়নের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।
উয়েফার ‘এ’ লাইসেন্সধারী দিয়াসের বায়ার্নে যোগ দেওয়ার খবরটি ভারতীয় ফুটবল অঙ্গনে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর কোচিং কাঠামোয় ভারতীয় কোচদের কাজের সুযোগ খুব বেশি দেখা যায় না। সেই জায়গা থেকে বায়ার্নের মতো ক্লাবে তাঁর অন্তর্ভুক্তি ভারতীয় ফুটবলের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
বর্তমানে বায়ার্নের মূল দলের দায়িত্ব বেলজিয়ান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানির হাতে রয়েছে। ক্লাবটির একাডেমি দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপীয় ফুটবলের জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই কাঠামোর অংশ হয়েই এবার নতুন অধ্যায় শুরু করলেন ভারতের ক্লাইড দিয়াস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ