বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫০ পি.এম
বরিশাল নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক এলাকায় দীর্ঘ ১৯ বছরের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতবাড়ির বেড়া ভাঙচুর ও ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা বাবুল হাওলাদার, কাওছার হাওলাদার ও রিপন হাওলাদারের সঙ্গে খোকন ভূঁইয়া, সালাম ভূঁইয়া ও হান্নান ভূঁইয়ার দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৯ বছর ধরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি সংক্রান্ত মামলায় বরিশালের বিজ্ঞ আদালত তাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। পরবর্তীতে প্রতিপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করেন এবং একটি রায় পান বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই রায় পাওয়ার পর প্রতিপক্ষ কাওছার ও রিপন হাওলাদারের বসতবাড়ির বেড়া ভেঙে ফেলেন এবং বাড়ির ফলের গাছ কেটে দেন।
ভুক্তভোগীদের আরও দাবি, উচ্চ আদালতের রায়ে ৪৫ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষকে একত্রে বসে স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসার চেষ্টা করার নির্দেশনা রয়েছে। মীমাংসা সম্ভব না হলে আইনগত প্রক্রিয়ায় বিরোধ নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে।
তবে অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, আদালতের রায়ের পরও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, পরিবারের নিরাপত্তা এবং আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। এবং তারা বরিশাল কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে খোকন ভুঁইয়া হান্নান ভূইয়া ও সালাম ভাইয়া অস্বীকার করেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ইদ্রিস মিয়া, যিনি চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা। সরকার তাকে তিন বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারীসচিব মোছা. আকতারুন নেছার সই করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী মো. ইদ্রিস মিয়াকে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তিন বছরের মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। সরকারি আদেশটি জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রাম নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি এবং ওয়াসার চলমান প্রকল্পগুলোকে আরো কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরবাসীর প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার সেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াসার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন এবং সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর দিকেও নজর থাকবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নগরবাসীর পানি ও পয়োনিষ্কাশন সেবা আরো জনবান্ধব করতে ভূমিকা রাখবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার সামনে বর্তমানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পানি সরবরাহের পাশাপাশি পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি, গ্রাহকসেবা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা সবগুলো ক্ষেত্রেই নতুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। সাম্প্রতিক ওয়াসার বকেয়া আদায়েও বিশেষ তৎপরতা চলছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী সাধারণ গ্রাহক ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ২৫৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় বেলা ১২টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও নলতা ইউনিয়ন শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে নলতা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি হাফেজ মুহাঃ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ অয়েজুর রহমান ময়না। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাঃ মহিববুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সেক্রেটারী মুহাঃ হাবিবুল্লাহ। অনুষ্ঠানে নলতা ইউনিয়ন শাখার পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করার পর সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে হাফেজ মুহাঃ আব্দুল্লাহকে সভাপতি ও মাওঃ মুহাঃ আমানুল্লাহকে সেক্রেটারী করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নলতা ইউনিয়ন কমিটি ঘোষনা করা হয়। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সামনে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, তা পরবর্তী যেকোনো সরকারের জন্য দেশ পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব।
তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূসের করা চুক্তির কারণে, যত ভালো সরকারই আসুক, সেই সরকারের জন্য দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি : জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন হাবিবুর রহমান হাবিব। এই সভার আয়োজন করে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে কারো সঙ্গে কমপ্রোমাইজ করবেন না। নির্বাচিত সরকার ভারতের কাছে মাথা নত করবে না, এটি পরিষ্কার।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দিলে বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও সার্বভৌমত্বের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে, পাশাপাশি পোর্ট অপারেটিং ইন্ডাস্ট্রিকে গলা টিপে হত্যা করা হবে বলে দাবি করেছে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি।
সার্বভৌমত্ব নিয়ে কাজ করা এই সংগঠনটি জানাচ্ছে, এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় ভারত ও ইসরায়েলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। তাছাড়া, এই প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দিলে বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ভোগ করতে হবে।
সংগঠনটি আরও দাবি করছে, দেশের পোর্ট অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেশন্স ইন্ডাস্ট্রি বা বন্দর পরিচালনা শিল্পকে বিদেশিদের হাতে তুলে না দিয়ে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করলে দেশের রিজার্ভে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার যুক্ত করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম জয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রূপগঞ্জের স্থানীয়রা এই বদলির খবরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। রূপগঞ্জের সমাজকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মন্তব্য করেন, ‘স্যার শুধু একজন ইউএনও ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক। আমাদের যেকোনো সংকটে তিনি নিজের পরিবারের মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার মতো সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা পাওয়া রূপগঞ্জের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় ছিল।’
আরেক স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘রূপগঞ্জের উন্নয়নে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তিনি যেভাবে রাত-দিন পরিশ্রম করেছেন, তা আমাদের সব সময় অনুপ্রেরণা জোগাবে। তার এই চলে যাওয়া আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ