ঝালকাঠি প্রতিনিধি / কাঠালিয়া সংবাদদাতা
০৯:৫৮ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার ০৬ নম্বর আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও জাতীয়তাবাদী তাঁতি দলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শামসুল হক সুমন।
উৎসবমুখর পরিবেশে তিনি আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ৮টি পূজা মন্দির সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ, পুরোহিত ও স্থানীয় ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক খবরাখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মোঃ শামসুল হক সুমন বলেন, "বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল ধরে আমরা সকল ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একে অপরের উৎসবে আনন্দ ভাগাভাগি করে আসছি। দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, এটি সার্বজনীন উৎসব।"
তিনি আরও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, "আমি সবসময় এলাকার আপামর জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। আওরাবুনিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।"
উল্লেখ্য, মোঃ শামসুল হক সুমন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কোতোয়ালি থানা তাঁতি দলের সাবেক সদস্য সচিব, বর্তমান সভাপতি এবং কাঠালিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আসন্ন ০৬ নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ব্যাপক সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
পরিদর্শনকালে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ তাঁর এই আগমন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, দেশে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন যেন আর ফিরে না আসে এবং ধর্মের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা যেন কেউ না করে।
এটি তিনি সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিদের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতের সময় উল্লেখ করেন।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহ্-র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী হারুন ইজহার, মাওলানা মীর ইদরীস নদভি; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিকুল ইসলাম; জাতীয় ইমাম খতীব কাউন্সিলের কো-অর্ডিনেটর মাওলানা ফয়সাল এবং খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।
রাষ্ট্রপতি সাক্ষাৎকালে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আলেম-ওলামাদের ওপর হওয়া অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে তাদের দুঃসহ বন্দিজীবনের স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন, আমরা যেনো ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামি পন্ডিত ও আলেম-ওলেমাদের প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শন করতেন। ইসলামের প্রতি মমতাবোধ থেকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিস্মিল্লাহির্-রাহ্মানির্-রহিম’ সংযোজন করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক একজন ব্যক্তি। তবে ইসলামী মূল্যবোধ ও শরীয়ায় আঘাত আসা এমন কোনো কাজ যাতে কেউ না করে, তা তিনি লক্ষ্য রাখবেন।
প্রতিনিধিদলটি মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও উন্নত দেশ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অনুদান সহায়তা আনার জন্য তাদের আরবী ভাষা ও যোগাযোগের দক্ষতা এবং ব্যক্তিগত সংযোগ কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন। রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মাদ্রাসা ও ফটিকছড়িতে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসা সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সুবিধাজনক সময়ে মাদ্রাসাগুলিতে সফরের এবং হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ভারতের যুব নেতৃত্বাধীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আন্দোলনের দুই নেতার আটকাদেশ সোমবার আরও দুই দিন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নয়াদিল্লির একজন ম্যাজিস্ট্রেট। তাদের পাঁচ দিন আগে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
সিজেপির কর্মী ও বিরোধী দলগুলো ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানকে উপেক্ষা করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন দলকে সুবিধা দিতে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকায় কারসাজি করেছে।
তবে, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কমিশন কোনো অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, সিজেপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা (৩০) ও সৌরভ দাসকে (২৭) শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার থানার সামনে থেকে নীল রঙের একটি পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আন্দোলনের আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি বিচারব্যবস্থাকে নিয়ে চরম প্রহসন।’ পুলিশ এর আগে এক বিবৃতিতে জানায়, ‘বারবার জনশান্তি বিঘ্নিত করার এবং আইন লঙ্ঘনের কথিত চেষ্টার’ অভিযোগে ১৪ অক্টোবর দাস ও রাঙ্কাকে আটক করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য পরিচিত স্থান জন্তর মন্তরে নিরাপত্তাবেষ্টনী টপকে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর পর তাদের আটক করা হয়। পুলিশ ওই স্থানে জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের একই ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করার কথিত চেষ্টাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।’
রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত জন্তর মন্তর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে হলুদ ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। সেখানে নিরাপত্তাকর্মীরাও মোতায়েন রয়েছেন। দিল্লি পুলিশ গত সপ্তাহে জানায়, নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে জন্তর মন্তরের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় এক ব্যবসায়ীর ২০ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনার সাত দিনের মধ্যে চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ।
মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ সোমবার দুপুরে জানায়, রোববার রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর ওই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
এই অভিযানে চার ডাকাতকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি দেশীয় অস্ত্র, ছুরি, বিভিন্ন মালামাল, তিনটি মোটরসাইকেল, ছয়টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৫৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাটিরাঙ্গার বেলছড়ির আমবাগান এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে মো. আলী হোসেন, মৃত নুরুল আলমের ছেলে ইউসুফ মিয়া (নয়ন), আব্দুল হালিমের ছেলে আবু মুছা এবং মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে নোমান ইসলাম রাব্বি।
মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহেদ উদ্দিন জানান, ডাকাতির ঘটনার আসামিদের মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য কার্যক্রম তদন্তাধীন রয়েছে।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ