ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৪:৪৫ পি.এম
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (ইগএঞঅ) পিরোজপুর জেলা শাখার কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিএমজিটিএ এর কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক টি এম মনোয়ার হোসেন পলাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএমজিটিএ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. শান্ত ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএমজিটিএ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান লোটাস, যুগ্ম মহাসচিব মো. মাসুদ পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোশতাক আহমেদ এবং নির্বাহী সদস্য মো. ওহিদুল ইসলাম।
সভা সঞ্চালনা করেন পিরোজপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব মো. মিজানুর রহমান।
এ সময় বক্তব্য দেন বিএমজিটিএ পিরোজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন, ভাণ্ডারিয়া শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক বশীর উদ্দিন, শিক্ষক সাব্বির আহমেদ, প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী অধ্যাপক নাদিরা পারভীন ও সহকারী শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিকসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন, মাদ্রাসা শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনা সভা শেষে পিরোজপুর জেলা শাখার ৫১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক টি এম মনোয়ার হোসেন পলাশকে সভাপতি এবং মঠবাড়ীয়া আব্দুল ওহাব মহিলা আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ইব্রাহিম, সহ-সভাপতি মো. বশীর উদ্দিন, মহিলা সহ-সভাপতি খন্দকার নাদিরা পারভীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম রিয়াজ মাহমুদ মিঠু এবং মো. সাব্বির হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় মুম্বাই শহরেও চলছে প্রতিবাদ। তবে, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
গতকাল শুক্রবার শহরের শিবাজি পার্কে এই ঘটনা ঘটে। হৃদরোগে আক্রান্ত হন গোপালকৃষ্ণ সুব্বাইয়া পিল্লাই নামের ওই ব্যক্তি। এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, ৭৫ বছর বয়সী গোপালকৃষ্ণ মুম্বাইয়ের পাশ্ববর্তী থানে জেলার বাসিন্দা ছিলেন।
শিবাজি পার্ক থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপালকৃষ্ণ সিজেপির বিক্ষোভে অংশ নিতে সেখানে উপস্থিত হন। ৫টার দিকে তার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
বিকেল ৪টার দিকে প্রখর রোদে সিজেপির এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। পুলিশের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও এই বিখ্যাত মাঠের আশপাশে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার নিকটবর্তী একটি কারাগারে কয়েদিদের বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযানের মাধ্যমে ভিআইপি বন্দিদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), বড় পর্দার টেলিভিশন এবং সুইমিং পুলসহ অ্যাপার্টমেন্ট-ধাঁচের এলাকা খুঁজে পায়। এই ঘটনার পর পাঁচজন কারাগার কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার সরকারি তদারকি সংস্থা ওম্বুডসম্যানের পক্ষ থেকে ‘সিবিনং ক্লাস টুএ’ কারাগারে এই আকস্মিক পরিদর্শন চালানো হয়। সেখানে অস্বাভাবিক বিলাসিতার বিষয়টি প্রকাশ পায়। খবরটি সামা টিভির মাধ্যমে জানা যায়।
এ ঘটনার ফলে ধনী বা প্রভাবশালী বন্দিদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে জনমনে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
জাকার্তার বাইরে অবস্থিত চার হেক্টর আয়তনের এই কারাগারটি মাঝারি থেকে উচ্চ-নিরাপত্তা ব্যবস্থার কেন্দ্র, যেখানে ‘হোয়াইট-কলার ক্রাইম’ বা দাপ্তরিক ও আর্থিক জালিয়াতিসহ গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের রাখা হয়।
ওম্বুডসম্যানের দলটি সাংবাদিকদের নিয়ে সেখানে পৌঁছালে তারা কাঠের বেড়া দিয়ে ঘেরা একটি এলাকা দেখতে পান। প্রথমে কারারক্ষীরা পরিদর্শকদের ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
কারাগার প্রধানের বাসভবনের পেছনে বেড়া-ঘেরা ওই এলাকায় অন্তত ১০টি আবাসিক ইউনিট পাওয়া যায়; যেখানে এসি, সোফা, রেফ্রিজারেটর, খাবার জায়গা এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি সরঞ্জাম ছিল।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা সেখানে টয়োটা আলফার্ড ও টয়োটা ফরচুনার মতো দামি গাড়িও খুঁজে পান। এছাড়া ওই চত্বরের ভেতরে একটি সুইমিং পুল, জিম এবং নির্মাণাধীন একটি গলফ সিমুলেটরও পাওয়া গেছে।
তদন্তকারীরা কাছের একটি বাঁশঝাড় ও আবর্জনা ফেলার জায়গার মধ্য দিয়ে পেছনের দিকে একটি গোপন পথ খুঁজে পান। ওই পথটি সরকারি তল্লাশি চৌকিগুলো এড়িয়ে ওই চত্বরে প্রবেশ বা বের হওয়ার জন্য ব্যবহার করা হতো।
ইন্দোনেশিয়ার ওম্বুডসম্যান অফিসের সদস্য সাফ্রিয়াদা রাচমাওয়াতি রাসাহান বলেন, "কিছু বন্দি এমন বিশেষ সুবিধা ভোগ করছিলেন যা সাধারণ বন্দিদের জন্য উপলব্ধ নয়।" আবাসিক চত্বরের ভেতরে বন্দিদের পাওয়া গেছে। সেখানকার আবাসন ব্যবস্থা সাধারণ কারাগারের কক্ষের মতো নয়, বরং বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা ভিলার মতো ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বাজারে মাল্টা, খেজুরসহ আমদানিনির্ভর অন্যান্য ফলের সরবরাহ বৃদ্ধি করে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমদানিকারকদের দ্রুত ঋণপত্র খুলে আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ফলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত ও বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, খেজুর আমদানিতে শুল্ক-কর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই জানানো হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চান, আমদানি মূল্য, শুল্ক-কর ও অন্যান্য ব্যয় বিবেচনার পরও খুচরা বাজারে প্রতিকেজি মাল্টার দাম কীভাবে ৫২০ টাকায় পৌঁছেছে।
মন্ত্রী বলেন, অস্বাভাবিক দামে মাল্টা বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ দেওয়া হবে না।
সভায় ব্যবসায়ীরা মাল্টার বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে সরবরাহের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন। তাদের মতে, কোনো কোনো সপ্তাহে দেশে মাত্র ১২ থেকে ২৯ কনটেইনার মাল্টা এসেছে, অথচ স্বাভাবিক চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন প্রায় ১৫ কনটেইনার মাল্টার প্রয়োজন হয়।
আমদানিকারকেরা জানান, উচ্চশুল্ক, পরিবহন ব্যয়, জাহাজ ও বন্দরের জটিলতা এবং আগের চালানে লোকসানের কারণে অনেক ব্যবসায়ী মাল্টা আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন। পচনশীল পণ্য হওয়ায় পরিবহন ও সংরক্ষণ পর্যায়ে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করা হয়।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্য শুনে বাণিজ্যমন্ত্রী মাল্টার শুল্ক-সংক্রান্ত বিষয়টি পর্যালোচনার আশ্বাস দেন। তিনি বিকল্প উৎস থেকে আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত এলসি খুলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর তাগিদ দেন।
এছাড়াও, আসন্ন চাহিদা বিবেচনায় ব্যবসায়ীদের এখন থেকেই খেজুর আমদানির প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, খেজুরের শুল্কের বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই সরকারের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
সভায় ব্যবসায়ীরা বিকল্প উৎস থেকে মাল্টাসহ বিভিন্ন বিদেশি ফলের আমদানি বাড়ানোর আশ্বাস দেন। সরকারের পক্ষ থেকেও শুল্ক-কর, শুল্কায়ন ও আমদানিপ্রক্রিয়ায় যৌক্তিক সমস্যাগুলো পর্যালোচনার কথা জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র মদিনা মুনাওয়ারায় মসজিদে নববী (সা.)-কে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে ড্রোন হামলার অভিযোগে গভীর ক্ষোভ, তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ এবং যেকোনো অপতৎপরতা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.)।
এক প্রতিবাদবাণীতে তিনি বলেন- মসজিদে নববী (সা.)-এর সেবাদানকারী একটি বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। যে উদ্দেশ্যেই এ ধরনের হামলা সংঘটিত হয়ে থাকুক, পবিত্র মদিনার নিরাপত্তা এবং মসজিদে নববীর সেবাব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলার যেকোনো প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। হারামাইন শরীফাইনের পবিত্রতা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে মুসলমানদের আবেগ-অনুভূতির সঙ্গে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া যাবে না।
সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেন বিষয়ক জোটের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর ভোরে মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে ড্রোন হামলা হয়। ওই কেন্দ্রটি মসজিদে নববী (সা.)-এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। জোটের দাবি, তদন্ত ও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষার ভিত্তিতে হামলায় হুথি মিলিশিয়ার সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়েছে।
ছারছীনার পীর ছাহেব আরও বলেন, “পবিত্র মক্কা ও মদিনা মুনাওয়ারার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যে কোনো প্রচেষ্টা গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। এখানে কোনো যুদ্ধ, রাজনৈতিক সংঘাত কিংবা প্রতিহিংসার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে না। এ ধরনের দুঃসাহস, অপতৎপরতা বা উসকানি মুসলিম উম্মাহ কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। হারামাইন শরীফাইনের প্রতি সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়; এটি বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ের দাবি।
তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেন, “পবিত্র স্থানসমূহকে সংঘাতের রাজনীতি ও সামরিক কর্মকাণ্ডের আওতায় আনার অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। মক্কা-মদিনার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, উসকানি কিংবা দুঃসাহসের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে।
তিনি সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মদীনা মুনাওয়ারার নিরাপত্তা ও পবিত্রতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহ, ওলামায়ে কেরাম এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ