মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০২:৩৮ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক আড্ডা–সারাইগাছি সড়কের বিভিন্ন অংশে রাস্তার দুই পাশে ঘন ঝোপঝাড় ও আগাছা বেড়ে উঠেছে। এতে সড়কের পাশের অনেক জায়গা আড়াল হয়ে যাওয়ায় রাতের বেলায় চলাচলকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে ওঠা বিভিন্ন ধরনের ঝোপঝাড়, লতাগুল্ম ও আগাছা সড়কের একাংশ ঢেকে ফেলেছে। কোথাও কোথাও ঝোপঝাড় এতটাই ঘন যে, সড়কের পাশের অংশ থেকে দূরত্ব বুঝে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় বিষয়টি তেমন সমস্যা মনে না হলেও সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি ভিন্ন হয়ে যায়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনে একাকী চলাচলকারী মানুষ এসব ঝোপঝাড়কে নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় দ্রুত পরিষ্কার করা হলে চালক ও পথচারীদের দৃশ্যমানতা বাড়বে এবং নিরাপত্তার ঝুঁকিও কিছুটা কমবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি ও টহল জোরদারেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে পথচারী ও যানবাহন চলাচলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : দক্ষিণ গুপ্তপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫.১ কেজি ওজনের একটি বিষ্ণুমূর্তি এবং ৬.৮ কেজি ওজনের চারটি কালো পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৩)।
বিষয়টি আজ শুক্রবার সকালে নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১৩ ব্যাটালিয়নের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এসব উদ্ধার করা হয়। এ সময় মূর্তি পাচারকারী চক্রের তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত তিনজন হলেন- নগরীর গুপ্তপাড়ার মিজান (৪২), হারাগাছ থানার নয়াবাজার গ্রামের মোজাফ্ফর হোসেন (৩৭) এবং কাউনিয়া থানার সোনাতন সিদ্দিক বাজার গ্রামের মাজেদুল ইসলাম (২৯)।
এসআরবি-১৩ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর দক্ষিণ গুপ্তপাড়ার এ কে এম হুমায়ুন কবিরের চারতলা বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্লাটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে একটি কালো পাথরের বিষ্ণুমূর্তি এবং চারটি কালো পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করে এসআরবি-১৩।
এ সময় মূর্তি চোরাচালান চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
এসআরবি বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা করেছে। উদ্ধার হওয়া মূর্তিসহ জব্দ আলামত এবং গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের দল এলদেনসের মালিকানা অর্জনের প্রাথমিক চুক্তি লিওনেল মেসি আগেই সম্পন্ন করেছিলেন। এবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এলদেনস এক বিবৃতির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে, ইন্টার মায়ামির তারকা মেসি স্প্যানিশ দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অধিগ্রহণ করেছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "ক্লাব দেপোর্তিভো এলদেনসে আনুষ্ঠানিকভাবে লিও মেসির মাধ্যমে ক্লাবটি অধিগ্রহণের ঘোষণা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্লাবটির ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ইতিহাসে একটি নতুন ও রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সূচনা হলো।"
এছাড়া তারা বলেছে, "ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের সিডি এলদেনসের মালিক হিসেবে স্প্যানিশ পেশাদার ফুটবলে আগমন ক্লাবটির ক্রীড়াগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের সূচনা করেছে।"
এলদেনসে বর্তমানে কলম্বিয়ান ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ গ্রুপো টিএইচ-এর মালিকানা রয়েছে। তাদের কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ক্লাবও রয়েছে। তবে চুক্তিটি এখনো স্পেনের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
এলদেনসে মেসির মালিকানাধীন দ্বিতীয় ক্লাব। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার সাবেক ফরোয়ার্ড কর্নেলারও মালিকানা তিনি কিনেছেন। এই বছরের শুরুতে বার্সেলোনা শহরের পঞ্চম বিভাগীয় দলটি তিনি অধিগ্রহণ করেছিলেন।
মেসি এই প্রথমবার কোনো পেশাদার ক্লাবে বিনিয়োগ করলেন। কর্নেয়া এখনও আধা পেশাদার। দুই দলের মধ্যে তিনটি বিভাগের তফাত থাকায় অদূর ভবিষ্যতে দুটি ক্লাবের মালিকানা নিয়ে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম।
এখন দেখার বিষয়, মেসি কর্নেয়ার সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করেন কি না। কারণ তিনি দুটি দলেরই সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারহোল্ডার। রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন সাধারণত একই শেয়ারহোল্ডারের দুটি দলকে একই বিভাগের খেলার অনুমতি দেয় না।
এলদেনসে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় তারা স্প্যানিশ ফুটবলের শীর্ষ দুটি বিভাগের বাইরে ছিল। ১৯৬৪ সালের পর প্রথমবার ২০২৩ সালে তারা দ্বিতীয় বিভাগে উন্নীত হয়। পরে ২০২৫ সালে অবনমিত হয়ে তৃতীয় বিভাগে খেলছে। ক্লাবটি এলদা শহরের ৫৭৭৬ আসনের নুয়েভো পেপিকো আমাত স্টেডিয়ামে হোম ম্যাচ খেলে।
আরটিভি নিউজ/এসআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নাম, ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি প্রদান এবং অর্থ দাবি করার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশের বিশেষ টিম।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখে জবি উপাচার্যের পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। এই সময় তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয় এবং অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উপাচার্য বিষয়টি জানার পর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পর ঘটনাটি তদন্তে নামেন কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে পুলিশের বিশেষ টিম। পরে গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলাম আরটিভিকে জানান, "প্রাথমিকভাবে আমরা একজনকে আটক করেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত, সে বিষয়ে জানা যাবে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত আটক ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।"
তিনি আরও বলেন, "জিজ্ঞাসাবাদ আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে শেষ হতে পারে। এরপর পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে এক মাদরাসাছাত্রকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে মো. মাসুদ (২৭) নামের এক মাদরাসাশিক্ষককে পুলিশ আটক করেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সদরপুর উপজেলার একটি কওমি মাদরাসায় এই ঘটনা ঘটে।
আটক হওয়া শিক্ষক খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার গোদাগারা এলাকার মাহবুর গোলদারের ছেলে। জানা গেছে, তিনি চরভদ্রাসন উপজেলার পূর্ব বিএস ডাঙ্গী জামিয়া ইসলামিয়া দারুল কুরআন মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্র বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে ফিরে মাসুদের বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। একপর্যায়ে, স্থানীয় কয়েকজন ওই শিক্ষককে মাদরাসার সামনেই একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে খবর পেয়ে চরভদ্রাসন থানার এসআই করিম, এসআই গোলামসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
মাদরাসার পরিচালক (মোহতামিম) জানান, "আমাদের মাদরাসার এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মাদরাসার পক্ষ থেকে আমরাও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।"
চরভদ্রাসন থানার ওসি মো. সফর আলী জানান, ঘটনাস্থলটি চরভদ্রাসন ও সদরপুর থানার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। মাদরাসাটি সদরপুর থানার আওতাধীন হওয়ায় প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে সদরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় সদরপুর থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ