সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৩ পি.এম
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে। এর ফলে ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকায় পৌঁছেছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২ টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ জানান, এর আগে কয়েক দফায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ঘটেছে। যদিও সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে জনগণকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে, জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। গত মার্চে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীও এই বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছিলেন।
তারা উল্লেখ করেন, জনগণের আয় ও ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীনভাবে এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে মূল্যস্ফীতির বোঝা চাপাবে, যা জনগণকেই বহন করতে হবে। এর সরাসরি প্রভাব গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন ব্যয়, কৃষি উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে পড়বে।
এবি পার্টির নেতৃদ্বয় দাবি করেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির আগে সরকারের উচিত ছিল এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অভিঘাতের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার পুরো দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে জ্বালানি খাতে অপচয়, দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং নিম্নআয়ের জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত কমাতে সরকারকে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক অবিলম্বে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা ও প্রত্যাহার, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং জনগণের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
তারা বলেন, জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। একের পর এক মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে কোনো টেকসই অর্থনৈতিক সমাধান তৈরি করা সম্ভব নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিয়াল মাদ্রিদ গত রাতে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে পরাজিত হয়েছে। এই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জোসে মরিনিও দাবি করেছেন যে একাধিক রেফারিং সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। তিনি মনে করেন, প্রথমার্ধের দুটি সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সেই দুই ফাউলের একটি প্রিন্ট করে নিয়ে এসেছেন।
মরিনিও প্রথম যে ঘটনার উল্লেখ করেন, তা ঘটে ৩৭ মিনিটে। রিয়ালের জুড বেলিংহ্যাম এবং আতলেতিকোর ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর মধ্যে বল দখলের লড়াইয়ে সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনার জন্য বেলিংহ্যামকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়।
মরিনিও তখন রোমেরোকে বিপজ্জনক ফাউলের জন্য লাল কার্ড প্রদানের অনুরোধ করেছিলেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, রোমেরো বেলিংহ্যামের হাঁটুতে স্টাড দিয়ে আঘাত করেন। ভিএআর পর্যালোচনার পর বেলিংহ্যামের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করা হয় এবং রোমেরোকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ছিল ফেদে ভালভের্দের ওপর আতলেতিকোর কাং-ইন লির ফাউল নিয়ে। মরিনিও মনে করেন, এই ফাউলে সরাসরি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। তিনি ম্যাচ পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, "এসব সিদ্ধান্ত ইচ্ছাকৃত নয়, বরং ভুল বলেই আমি বিশ্বাস করতে চাই।"
তিনি আরও বলেন, "আমি বিশ্বাস করতে চাই এগুলো কেবলই ভুল, যেমন একজন কোচও ভুল করেন, একজন খেলোয়াড়ও ভুল করেন।"
হারলেও খেলোয়াড়দের নিবেদন নিয়ে মরিনিওর কোনো অভিযোগ নেই। বিশেষ করে প্রথমার্ধে তাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন তিনি।
মরিনিও বলেন, "দল হিসেবে আমার দলকে আমার ভালো লেগেছে। প্রথমার্ধেও তাদের আমার সত্যিই ভালো লেগেছে। দ্বিতীয়ার্ধে বল দখলে রাখা এবং আতলেতিকোর বল দখল থামানো স্বাভাবিকভাবেই খুব কঠিন ছিল। তাদের গর্ব আমার ভালো লেগেছে, তাদের দৃঢ়সংকল্প আমার ভালো লেগেছে। আমার খেলোয়াড়দের নিয়ে হতাশ না হওয়াটা আমার জন্য ভালো একটা অনুভূতি।"
ডিন হাউসেনের বহিষ্কারের প্রসঙ্গেও কথা বলেন মরিনিও। এই ঘটনার সুবাদে আতলেতিকো পেনাল্টি পায়। তবে তিনি স্বীকার করেন যে এখনো ভিএআর-এর রিপ্লে দেখা হয়নি।
এই পরাজয়ের ফলে রিয়াল মাদ্রিদ লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে। অন্যদিকে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে আতলেতিকো।
তবে মরিনিও জোর দিয়ে বলেন, মৌসুমের এখনো অনেকটা পথ বাকি রয়েছে। তিনি বলেন, "স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, বিষয়টি কীভাবে শুরু হলো তা নিয়ে নয়, বরং কীভাবে শেষ হলো সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান মা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি নিজের জৈবিক সন্তানের প্রতি আগ্রহী হলেও, প্রয়োজন হলে সন্তান দত্তক নেওয়ার বিষয়টিকে তিনি ইতিবাচকভাবে দেখছেন। সম্প্রতি মাতৃত্ব নিয়ে তার চিন্তা ও দীর্ঘদিনের ভয় সম্পর্কে তিনি কথা বলেছেন।
শ্রুতির বয়স যখন মাত্র ১৪ বছর, তখন তাকে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে মা হতে তার সমস্যা হতে পারে। কারণ, তার পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) ছিল। সেই বয়সে শোনা কথাটি তার মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। একসময় তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন, হয়তো তার জন্য মা হওয়া সহজ হবে না।
সম্প্রতি সোহা আলী খানের সঙ্গে একটি পডকাস্টে মাতৃত্ব নিয়ে আলোচনা করেন ৪০ বছর বয়সী শ্রুতি। সেখানে তিনি জানান, কৈশোরে পাওয়া সেই তথ্যের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তার মনে সন্তান ধারণের ভয় ছিল।
তবে একসময় একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলার পর তার সেই ধারণা অনেকটাই পরিবর্তিত হয়। চিকিৎসক তাকে বোঝান যে, PCOS থাকলেই যে একজন নারী মা হতে পারবেন না, এমন নয়। তিনি যখন মা হওয়ার জন্য প্রস্তুত হবেন, তখন প্রয়োজন অনুযায়ী বিষয়টি নিয়ে কাজ করা যাবে।
আরো পড়ুন
ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে ট্রোলিং, কড়া জবাব ‘প্রাক্তন’ সালমানের
চিকিৎসকের সেই পরামর্শ শ্রুতির দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। আগে তিনি মনে করতেন, বয়স ও PCOS-এর কারণে হয়তো মা হওয়ার সুযোগ তার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, বিষয়টি এতটা সরল নয়।
বর্তমানে শ্রুতি নিজের জৈবিক সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করতে চান। তবে সন্তান দত্তক নেওয়ার বিষয়েও তিনি আগ্রহী। তার কাছে মা হওয়ার অনুভূতিটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানটি তার নিজের শরীরের হতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।
একসময় ১৪ বছর বয়সে যে কথা শুনে মাতৃত্ব নিয়ে ভয় তৈরি হয়েছিল, এখন সেই বিষয়টিকে তিনি অনেক বেশি ইতিবাচকভাবে দেখছেন। ভবিষ্যতে মা হওয়ার সুযোগকে তিনি নিজের মতো করে গ্রহণ করতে চান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী এবং গভীর করার লক্ষ্যে উন্নয়ন সহযোগিতার পরিবর্তনশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সাইদা শিনইচি, যিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত।
ঢাকায় ১৭ সেপ্টেম্বর জাইকা কর্তৃক আয়োজিত ‘ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ইন এ কমপ্লেক্স গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট- পার্সপেক্টিভস অন জাপান’স ওডিএ অ্যান্ড ফিউচার পার্টনারশিপস’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী এমপি।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব ল-এর অধ্যাপক নাকানিশি হিরোশি। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার, জাইকা এবং শিক্ষাঙ্গনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনায় জাপানের বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারত্ব নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
রাষ্ট্রদূত সাইদা তার বক্তব্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর উন্নয়নে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে জাপানের ওডিএর দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপানের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, "বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে উন্নয়ন সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ও পরিবর্তনশীল ভূমিকা রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের বড় সাফল্য অনেকাংশে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের ওপর নির্ভরশীল। এই কারণে সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করছে।
তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এই বক্তব্য দেন।
সরকারি হাসপাতালের বরাদ্দ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে যে হাসপাতালগুলোতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো রোগী আসেন, সেগুলোতে বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দুই বছরের মধ্যে প্রত্যেক উপজেলায় ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন প্রদান করা হবে। দেশের চিকিৎসকদের দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, বক্ষব্যাধি হাসপাতালটি ২০০৫ সালে বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধন করেছিলেন। সেই হাসপাতালের আইসিইউ সেবা একুশ বছর পর সম্প্রসারিত হলো। নতুন ৪০টি আইসিইউ বেড যুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ