ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিশ্রুতি: মাহদী আমিন


পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিশ্রুতি: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গঠন করবে যেখানে উন্নয়নের নামে পরিবেশ ধ্বংস করা হবে না।

তিনি রোববার (১ নভেম্বর) ব্লাক কার্বন-জলবায়ু দূষণ বিষয়ক সংলাপে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, সরকার এমন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করতে চায় যা পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন: পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সরকার জলবায়ু বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করবে। পরিবেশ নিয়ে ভালো গবেষণা আইডিয়া বা স্টার্টআপ থাকলে সরকার তাতে অর্থায়ন করতে আগ্রহী।

এ সময় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, পরিবেশ রক্ষায় পোড়া ইটের ব্যবহার কমাতে কংক্রিটের ইটের দাম কমানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীর ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


কাউখালীর ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন আর নেই

 

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাসেরকাঠি গ্রামের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি দাসেরকাঠি গ্রামের মৃত সৈজদিনের ছেলে।
রবিবার (১ নভেম্বর) আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশুতোষ বড়াল। মরহুমের ভাগিনা রাকিব উদ্দিন পাভেল জানান, তাঁর মামা কিছুদিন ধরে অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জনপ্রতিনিধি জাকির হোসেনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবীর এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দীন মোহাম্মদসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাকি আদালতের রায়ে আইএসআইএস-এ যোগদানের দায়ে ৭ ফরাসি নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


ইরাকি আদালতের রায়ে আইএসআইএস-এ যোগদানের দায়ে ৭ ফরাসি নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড

জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস/আইএসআইএস)-এর সদস্যপদ গ্রহণের অভিযোগে এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার দায়ে সাতজন ফরাসি নাগরিককে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড প্রদান করেছে ইরাকের একটি আদালত। বাগদাদের কারখ ফৌজদারি আদালত গত ২৭ অক্টোবর এ ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (যা ইরাকি আইন অনুযায়ী ২০ বছর কারাদণ্ডের সমতুল্য) এবং সপ্তম আসামিকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত ফরাসি নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন লাখদার সেবুয়াই, আদেল বু আউন, আনাস আব্দুল রহমান, জিয়াদ আহমদ, মেহদি সিদা এবং বেঞ্জামিন ভ্যান হ্যান (যাবজ্জীবন) এবং ২৪ বছর বয়সী আমজা বেনাবেদ (১৫ বছর কারাদণ্ড)। আদালত তাদেরকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত করে জানায়, তারা ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, ইরাক ও সিরিয়াকে অস্থিতিশীল করা এবং অন্যান্য দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দেয়ার সাথে সরাসরি জড়িত ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে :

ইরাকের সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী, জঙ্গি সংগঠনের সদস্য হলে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে বিচারক আসামিদের কম বয়সের বিষয়টি বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এই সাজাপ্রাপ্তরা সিরিয়ার কুর্দিশ ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি থাকা ৪৭ জন ফরাসি নাগরিকের একটি বড় দলের অংশ ছিলেন, যাদের গত বছর বিচারের জন্য মার্কিন ও ইরাকি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে ইরাকে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

রায় ঘোষণার সময় ফরাসি দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আসামিরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিন সময় পাবেন।

২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে আইএসআইএস তাদের খেলাফত ঘোষণা করার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার বিদেশি নাগরিক এ জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দেয়। ২০১৯ সালে তাদের আঞ্চলিক পতনের পর থেকে হাজার হাজার বিদেশি জঙ্গি ইরাক ও সিরিয়ার বিভিন্ন কারাগারে বন্দি রয়েছে, যাদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে দীর্ঘ আইনি ও কূটনৈতিক জটিলতা চলছে।

ফ্রান্সের কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া

ইরাকের বাগদাদ আদালতে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস)-এর সদস্যপদ গ্রহণের দায়ে সাত ফরাসি নাগরিককে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড দেওয়ার পর ফরাসি সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়েছে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারা ইরাকের এ আইনি রায়কে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ইরাকের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করছে।

ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কূটনৈতিক প্রতিনিধি এক লিখিত বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি যে ফরাসি নাগরিকদের বিরুদ্ধে যেসব সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, ইরাকের দণ্ডবিধি অনুযায়ী তাদের এ সাজা (যাবজ্জীবন ও ১৫ বছরের কারাদণ্ড) সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। ফ্রান্স সাধারণত অন্য কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো মন্তব্য করে না এবং চলমান আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার হস্তক্ষেপও করে না’।

কূটনৈতিক সূত্র থেকে ফ্রান্স সরকারের অবস্থান এবং তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ : ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, বাগদাদে অনুষ্ঠিত এ বিচার প্রক্রিয়ার পুরো সময় জুড়েই ফরাসি দূতাবাসের প্রতিনিধিরা নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ফরাসি সরকারের মূল্যায়ন অনুযায়ী, শুনানিতে আসামিদের তাদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ এবং নথিপত্র স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল।

ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, বন্দিরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী আইনজীবী নিয়োগের পূর্ণ অধিকার পেয়েছিলেন, যার মধ্যে ফরাসি আইনজীবীদেরও ইরাকি বার অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় ডিফেন্স দেয়ার সুযোগ ছিল। পাশাপাশি শুনানির পুরোটা সময় ফরাসি নাগরিকদের জন্য অনুবাদকের (দোভাষী) ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছিল।

ফ্রান্স যেহেতু বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ডের ঘোর বিরোধী, তাই তাদের নাগরিকদের এ যাত্রায় মৃত্যুদণ্ড না হওয়ায় ফরাসি নীতি নির্ধারকদের মধ্যে এক ধরনের কূটনৈতিক স্বস্তি দেখা গেছে।

ফ্রান্সে ফেরত এনে তাদের সাজা খাটানো হবে কি না- সেই বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি প্যারিস। তবে ফরাসি দূতাবাস জানিয়েছে, সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত বাকি ফরাসি নাগরিকদের বিচারও আগামীতে অনুষ্ঠিত হবে এবং দূতাবাস কর্তৃপক্ষ প্রতিটি শুনানিতে নিবিড় নজরদারি বজায় রাখবে।

বিশ্লেষকদের মতে, নিজের দেশের উগ্রপন্থী নাগরিকদের ইউরোপে ফিরিয়ে নিয়ে বিচার করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঝুঁকি এড়াতে ফ্রান্স এক প্রকার আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ইরাকের মাটিতে এ বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দিচ্ছে। ইরাকের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর আড়ালে ফরাসি সরকার আসলে তাদের নাগরিকদের দায় সরাসরি এড়াতে চাইছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র : এপি, ইউরোনিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ৫৩ বছরে পদার্পণ, মিস ওয়ার্ল্ড থেকে বিশ্বতারকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ৫৩ বছরে পদার্পণ, মিস ওয়ার্ল্ড থেকে বিশ্বতারকা

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে বলিউডের জগতে প্রবেশ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বিভিন্ন চরিত্রে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছেন। কখনো প্রেমে মগ্ন পারু, কখনো প্রাণবন্ত শার্লি, আবার কখনো রহস্যময় সুনেহরি। অভিনয়, ফ্যাশন এবং ব্যক্তিত্বের বৈচিত্র্যে তিনি নিজেকে আলাদা করে তুলেছেন। আজ ১ নভেম্বর, ৫৩ বছরে পদার্পণ করলেন তিনি।

১৯৭৩ সালের ১ নভেম্বর ভারতের কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালুরুতে জন্মগ্রহণ করেন ঐশ্বরিয়া। তিনি মডেলিংয়ের মাধ্যমে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাব জয়ের পর তিনি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পান। এরপর চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার নতুন অধ্যায় শুরু হয়। ১৯৯৭ সালে মণি রত্নমের তামিল সিনেমা ‘ইরুভার’-এ তার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। একই বছর ‘অউর পেয়ার হো গয়া’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি সিনেমায় প্রবেশ করেন।

১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকদের নজর কাড়েন। এরপর ‘তাল’, ‘মোহাব্বতে’, ‘দেবদাস’, ‘ধুম ২’, ‘গুরু’ এবং ‘যোধা আকবর’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে তার ক্যারিয়ারের কিছু চরিত্র বিশেষভাবে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

পারু—‘দেবদাস’

শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘দেবদাস’ সিনেমায় পার্বতী বা পারো চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঐশ্বরিয়া। প্রেম, অপেক্ষা ও বিরহের আবেগে সাজানো এই চরিত্রে তার উপস্থিতি দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে। সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত এই সিনেমাটি ২০০২ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

শার্লি—‘জোশ’

‘জোশ’ সিনেমায় শার্লি ডায়াস চরিত্রে তাকে দেখা যায়। গোয়ার প্রাণবন্ত তরুণী শার্লির সাজপোশাক ও স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নব্বইয়ের দশকে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ‘মেরে খেয়ালোঁ কি মালিকা’ গানটিও সিনেমাটির একটি পরিচিত অংশ হয়ে ওঠে।

মানসী—‘তাল’

১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ সিনেমায় মানসী চরিত্রে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া। অনিল কাপুর ও অক্ষয় খান্নার বিপরীতে তার অভিনয়, নাচ ও গানের দৃশ্য দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে। সিনেমাটির জনপ্রিয় গানগুলোতেও তিনি নজর কাড়েন।

মেঘা—‘মোহাব্বতে’

২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মোহাব্বতে’ সিনেমায় মেঘা চরিত্রে দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে। শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনীত এই চরিত্রের পর্দায় উপস্থিতি ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে ছিল মেঘার প্রভাব।

আমিরান—‘উমরাও জান’

২০০৬ সালের ‘উমরাও জান’ সিনেমায় আমিরান চরিত্রে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া। এর আগে ১৯৮১ সালের সিনেমায় একই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রেখা। নতুন সংস্করণে তিনি নিজের মতো করে চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলেন। ছবিটিতে তার অভিনয়ের পাশাপাশি নাচ ও পোশাকও আলোচনায় আসে।

বিনোদিনী—‘চোখের বালি’

ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত ২০০৩ সালের বাংলা সিনেমা ‘চোখের বালি’তে বিনোদিনী চরিত্রে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি এক শিক্ষিত তরুণ বিধবার জীবনের গল্প তুলে ধরে। তৎকালীন সমাজের নানা বিধি-নিষেধের মধ্যে নিজের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মপরিচয়ের জায়গা খুঁজে ফেরে বিনোদিনী। সংযত অভিনয়ে চরিত্রটির বুদ্ধিমত্তা, আবেগের দ্বন্দ্ব ও প্রচলিত সামাজিক রীতির প্রতি প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলেন ঐশ্বরিয়া। এই চরিত্রটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম ব্যতিক্রমী ও জটিল চরিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

সুনেহরি—‘ধুম ২’

‘ধুম ২’ সিনেমায় সুনেহরি চরিত্রে একেবারেই ভিন্ন রূপে হাজির হন ঐশ্বরিয়া। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে হৃত্বিক রোশনের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। নাচ, স্টাইল ও চতুর চরিত্রের মিশেলে সুনেহরি হয়ে ওঠে তার ক্যারিয়ারের আলোচিত চরিত্রগুলোর একটি।

নীরজা—‘রেইনকোট’

ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত ‘রেইনকোট’ সিনেমায় নীরজা চরিত্রে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া। অজয় দেবগনের অভিনীত মনুর সঙ্গে একসময় তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বহু বছর পর সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে দেখা হলে দুজনের কথোপকথনে উঠে আসে অতীতের স্মৃতি, বর্তমান জীবনের সংকট ও নানা অপূর্ণতার গল্প। প্রচলিত বাণিজ্যিক ছবির বাইরে সংযত অভিনয়ের মাধ্যমে এ সিনেমায় নিজের ভিন্ন দিক তুলে ধরেন ঐশ্বরিয়া।

সাবা—‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’

২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ সিনেমায় সাবা তালিয়ার খান চরিত্রে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া। পেশায় আর্ট কিউরেটর সাবার চরিত্রটি পর্দায় খুব বেশি সময় না থাকলেও তার উপস্থিতি দর্শকদের নজর আকর্ষণ করে।

বলিউডের বাইরেও ‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’, ‘দ্য মিস্ট্রেস অব স্পাইসেস’, ‘প্রভোকড’, ‘দ্য লাস্ট লিজিয়ন’ এবং ‘দ্য পিংক প্যান্থার ২’-এর মতো ইংরেজি ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। এসব কাজের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রেও পরিচিতি অর্জন করেছেন ঐশ্বরিয়া।

কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায়ও তিনি দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। ২০০২ সালে ‘দেবদাস’-এর প্রদর্শনীতে প্রথমবার কান উৎসবে অংশ নেন। পরবর্তী বছর উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগের জুরি সদস্য হন। এরপর থেকে তার কান উপস্থিতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নিয়মিত আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ এবং ‘দেবদাস’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৯ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে। ২০১২ সালে ফ্রান্স সরকারও তাকে ‘অর্ডার অব আর্টস অ্যান্ড লেটার্স’ সম্মাননা প্রদান করে।

ব্যক্তিজীবনে ২০০৭ সালে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর তাদের ঘরে জন্ম নেয় মেয়ে আরাধ্যা বচ্চন। অভিনয় ও পারিবারিক জীবন—দুই দিক সামলিয়ে এগিয়ে চলেছেন এই অভিনেত্রী। মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট থেকে বলিউডের স্মরণীয় চরিত্র, আন্তর্জাতিক সিনেমা কিংবা কান উৎসবের লালগালিচা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। ৫৩তম জন্মদিনে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয়, সৌন্দর্যের পরিচিতির বাইরেও অভিনয়ের নানা রূপে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাওস নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ঝুঁকছে, ভিয়েতনামে বায়ুবিদ্যুৎ রপ্তানি করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


লাওস নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ঝুঁকছে, ভিয়েতনামে বায়ুবিদ্যুৎ রপ্তানি করছে

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ লাওসের সবুজ পাহাড়ি অঞ্চলে ১৩৩টি বায়ুবিদ্যুৎ টারবাইন চীনে নির্মিত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই টারবাইনগুলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ভিয়েতনামের দ্রুত বর্ধমান অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে, এই প্রকল্পটি জ্বালানির উৎস বহুমুখী করার আঞ্চলিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে কাজ করছে।

ডাক ওয়াই গ্রামের কাঠের খুঁটির ওপর নির্মিত বাড়িতে বসে ২৩ বছর বয়সী তুকতা ফনসালা এএফপিকে বলেন, ‘দৃশ্যটা খুব সুন্দর। এগুলো গাছের চেয়েও বড়।’ এ সময় তার কোলে ছিল ছোট্ট শিশু।

লাওসের সেকং প্রদেশ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অসংখ্য বাঁধ নির্মিত হয়েছে। তবে শুষ্ক মৌসুমে এসব বাঁধের বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যায়। পাশাপাশি, এর পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও সমালোচনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুবিদ্যুৎ সম্প্রসারণের সময় এসেছে। তারা লাওসের ৬০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার ‘মুনসুন উইন্ড পাওয়ার প্রকল্পের’ উদাহরণ তুলে ধরছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রকল্পটি উৎপাদন শুরু করে।

সিঙ্গাপুরের সমান আয়তনের এলাকায় বিস্তৃত ৭০০ মিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প এশিয়ার প্রথম আন্তসীমান্ত বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত।

চীনের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি নির্মাণ করেছে এবং এর মালিকানায় রয়েছে থাইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়াম। উৎপাদিত বিদ্যুৎ নির্দিষ্ট সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে সরাসরি ভিয়েতনামের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ ভিয়েতনাম একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প উৎপাদন কেন্দ্র। দেশটি ইতোমধ্যেই তার দরিদ্র প্রতিবেশী লাওস থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করে আসছে।

তবে অলাভজনক সংস্থা এনার্জি ল্যাব এশিয়ার কারিগরি কর্মসূচির প্রধান ট্রিস্টান বেলিংহাম বলেন, ‘অর্থনৈতিক হিসাব এখন বায়ুবিদ্যুতের পক্ষে যাচ্ছে।’ তিনি এএফপিকে বলেন, ‘২০ থেকে ৩০ বছর আগে জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে যেমনটা দেখা গিয়েছিল, এখন নতুন বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য জমি ব্যবহারের অনুমতি ও উন্নয়ন-অধিকার নিশ্চিত করতে তেমনই এক ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।’

লাওসে ইতোমধ্যে ৯০টি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোতেও রয়েছে আরও কয়েক ডজন। ফলে উপযুক্ত নতুন স্থান খুঁজে পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

উন্নয়নের জন্য ভালো-

বেলিংহাম বলেন, মুনসুন প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এখন অন্যান্য বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোও এগিয়ে যাচ্ছে। লাওসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশজুড়ে ১০ থেকে ১৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

তুকতা ফনসালা, তার সঙ্গে বসবাসকারী পরিবারের ১৮ সদস্য এবং টারবাইনের আশপাশের ধান ও কফিচাষিদের জন্য মুনসুন প্রকল্প নতুন সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়িয়েছে।

তবে প্রকল্পটি থেকে তাদের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভারী ঝড়ের সময় এখনো তাদের এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। লাওসের নিজস্ব বিদ্যুৎ অবকাঠামো পুরোনো। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থাটিও বিপুল ঋণের বোঝায় জর্জরিত।

তবুও দেশের উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিদেশে পাঠাতে পেরে খুশি তুকতা। তিনি বলেন, ‘এটি উন্নয়নের জন্য ভালো এবং সমৃদ্ধি আনতে পারে।’

ভিয়েতনামের জন্য এই প্রকল্প তুলনামূলক কম খরচে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুতের উৎস। ২০২৩ সালে খরার কারণে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশটিতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল। পরিকল্পিত বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে আগামী বছর থেকে বিদ্যুৎ সংকটের ঝুঁকি রয়েছে বলে সেপ্টেম্বরে সতর্ক করেছিল দেশটির সরকার।

ইন্দোচায়না এনার্জি পার্টনার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থমাস জ্যাকবসেন বলেন, ‘মুনসুন প্রকল্পের মাধ্যমে ভিয়েতনাম স্থানীয়ভাবে যে দামে বায়ুবিদ্যুৎ কিনছে, তার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম দামে লাওস থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছে।’

তার হিসাব অনুযায়ী, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইলেকট্রিসিটি ভিয়েতনাম (ইভিএন) মুনসুন প্রকল্প থেকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ প্রায় ৬ সেন্টে কিনছে। স্থানীয় বাজারের দামের চেয়ে এই হার ২ থেকে ৪ সেন্ট কম।

তবে গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক সফরে মুনসুন উইন্ড, ইভিএন এবং প্রকল্পটির অর্থায়ন ব্যবস্থাপক এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রতিনিধিরা বিদ্যুতের এ দাম জানাতে অস্বীকৃতি জানান।

‘বিশেষ কিছু রয়েছে’-

২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার ভিয়েতনামের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন ইভিএনের ন্যাশনাল পাওয়ার ট্রান্সমিশন করপোরেশনের কর্মকর্তা নিন সুয়ান হিয়েপ।

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে তিনি এএফপিকে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে লাওস থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ ভিয়েতনামের মোট স্থাপিত উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ১০ শতাংশের সমান হবে। স্থাপিত সক্ষমতা বলতে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সামর্থ্যকে বোঝায়।

মুনসুন উইন্ড প্রকল্পের মহাব্যবস্থাপক নারুত বোয়াকাজর্ন জানান, প্রকল্পটির উৎপাদন সক্ষমতা আরও ১ হাজার মেগাওয়াট বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বাড়তি বিদ্যুতের একটি অংশ যেন লাওসের অভ্যন্তরে ব্যবহার করা যায়, সে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

১১০ মিটার উঁচু একটি টারবাইনের ঘূর্ণায়মান পাখার নিচে এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নারুত বলেন, ‘লাওসে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। বায়ু, পানি ও সৌরশক্তি—সবই আছে।’

তিনি বলেন, ‘একই জায়গায় এতগুলো ভালো নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস খুব বেশি দেশে নেই। এদিক থেকে লাওসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।’

নারুতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় কর এবং স্থানীয় উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা তহবিলসহ বিভিন্ন খাত থেকে লাওস সরকার ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয় করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%