সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১৪ এম
জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণ মানুষের কাছে ‘চাঁদের মতো’—যা দূর থেকে দেখা ও শোনা গেলেও, কাছে যাওয়া সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, বিশ্বের কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই সাধারণ মানুষকে যেতে হয় না।
মনিরুল হক চৌধুরী তার প্রশ্নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক নিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণের কাছে চাঁদের মতো হয়ে যাচ্ছে—দেখা যায়, শোনা যায় কিন্তু যাওয়া যায় না।’
অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকে সাধারণ মানুষের যেতে হয় না। কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাধারণ মানুষকে যেতে হয় না। যদি যেতে হয়, তখন বুঝতে হবে দেশের অবস্থা ভালো নেই।’
রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর উত্থাপিত হয়।
এদিকে, একই অধিবেশনে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের একটি প্রশ্নের লিখিত উত্তরে রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।
চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, দেশের সরকারি ছয়টি ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে, যার পরিমাণ ৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
এছাড়া, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসিতে ২৯ হাজার ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসিতে ১৯ হাজার ২৮১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে ১৫ হাজার ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসিতে ৮ হাজার ১৩১ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসিতে (বিডিবিএল) ৮৮৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে জমে থাকা এই বিশাল অংকের খেলাপি ঋণ এবং দেশের সার্বিক ব্যাংকিং খাত নিয়ে সংসদীয় মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)।
গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে বিএমপির চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পৃথক আভিযানিক দল নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।
বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, অভিযানে ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৯ গ্রাম ভাঙা/গুঁড়া ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় চারজন, নিয়মিত ও পূর্বের মামলাসহ তিনজন, অন্যান্য আইনে একজন এবং বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে সর্বমোট ১৫ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক মাদককারবারির পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৬০ বোতল নিষিদ্ধ ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে অভিযানের সময় ওই বাড়িতে কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রামখানা ইউনিয়নের সিঙ্গিরভিটা গ্রামের মাদককারবারি মতিয়ার রহমান ওরফে মতুর পরিত্যক্ত বাড়িতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য মজুত রয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে নাগেশ্বরী থানা-পুলিশ।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নাগেশ্বরী থানা-পুলিশের একটি বিশেষ দল ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৬০ বোতল নিষিদ্ধ ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৬০ বোতল ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত মাদকের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে নাগেশ্বরী থানা-পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের এ অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
০৬-০৯-২০২৬ তারিখ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা টীম নওগাঁ সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনা কালে অভিযানিক টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পয়না বাজারে একজন ব্যাক্তি তার নিজের মল্লিক ডিজিটাল স্টুডিও ল্যাব প্রিন্ট এন্ড ফটোকপি টেলিকমের দোকানে কম্পিউটার এর মাধ্যমে জাল টাকা তৈরি করছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম বেলা ০৩.১৫ ঘটিকায় পয়না বাজারর আসামি তারিকুল ইসলাম মল্লিক ( ৩৮) পিতা আশরাফ আলী সাং পয়না বাজার থানা জেলা নওগাঁ এর মল্লিক ডিজিটাল স্টুডিও ল্যাব প্রিন্ট এন্ড ফটোকপি টেলিকম এর দোকানে অভিযান পরিচালনা করে। বাজারে উপস্থিত লোকজনের সামনে তার দেহ তল্লাশী করা হয়। তল্লাশী কালে আসামি তারিকুল ইসলাম মল্লিক এর হেফাজত হতে এক হাজার টাকার নোটের সাতচল্লিশ টা জাল (৪৭ হাজার জাল নোট) টাকার নোট উদ্ধার করা হয়।
এ সময় তার কম্পিউটারের মনিটর একটা দুই টা সিপিইউ, একটা কালার প্রিন্টার, একটা স্ক্যানার জব্দ করা হয়। তার কম্পিউটারের মধ্যে জাল নোট তৈরির তথ্য পাওয়া যায়। এবিষয়ে আসামির বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ছয়টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং আস্থা ঋণদান ও সমবায় সমিতি লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী বিশ্বজিৎ হালদার খোকনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আস্থা সমবায় সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল বিমানবন্দর থানা এলাকার কলারটিমা-কাশিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে জানিয়েছেন নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান।
গ্রেপ্তার বিশ্বজিৎ হালদার খোকন নেছারাবাদ উপজেলার গণপতিকাঠি গ্রামের বিমল চন্দ্র হালদারের ছেলে। তিনি আস্থা ঋণদান ও সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে একটি সমিতির মালিক বলে জানা গেছে। সমিতিটিতে প্রায় দুই হাজার সদস্যের প্রায় ৩০ কোটি টাকা আমানত হিসেবে জমা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, বিশ্বজিৎ হালদার খোকনের বিরুদ্ধে সিআর মামলাসহ মোট ছয়টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত এবং একটি মামলায় সাধারণ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন খোকন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নেছারাবাদ থানা পুলিশের একটি দল বরিশাল বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালায়। এএসআই মো. রিয়াদ হাসান ও এএসআই মো. শাওনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান বলেন, বিশ্বজিৎ হালদার খোকনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পরোয়ানা জারির পর তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সকালে (৭ সেপ্টেম্বর) তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ