শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৬ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘এসিআই মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি কম্পিটিশন ২০২৬’-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের দল ‘টিম চুয়েট সি’। এই প্রতিযোগিতার সামগ্রিক বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিভাগে দ্বিতীয় স্থানও লাভ করেছে দলটি।
বাংলাদেশের আরেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) দলও একই প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান দখল করেছে। পাশাপাশি আইইউটির দল পরিবেশগত নকশা বিভাগ এবং ‘এস্থেটিকস ইন কংক্রিট’ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। দুই দলের সম্মিলিত অর্জন চারটি পুরস্কার।
আমেরিকান কংক্রিট ইনস্টিটিউটের (এসিআই) আয়োজনে গত ১১ থেকে ১৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের জমা দেয়া প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর নির্বাচিত ৪০টি দল চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করে।
চুয়েটের দলটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও এসিআই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার-চুয়েটের অনুষদ উপদেষ্টা ড. জি এম সাদিকুল ইসলাম। অন্যদিকে, আইইউটি থেকে অংশ নেয়া দলের পরামর্শক হিসেবে ছিলেন এসিআই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক উদ্দিন।
মূল পর্বে চুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করেন খন্দকার ফাহাদ আলম, স্বরূপ চন্দ্র মোদক, তানজিম মুশাররাত তুশিন ও সুমাইয়া বিনতে মান্নান। আইইউটি থেকে অংশ নেয়া দলের প্রতিনিধিত্ব করেন আরিনা তাহরিনা আমিন, রাজিত মুহাম্মদ চৌধুরী, জাসিয়া জুবায়ের, লামিয়া তাবাসসুম, রাগীব শাহরিয়ার, মো. হুমায়েদ তাহসিন হক, মো. মাহাদী হাসান নিলয় এবং মো. জুবায়ের আনজুম।
চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য স্বরূপ চন্দ্র মোদক তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলে বোঝা যায়, আমাদের সামর্থ্য কতটা। আমরা যে অনেক কিছু করতে সক্ষম, তা এখানে এসে নতুন করে উপলব্ধি করেছি। তবে দুঃখের বিষয়, সব সময় আমরা যথেষ্ট সুযোগ পাই না। যদি পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পাই তাহলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তেই নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারবো।”
দলটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম সাদিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, “২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমাদের এসিআই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার-চুয়েট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়সহ বিভিন্ন স্থানে মোট ছয়টি পুরস্কার অর্জন করেছে। তবে সেগুলোর সবই ছিল অনলাইনভিত্তিক প্রতিযোগিতায়। গত বছর মালয়েশিয়ায় আমাদের দল চতুর্থ স্থান অর্জন করে, সেটি ছিল সশরীরে অংশগ্রহণ। আমেরিকার মাটিতে সশরীরে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো করবে, এটি ছিল আমাদের অনেক দিনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন নিয়েই দলটি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিল। এখন তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এটি শুধু আমাদের জন্য নয়, চুয়েট ও সারা বাংলাদেশের জন্য গৌরবের।”
জানা যায়, প্রতিযোগিতায় মর্টারের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য মূল্যায়ন করা হয়। এর মধ্যে প্রবাহক্ষমতা ও স্থিতিশীলতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। মোট নম্বরের ৫০ শতাংশ নির্ধারিত ছিল প্রবাহক্ষমতার জন্য এবং ২০ শতাংশ স্থিতিশীলতার জন্য। এছাড়া কার্বন নিঃসরণের পরিমাণের জন্য ১০ শতাংশ, অর্থনৈতিক সাশ্রয়িতার জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবেদনের মানের জন্য বাকি ১৫ শতাংশ নম্বর বরাদ্দ ছিল।
উল্লেখ্য, আমেরিকান কংক্রিট ইনস্টিটিউট (এসিআই) কংক্রিট নির্মাণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানদণ্ড, কোড ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রণয়ন এবং প্রচারে কাজ করে। সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রকৌশলী, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে এবং কংক্রিট প্রযুক্তির উন্নয়নে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম আয়োজন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে জাদিমুরা এলাকায় নাফ নদী থেকে পুলিশ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা সংলগ্ন নাফ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহতের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সকাল ছয়টার দিকে নাফ নদীতে নৌকার মধ্যে গুলিবিদ্ধ মরদেহটি দেখতে পান।
পরে নৌকা থেকে মরদেহটি তীরে এনে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
গ্রাম পুলিশ সদস্য আবদুল আমিন জানান, নিহত ব্যক্তির চোখের ওপরের অংশে গুলির আঘাত রয়েছে।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তবে এখনও তার পরিচয় জানা যায়নি।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কারা এবং কী কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে, সেই সম্পর্কে পুলিশের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে এসব এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের জন্য সম্ভাব্য জায়গা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনাবাহিনী, বন বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যাম্প স্থাপনের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম, বন বিভাগের কর্মকর্তারা, টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসাইন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা আলাউদ্দিন, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী, বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রস্তাবিত ক্যাম্প স্থাপনের জায়গার ভৌগোলিক অবস্থান, যাতায়াত ব্যবস্থা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে অবহিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, টেকনাফের সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা জোরদার এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সীমান্তবর্তী টেকনাফে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির রাজাপুরে ১১ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পুলিশ মো. আনিচ হাওলাদার (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে শিশুটির বাবা রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতার হওয়া আনিচ হাওলাদার উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব আঙ্গারিয়া এলাকার মৃত মোক্তার আলী হাওলাদারের পুত্র।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, শিশুটির মা প্রবাসে থাকায় সে তার নানা বাড়িতে বসবাস করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির পরিবারের পরিচিত হওয়ায়, পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে তার কাছে যাওয়ার সুযোগ পেতেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৬ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পূর্ব আঙ্গারিয়া এলাকায় একটি কলাবাগানের পাশে শিশুটিকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটে। এছাড়া, গত ১১ অক্টোবর বেলা ৩টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির দোকানে নিয়ে শিশুটির সঙ্গে একই ধরনের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনার সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস জানিয়েছেন, অভিযুক্ত আনিচ হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শুক্রবার দুপুরে তাকে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা মহানগরী শাখা কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতির পর্যালোচনা শেষে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সংগঠন ও ইমারাত বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে, ঘটনার তদন্তের জন্য একটি দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দলটি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবারের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরী শাখা কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার পর্যালোচনা করতে ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে দলের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে এবং ৬৩ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়া, এখন থেকে কেন্দ্রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন পরিচালিত হবে এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম এই সংগঠনের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ১৪ অক্টোবরের ঘটনার তদন্তের জন্য একটি দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন: সংগঠনের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমিরে জামায়াতের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ চূড়ান্ত ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ