ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাঙ্গেরির এই হাসপাতালকর্মী লাশের মাংশ চুরি করে রান্না করে খেতেন


হাঙ্গেরির এই হাসপাতালকর্মী লাশের মাংশ চুরি করে রান্না করে খেতেন

হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে নরমাংস ভক্ষণের অভিযোগে ৩০ বছর বয়সী এক হাসপাতালকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে অভিযোগ উঠেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্মস্থল ও কবরস্থান থেকে মানুষের দেহাংশ চুরি করে নিজের ফ্ল্যাটে এনে সংরক্ষণ করতেন। এবং পরে সেগুলো রান্না করে খেতেন।

দেশটির ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এনবিআই) জানিয়েছে, পর্যাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বুদাপেস্টের অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন মানব হাড়, মাথার খুলি, স্যুটকেসে সংরক্ষিত দেহাংশ এবং একটি বয়ামে রাখা মানব হৃৎপিণ্ড উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হাসপাতালে রোগী পরিবহন বিভাগে কর্মরত ওই যুবক তার কর্মস্থল এবং প্রতিবেশী দেশ স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন কবরস্থান থেকে মৃত মানুষের দেহাংশ চুরি করতেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

বর্তমানে উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষগুলোর উৎস শনাক্ত এবং মৃত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।

তদন্তের অংশ হিসেবে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির শারীরবিদ্যা ও প্যাথলজির প্রতি দীর্ঘদিনের আগ্রহ ছিল। পাশাপাশি সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তিনি পশুর দেহচ্ছেদ করে তা পর্যবেক্ষণ করতেও আগ্রহী ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০১ এম


কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে শহরের কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হলে, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কুড়িগ্রামের জেলা শাখার আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জিয়াউল হায়দার পলাশ।

জেলা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের সভাপতি কে. এম. নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব সৈয়দ জাহিদ হোসেন, জিয়াং এগ্রো সাইন রংপুরের পরিচালক জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমান, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব রুকুনুজ্জামান রুকুসহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম ও সংগঠনের ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, "যারা যোগায় ক্ষুধার অন্ন, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ আছেন তাঁদের জন্য এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদ এগিয়ে গেলে কৃষি যাবে সফলতায়।" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং মাঠপর্যায়ে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সিবিএস’র সেমিনার

পলাশীর যুদ্ধ ছিল দীর্ঘমেয়াদী ঔপনিবেশিক ক্ষত সমাজ ও সংস্কৃতিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০১ এম


পলাশীর যুদ্ধ ছিল দীর্ঘমেয়াদী ঔপনিবেশিক ক্ষত সমাজ ও সংস্কৃতিতে

পলাশীর যুদ্ধ ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যা বাংলা ভূখণ্ডের সংস্কৃতি ও সমাজে একটি দীর্ঘমেয়াদী ঔপনিবেশিক ক্ষতের সূচনা করেছিল। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুনের এই ঘটনাটি শুধু একটি কোম্পানির জয় বা নবাবের পতন ছিল না, বরং এটি ছিল বাংলার বহুত্ববাদী সমাজকাঠামোকে চিরতরে পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে একটি ঔপনিবেশিক সূচনা। পলাশীর যুদ্ধ কেবল সামরিক পরাজয়ের পরিচয় দেয়, বরং এটি আমাদের ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতিতে একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতের সাক্ষী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে শনিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সেমিনারে বক্তারা এই বিষয়ে আলোচনা করেন। ‘সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজ’ (সিবিএস)-এর আয়োজনে ‘পলাশী উত্তর বাংলা: ক্ষমতার পালাবদল এবং বিভাজনের রাজনীতির বিকাশ’ শীর্ষক সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক, চিন্তক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

সেমিনারের শুরুতে সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজ-এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এরপর মূল প্রবন্ধ শোনার পর আলোচনার পর্বে তিনজন গবেষক পলাশী-পরবর্তী বাংলার ইতিহাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনার প্রথম পর্বে, ইতিহাস গবেষক আব্দুল্লাহ আল মামুন সমসাময়িক ফার্সি ভাষার গ্রন্থের বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন। তিনি তুলে ধরেন যে, বিজিত নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে ‘খলনায়ক’ বানিয়ে ঔপনিবেশিক ইতিহাস লিখনের ফলে ব্রিটিশরা তাদের শাসনের বৈধতা সৃষ্টি করেছিল। লর্ড ক্লাইভ, জগত শেঠ, রায় দুর্লভ ও উমিচাঁদদের আঁতাত কেবল ব্যক্তিস্বার্থের বিশ্বাসঘাতকতা ছিল না, বরং তা ছিল উদীয়মান বণিক পুঁজির ও ক্ষয়িষ্ণু সামন্ততান্ত্রিক শক্তির মধ্যে এক গভীর রাজনৈতিক বোঝাপড়া।

দ্বিতীয় বক্তা জান্নাতে গুলশান তার আলোচনায় ক্ষমতার কেন্দ্রীয় স্থান মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে স্থানান্তরের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং এর সামাজিক-রাজনৈতিক অভিঘাত তুলে ধরেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মতো ভূমি ও অর্থনৈতিক সংস্কার এবং ইংরেজি শিক্ষা ব্যবস্থা কীভাবে এক পক্ষকে পৃষ্ঠপোষকতা ও অন্য পক্ষকে প্রান্তিকীকরণের সুযোগ তৈরি করে। এর ফলে দুই প্রধান সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ধীরে ধীরে গভীর রাজনৈতিক অবিশ্বাসে রূপান্তরিত হয়।

গবেষক ইমরুল হাসান দেখান কীভাবে ঔপনিবেশিক শাসকরা শিক্ষা, ভাষা ও চিন্তার ওপর একমাত্রিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে, যা আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্যকে হীন এবং পশ্চিমা সংস্কৃতিকে শ্রেষ্ঠ ভাবতে প্রভাবিত করে। তিনি বর্তমানের শিক্ষা কাঠামোর সঙ্গে এই বিষয়গুলোর সংযোগ তুলে ধরে বলেন, এই ক্ষমতার পালাবদল শতকের পর শতক ধরে বিদ্যমান সামাজিক বন্ধনগুলোকে ভেঙেছে এবং হিন্দু-মুসলিম বিভেদের রাজনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান করেছে, যার একটি নির্মম পরিণতি ঘটে ১৯৪৭ সালের দেশভাগে।

সেমিনারের সমাপনী বক্তব্যে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, আজকের এই সেমিনার পলাশী ট্র্যাজেডির সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক রূপান্তর এবং সমকালীন মনস্তত্ত্বে এর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত ও পেছনের রাজনীতিকে নতুনভাবে চিনতে ও বুঝতে সাহায্য করবে। আলোচনার শেষে এক প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দর্শক ও গবেষকদের মাঝে সমকালীন রাজনৈতিক মেরুকরণের সঙ্গে ইতিহাসের এই জটিল সমীকরণের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুলবাড়ীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৩ এম


ফুলবাড়ীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্লানিং এ্যাডভোকেসি ও ওরিয়েন্টশন সভা আজ শনিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত প্লানিং এ্যাডভোকেসি ও ওরিয়েন্টশন সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার প্রশাসক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ছামিউল ইসলাম।

পৌরকর্মচারী আশরাফ পরভেজের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লুৎফুল হুদা চৌধুরী লিমন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সাজেদুল ইসলাম সাজু, পৌর ইন্সপেক্টর মো. মুরাদ হোসেন প্রমুখ।

প্লানিং এ্যাডভোকেসি ও ওরিয়েন্টশন সভায় পৌরসভার ২৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন। উল্লেখ্য, ২৮ জুন রবিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ফুলবাড়ী পৌরসভার এলাকার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৫০০ শিশুকে ১টি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫ হাজার শিশুকে ১টি লাল রঙের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এদিকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ্যাডভোকেসি ও কর্মপরিকল্পনা সভা আজ শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মপরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সাজেদুল ইসলাম সাজুর সঞ্চালনায় আয়োজিত ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে এ্যাডভোকেসি ও কর্মপরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ হাছান।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, ফুলবাড়ী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাসানুল হক বান্না, ফুলবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) মো. সিদ্দিকুর রহমান, এপিআই মো. খবির উদ্দিন প্রমুখ। টিকা ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১ হাজার ৭২০ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৩ হাজার ৫০ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুনারুঘাটে লোকালয়ে ঢুকে পড়া মায়া হরিণ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৩ এম


চুনারুঘাটে লোকালয়ে ঢুকে পড়া মায়া হরিণ উদ্ধার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পথ হারিয়ে লোকালয়ে চলে আসা একটি মায়া হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে উপজেলার ভোলারজুম গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয় হরিণটি। এর পর হরিণটিকে কালেঙ্গা রেঞ্জের রেসকিউ সেন্টারে পর্যবেক্ষণের জন্য রাখা হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল। চুনারুঘাট উপজেলার এ বনাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে মায়া হরিণের বসবাস রয়েছে। প্রথমেই ধারণা করা হচ্ছে, পথ হারিয়ে হরিণটি লোকালয়ে চলে আসে।

কালেঙ্গা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল আমিন মন্তব্য করেছেন, ‘উদ্ধার করা হরিণটিকে রেসকিউ সেন্টারে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে সেটিকে আবার বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।’ অন্যদিকে, চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘লোকালয়ে আসা মায়া হরিণটি বন বিভাগের সদস্যরা উদ্ধার করেছেন। বর্তমানে সেটি রেসকিউ সেন্টারে রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%