ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মিসর ফুটবল দলের সঙ্গে মার্কিন পুলিশের সংঘর্ষ


মিসর ফুটবল দলের সঙ্গে মার্কিন পুলিশের সংঘর্ষ

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে মিসর জাতীয় ফুটবল দলের হোটেলের বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মার্কিন পুলিশের সঙ্গে দলের কয়েকজন স্টাফের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দলের পরিচালক ইব্রাহিম হাসান এবং ডালাস পুলিশের এক সদস্যের মধ্যে বাকবিতণ্ডা একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতিতে পরিণত হয়।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে নকআউট পর্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ডালাসে দলের ক্যাম্পের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। হোটেলের সামনে বিপুল সংখ্যক সমর্থক, বিশেষ করে শিশু ভক্তরা খেলোয়াড়দের অটোগ্রাফ ও ছবি নেওয়ার জন্য ভিড় করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য এবং প্রকাশিত ভিডিও অনুযায়ী, নিরাপত্তাকর্মীরা ভিড় সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকলে উত্তেজনা শুরু হয়। এ সময় কোচিং স্টাফ ও নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে দলের পরিচালক ইব্রাহিম হাসান এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত

ভিডিওতে দেখা যায়, এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ইব্রাহিম হাসানের দিকে এগিয়ে গিয়ে তাকে ধাক্কা দেন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও মিসর দলের খেলোয়াড় ও স্টাফরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রায় আধা মিনিট পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের খবরে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় নিরাপত্তা কর্মকর্তা বারবার "পিছিয়ে যাও" বলে সবাইকে পিছিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং কোন গুরুতর আহত হওয়ার খবরও পাওয়া যায়নি।

মিসর দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দ্য ইজিপশিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্টকে জানিয়েছে, সমর্থকদের ভিড় সামলাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হোটেলের বাইরে খেলোয়াড়দের একনজর দেখতে ভক্তদের ভিড় বাড়লে নিরাপত্তাকর্মীরা কঠোর অবস্থান নেন, যা থেকে উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে।

তবে দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনা দলের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের কোন প্রভাব ফেলবে না। মিসর এখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচকে সামনে রেখে নিজেদের অনুশীলনে মনোযোগ দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: শুক্রবার চট্টগ্রামে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে মিসর। এক জয় ও দুই ড্র নিয়ে তারা পরবর্তী ধাপে উঠেছে। এই দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ। গ্রুপ পর্বে তিনি একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন, তবে শেষ ম্যাচে পাওয়া চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

উল্লেখ্য, মিসর এর আগে ১৯৩৪, ১৯৯০ ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেয়, কিন্তু প্রতিবারেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়। এবারের আসরে নকআউট পর্বে ভালো ফলাফল করে নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়েই দলটি এগোচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, ফুটেজ যাচাই করছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


গাজীপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, ফুটেজ যাচাই করছে পুলিশ

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরের নান্দুয়ান এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। জানানো হয়েছে, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির মোড়ল ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরের সময় ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের মহানগরীর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ৩ নম্বর গেট থেকে মিছিল শুরু হয়। নেতাকর্মীরা রাজেন্দ্রপুর বাজার এলাকায় এসে মিছিলটি শেষ করেন। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের সংখ্যা প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন ছিল।

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির মোড়ল মিছিলে স্লোগান দেন। তারা বলেন- শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, তুমি কে, আমি কে—বাঙালি, বাঙালি, মুজিব তোমার স্মরণে, ভয় করিনা মরণে, মুজিব আমার চেতনা, মুজিব আমার বিশ্বাস, শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে মিছিল করেন নিষিদ্ধ সংগঠন গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী।

পরে, একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির মোড়ল উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আজকে গাজীপুরের মাটিতে আপনাদের উপস্থিত হয়ে যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি আজীবন কৃতজ্ঞ। গাজীপুরের মাটিতে একটাই আইন চলবে, সেটি হলো শেখ হাসিনার আইন। আমাকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আমি নাসির মোড়ল শেখ হাসিনার সৈনিক, আমি শেখ হাসিনার কর্মী। এই বাংলাদেশে যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা না আসবেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি—শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে “জয় বাংলা”র বিজয় আমরা ছিনিয়ে আনবই।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, মিছিলের বিষয়টি জানা গেছে এবং বিভিন্ন ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

গাজীপুর জেলা পুলিশের জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, মিছিলটি আমাদের থানা এলাকায় নয়, এটি মেট্রোপলিটন (জিএমপি) এলাকায় হয়েছে। তবে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রহনপুর-আড্ডা সড়কে পুলিশের কঠোর অ্যাকশন: নূরে আলমের যোগদানেই কমলো চুরি-ডাকাতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


রহনপুর-আড্ডা সড়কে পুলিশের কঠোর অ্যাকশন: নূরে আলমের যোগদানেই কমলো চুরি-ডাকাতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানায় নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে নূরে আলমের যোগদানের পর থেকেই উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করেছে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে এক দীর্ঘ সময়ের আতঙ্ক কেটে গিয়ে ফিরে এসেছে স্বস্তি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নূরে আলম গোমস্তাপুর থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অপরাধ দমনে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করেছেন। উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ‘রহনপুর-আড্ডা সড়ক’-এ পুলিশের নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পূর্বে এই সড়কে প্রায়ই ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও, পুলিশের কঠোর নজরদারির কারণে বর্তমানে তা অনেকটাই শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

এ ছাড়া এলাকা থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। চিহ্নিত মাদক কারবারি ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলায় মাদক কেনাবেচা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অনেকটাই কমে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে রাতের বেলা রহনপুর-আড্ডা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে মানুষ রীতিমতো ভয় পেত। কিন্তু এখন নিয়মিত পুলিশি টহলের কারণে নির্ভয়ে যাতায়াত করা যাচ্ছে। নতুন ওসির এই জনবান্ধব ও কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং গোমস্তাপুরকে সম্পূর্ণ অপরাধমুক্ত করতে পুলিশের এই বিশেষ তৎপরতা ও টহল আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। ওসির এমন কার্যকর ও প্রশংসনীয় ভূমিকাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সচেতন মহল ও সর্বস্তরের জনগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নভোএয়ারের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় জরুরি অবতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


নভোএয়ারের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় জরুরি অবতরণ

ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী নভোএয়ারের বিকিউ-৯৩৫ ফ্লাইট যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জরুরি অবতরণ করে। উড্ডয়নের প্রায় ১৫ মিনিট পর এই ত্রুটি ঘটে। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে উঠাতে না পারায়, বিমানটি প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট বাতাসে চক্কর দিয়ে নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করে।

একটি প্রোগ্রামে যোগ দিতে বিমানটিতে যাত্রা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান পরিবহন উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

শুক্রবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে উড্ডয়নকারী নভোএয়ারের বিমানটি ঢাকা ত্যাগ করে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উড্ডয়নের প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে ওপরে উঠছিল না। ক্যাপ্টেন বারবার চেষ্টা করলেও সেটি প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্যাপ্টেন বিমানটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে অবস্থান করার পর, বিমানটি নিরাপদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। হুমায়ুন কবির বলেন, আমি বিমান চলাচল বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই, তবে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে, ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্তটি একেবারেই সঠিক ছিল। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। কিন্তু এসময় বিমানের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশুদের কান্নাকাটি এবং যাত্রীদের উদ্বেগ পরিস্থিতিকে আরো অস্বস্তিকর করে তোলে।

তিনি আরও বলেন, ল্যান্ডিং গিয়ার ওপরে উঠছিল না, তাই ক্যাপ্টেনকে অবতরণের আগে কিছু সময় আকাশে থাকতে হয়েছে। ক্যাপ্টেন ধীরে ধীরে বিমানের গতি কমিয়ে নিরাপদ অবতরণের প্রস্তুতি নেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে, আল্লাহর রহমতে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

এই ঘটনার পর, পুরোনো উড়োজাহাজের ফিটনেস পরীক্ষা আরো কঠোর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলো যে পুরোনো উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে, সেগুলোর ফিটনেস আরো কঠোরভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। নিয়মিত ও কার্যকর ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত না হলে, ভবিষ্যতে আরো গুরুতর দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এটি শুধু বিমান চলাচল নয়, যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবেশীর ঘরে লাগা আগুন নেভাতে গিয়ে উপকারীই এখন মামলার আসামি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


প্রতিবেশীর ঘরে লাগা আগুন নেভাতে গিয়ে উপকারীই এখন মামলার আসামি

মাদারীপুর সদরের চরমুগরিয়া বন্দর এলাকায় পূর্ব শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেশীর ঘরে লাগা আগুন নেভাতে গিয়ে উল্টো সেই আগুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি হয়েছেন এক ব্যবসায়ী, তার ভাই ও সন্তান এবং জেলহাজতে যেতে হয়েছে একজন যুবককে। বুধবার (১ লা জুলাই) দুপুরে এমন তথ্য জানিয়েছেন চরমুগুরিয়া বন্দর এলাকার ভূক্তভোগী ইদ্রিস মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।

ঘটনার বিবরণ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুন রাতে চরমুগরিয়া বাজারের বাসিন্দা আঃ জলিল মোল্লার একটি টিনের ঘরে হঠাৎ আগুন লাগে। উল্লেখ্য, ঘরটি ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন রেন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তি। অগ্নিকাণ্ডের সময় রেন্টু বা তার পরিবারের কেউ তখন ঘরে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল। আঃ জলিল মোল্লার এই টিনের ঘরটির ঠিক পাশে অবস্থিত স্থানীয় ব্যবসায়ী ইদ্রিস মোল্লার একটি বহুতল ফ্ল্যাট বিল্ডিং।

সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে যখন হঠাৎ ঘরটিতে আগুন জ্বলে ওঠে, তখন ইদ্রিস মোল্লা, তার ভাই রফিক মোল্লা, ছেলে আরিফ মোল্লাসহ পরিবারের সদস্যরা এবং আশেপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ঠিক একই সময়ে ইদ্রিস মোল্লার পুত্রবধূ ফায়ার সার্ভিসকে মোবাইলফোনে খবর দেন। পরবর্তীতে মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং তা অন্যান্য বিল্ডিং বা টিনের ঘরগুলোতে ছড়াতে পারেনি। তবে তার আগেই টিনের ঘরটি ও ভেতরের মালামাল পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছিল এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি।

মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের গ্রুপ লিডার অ্যালেক্স রোজারিও এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, প্রাথমিক ধারণামতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়। ঘরের মালিক আঃ জলিল মোল্লা বাদী হয়ে প্রতিবেশী ইদ্রিস মোল্লা, তার ভাই রফিক মোল্লা ও ছেলে আরিফ মোল্লাকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ইদ্রিস মোল্লার ছেলে আরিফ মোল্লা ইতিমধ্যে জেলহাজতে রয়েছেন। ঘটনার কারণে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে তদন্তে গেলে প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী আঃ কাইয়ুম শেখের স্ত্রী সেলিনা আক্তার জানান, ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল, তাই কীভাবে আগুন লেগেছে তা নিশ্চিত বলা সম্ভব নয়। তবে আগুন লাগার পর সবার আগে ইদ্রিস মোল্লা ও তার পরিবারের সদস্যরাই আগুন নেভাতে এগিয়ে আসেন। ইদ্রিস মোল্লার পুত্রবধূ নিজে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন করেন এবং আগুন নেভাতে গিয়ে আহতও হন। অথচ জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার কারণে আজ তাদেরই মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হলো। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ইদ্রিস মোল্লারা যদি সেদিন অতিদ্রুত সবাইকে নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে না পড়তেন, তবে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই পুরো এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারতো। তাছাড়া আগুন ছড়িয়ে পড়লে সবার আগে ক্ষতি হতো ইদ্রিস মোল্লার নিজের বহুতল ভবনের। নিজের ভবনের পাশে কেউ নিজে আগুন লাগাবে—এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। মামলায় ফেঁসে যাওয়া ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই মামলাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা। এই হয়রানিমূলক মামলার কবল থেকে মুক্তি পেতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংবাদকর্মীদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%