বৃহস্পতিবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০২৫ ইং
০৮:১৮ পি.এম
শরীয়তপুরে একটি টয়লেটে যাওয়ার পথে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার বেড়া চিকন্দী এলাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হলেন মৃত আনু সিকদারের ছেলে ইকবাল সিকদার (৩৫) এবং মৃত হাফেজ বেপারীর ছেলে আফসের বেপারী (৪০)। তারা দুজন পেশায় কৃষক।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) গভীর রাতে ওই নারী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হন। টয়লেটের পথে অভিযুক্ত ইকবাল এবং আফসের তাকে জোরপূর্বক ঘরের পেছনের একটি পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে গিয়ে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন, তখন তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরিবার ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে তার জ্ঞান ফিরলে বিকেলে তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পালং মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্ত ইকবাল সিকদার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমরা ওই নারীকে ধর্ষণ করিনি। পরে জানতে পারি আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।"
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সুস্মিতা জানিয়েছেন, নারীর 'ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ' পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কি না।
পালং মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, মামলা দায়েরের সঙ্গে সঙ্গে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ভুক্তভোগী নারীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের বাসায় ঢুকে হামলার একটি ঘটনায় বিচারপতির ছোট ছেলে তাওসিফ রহমান নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরের পরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে এই হামলা সংগঠিত হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নগরীর ডাবতলা এলাকায় বিচারক আব্দুর রহমানের বাড়িতে হামলা করার সময় দুর্বৃত্তরা এসে উপস্থিত হয়। তারা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে বিচারকের স্ত্রী এবং ছেলেকে গুরুতর আঘাত করে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় নবম শ্রেণির ছাত্র তাওসিফ রহমান জীবন হারায়। এই ঘটনার পর একজনকে আটক করা হয়েছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান জানান, হামলাকারী লিমন ঐ পরিবারের সঙ্গে পূর্বপরিচিত। তাদের মধ্যে পূর্বে কিছু বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। হামলাকারীও বর্তমানে আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
তিনি আরো বলেন, অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। এর আগে বিচারক লিমনের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের পটিয়া থানার পুলিশ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই জন নেতাকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বাদামতল ও শান্তিরহাটের এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম রুবেল (২৭) এবং সহসম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন রকি (২৬)।
পটিয়া থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পেনাল কোডসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে, পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোমান আহমদের নির্দেশনায় এবং পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, "গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় নাশকতা সৃষ্টি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে নজরদারিতে ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
তিনি আরও জানিয়েছেন, "জনগণের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পটিয়া থানার অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোট পরিচালনার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, নির্বাচনী কমিশন (ইসি) সরকার থেকে গণভোট নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পেলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট নেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। এ বিষয়ে ইসির মতামত কী হবে, নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে কি না, এবং সংসদ নির্বাচনের উপর এর প্রভাব পড়বে কি না—এসব প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, "আমি এই সংলাপে ছিলাম। আমি বক্তব্য শুনিনি। কী বলা হয়েছে, কোন প্রসঙ্গে কথা হয়েছে আমি জানি না।"
তিনি আরও বলেন, "যেহেতু আমি বিষয়টি শুনিনি, সে সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনে মন্তব্য করা সঠিক হবে না। আমরা সরকারের আনুষ্ঠানিক তথ্য জানালে, সব পক্ষকে নিয়ে কমিশনে আলাপ-আলোচনা করে আমরা আমাদের মতামত প্রদান করতে পারবো। এখন আকস্মিক মতামত দেওয়া সঠিক হবে না। আসলে আমি বক্তৃতাটাই শুনিনি, তাই মন্তব্য করতে চাই না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা না পাওয়া গেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে। তিনি জানান, তাদের নিরপেক্ষ রেফারির ভূমিকায় থাকার জন্য সকল দলের সাহায্য প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার, একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের সময় সিইসি বলেন, ‘আপনারা খেলবেন, প্লেয়ার আপনারা; আমরা রেফারি।’ তিনি সকল দলের প্রতি আহ্বান জানান যে, সহযোগিতা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে কাজ করা কঠিন।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন এবং পরে সহযোগিতার বিশেষভাবে আহ্বানকার করে বলেন, ‘যেহেতু বর্তমান পরিস্থিতি বিশেষ, তাই অতিরিক্ত সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।’ এরপর, সিইসি নির্বাচন সংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন, যেমন পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীদের ভোট, সরকারি চাকরিজীবীদের ভোট ইত্যাদি।
এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এমনিতে তো আমাদের অনেক দায়িত্ব এসে পড়েছে—এখন নির্বাচন চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আচরণ বিধির কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সিইসি আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
সিপিবি’র সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, ‘দ্রুত বিতরণ করার ফলে এখন বৈষম্য বাড়ছে, যা দেশের গণতন্ত্রকে প্রভাবিত করছে।’
এদিকে, বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন উল্লেখ করেন, ‘বড় দলগুলো নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।’
সংলাপ শেষে, সিইসি পুনরায় সকলের সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি সুন্দর জাতীয় নির্বাচন উপহার দিতে চান বলে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ