ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ ২২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১১ অথবা ২৯ জুলাই করার দাবি


জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ ২২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১১ অথবা ২৯ জুলাই করার দাবি

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের বর্তমান তারিখ পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি ২২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১১ জুলাই অথবা ২৯ জুলাই তারিখ নির্ধারণের জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে প্রতিষ্ঠিত একটি ঐতিহাসিক নাগরিক সংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, ভিকটিম সাপোর্ট এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সংগঠনটি মনে করে, জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ এমনভাবে নির্ধারণ করা উচিত, যা রোড ক্র্যাশে নিহতদের স্মরণ, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিরাপত্তার অঙ্গীকার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঐতিহাসিক নাগরিক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ—এই তিনটি বিষয়কে প্রতিফলিত করে।

আরও পড়ুন: দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি গাড়ি রোড ক্র্যাশের শিকার হয়ে ৪৫ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ৪৩ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। সুতরাং, এই দিনটি শিক্ষার্থী, তরুণ ও নাগরিকদের নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়, তা দ্রুত দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক আন্দোলনে রূপ নেয় এবং বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জনসচেতনতা ও জবাবদিহিতার দাবি আরও জোরালো করে।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সভাপতি আবদুল্লাহ মেহেদি দীপ্ত মন্তব্য করেন, “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সড়কে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে রাখা। তাই দিবসটির তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমাদের দেশের সড়ক নিরাপত্তার ইতিহাস, রোড ক্র্যাশে নিহতদের স্মৃতি এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে গণমানুষের ঐতিহাসিক আন্দোলনকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।”

সংগঠনটি মনে করে, ১১ জুলাই অথবা ২৯ জুলাইয়ের যেকোনো একটি তারিখ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হলে দিবসটি আরো অর্থবহ ও জনসম্পৃক্ত হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে, সংগঠনটি এ বিষয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, রোড ক্র্যাশে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজ এবং সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কর্মরত সংগঠনগুলোর মতামত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন আশা করে, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ পুনর্নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি: প্রয়োজন ৩০ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


ইবি শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি: প্রয়োজন ৩০ লাখ টাকা

জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমাতুজ্জোহুরা। তিনি বর্তমানে বিরল ও জটিল রোগ ‘টাকায়াসু আর্টারাইটিস’-এ আক্রান্ত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩০ লাখ টাকা, যা তাঁর দরিদ্র পরিবার বহন করতে পারছে না।

ফাতেমার বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নে। তাঁর বাবা একজন সাধারণ ভ্যানচালক। মাত্র আট বছর বয়স থেকে অসুস্থতায় ভুগছেন ফাতেমা। কুষ্টিয়া ও রাজশাহীতে দীর্ঘ চিকিৎসার পরও প্রথমে তাঁর রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ২০২০ সালে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে পরীক্ষার মাধ্যমে বিরল এ রোগটি ধরা পড়ে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, টাকায়াসু আর্টারাইটিসের কারণে ফাতেমার শরীরের প্রধান রক্তনালীগুলো সংকুচিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাঁর কিডনিতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী (Renal Artery) মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে, ফলে কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

বর্তমানে ফাতেমার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় চিকিৎসকরা দ্রুত ‘স্টেন্টিং’ ও উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। এজন্য তাঁকে ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে সেখানে চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা।

পড়াশোনা চালিয়ে সুস্থ হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এবং পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখা ফাতেমা আজ জীবনের কঠিন লড়াইয়ে পরাজিত হতে বসেছেন। ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক ও সহপাঠীদের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পারলেও এখন প্রয়োজন বিপুল অর্থ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ল' এন্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, "ফাতেমা দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগছেন। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা তাঁর পরিবারের পক্ষে বহন করা অত্যন্ত কঠিন। আমরা কাছে থেকে দেখছি ফাতেমা অনেক স্ট্রাগল করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। এই কঠিন সময়ে ফাতেমার পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব।"

আবেগপ্লুত কণ্ঠে ফাতেমা বলেন, "আমি বাঁচতে চাই, পড়াশোনা শেষ করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই। দেশবাসীর সামান্য সহযোগিতাই পারে আমাকে নতুন জীবন দিতে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা কারাগার থেকে ২৭ কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


কুমিল্লা কারাগার থেকে ২৭ কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া ২৫ কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৩ দিনে কুমিল্লা কারাগার থেকে মোট ২৭ জন কিশোরকে সেখানে পাঠানো হয়েছে, যাদের মধ্যে অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিও রয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান কালের কণ্ঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শাহ আলম খান জানান, রবিবার সকালে দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিসহ পর্যায়ক্রমে আরও ২৫ কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) গভীর রাত পর্যন্ত ৫ দফায় ২ হাজার ৪২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মাদক ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮৩৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে এক হাজার ২০৯ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।

এদিকে, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, চলমান অভিযানের ফলে কারাগারে বন্দির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। দেড় হাজার বন্দির ধারণক্ষমতার কারাগারটিতে রবিবার সকালে বন্দির সংখ্যা ৩ হাজার ৫০০ জনে পৌঁছেছে। ফলে প্রচণ্ড গরমে বন্দিরা গাদাগাদি করে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লার সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান মন্তব্য করেন, "কষ্ট করে হলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে।" তিনি জানান, কারাগারে চারটি নতুন বহুতল ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। ভবনগুলো চালু হলে বন্দিদের থাকার সমস্যা সমাধান হবে।

এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ড. নাহিদা বেগমের ছেলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে গত ২১ সেপ্টেম্বর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হংকংয়ের জেন-জি গয়না নির্মাতা চাকরি ছেড়ে কোটি ডলারের ব্র্যান্ড গড়লেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


হংকংয়ের জেন-জি গয়না নির্মাতা চাকরি ছেড়ে কোটি ডলারের ব্র্যান্ড গড়লেন

২০২৬ সালের জুলাই মাসে, হংকংয়ের ২৮ বছর বয়সী কোয়ো সং তাঁর বিক্রয় সহযোগী পদ এবং মাসে লাখ ডলারের বেতন ত্যাগ করে প্রেমিক ও ব্যবসায়িক অংশীদার ২৮ বছর বয়সী অ্যাভি বেনিতার সঙ্গে পূর্ণকালীনভাবে বেনালর-এর পরিচালনায় যুক্ত হন। বেনিতাও এই বছর চাকরি ছেড়েছেন। ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বেনালর, মাত্র এক বছরের মধ্যে সাফল্যের সঙ্গে ৩ হাজার থেকে ২০ হাজার হংকং ডলার দামের আংটি, ব্রেসলেট, নেকলেস ও অন্যান্য গয়না বিক্রি করছে।

বেনালরের ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সরল। সব গয়না বিনামূল্যে গ্রাহকের পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তনযোগ্য বা অর্ডার অনুযায়ী তৈরি করা হয়। গ্রাহকেরা নিজেদের পছন্দের নকশা বা প্রাথমিক নকশা দেন, যা সং ও থাইল্যান্ডভিত্তিক কারিগরেরা ত্রিমাত্রিক নকশার মাধ্যমে পরিমার্জন করেন। এরপর, হীরা বসানো খাঁটি সোনা বা প্লাটিনামে হাতে তৈরি করে সারা বিশ্বে পাঠানো হয়। গ্রাহকদের মধ্যে আমেরিকা, হংকং, গুয়াতেমালা ও সুইজারল্যান্ডের ক্রেতারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

গ্রাহকের পছন্দ অনুযায়ী নকশা চূড়ান্ত করতে দুই মাস পর্যন্ত আলোচনা হতে পারে। আজীবন ওয়ারেন্টি, বিনামূল্যে মাপ পরিবর্তন এবং বিনামূল্যে পণ্য পরিবহন সৎ কারুশিল্পের ওপর বেনালরের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

প্রতিষ্ঠানটি ‘সংঘাতমুক্ত হীরা’ ব্যবহারের প্রচারও করে, যেসব হীরা যুদ্ধ বা সহিংসতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেনাবেচা বা সংগ্রহ করা হয় না। অধিকাংশ গয়নায় গবেষণাগারে উৎপাদিত হীরা ব্যবহার করা হয়।

সং বলেন, “রাসায়নিক দিক থেকে পরীক্ষাগারে উৎপাদিত ও প্রাকৃতিক হীরা একই। তাই অনেক নারী ০.২ ক্যারেটের প্রাকৃতিক হীরার বদলে একই দামে চার ক্যারেটের কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত হীরা নিতে চান।”

সং ও বেনিতা প্রথমে পরিবর্তনযোগ্য হিল জুতা এবং ফ্যাশন স্টাইলিং সেবা নিয়ে ভাবছিলেন। পরে তাঁরা বেনিতার পারিবারিক যোগাযোগকে কাজে লাগান। তাঁর বাবা ৩০ বছর ধরে থাইল্যান্ডে বি-টু-বি (ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা) ভিত্তিক গয়না উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত। সং বলেন, “আমরা ভাবলাম, এটিকে বি-টু-সি (ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক) পর্যায়ে নিয়ে গেলে কেমন হয়? আমি যদি শুধু ওই অংশটুকু বাদ দিই, তাহলে আরও ভালো দামে দিতে পারব।”

তিনি আরও বলেন, “তাই আমরা থাইল্যান্ডে উড়ে গেলাম, তাঁকে বসিয়ে বললাম, ‘যা যা জানা দরকার, আমাদের একেবারে শুরু থেকে সব শেখান।”

বেনালর কোনো পণ্য মজুত রাখে না, কারণ প্রতিটি গয়না অর্ডার অনুযায়ী তৈরি হয়। তাদের ই-বাণিজ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেল ভাড়ার খরচও এড়িয়ে যায়। সং ও বেনিতা নিজেরাই প্রাথমিক মূলধন জোগান দেন। তবে দম্পতি হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা কঠিন ছিল।

সং বলেন, “এই ব্যবসা চালাতে গিয়ে একবার আমাদের বিচ্ছেদও হয়েছিল।” পরে, সম্পর্ক পুনর্গঠনের পর তাঁরা ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক কথাবার্তা আলাদা রাখেন। উদাহরণ দিয়ে সং বলেন, “আমি এখন তোমার সঙ্গে আমার প্রেমিক হিসেবে কথা বলছি। অথবা, চল ব্যবসা নিয়ে কথা বলি।” বেনিতা সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ও অর্থায়ন সামলান, আর সং গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিপণন দেখেন। বর্তমানে বেনালরের বার্ষিক আয় ১০ লাখ মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক গ্রাহক বাড়তে থাকলেও সং হংকংয়ে স্থায়ী দোকানের ঝুঁকির বদলে মাঝে মাঝে অস্থায়ী বিক্রয়কেন্দ্র করার পক্ষপাতী। তাঁর ভাষায়, গতানুগতিক চাকরি ছেড়ে দেওয়ার অর্থ পিছিয়ে পড়া নয়, বরং নতুন এবং আরও সৃজনশীল এক ধরনের কঠোর পরিশ্রমের জীবনে প্রবেশ করা।

সূত্র: বঙ্গরামা, ইউটিউব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবিবার পুলিশে ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার রদবদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


রবিবার পুলিশে ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার রদবদল

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তার রদবদল ঘটেছে। এই কর্মকর্তাদের মধ্যে ১২ জন অতিরিক্ত ডিআইজি, ৩ জন পূর্ণ ডিআইজি এবং ৯ জন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তার অন্তর্ভুক্তি রয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তার রদবদল সম্পন্ন হয়েছে। জারি করা এই আদেশ জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%