বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:১৬ পি.এম
ফুলহ্যাম কোচ আলভারো আরবেলোয়া ২৫ হাজার পাউন্ড জরিমানা দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে নিয়ে তার বিতর্কিত মন্তব্যের ফলস্বরূপ। ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) তাকে সতর্ক করেছে ভবিষ্যতে এমন মন্তব্য না করার জন্য।
গত ২০ সেপ্টেম্বর ফুলহ্যামের মাঠ ক্রাভেন কটেজে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। প্রথমার্ধে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের আত্মঘাতী গোলে ফুলহ্যাম এগিয়ে যায়। ৮৯তম মিনিটে ম্যাথিউস কুনহা গোল করে ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরান।
ম্যাচ শেষে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন আরবেলোয়া। তিনি অভিযোগ করেন, ম্যাচের অধিকাংশ সিদ্ধান্ত ইউনাইটেডের পক্ষে ছিল। আরবেলোয়া তখন বলেন, “আমার মতে সব ফাউল তাদের পক্ষে গেছে। সব সিদ্ধান্ত ছিল তাদের পক্ষে।”
ঘটনাটি তদন্ত করে স্বাধীন কমিশন জানায়, আরবেলোয়ার মন্তব্যে ম্যাচ কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত ছিল। তিনি এমন ধারণাও প্রকাশ করেছিলেন যে, আগের ম্যাচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কর্মকর্তারা ইউনাইটেডের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
এই বক্তব্যের জন্যই জরিমানা এবং সতর্কবার্তা পেয়েছেন ফুলহ্যাম কোচ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, সাধারণ নিবন্ধিত, তালিকাভুক্ত, নিবন্ধনযোগ্য বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তিদের জন্য কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলি, ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ২০ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে সক্ষম হবে।
বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় গত ১৪ অক্টোবর ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ প্রকাশিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৩ অক্টোবর এই অধ্যাদেশটি জারি করেন। এতে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৬৪ ধারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে গণ্য হবে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত ১৫তম দিনে সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে তা জমা দেওয়া যাবে।
এছাড়া, জনস্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আদেশের মাধ্যমে সুদ ও জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।
অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মূসক রিটার্নে সম্পূরক শুল্ক পরিশোধের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি, এনবিআর আদেশের মাধ্যমে কোনো নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির জন্য ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।
অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে যে, সংসদ অধিবেশনে না থাকায় এবং জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের ১ উপ-অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এটি জারি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুম্বাই পুলিশ অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আয়োজিত একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর তাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশের নোটিশ অনুযায়ী, ইমরান খানকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে দেশ ছাড়ার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য হলো, ‘ভারতের নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কারণে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইমরান খানের মার্কিন নাগরিকত্ব রয়েছে এবং তার কাছে ভারতের পূর্ণ নাগরিকত্বের পরিবর্তে ‘ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া’ (ওসিআই) কার্ড রয়েছে।
এনডিটিভি জানাচ্ছে, 'ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫'-এর বিধান অনুযায়ী এই প্রস্থান নোটিশ জারি করা হয়েছে। এই আইনের ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ভারতে বিদেশিদের প্রবেশ, প্রস্থান, উপস্থিতি বা চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ, সীমাবদ্ধ বা নিষিদ্ধ করার জন্য ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ আদেশ, নির্দেশ বা অনুশাসন জারি করার ক্ষমতা রাখে।
১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ইমরান খান উপস্থিত ছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী লেখা ওয়াশিংটন এবং আত্মীয় জেইন মেরি খান।
প্রতিবাদের সময় ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছিল এবং পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানিত হয়েছেন ইসলামি অর্থনীতি ও অর্থায়নে অসামান্য পাণ্ডিত্য এবং দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত পঞ্চম আল বারাকা সামিটে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ১৩ ও ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামি অর্থনীতি, ব্যাংকিং, নীতিনির্ধারণ ও আর্থিক খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘নৈতিকতার বাস্তব প্রয়োগ: ভিত্তি পুনর্গঠন ও ইসলামি অর্থনীতির বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তার’, যা ইসলামি অর্থনীতির নৈতিক ভিত্তি পুনর্গঠন এবং বিশ্বব্যাপী এর ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে আয়োজিত হয়। সম্মেলনে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মৌলিক আদর্শ, ন্যায়বিচার, আর্থিক দায়বদ্ধতা এবং সমাজের কল্যাণে সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি সম্মেলনে মূল প্রবন্ধে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মৌলিক নীতিমালা ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। তিনি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সমাজের বৃহত্তর কল্যাণ নিশ্চিত করার উপায় হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেন। আলোচনায় বিশেষভাবে উঠে আসে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং সমাজে সম্পদের সুষম বণ্টন।
মুফতি উসমানি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে ইসলামি অর্থনীতির মূল লক্ষ্য শুধু সুদমুক্ত লেনদেন প্রতিষ্ঠা নয়, বরং ন্যায়ভিত্তিক, দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণমুখী অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলা। সম্মেলনের সামগ্রিক আলোচনাতেও ইসলামি অর্থায়নের নৈতিক আদর্শকে বাস্তব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কার্যকর করার বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি: জীবন ও কর্ম
তিনি ইসলামি আইন, হাদিস ও অর্থনীতির আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ। পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাবশালী ইসলামি স্কলার হিসেবে পরিচিত। ফিকহ, হাদিস, তাফসির, তাসাউফ ও ইসলামি অর্থনীতি বিষয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের গবেষণা ও শিক্ষাদান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃত।
মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ১৯৪৩ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মুফতি মুহাম্মদ শফি ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং উপমহাদেশের বিশিষ্ট ইসলামি আলেম। পারিবারিকভাবে ইলমি পরিবেশে বেড়ে ওঠা তাকি উসমানি শৈশব থেকেই ইসলামি শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন।
তিনি পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থিত বিখ্যাত জামিয়া দারুল উলুম করাচি থেকে ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬১ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে ফতোয়া বিষয়ে বিশেষায়িত শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও লাভ করেন।
বিচার বিভাগ ও শরিয়াহ গবেষণায় অবদান
মুফতি তাকি উসমানি কেবল একজন ধর্মীয় শিক্ষক ও গবেষক নন; পাকিস্তানের বিচার বিভাগেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের ফেডারেল শরিয়াহ আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৮২ সাল থেকে ২০০২ সালের মে মাস পর্যন্ত দেশটির সুপ্রিম কোর্টের শরিয়াহ আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। এ সময়ে ইসলামি আইন ও আধুনিক বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হয়।
তিনি জেদ্দাভিত্তিক আন্তর্জাতিক ইসলামি ফিকহ একাডেমির স্থায়ী সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ইসলামি অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শরিয়াহ পরামর্শক ও তত্ত্বাবধায়ক বোর্ডে কাজ করেছেন।
ইসলামি অর্থনীতিতে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি
মুফতি তাকি উসমানির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানগুলোর একটি হলো আধুনিক ব্যাংকিং ও অর্থায়নব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়াহর নীতিমালা প্রয়োগে গবেষণা ও দিকনির্দেশনা প্রদান। তিনি ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা সংক্রান্ত সংস্থা অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনসের (এএওআইএফআই) আন্তর্জাতিক শরিয়াহ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এএওআইএফআই বাহরাইনভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য শরিয়াহ মানদণ্ড প্রণয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে।
পাকিস্তানের জামিয়া দারুল উলুম করাচিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা ও উচ্চতর ইসলামি শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি ইসলামি অর্থনীতির গবেষণা ও উন্নয়নে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর গবেষণা ও দিকনির্দেশনা ইসলামি ব্যাংকিং, বিনিয়োগ, আর্থিক চুক্তি এবং সমকালীন ফিকহি সমস্যার আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
সমৃদ্ধ গ্রন্থভান্ডার ও গবেষণাকর্ম
মুফতি তাকি উসমানি আরবি, উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় ৬০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। হাদিসের ব্যাখ্যা, ইসলামি আইন, ফতোয়া প্রদানের নীতিমালা, আধুনিক আর্থিক লেনদেন এবং ইসলামি ব্যাংকিং তাঁর লেখালেখির উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র। তাঁর রচনাবলি ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি সমকালীন অর্থনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থার শরিয়াহভিত্তিক বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
লন্ডনের পঞ্চম আল বারাকা সামিটে তাঁর সম্মাননা ইসলামি অর্থনীতি ও অর্থায়নে দীর্ঘদিনের গবেষণা, প্রজ্ঞা এবং নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্যে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ও সম্পদের সুষম বণ্টনের ওপর গুরুত্বারোপ আধুনিক অর্থব্যবস্থায় নৈতিকতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জনকল্যাণের প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে।
তথ্যসূত্র: আল বারাকা সামিটের সরকারি ওয়েবসাইট, আনাদোলু এজেন্সি, মুফতি তাকি উসমানির সরকারি জীবনী এবং আন্তর্জাতিক ইসলামি ফিকহ একাডেমি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক মন্তব্য করেছেন যে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিদেশি কোম্পানির কাছে লিজ দেয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এ মন্তব্য করেন, যেখানে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার বিদেশী কোম্পানিকে লিজ দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ জানানো হয়।
সাইফুল হক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার, পতেঙ্গা, লালদিয়া, পানগাঁও বন্দর এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির হাতে বা লিজ দেয়ার বিষয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর একটি লাভজনক জায়গা, যা প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে মুনাফা দিচ্ছে। এটিকে লিজ দেয়ার সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ৫৪-৫৫ বছরের ইতিহাসে নিজস্ব ব্যবস্থাপনা গড়ে না তুলে একের পর এক রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো লিজ দেয়া জাতীয় সক্ষমতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।’
বন্দর ও প্রধান প্রধান পরিকাঠামো লিজ দেয়ার সিদ্ধান্ত ও চুক্তি অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, ‘এসব বিষয়ে বিদেশি প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা যেতে পারে, তবে ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা নিজেদের হাতেই রাখতে হবে। জনকল্যাণ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।’
সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক হামলার কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় ১৫ থেকে ২০ হাজার প্রবাসী কর্মী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন উল্লেখ করে সাইফুল হক বলেন, ‘সরকারের উচিত সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কর্মীদের দ্রুত গমনের ব্যবস্থা করা। সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে কর্মীদের স্বার্থরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।’
এ সময় ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোটি কোটি ভোটারকে তালিকার বাইরে রাখার অভিযোগে ‘ইন্ডিয়া জোট’ ও তরুণদের চলমান আন্দোলনে বাংলাদেশের সংহতি ও একাত্মতা প্রকাশ করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সাধারণ সম্পাদক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ