০৪:৩১ পি.এম
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া ২৫ কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৩ দিনে কুমিল্লা কারাগার থেকে মোট ২৭ জন কিশোরকে সেখানে পাঠানো হয়েছে, যাদের মধ্যে অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিও রয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান কালের কণ্ঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শাহ আলম খান জানান, রবিবার সকালে দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিসহ পর্যায়ক্রমে আরও ২৫ কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: মুসলিম বনাম মুসলিম যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে! হাসছে মার্কিন-ইসরাইল
জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) গভীর রাত পর্যন্ত ৫ দফায় ২ হাজার ৪২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মাদক ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮৩৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে এক হাজার ২০৯ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।
এদিকে, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, চলমান অভিযানের ফলে কারাগারে বন্দির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। দেড় হাজার বন্দির ধারণক্ষমতার কারাগারটিতে রবিবার সকালে বন্দির সংখ্যা ৩ হাজার ৫০০ জনে পৌঁছেছে। ফলে প্রচণ্ড গরমে বন্দিরা গাদাগাদি করে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লার সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান মন্তব্য করেন, "কষ্ট করে হলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে।" তিনি জানান, কারাগারে চারটি নতুন বহুতল ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। ভবনগুলো চালু হলে বন্দিদের থাকার সমস্যা সমাধান হবে।
এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ড. নাহিদা বেগমের ছেলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে গত ২১ সেপ্টেম্বর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: জাপান ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন