১২:৪৮ পি.এম
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাপান মধ্যপ্রাচ্যে বিকল্প তেল পাইপলাইন নির্মাণ ও সম্প্রসারণে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বুধবার দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে জাপান যুদ্ধের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানিকৃত তেলের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। এই তেলের একটি বড় অংশ বর্তমানে সংকটাপন্ন হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না
জাপানের দৈনিক নিক্কেই জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের জন্য সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের বিকল্প রুট সম্প্রসারণ এবং নতুন পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগে সহায়তা করবে জাপান।
সরবরাহ সংকট মোকাবিলার জন্য জাপান ইতোমধ্যে দেশটির মজুত তেল ব্যবহার শুরু করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণও বৃদ্ধি করেছে।
জাপানের সম্প্রচার মাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সরকারি বৈঠকে আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে ন্যাফথা উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে অপরিশোধিত তেলের মজুত গড়ে তোলার একটি উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ন্যাফথা হলো অপরিশোধিত তেলের একটি উপজাত, যা পরিশোধনের পর বিভিন্ন শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়
এনএইচকে আরও জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাপান পারমাণবিক বিদ্যুতের সর্বাধিক ব্যবহার বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি, পরবর্তী প্রজন্মের পেরোভস্কাইট সৌর প্রযুক্তির উন্নয়নেও সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে পারে—এমন পূর্বাভাসের মধ্যে জাপান ইতোমধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাত পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফুকুশিমা পারমাণবিক বিপর্যয়ের ১৫ বছর পর দেশটি আবারও পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে জোর দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন