রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১০ পি.এম
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অবস্থিত হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার শরীফের পাশে একটি ভাঙা মসজিদ থেকে ঐতিহাসিক পাথর চুরির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ, যারা পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার মো. শহিদুল ইসলাম (৬০), সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার মো. জেলহক (৪৭) এবং মোছা. তুলি পারভীন (৩৬)।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তারা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
তবে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাড়াাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাম জাফর জানিয়েছেন, আটককৃত তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে চুরি হওয়া ঐতিহাসিক পাথর উদ্ধার করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার শরীফের পাশে একটি পুরোনো ভাঙা মসজিদ রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি ঐতিহাসিক পাথর সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে তারা সন্দেহ প্রকাশ করে এবং পরে তিনজনকে আটক করে পুলিশকে অবহিত করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল খালেক, রাশিদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলামসহ অনেকের মতে, মাজার শরীফ ও পুরনো মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সকল স্থাপনা ও প্রত্ন নিদর্শন সংরক্ষণে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন।
এ বিষয়ে হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য ঐক্যের রূপরেখা চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি গঠনের আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শেখ সাজিদুর রহমান। প্রতিটি দল থেকে তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় এই কমিটি।
রোববার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে সাত দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এর আগে সকালে ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত সাত দলের প্রতিটি থেকে পাঁচজন করে প্রতিনিধি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। হেফাজতে ইসলামের আমির ও মহাসচিবের পাশাপাশি ঐক্যের রূপরেখা প্রণয়নে গঠিত উপকমিটির সদস্য এবং সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ নেতারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সাত দলের পক্ষ থেকে পূর্বে প্রদত্ত পৃথক প্রস্তাবগুলো সমন্বয় করে উপকমিটির তৈরি খসড়া রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়। এরপর খসড়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজন সম্পর্কেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা সাতটি দল হলো—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আজকের বৈঠকে সাতটি ইসলামি দলের ঐক্য প্রক্রিয়ায় সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। প্রত্যেক দলের লিখিত ফর্মুলা আলোচনা-পর্যালোচনা করে হেফাজতের আমিরের পরামর্শে একটি খসড়া রূপরেখা সাত দলের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক দল থেকে তিনজন সদস্য নিয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে। হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমান এই লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক থাকবেন। ২২ অক্টোবর লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির মুফতি জসিম উদ্দিন, নায়েবে আমির মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন ইজহার।
দলীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারি মাসউদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালাল উদ্দীন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দীন মুনির, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মুফতি মুছা বিন ইযহার, নায়েবে আমির মাওলানা মুখলেচুর রহমান, নায়েবে আমির শেখ হুসাইন মুহাম্মদ শাহজাহান ইসলামাবাদী, সাংগঠনিক সচিব মাওলানা এনামুল হক কুতুবী, অর্থ সচিব মাওলানা এরশাদ বিন জালাল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসূফী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মহাসচিব মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দি, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মুনির হোসেন কাসেমী, ইসলামী ঐক্যজোটের আমির মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি, মাওলানা আব্দুল কাদের, খেলাফত মজলিশের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজি এবং সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী।
কওমি ঘরানার সাত ইসলামি দলের ঐক্য প্রক্রিয়ার যাত্রা শুরু হয় ১৬ জুলাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৭ : ‘হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এই সেমিনারের আয়োজন করে। এটি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (এনইটিপি) আওতায় অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। এই খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা প্রয়োজন। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।
তিনি আরও বলেন, এই খাতে অনেক মানুষ জড়িত এবং এই সেক্টরকে টিকিয়ে রাখতে আমাদের কাজ করতে হবে। মৎস্য সেক্টরে যারা কাজ করেন, তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সম্পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে সকলের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ স্বাগত বক্তৃতা প্রদান করেন।
সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ) আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম জহীর এবং সহ-সভাপতি এস কে কামরুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মূলপ্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য খাতের ওপর ১৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নির্ভরশীল। ইইউ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য এই সাতটি দেশে রপ্তানির উপস্থিতি রয়েছে।
মৎস্য সেক্টরের জিডিপিতে অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, কৃষিতে অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ, মোট উৎপাদন ৫০ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন এবং মাথাপিছু মাছ গ্রহণ ২৪ দশমিক ৭৪ কেজি।
মোট উৎপাদন ২৩৫ মিলিয়ন টন, জলজ ১০৩ মিলিয়ন টন, সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ ৯২ মিলিয়ন এবং বাণিজ্যিক ১৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশ নিয়ন্ত্রণ করে।
সেমিনারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, মৎস্য সেক্টরের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইসলামীয়া হাসপাতালে হামলা, মারধর, ভাঙচুর, নগদ টাকা চুরি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা নালিশি মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
আজ রোববার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন, কচুয়া থানার করইশ গ্রামের তরিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম এবং গাজী গোলাম মোস্তফা।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কচুয়া বাজারস্থ ইসলামীয়া হাসপাতালের তৃতীয় তলার অফিস কক্ষে অবস্থানকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে সেখানে প্রবেশ করেন। এ সময় বাদীকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ, গালিগালাজ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে কয়েকজন আসামি লোহার রড ও কাঠের আদল দিয়ে বাদীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে বাদী গুরুতর আহত হন এবং অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার ডান বুকের পাঁজরের হাড় ভেঙে যায়।
এছাড়া, আসামিরা হাসপাতালের ক্যাশবাক্স ভেঙে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে যান এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীদের মারধর করে বের করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে হাসপাতালের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আহত বাদী চিকিৎসার জন্য কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে আসামিরা সেখানে গিয়েও তাকে ও তার স্বজনদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। মামলার ক্ষেত্রে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
বাদী ওমর ফারুক মজুমদার জানান, ঘটনার পর থানায় মামলা নিতে বিলম্ব হওয়ায় তিনি আদালতের আশ্রয় নেন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দী পরীক্ষা করেন। একই সঙ্গে বাদীর দাখিল করা জখমের সনদ পর্যালোচনা করেন আদালত।
সাক্ষীদের জবানবন্দী ও জখমী সনদসহ উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশুলিয়ার শ্রীপুরে মাদ্রাসা ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ ও মার্কেট দখল করার উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা এ সময় মাদ্রাসায় থাকা নগদ অর্থ লুট করে এবং সিসিটিভি কন্ট্রোলার নিয়ে যায়।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকার তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসা এবং আশিয়া আশরাফ মহিলা মাদ্রাসায় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকেলের সময় প্রধান ফটক দিয়ে শতাধিক ব্যক্তি হেলমেট পরে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি হাতে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। তারা বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর করে। এ সময় খবর দেওয়ার পর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে দুর্বৃত্তরা টাকা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা দাবিদার লিটন গাজী জানিয়েছেন, ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে একটি গ্রুপ হামলা চালিয়েছে। হামলার সময় ক্যাশে থাকা নগদ অর্থ, সিসিটিভি ক্যামেরার কন্ট্রোলার, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ নিয়ে যায়। এছাড়া বিভিন্ন কক্ষ, আসবাবপত্র, কম্পিউটার ও গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।তিনি আরও বলেন, হাসান, হুমায়ুন এবং জাকির পুরো মাদ্রাসায় হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ডের বিষয়ে কোনো ঝামেলা নেই, কারণ সেটিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পুলিশকে দিয়ে ভুয়া বা মিথ্যা মামলা করিয়ে এই অপকর্ম ও হামলা ঘটানো হয়েছে।মাদ্রাসাটির উপ-পরিচালক সৈয়দ সানজিদ জানান, সন্ত্রাসীরা তাদের মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে এবং তারা সন্ত্রাসীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে ঢাকায় একটি মিটিংয়ে আছেন। তিনি খবর পেয়েছেন যে দারুল ইহসান ট্রাস্টের আওতাধীন মাদ্রাসায় একটি ঝামেলা বা সংঘর্ষ চলছে। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে এই ঝামেলা হতে পারে, কিন্তু গুলির মতো কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ