১১:১৫ পি.এম
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার (বর্তমান বাঙরা উপজেলা) শিক্ষা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে অন্যতম পথিকৃৎ আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক (বিকম) আর আমাদের মাঝে নেই। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৯ বছর।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় তার প্রতিষ্ঠিত বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক ১৯৩৭ সালের ৩০ নভেম্বর মুরাদনগর উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের একটি সম্মানিত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৭০ সালে তিনি বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৯৮৫ সালে বিষ্ণুপুর রহমানীয়া সাঈদীয়া মুকবুলিয়া এবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ‘দীনিয়া মাদ্রাসা’ নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: চরফ্যাশনে লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ
দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে আজ বহু শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এলাকার মানুষ তার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
মরহুম আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক তিন ছেলে ও দুই মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য শুভাকাঙ্খী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে ড. মাহবুবুর রাজ্জাক এবং তার স্ত্রী ড. সৈয়দা রাজিয়া সুলতানা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক। মেজো ছেলে মাকসুদুর রাজ্জাক ব্যবসায়ী এবং তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার লায়লা কলেজ শিক্ষক, ছোট ছেলে মাহফুজুর রাজ্জাক। দুই মেয়ে হলেন বিলকিস আক্তার ও কামরুননাহার। তার মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন