রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৯ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের দুই ঘণ্টা পর তাঁরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই অবরোধের ফলে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম নিষ্পত্তি এবং ফাঁসির রায় কার্যকর করা। এছাড়া, পুলিশের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এবং প্রয়োজনে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থানান্তর করার কথাও বলা হয়েছে।
চতুর্থ দাবিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া, কুবি এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধারে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ ইউনিট গঠনের দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেন।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিলে "উই ওয়ান্ট জাস্টিস, অপ্রতিম হত্যার প্রশাসন জবাব দে", "আমার মা কাঁদে কেন, প্রশাসন জবাব দে" এবং "কুমিল্লায় মানুষ মরে, পুলিশ গিয়ে মেডেল ধরে" সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীরা জানান, অপ্রতিম হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর ও ২৪ ঘন্টায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছেন তাঁরা।
দুপুর ১টার দিকে চার দফা দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম এবং ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র স্কুল পড়ুয়া ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আরও একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রোববার দুপুর আড়াইটায় কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত শুক্রবার বিকেল ৩টা ১২ মিনিটের দিকে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে সাইফুল ইসলাম তুহিন লালমাই পাহাড়ের ‘সানন্দা’ এলাকার পাহাড়ঘেরা একটি নির্জন জঙ্গলে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তুহিনকে শনাক্ত করা হয় এবং তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতিমকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে পরিকল্পিতভাবে ওই নির্জন স্থানে নেওয়া হয়েছিল। তুহিন জানায়, এ পরিকল্পনায় ফাহাদ ও কামরুল নামে আরও দুই যুবক জড়িত ছিল। এরপর পুলিশ ফাহাদ ও কামরুলকেও হেফাজতে নেয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অপ্রতিমের কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে সে বাধা দিলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
পরে অপ্রতিমের মোবাইল ফোনটি নিয়ে তুহিনসহ অন্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরদিন শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকা থেকে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সিয়াম নামে আরও এক তরুণকে আটক করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল কি না, সে বিষয়ে পুলিশ তথ্য-প্রমাণ যাচাই করছে।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম তুহিনের বয়স ১৯ বছর। তার বাবার নাম নূর আলম। নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সানন্দা এলাকায় তাদের বাড়ি। তুহিন কুমিল্লা সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়লেও পরবর্তীতে পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ে। গ্রেপ্তার মোফাজ্জেল হোসেন ফাহাদের বয়স ১৫ বছর। সে একই ওয়ার্ডের সালমানপুর এলাকার মেম্বার বাড়ির বাসিন্দা এবং ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপর গ্রেপ্তার মো. কামরুল হাসানের বয়স ১৮ বছর। তার বাড়ি দক্ষিণ উপজেলার হাতিগাড়া গ্রামে। আর আটক সিয়াম (১৯) একই উপজেলার এলাহীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তার হওয়া কারও বিরুদ্ধে আগে কোনো পিসিআর বা পূর্ব অপরাধের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে সিয়ামের সম্পৃক্ততা যাচাইয়ের পাশাপাশি মামলার অন্যান্য বিষয়েও তদন্ত চলছে। তদন্ত দ্রুত শেষ করে আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হঠাৎ করে বিশাল একটি দলের সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে গেছেন, যা ইহুদিদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ‘ইয়ম কিপ্পুর’কে সামনে রেখে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি কয়েকজন মন্ত্রী এবং হাজার হাজার ইসরায়েলিকে সঙ্গে নিয়ে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পশ্চিম দেয়াল প্রাঙ্গণে প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন। খবরটি আনাদোলু এজেন্সির মাধ্যমে জানা গেছে।
ফিলিস্তিনের জেরুজালেম গভর্নরেট নিশ্চিত করেছে যে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে নেতানিয়াহু সেখানে গিয়েছিলেন। গভর্নরেটের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুরোনো শহরের ওয়াদি স্ট্রিট দিয়ে বিপুলসংখ্যক ইসরায়েলি নিয়ে নেতানিয়াহু পশ্চিম দেয়াল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। যদিও তিনি মূল মসজিদে প্রবেশ করেননি, তবে আল-আকসার প্রবেশপথ ‘বাব আল-রহমা’ সংলগ্ন এলাকায় ইসরায়েলিরা অবস্থান নেয়। একই সময়ে সাধারণ ফিলিস্তিনিরাও আল-আকসায় নামাজ আদায় ও বাজারের কাজে উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ইয়ম কিপ্পুর এবং পরবর্তীতে সুক্কোটসহ একাধিক ইহুদি উৎসবের প্রেক্ষাপটে দখলদারদের যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে অবস্থান নেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। ইসলামিক ওয়াকফ প্রশাসন জানিয়েছে, বিতর্কিত এই পশ্চিম দেয়াল মূলত মুসলিমদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এদিকে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ইসরায়েলি পুলিশের নিরাপত্তায় নতুন করে অন্তত ১০০ জন ইসরায়েলি একতরফাভাবে আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ধর্মীয় আচার পালন করেছে। ২০০৩ সাল থেকে ইসরায়েলি পুলিশি পাহারায় ফিলিস্তিনিদের বাধা এড়িয়ে এইভাবে প্রাঙ্গণে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেরুজালেম অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ‘ঢাকা টু রংপুর লংমার্চ’ এবং গাজীপুরের ভোগরা বাইপাসের পথসভা নিয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে এক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সমালোচনার পর পোস্টটি সংশোধন করে পরে মুছে ফেলা হয়।
প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তার নাম খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জিএমপি কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বর্তমানে তাকে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
জিএমপি সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুর মহানগরীর ভোগরা বাইপাস মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টার দিকে অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বক্তব্য দেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ও সভাস্থলের আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। জিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পথসভা শেষ হওয়ার পর জিএমপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লংমার্চ নিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। পোস্টটিতে লংমার্চের গন্তব্য ও দাবিগুলো উল্লেখ করার পাশাপাশি কর্মসূচির সময়সূচি ও পুলিশের দায়িত্ব পালনের তথ্য তুলে ধরা হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, লংমার্চটি আনুমানিক সকাল ৯টায় জিএমপি এলাকায় প্রবেশ করে। পরে সকাল ১০টার দিকে ভোগরা বাইপাস এলাকায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে শান্তিপূর্ণভাবে লংমার্চ চলে যায়। এতে আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষের সমাগম হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া পোস্টে বলা হয়, জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অফিসার ও ফোর্স লংমার্চের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ছিলেন।
জিএমপির ওই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অনেকে পোস্টটির সমালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে জিএমপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্টটি প্রথমে সংশোধন করা হয়। পরে সেটি পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়। এরপর পোস্টটি দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদকে প্রত্যাহার করে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে তাকে শোকজও করা হয়েছে।
দায়ী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জিএমপির উপপুলিশ কমিশনার মো. জাহিদ হোসেন ভূঞা বলেন, ভারপ্রাপ্ত স্টাফ অফিসারকে প্রত্যাহার করে হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টের কারণেই তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের মধ্যে দুই গ্রুপের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ক্যাম্পাসে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফীন এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন, অর্থনীতি বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (২১ ব্যচ) শিক্ষার্থী মাদুদ এবং লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের (১৯ ব্যাচ) শিক্ষার্থী ইমন। অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। সংঘর্ষের কারণ এবং সূত্রপাত সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের মতে, ভিক্টোরিয়া পার্কের চায়ের দোকানের পাশে সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর ক্যাম্পাসের কাঁঠালতলা এলাকায় রড ও পাইপ নিয়ে হামলা করতে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান জানান, "কোন দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে নাম জানিনা। তবে সংঘর্ষ হয়েছিল। আমরা পুলিশ ডেকে নিয়ে আসছি। এখন মোটামুটি কামডাউন, এখন একটু শান্ত। উল্লেখযোগ্যভাবে আহত হয়নি। মানে উল্লেখ করার মত কেউ আহত হয় নাই, টুকটাক হয়তো লেগেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ