ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি এবার সুদিনের অপেক্ষায়


ভারতে রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি এবার সুদিনের অপেক্ষায়

ভারতের রাজনীতিতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানকে সুসংহত করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তবে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন, শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়ম এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনার প্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক অসন্তোষ তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে তিনি তরুণদের কাছে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরছেন।

রাহুল গান্ধী ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রপৌত্র এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নাতি। তার বাবা রাজীব গান্ধীও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে রাহুলকে দীর্ঘদিন নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে ৫৬ বছর বয়সে এসে মোদির কঠোর নেতৃত্বকেন্দ্রিক রাজনীতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে নতুন করে নিজের রাজনৈতিক পরিসর তৈরির চেষ্টা করছেন তিনি।

রাহুলের বক্তব্য, "ভারতের নাগরিকদের অধিকার ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।" কলেজে ভর্তির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা বাতিল এবং পরবর্তী ছাত্র আন্দোলনের সময় তার এই বক্তব্য গুরুত্ব পায়। ওই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাও সামনে আসে। এর কিছু সপ্তাহ পর ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ক্ষোভ তৈরি হলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তার সমালোচনা নতুন করে আলোচনায় আসে।

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামো বদলাচ্ছে: বিশ্লেষক

লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক নীরজা চৌধুরী মন্তব্য করেন, সরকারের প্রতি মানুষের অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনার অভাব রাহুলের বক্তব্যকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলছে। তার ভাষায়, এসব কারণে রাহুল এখন আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন।

তবে প্রশ্ন উঠছে, এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি কংগ্রেসকে ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পথে নিতে পারবেন কি না। এর মধ্য দিয়ে বিজেপির দীর্ঘদিনের ক্ষমতাও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক পথচলা সহজ ছিল না। এক দশকের বেশি সময় ধরে তার দল কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী বিজেপির কাছে একের পর এক নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে। একসময় তার বাবা রাজীব গান্ধীর দখলে থাকা আসনেও হেরে যান রাহুল। তার মা সোনিয়া গান্ধীও দীর্ঘদিন কংগ্রেসের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক ভাবমূর্তি বদলাতে দেশজুড়ে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেন রাহুল। ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ নামের ওই কর্মসূচিতে তিনি প্রায় ২ হাজার ৫০০ মাইল পথ পাড়ি দেন। ১৩৬ দিন ধরে চলা এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য ছিল তাকে অভিজাত ও সাধারণ মানুষের জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন নেতা হিসেবে দেখার ধারণা বদলে দেওয়া।

আরও পড়ুন: ভারতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র দুই নেতার আটকাদেশ দুই দিন বৃদ্ধি

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসের আসনসংখ্যা বাড়ে এবং বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। ফলে জোটের ওপর নির্ভর করে সরকার গঠন করতে হয় দলটিকে। ওই নির্বাচনের পর বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পান রাহুল।

এরপরও নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে তিনি বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা অব্যাহত রাখেন। মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় কারসাজি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিহারের নির্বাচন নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ তোলেন।

এক বছর আগে শুরু হওয়া ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার বিষয়টিও সামনে আনেন রাহুল। তার অভিযোগ, এই প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক সুবিধা দিয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নাম বাদ দেওয়ার পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। সমালোচকদের দাবি, এই প্রক্রিয়ায় মুসলিমসহ বিজেপিবিরোধী বলে বিবেচিত বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভোটাররা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

গত সপ্তাহে চেন্নাইয়ের এক জনসভায় রাহুল বলেন, "প্রধানমন্ত্রী মোদি বুঝতে পারছেন না যে তার রাজনৈতিক খেলার সময় শেষ হয়ে আসছে।" তবে ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতারা তার বক্তব্যকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেছেন। তাদের মতে, তরুণদের একাংশের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেলেও এ ধরনের অবস্থান অন্য ভোটারদের দূরে সরিয়ে দিতে পারে।

আরও পড়ুন: মুসলিম বনাম মুসলিম যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে! হাসছে মার্কিন-ইসরাইল

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, কংগ্রেস বড় ধরনের পরাজয়ের দিকে এগোচ্ছে। তার দাবি, নেতিবাচক রাজনীতি দলটির কোনো উপকারে আসবে না।

তরুণদের অভিজ্ঞতা সামনে আনছেন রাহুল

চেন্নাইয়ের জনসভায় তরুণদের মঞ্চে ডেকে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার সুযোগ দেন রাহুল। ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ বা ‘তরুণদের কণ্ঠস্বর’ নামের একটি প্রচারণার অংশ ছিল এই আয়োজন। রাজনৈতিক জবাবদিহি, শিক্ষাব্যবস্থার সংকট ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তরুণদের অসন্তোষ সামনে আনতেই গত জুনে কর্মসূচিটি শুরু করেন তিনি।

সভায় এক তরুণী তার বোনের আত্মহত্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার বোন মেডিকেল কলেজে ভর্তির কঠিন পরীক্ষার চাপের মধ্যে আত্মহত্যা করেছিলেন। আরেক বক্তা মুসলিম ও নারী হিসেবে বৈষম্যের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান

রাহুলের ‘পিতৃতন্ত্র ধ্বংস করো’ স্লোগানটি সভায় উপস্থিত ১৮ বছর বয়সী রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ঋতিকা র‍্যাচেল প্রবীণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তার মতে, ভারতের মতো দেশে পিতৃতন্ত্র ভেঙে দেওয়ার কথা কোনো রাজনৈতিক নেতার মুখে শোনা ছিল নতুন ও উৎসাহব্যঞ্জক অভিজ্ঞতা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক যোগেন্দ্র যাদব, যিনি ২০০৭ সাল থেকে রাহুলকে চেনেন এবং তার সঙ্গে বিভিন্ন প্রচারণায় কাজ করেছেন, তাকে বই ও নতুন ধারণার প্রতি আগ্রহী একজন মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তার মতে, রাহুল কিছুটা লাজুক এবং সহজাত বক্তা নন। ফলে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাকে অনেক ক্ষেত্রে অস্বস্তিতে পড়তে দেখা যায়।

এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় হয়েছেন কংগ্রেস নেতা। সংক্ষিপ্ত ভিডিওতে হাস্যরসের পাশাপাশি রাজনৈতিক বক্তব্য তুলে ধরছেন তিনি। সাধারণ পোশাকের পাশাপাশি ফিটনেস ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে নিজের আরেকটি দিকও সামনে আনছেন।

আগস্টে ইনস্টাগ্রামের ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে নিজের শরীরচর্চার রুটিন সম্পর্কে জানান রাহুল। মার্শাল আর্ট, সাঁতার, দৌড়, শক্তিবর্ধক ব্যায়াম ও যোগব্যায়ামের পাশাপাশি উচ্চ প্রোটিন ও কম শর্করাযুক্ত খাবার গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: সহিংসতা ও নিরাপত্তা শঙ্কায় পাকিস্তানের ইরানের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য স্থগিত

রাজপথের প্রতিবাদে তার অংশগ্রহণের ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জুলাইয়ে বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে মোদির সরকারি বাসভবনের বাইরে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। সে সময় পুলিশ তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে—এমন ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। চলতি মাসেও পুলিশের বাধার মুখে তার প্রতিরোধ এবং ব্যারিকেডের ওপর উঠে পড়ার দৃশ্য আলোচনায় আসে।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির বিশ্লেষক আশুতোষ ভার্শনির মতে, এসব দৃশ্য রাহুলকে মোদি ও বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরতে সহায়তা করেছে। তবে এর মাধ্যমে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে মনে করেন তিনি।

ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির বার্তা নিয়ে এগোচ্ছেন রাহুল।

তরুণদের সমর্থন বাড়ানোর পাশাপাশি বিজেপির হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিপরীতে নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরছেন রাহুল। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ভারতের সংবিধানের একটি কপি হাতে নিয়ে হাজির হওয়ার ঘটনাও তার রাজনৈতিক অবস্থানের অংশ হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ইস্পাতনগরীতে সাধারণ মানুষ জীবন চালাতে হিমশিম খাচ্ছে

তিনি কংগ্রেসের স্বাধীনতাসংগ্রামের ঐতিহ্য সামনে এনে ভারতের সংবিধানে থাকা গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ রক্ষার কথা বলছেন। একই সঙ্গে বিরোধী জোটের দলগুলোকে নিজেদের মতপার্থক্য পাশে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।

নীরজা চৌধুরীর মতে, রাহুল এখন শুধু বিরোধী দলের নেতা নন; মোদির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও তাকে দেখা হচ্ছে। তার ভাষায়, ভারতের রাজনীতিতে লড়াইটি ক্রমেই ‘মোদি বনাম রাহুল’ রূপ নিচ্ছে।

বিরোধী জোটের শরিক একটি দলের নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্যও মনে করেন, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর ক্ষেত্রে কংগ্রেসের জাতীয় পর্যায়ের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, বিজেপি এমনভাবে রাজনৈতিক পরিসর বিস্তৃত করেছে যে পুরো ব্যবস্থার ওপরই দলটির প্রভাব তৈরি হয়েছে।

রাহুলের বক্তব্য, ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও পরিচয়ের ওপর হুমকি তৈরি হয়েছে। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "জনমত, মনস্তাত্ত্বিক লড়াই, আইনি প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক অঙ্গন—বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সংঘাত চলছে।" তার দাবি, কংগ্রেস এসব ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং অগ্রগতি অর্জন করছে।

তরুণদের অসন্তোষকে রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করে রাহুল কতটা সাংগঠনিক শক্তি গড়ে তুলতে পারবেন, তা সময়ই বলে দেবে। তবে তার সাম্প্রতিক তৎপরতায় স্পষ্ট, মোদিবিরোধী রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মকে যুক্ত করাকে তিনি এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কাজ করছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কাজ করছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বেচ্ছায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে রোহিঙ্গারা যেন তাদের দেশে ফিরে যেতে সক্ষম হন, সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে যুক্তরাজ্য।

সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এশিয়া খ্যাত দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সারাহ কুক বলেন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে দীর্ঘ সময় ধরে সহযোগিতা করে আসছে। গত নয় বছরে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৪৬০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পাশে রয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। মিয়ানমারে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করা তাদের লক্ষ্য।

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের সুদৃঢ় অংশীদারিত্ব রয়েছে। যুক্তরাজ্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ বসবাস করেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামগ্রিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।

টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজার আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, কুমুদিনী কমপ্লেক্সে দুর্গাপূজার আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত। এটি তার এখানে তৃতীয়বারের মতো আসা। প্রতিবারই পূজার বর্ণিল আয়োজন, সংগীত, নাচ ও উৎসবের আনন্দ তাকে মুগ্ধ করে। এ উৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে, যেখানে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে আনন্দ উদযাপন করেন। এটি একটি বিশেষ আয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছালে কর্তৃপক্ষ ফুল দিয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে স্বাগত জানায় এবং তিনি কুমুদিনী লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি কুমুদিনী কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে নৌকাযোগে রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপে যান। এ সময় কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ পি.এম


হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ প্রণালিতে ‘নিরাপত্তাহীনতার’ জন্য দায়ী করেছেন। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বর্তমানে শত্রু দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এএফপি থেকে তেহরান জানায়, সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আরাকচি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী (ইসরাইল) চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক অবরোধ আমাদের অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতার প্রধান উৎস।"

তিনি ‘উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির’ নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো সোমবার তেহরানে পৌঁছান ল্যাভরভ। মস্কো সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ী রোববার জানান, ল্যাভরভের সফরে ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি’ নিয়ে আলোচনা হবে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সফরকালে ল্যাভরভের ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তার ইরানি প্রতিপক্ষ আব্বাস আরাকচির সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অভিজ্ঞ এই কূটনীতিক পূর্বে বলেছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা থমকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে মস্কোর প্রচেষ্টা ‘বড় ধরনের যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর’ লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

অক্টোবরের শুরুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পেজেশকিয়ানকে জানান, মস্কো মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে প্রস্তুত। এর পরপরই ল্যাভরভের এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া ও ইরান অন্যতম। দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি এবং জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে শত্রুতা অব্যাহত রয়েছে।

ইরান কৌশলগত এই জলপথের ওপর নিয়ন্ত্রণের দাবি করে আসছে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট হাইড্রোকার্বনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরানের অনুমোদন ছাড়া এই পথ অতিক্রম করা জাহাজগুলোকে দেশটি নিয়মিত লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে।

এর জবাবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে পাল্টা নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ল্যাভরভের সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানের বিরুদ্ধে ‘অবৈধ আগ্রাসনের ফলে সৃষ্ট তীব্র আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনের উপায়’ নিয়ে আলোচনা হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই যুদ্ধ কেবল নিকটপ্রাচ্য ও মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ওপরও আঘাত হেনেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপান ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ পি.এম


জাপান ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জাপান সরকারের প্রায় এক বছরের প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ কর্মসংস্থান সংক্রান্ত একটি নতুন চুক্তি ‘ইএসডিপি-এমওসি’ (মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট) চূড়ান্তভাবে সই করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের পক্ষে বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। মেয়াদ শেষ হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বৃদ্ধি পাবে, ফলে চুক্তিটির মোট মেয়াদ হবে ১০ বছর। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, কর্মী পাঠানো ও গ্রহণের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন, "এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, উচ্চ বেতন ও জাপানে দীর্ঘ মেয়াদে বসবাসের সুযোগ তৈরি হবে।" তিনি আরও বলেন, "চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানের স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।" বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে নারী বিদেশি কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা বা তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। তাই, জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যতামূলক বিধানও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের সময় চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই পক্ষের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওরাবুনিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজায় বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শামসুল হক সুমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​ঝালকাঠি প্রতিনিধি / কাঠালিয়া সংবাদদাতা

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


আওরাবুনিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজায় বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শামসুল হক সুমন

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার ০৬ নম্বর আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও জাতীয়তাবাদী তাঁতি দলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শামসুল হক সুমন।

উৎসবমুখর পরিবেশে তিনি আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ৮টি পূজা মন্দির সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ, পুরোহিত ও স্থানীয় ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক খবরাখবর নেন।

পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মোঃ শামসুল হক সুমন বলেন, "বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল ধরে আমরা সকল ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একে অপরের উৎসবে আনন্দ ভাগাভাগি করে আসছি। দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, এটি সার্বজনীন উৎসব।"

তিনি আরও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, "আমি সবসময় এলাকার আপামর জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। আওরাবুনিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।"

উল্লেখ্য, মোঃ শামসুল হক সুমন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কোতোয়ালি থানা তাঁতি দলের সাবেক সদস্য সচিব, বর্তমান সভাপতি এবং কাঠালিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আসন্ন ০৬ নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ব্যাপক সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

পরিদর্শনকালে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ তাঁর এই আগমন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%