ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কুড়িগ্রাম সীমান্তের শূন্য রেখায় বাকশূন্য ৯ জনের অনিশ্চয়তার জীবন


কুড়িগ্রাম সীমান্তের শূন্য রেখায় বাকশূন্য ৯ জনের অনিশ্চয়তার জীবন

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্ত পয়েন্টে কাঁটাতারের বাইরে, শূন্যরেখায় তিন দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন পুশইনের শিকার ৯ বাংলাদেশি নাগরিক। অভিযোগ উঠেছে যে, রোববার (১৪ জুন) ভোররাত ৪টার দিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ভুন্দুর সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা শূন্যরেখায় আটকা পড়েছেন।

পুশইনের সময় ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় নারী ও শিশুরা চরম আতঙ্কে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একদিকে কাঁটাতারের বেড়া এবং অন্য দিকে শূন্যরেখা, দুই পক্ষের ঠেলাঠেলির মধ্যে এসব অসহায় মানুষগুলো সময় কাটাচ্ছে।

গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থানরত ছয়জনের মধ্যে সন্তানসহ রয়েছেন দুই শিশুর পাশাপাশি এক নারী এবং দুই পুরুষ। তাদের একজন সুমি আক্তার জানান, “তিন দিন ধরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে এখানে পড়ে আছি। আমার কোলে ছয় মাস বয়সী একটি শিশু এবং সঙ্গে চার বছরের আরেকটি সন্তান রয়েছে। খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানি নেই, মাথার ওপর কোনো ছাদও নেই। বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে, কিছুই খাওয়াতে পারছি না। স্থানীয়রা মাঝে মাঝে বিস্কুট ও রুটি দিচ্ছেন, তা দিয়েই কোনোরকম দিন পার করছি।”

আরও পড়ুন: বাঘা ও চারঘাটে ট্যাপেন্টাডল ও এস্কাফসহ গ্রেপ্তার ৩

তিনি আরও জানান, প্রায় ২৭ দিন আগে বাবা-মাসহ কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের ধরে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে।

সুমির স্বামী বেলাল বলেন, “ছোট ছোট সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে আছি। এখানে পানি নেই, শৌচাগার নেই। দিনের প্রচণ্ড গরমে দুই শিশুই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জীবনে বড় ভুল করেছি। বেঁচে থাকলে আর কখনো এমন কাজ করব না। আমাদের বাঁচান।”

গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিরা দাবি করেন, তারা ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামের বাসিন্দা।

এদিকে রোববার(১৪জুন) সকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বিএসএফ পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করায় কোনো সমাধান ছাড়া বৈঠক শেষ হয়। বিজিবি শূন্যরেখায় অবস্থানরত ৯ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানালেও তিন দিন পেরিয়ে গেলেও বিএসএফ তাদের গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন: নওগাঁ সদর মডেল থানার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি

স্থানীয় বাসিন্দা ছক্কু মিয়া বলেন, “তিন দিন ধরে দুই দেশের কেউই তাদের দায়িত্ব নিচ্ছে না। নারী ও শিশুসহ তারা চরম ঝুঁকির মধ্যে দিন-রাত কাটাচ্ছে। মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত বিষয়টির সমাধান হওয়া প্রয়োজন।”

শৌলমারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোনা মিয়া বলেন, “কোলের শিশুসহ মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে খুব কষ্টে আছে। গরমে শিশুরা কান্নাকাটি করছে। পর্যাপ্ত খাবার, পানি কিংবা টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। রাতে সাপ-বিচ্ছুর ভয়, মশার উপদ্রবও রয়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে শিশুদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।”

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

আরও পড়ুন: রাজধানীর আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে কালিয়াকৈর পৌরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে কালিয়াকৈর পৌরবাসী

গাজীপুরের কালিয়াকৈর, যা দেশের প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে পরিচিত, তথাপি এখানে এরকম শর্তে অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পানি নিষ্কাশনের সংকটের কারণে পৌরবাসীর দুর্ভোগ যেন শেষ হচ্ছে না। সোমবার (১৫ জুন) রাত থেকে শুরু হওয়া অতিবৃষ্টি পুরো পৌরসভাকে পানিবন্দি করে ফেলেছে। জলাবদ্ধতার কারণে অনেক শিল্পকারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে এবং জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃষ্টিতে অসংখ্য সড়ক, বাসাবাড়ি ও দোকানপাট তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পানি কোমরসমান উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। মাত্র দুই ঘণ্টার বৃষ্টির পরিাবেশেই এমন পরিণতি এসেছে।

জানা যায়, ২০০১ সালে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠন করা প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস করছে। এখানে প্রায় তিন শতাধিক শিল্প-কারখানাও রয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে পৌরসভাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে পৌরবাসীরা প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলছেন। তারা বলছেন, এই গাফিলতির কারণে জলাবদ্ধতা প্রকট হয়ে উঠেছে।

ভোর থেকে টানা দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সংলগ্ন পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও বিশ্বাসপাড়াসহ আশপাশের বাজার এলাকার বসতবাড়ি এবং বিপণিবিতান পানিতে তলিয়ে যায়। সড়ক ডুবে যাওয়ার ফলে শ্রমিকরা কাজে যোগদান করতে না পারায় বেশ কিছু পোশাক কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে কর্তৃপক্ষের দ্বারা।

অন্যদিকে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডাইনকিনি, হরতকিতলা ও মাইওয়ান মোড়ের প্রধান সড়ক, দোকানপাট এবং স্কুল পানিতে ডুবে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের মূল্যবান মালামাল নষ্ট হয়েছে। কিছু এলাকায় ড্রেনের পানির সঙ্গে ডাইং কারখানার দূষিত বর্জ্য মিশে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করেছে।

৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহিদ বলেন, “ভোরে বৃষ্টি শুরু হওয়া মাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু মিনিটের মধ্যে ঘরের সামনে পানি চলে আসে। বাজার করা বা রান্নার সুযোগ নেই, অফিসে যেতেও পারছিনা। বছরে একাধিকবার এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছি কিন্তু স্থায়ী সমাধানে কিছুই দেখা যাচ্ছে না।”

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.এইচ.এম. ফখরুল হোসাইন বলেন, "ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কারো গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যানের সুইচে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারী ইউপি সদস্যের মৃত্যু”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যানের সুইচে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারী ইউপি সদস্যের মৃত্যু”

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একটি ফ‍্যানের সুইচ দেওয়ার সময় বিদ‍্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রুমানা বেগম কমলা (৩৮) নামের এক নারী ইউপি সদস‍্যের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ওই নারী ইউপি সদস‍্য উপজেলার আন্ধারিঝাড় ইউনিয়নের চর ধাউরারকুটি গ্রামের মুকুল হোসেন চকলেট'র স্ত্রী। তিনি ওই ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের সদস‍্য ছিলেন। পরিবারের বরাত দিয়ে ইউপি সদস‍্য আব্দুর রাজ্জাক জানান, সোমবার দুপুরে ওই নারী ইউপি সদস্য নিজ ঘরে ফ‍্যানের সুইচ দিতে গিয়ে হাতের আঙ্গুল সুইচ বোর্ডে আটকে যায়। এর ফলে তিনি বিদ‍্যুতায়িত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আন্ধারিঝাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাবেদ আলী মন্ডল ঘটনাটির সত‍্যতা নিশ্চিত করেছেন। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানিয়েছেন, আমি জরুরি কাজে কুড়িগ্রামে আছি। বিষয়টি জানা নেই, তবে আমি খোঁজ নিচ্ছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ চলাকালেই নিয়ম পরিবর্তনে বাধ্য হলো ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


বিশ্বকাপ চলাকালেই নিয়ম পরিবর্তনে বাধ্য হলো ফিফা

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ মাঠে মাত্র ৫ দিন আগে গড়িয়েছে। এর মধ্যেই ফুটবলারদের কথা বলার বিষয়ে নিয়ম পরিবর্তনে বাধ্য হলো বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)।

যখন কোন ফুটবলার স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলছেন, তখন মুহূর্তের মধ্যে তাকে থামিয়ে ইংলিশ ভাষায় কথা বলার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। আশরাফ হাকিমি, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বকাপে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

যখনই কোনো সাংবাদিক স্প্যানিশ ভাষায় প্রশ্ন করেছেন এবং খেলোয়াড়রা সেই ভাষায় দ্বিধা ছাড়াই উত্তর দিতে চেয়েছেন, তখনই দায়িত্বে থাকা কেউ না কেউ এসে স্প্যানিশে কথা বলা বন্ধ করতে বাধ্য করেছেন।

বিশ্বকাপের এই নিয়ম নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কয়েক দিনে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ফিফাকে এই সমস্যার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতেই হলো।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’র প্রতিবেদন অনুসারে, ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাংবাদিক, খেলোয়াড় এবং কোচদের স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলার অনুমতি দেবে। এর পাশাপাশি, সব গণমাধ্যমের কাজ সহজ করতে ইতিমধ্যে প্রতি সংবাদ সম্মেলনে একজন করে স্প্যানিশ অনুবাদক (ট্রান্সলেটর) রাখবে ফিফা। এছাড়া, ফিফার নিজস্ব অ্যাপেও স্প্যানিশ থেকে অনুবাদের ফিচারটি চালু হবে।

মেক্সিকোর প্রতি সম্মান ও সৌজন্য প্রদর্শন করেই ফিফা এখন থেকে সব সংবাদ সম্মেলনে স্প্যানিশ ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

এর আগে নিয়মটি কেবল তখনই প্রযোজ্য ছিল, যখন ম্যাচ সংশ্লিষ্ট কোনো দলের মূল ভাষা ছিল স্প্যানিশ। উদাহরণস্বরূপ, ব্রাজিল বনাম মরক্কো ম্যাচে পর্তুগিজ, আরবি, ফ্রেঞ্চ ও ইতালিয়ান (কোচ আনচেলত্তির কারণে) ভাষায় কথা বলার সুযোগ ছিল।

এই নিয়মটি হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হবে না এবং পুরোপুরি চালু হতে দুই-একটি ম্যাচ লাগতে পারে। তবে এটা স্পষ্ট যে তীব্র সমালোচনার মুখে ফিফা ইতিমধ্যেই নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আটোয়ারীর দোহসুহ দাখিল মাদরাসায় জরাজির্ণ কক্ষে পাঠদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


আটোয়ারীর দোহসুহ দাখিল মাদরাসায় জরাজির্ণ কক্ষে পাঠদান

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলাধীন বলরামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দোহসুহ দাখিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে উল্লেখযোগ্য সরকারীভাবে কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। এদিকে, যতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজস্ব অর্থায়নে করা হয়েছে। ফলে, কোনরকমে জরাজির্ণ কক্ষগুলোতে বহু বছর ধরে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি, সুপার সহ শিক্ষকদের বসার অফিস কক্ষটিও একেবারে খুব ছোট। মাদরাসাটি ১৯৮০ খ্রিঃ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এমপিও ভুক্ত হয় ১৯৯৪ খৃষ্টাব্দে। বর্তমানে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য ১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। তবে, প্রায় পাঁচ জনের অধিক পদ শূন্য থাকায় পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ওই মাদরাসার সুপার মোঃ আমিরুল ইসলাম বিপ্লব অভিযোগের সুরে বলেন, বিগত কোন সরকারই এই প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য কোন উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়নি। আমরা যতটুকু পেরেছি, তা দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি ধরে রেখেছি। দোহসুহ দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ ইউনুস আলী খান বলেন, প্রতিবছর এই মাদরাসার শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় ভালো ফলাফল অর্জন করে থাকে। এছাড়াও, জাতীয় নির্বাচনে দোহসুহ মাদরাসা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একইসাথে, মাদরাসা আসার মূল সড়কটি আজও পাঁকা হয়নি। ফলে, শিক্ষার্থীদের মাদরাসায় আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে এবং নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফুল কবির মোঃ কামরুল হাসান জানান, উপজেলার উন্নয়ন প্রকল্পে দোহসুহ দাখিল মাদরাসার নাম তালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে। আশা করি, খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু হবে। এলাকার সুধী মহল মনে করেন, মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রাস্তাটি দ্রুত পাঁকাকরণ এখন সময়ের দাবী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%