বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৪ পি.এম
চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ইদ্রিস মিয়া, যিনি চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা। সরকার তাকে তিন বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারীসচিব মোছা. আকতারুন নেছার সই করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী মো. ইদ্রিস মিয়াকে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তিন বছরের মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। সরকারি আদেশটি জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রাম নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি এবং ওয়াসার চলমান প্রকল্পগুলোকে আরো কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরবাসীর প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার সেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াসার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন এবং সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর দিকেও নজর থাকবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নগরবাসীর পানি ও পয়োনিষ্কাশন সেবা আরো জনবান্ধব করতে ভূমিকা রাখবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার সামনে বর্তমানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পানি সরবরাহের পাশাপাশি পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি, গ্রাহকসেবা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা সবগুলো ক্ষেত্রেই নতুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। সাম্প্রতিক ওয়াসার বকেয়া আদায়েও বিশেষ তৎপরতা চলছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী সাধারণ গ্রাহক ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ২৫৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় বেলা ১২টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও নলতা ইউনিয়ন শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে নলতা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি হাফেজ মুহাঃ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ অয়েজুর রহমান ময়না। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাঃ মহিববুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সেক্রেটারী মুহাঃ হাবিবুল্লাহ। অনুষ্ঠানে নলতা ইউনিয়ন শাখার পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করার পর সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে হাফেজ মুহাঃ আব্দুল্লাহকে সভাপতি ও মাওঃ মুহাঃ আমানুল্লাহকে সেক্রেটারী করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নলতা ইউনিয়ন কমিটি ঘোষনা করা হয়। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সামনে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, তা পরবর্তী যেকোনো সরকারের জন্য দেশ পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব।
তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূসের করা চুক্তির কারণে, যত ভালো সরকারই আসুক, সেই সরকারের জন্য দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি : জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন হাবিবুর রহমান হাবিব। এই সভার আয়োজন করে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে কারো সঙ্গে কমপ্রোমাইজ করবেন না। নির্বাচিত সরকার ভারতের কাছে মাথা নত করবে না, এটি পরিষ্কার।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দিলে বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও সার্বভৌমত্বের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে, পাশাপাশি পোর্ট অপারেটিং ইন্ডাস্ট্রিকে গলা টিপে হত্যা করা হবে বলে দাবি করেছে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি।
সার্বভৌমত্ব নিয়ে কাজ করা এই সংগঠনটি জানাচ্ছে, এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় ভারত ও ইসরায়েলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। তাছাড়া, এই প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দিলে বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ভোগ করতে হবে।
সংগঠনটি আরও দাবি করছে, দেশের পোর্ট অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেশন্স ইন্ডাস্ট্রি বা বন্দর পরিচালনা শিল্পকে বিদেশিদের হাতে তুলে না দিয়ে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করলে দেশের রিজার্ভে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার যুক্ত করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম জয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রূপগঞ্জের স্থানীয়রা এই বদলির খবরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। রূপগঞ্জের সমাজকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মন্তব্য করেন, ‘স্যার শুধু একজন ইউএনও ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক। আমাদের যেকোনো সংকটে তিনি নিজের পরিবারের মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার মতো সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা পাওয়া রূপগঞ্জের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় ছিল।’
আরেক স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘রূপগঞ্জের উন্নয়নে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তিনি যেভাবে রাত-দিন পরিশ্রম করেছেন, তা আমাদের সব সময় অনুপ্রেরণা জোগাবে। তার এই চলে যাওয়া আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর্মজীবী নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণকে নিশ্চিন্ত করার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদ বিকাশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের শহর, উপশহর ও জনবহুল এলাকায় আধুনিক মানসম্পন্ন ডে কেয়ার সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় নবনির্মিত আধুনিক ‘ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’-এর উদ্বোধন এবং ৪৮ ও ৪৯তম বেসিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলোতে শিল্প মালিকদের ডে কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব। শিশুদের প্রারম্ভিক সুরক্ষায় এই সামাজিক উদ্যোগকে দেশব্যাপী জোরদার করতে শিল্প মালিক ও প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কর্মজীবী মায়েরা যদি মানসিকভাবে উদ্বেগমুক্ত ও স্বস্তিতে না থাকেন, তবে তাদের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ সেবা পাওয়া সম্ভব নয়। কর্মজীবী মায়েদের মানসিক স্বস্তি এবং শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ডে কেয়ার সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমীন।
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশব্যাপী কর্মজীবী মায়েদের জন্য ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। এর অংশ হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির আওতায় আধুনিক এই ডে কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শিশুদের প্রারম্ভিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জনবহুল এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে।
প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনে জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই কর্মকর্তাদের প্রধান কর্তব্য।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মন্তব্য করেন, কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রেখে নারীদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে সারা দেশে ডে কেয়ার সেন্টারের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে আধুনিক ডে কেয়ার সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ দেশের প্রকৃত মালিক ১৮ কোটি জনগণ। সরকারি সেবা পাওয়ার মাধ্যমে জনগণ যেন অনুভব করতে পারে যে তারাই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক—কর্মকর্তাদের সেভাবেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমীন জানান, কর্মজীবী মায়েদের কর্মদক্ষতা ও সেবার মান অনেকাংশেই নির্ভর করে তাদের সন্তানরা কতটা নিরাপদ পরিবেশে রয়েছে তার ওপর। নবনির্মিত ডে কেয়ার সেন্টারটি প্রশিক্ষণার্থী ও কর্মরত মায়েদের কাজের মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তিনি প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) সরকারি সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির আওতায় স্থাপিত ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নারে নারী প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের সন্তানদের নিরাপদ হেফাজতে রেখে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন। সেন্টারটিতে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত আয়ার সার্বক্ষণিক পরিচর্যা, শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ ও বিনোদনের ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসম্মত ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শিশুবান্ধব পরিবেশ রয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহায়তায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রায় ৭৫০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে। এর কার্যক্রম প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিনে কেন্দ্রটি বন্ধ থাকবে।
উদ্বোধনের পর মন্ত্রী আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নারের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন এবং সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন। পরে ৪৮ ও ৪৯তম বেসিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ