ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, এই সুরক্ষিত এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা উচিত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে, জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনের সময়, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান এবং বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। তিনি সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ওপর নজর রাখেন।

আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ওপর গুরুত্ব

জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য এবং পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী মাঠ ও বাগানের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবুজায়ন এবং বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

এছাড়া, সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের এলাকায় যেসব স্থানে সংস্কার প্রয়োজন, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন।

জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রেখে প্লাজা এবং এর সংলগ্ন এলাকার নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দেন।

আরও পড়ুন: বিরোধীদল ‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান এমপি ফাহমিদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ এম


সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান এমপি ফাহমিদার

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বন্ধন অটুট রাখতে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক। তিনি সতর্ক করেন যে, কোনো পরিস্থিতিতে সুযোগসন্ধানীরা যেন সামাজিক এই সম্প্রীতির বন্ধন ধূলিসাৎ করতে না পারে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় খুলনার পাইকগাছা উপজেলা মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

এদিন উপজেলার ১৫১টি শারদীয় দুর্গাপূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে সরকারি বরাদ্দের ডিও লেটার তুলে দেওয়া হয়। এর আওতায় প্রতিটি মন্দিরকে ৭ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়।

এছাড়াও সাংসদ ফাহমিদা হক তার নিজস্ব তহবিল থেকে ৪৭টি পূজামণ্ডপে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন।

উপজেলা এসএফডিএফ কর্মকর্তা জি এম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পূজা উদযাপনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএসএম বন্ধ হচ্ছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ এম


শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএসএম বন্ধ হচ্ছে না

অবশেষে শেয়ারবাজারের বিশেষায়িত জাতীয় বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ একাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেটের (বিএএসএম) বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পরিচালনা পর্ষদ। ফলে আপাতত বন্ধ হচ্ছে বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। এর আগে বিএএসএমের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরবর্তী সময়ে পরিচালনা পর্ষদ বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির খরচ কমাতে দিলকুশার জীবন বীমা ভবন থেকে এর কার্যক্রম মতিঝিলের ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) ভবনের ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ) কার্যালয়ে যাবে। বর্তমানে প্রতি মাসে অফিস ভাড়া এবং সার্ভিস চার্জসহ আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। তবে বিএএসএমের অফিস সিএমএসএফ কার্যালয়ে গেলে এ খরচ বাঁচবে। আগামী বছরের ১ জানুয়ারিতে অফিস স্থানান্তরের কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মো. শফিউল আযম আমার দেশকে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘বিনিয়োগ শিক্ষামালা গেজেট’-এর অধীনে একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএএসএমের ভূমিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি গেজেটে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিলুপ্ত করার কোনো উদ্দেশ্য বা আইনি কাঠামো রাখা হয়নি; বরং দেশের অর্থনৈতিক ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে এটিকে স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছিল। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নীতিগত উদ্দেশ্য যেমন দেশব্যাপী বিনিয়োগ শিক্ষা, আর্থিক সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গতিশীল রাখতে বিএএসএম ‘নিবেদিত বাস্তবায়নকারী শাখা’ হিসেবে কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনেক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও দ্রুত সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি অন্য কোনো সাধারণ বা একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়মিত বা ব্যাপক পরিসরে বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত দুরূহ। এই বাস্তব প্রয়োজন থেকেই কম প্রশাসনিক জটিলতায় এবং অধিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বিএএসএমকে গড়ে তোলা হয়েছিল। যদিও পুঁজিবাজারে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট’ (বিআইসিএম) একটি স্বতন্ত্র গবেষণা ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে, তবে বিএএসএম সুনির্দিষ্টভাবে কমিশনের নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে বিএএসএম পুঁজিবাজারের বিভিন্ন অংশীজনসহ প্রায় ৮ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারীকে পেশাগত ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত কর্মসূচিতে যুক্ত রয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী; ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারের কর্মকর্তারা। এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালক, সিএফও, কোম্পানি সেক্রেটারি ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বাজারে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে শতাধিক কর্মশালা, সেমিনার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে।

জানা গেছে, এক বছর ধরে বিএএসএমে কোনো নিয়মিত মহাপরিচালক নেই। সূত্র জানায়, বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সময় থেকেই প্রতিষ্ঠানটির ওপর নানামুখী চাপ তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পরিবর্তে টিকটক কনটেন্ট বানানোর ওপর জোর দিয়েছিলেন। ফলে দেশব্যাপী বিনিয়োগ সচেতনতা তৈরির মূল উদ্দেশ্য থেকে বিএএসএম বিচ্যুত হয়ে পড়ে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্বের উন্নত ও উদীয়মান প্রায় প্রতিটি পুঁজিবাজারেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে এমন বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান কার্যকর রয়েছে। তাই সাময়িক কোনো প্রশাসনিক বা আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে অসিলা করে এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা সমীচীন হবে না। পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করতে বিএএসএমের প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক সক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিএএসএমের ওয়েবসাইটে দেওয়া বাণীতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাসুদ খান পুঁজিবাজারের স্থায়িত্ব এবং দেশব্যাপী আর্থিক সাক্ষরতা প্রসারে এই প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে উল্লেখ করে বলেন, ‘অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সুফল সমাজের বৃহত্তর অংশের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হলে দেশব্যাপী আর্থিক সাক্ষরতা নিশ্চিত করা জরুরি। আর সারা দেশে এই আর্থিক সাক্ষরতা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই বিএএসএম গঠন করা হয়েছে, যা সরকারের ‘দেশব্যাপী আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি’ অর্জনের পথে একটি বড় পদক্ষেপ।’

বিএএসএমের মহাপরিচালক ও বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক কামরুল আনাম খান আমার দেশকে বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বিএএসএমের কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত নিজস্ব ফান্ড থেকেই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইফুল হক: বন্দরের লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ এম


সাইফুল হক: বন্দরের লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ দেশের লাভজনক ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা বিদেশি কোম্পানির কাছে লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে 'আত্মঘাতী ও অদূরদর্শী' বলে উল্লেখ করেছে। দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক দাবি করেছেন, স্পর্শকাতর জাতীয় সম্পদ নিয়ে এমন পদক্ষেপ গ্রহণের আগে জনগণের মতামত ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করা অপরিহার্য।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল বন্দর লিজের পদক্ষেপ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাজার সিন্ডিকেট, অনিয়ম ও জননিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদ করা।

সমাবেশে সাইফুল হক মন্তব্য করেন, ‘জাতীয় অর্থনীতির অতিসংবেদনশীল কন্টেইনার টার্মিনাল অস্বচ্ছ ও অযৌক্তিকভাবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার পেছনে গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যাখ্যা সরকার দিতে পারেনি। বিনিয়োগ ও আর্থিক লাভের যে হিসাব দেওয়া হচ্ছে, তা তথ্যভিত্তিক নয়।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘মাথাব্যথার জন্য আমরা নিশ্চয়ই মাথা কেটে ফেলতে পারি না। বন্দরের ব্যবস্থাপনা গতিশীল করার সুযোগ রয়েছে এবং তা নিজেদের ব্যবস্থাপনায়ই করা সম্ভব।’

দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাইফুল হক আরও বলেন, বাজার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমন করতে হবে। তিনি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশি শ্রমিক প্রেরণে উদ্যোগী হওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে সমাবেশে রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খানসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব উপেক্ষা করে বন্দর বা কোনো কৌশলগত স্থাপনা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে বামপন্থী ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে সেগুনবাগিচায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল-জাজিরার সাংবাদিকদের ডিভাইসে নজরদারির সফটওয়্যার ইনস্টল করেছে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ এম


আল-জাজিরার সাংবাদিকদের ডিভাইসে নজরদারির সফটওয়্যার ইনস্টল করেছে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান

ইসরাইলি বিজ্ঞাপনপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডিসকভার-টেকের সহযোগিতায় আল-জাজিরা এবং অন্যান্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত অসংখ্য ডিভাইসে গোপনে নজরদারি চালানোর জন্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটি ডিভাইসে থাকা ব্যক্তিগত নথি, ই-মেইল, বার্তা এবং ব্রাউজারের তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ব্যবহারকারীর অজান্তে মাইক্রোফোন ও ওয়েবক্যামের মাধ্যমেও তথ্য নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব ডিভাইসে এই সফটওয়্যারটি প্রবেশ করানো হয়েছে, যেখানে ব্যবহারকারীদের কোনো লিংকে ক্লিক করার প্রয়োজন হয়নি।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো জানানো হয়েছে, যা টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সিটিজেন ল্যাব দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।

আল-জাজিরার নিজস্ব তদন্তের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান পরিচালিত হয়েছে। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ইসরাইলি নজরদারি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যান্ডিরুর তৈরি ক্ষতিকর সফটওয়্যার আক্রান্ত ডিভাইসগুলোতে ইনস্টল করা হয়েছিল। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ক্যান্ডিরুকে ক্ষতিকর সাইবার কার্যক্রমের অভিযোগে কালো তালিকাভুক্ত করে।

আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তাদের কয়েকজন কর্মীর ওপর এই ধরনের নজরদারি হামলার নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে কর্মী ও প্রযুক্তিব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত। এ ঘটনার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

সিটিজেন ল্যাবের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিসকভার-টেক নজরদারির সফটওয়্যারযুক্ত বিজ্ঞাপন কিনেছিল। পরে সেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ক্যান্ডিরুর তৈরি ক্ষতিকর সফটওয়্যার ডিভাইসগুলোতে প্রবেশ করানো হয়। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লক্ষ্যভিত্তিক হামলার এটি প্রথম শনাক্ত হওয়া ঘটনা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পদ্ধতিকে ‘জিরো-ক্লিক’ হামলা বলা হয়, যেখানে ব্যবহারকারীকে কোনো লিংকে ক্লিক করতে বা ফাইল ডাউনলোড করতে হয় না। আক্রান্ত বিজ্ঞাপনটি ডিভাইসে প্রদর্শিত হলেই সেটিতে ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রবেশ করতে পারে।

এই সফটওয়্যারটি ডিভাইসে থাকা বিভিন্ন ধরনের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। এর মধ্যে রয়েছে ফাইল, নথিপত্র, ব্রাউজারের কুকি, বুকমার্ক এবং সংরক্ষিত প্রবেশসংক্রান্ত তথ্য। ব্যবহারকারী কিবোর্ডে কী লিখছেন, তা রেকর্ড করা, পর্দার ছবি তোলা এবং মাইক্রোফোন ও ওয়েবক্যামের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করাও সম্ভব। জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যমে থাকা ই-মেইল ও বার্তাও হাতিয়ে নিতে পারে সফটওয়্যারটি।

নজরদারির বিষয়টি যাতে সহজে ধরা না পড়ে, সেজন্য সফটওয়্যারটি এনক্রিপ্ট করা যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে। সংগৃহীত তথ্য ছোট ছোট অংশে ভাগ করে বিভিন্ন সময়ে পাঠানো হয়, যা নিরাপত্তাব্যবস্থার নজর এড়িয়ে তথ্য পাচার করা সহজ করে। ব্যবহৃত নির্দিষ্ট নজরদারি প্রযুক্তিটির দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যান্ডিরুর মতো প্রতিষ্ঠানের তৈরি প্রযুক্তি এবং সেগুলোর গ্রাহকেরা আধুনিক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার জটিল কৌশল ব্যবহার করছে। আল-জাজিরার সাংবাদিকদের পাশাপাশি আরও বহু মানুষের ডিভাইস এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। তাদের মধ্যে স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রতিবেদন করা কয়েকজন সাংবাদিকও রয়েছেন।

আল-জাজিরার নিজস্ব প্রযুক্তি দল ২০২৪ সালে প্রথম কয়েকজন সাংবাদিকের ব্যবহৃত ডিভাইসে অস্বাভাবিক কার্যক্রম শনাক্ত করে। ২০২৫ সালেও এ ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকে। এসব ঘটনার পেছনে নজরদারির সফটওয়্যার থাকার সন্দেহ থেকে বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিটিজেন ল্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করে আল-জাজিরা।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিটিজেন ল্যাব জানায়, হামলার সময় আল-জাজিরার সংগ্রহ করা নেটওয়ার্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে হামলাটি কীভাবে চালানো হয়েছিল, তার একটি স্পষ্ট সময়ভিত্তিক চিত্র পাওয়া গেছে।

আল-জাজিরা বলেছে, সিটিজেন ল্যাবের সঙ্গে সহযোগিতার ফলে হামলাগুলো যাচাই করা এবং সেগুলো সম্পর্কে জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে।

এদিকে নিউইয়র্কভিত্তিক বিজ্ঞাপন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান কনফিয়্যান্টের পৃথক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসকভার-টেকের কিছু বিজ্ঞাপন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কেও দেখা গেছে।

ক্যান্ডিরুর তৈরি নজরদারির সফটওয়্যার এর আগেও বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক, ভিন্নমতাবলম্বী এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের ওপর নজরদারিতে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের নজরদারির শিকার হয়েছেন অন্তত ১০০ জন।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%