০২:২৪ পি.এম
ইউক্রেনের ‘বৃহৎ’ ড্রোন হামলা চালানোর ফলে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একজন নিহত হয়েছেন এবং অপর একজন আহত হয়েছেন। এ হামলার ফলস্বরূপ একটি তেল শোধনাগারে আগুন ধরে গেছে।
এ তথ্য সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গভর্নর রোববার প্রকাশ করেছেন।
ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ জানান, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরানের ৩০টি উড়োজাহাজ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ধ্বংস
মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছে।
গভর্নর টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘ক্রাসনোদার অঞ্চল শত্রুপক্ষের ব্যাপক ড্রোন হামলার শিকার হয়ে দুঃখজনকভাবে একজন নিহত হয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, এই হামলায় একজন আহত হয়েছেন, এবং ঘটনাস্থলে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।
কন্দ্রাতিয়েভ যোগ করেন, ‘শহরের একটি তেল শোধনাগারেও আগুন লেগেছে। তাছাড়া একটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ও একটি গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
আরও পড়ুন: স্পেনে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় চারজনের মৃত্যু, হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার স্লাভিয়ানস্ক-অন-কুবান অয়েল রিফাইনারি স্লাভিয়ানস্ক ইকো গ্রুপের মালিকানাধীন, যা রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়া উপদ্বীপের নিকটে অবস্থিত।
এর আগে ইউক্রেন একাধিকবার এ স্থাপনায় হামলা করেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মস্কোসহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে মোট ২১৩টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইউক্রেন ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাঁচদিনের ছুটিতে বাড়ির দিকে ছুটছে মানুষ
সাম্প্রতিক মাসে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য মস্কোর আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করতে এ ধরনের হামলা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে কিয়েভের পক্ষ থেকে।
অন্যদিকে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় হামলা শুরুর পর থেকে রাশিয়া প্রায় প্রতিদিনই ইউক্রেনে আক্রমণ চালিয়ে আসছে।
এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বলে বিবেচিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: তেল ছড়িয়ে পড়ার ১৩ বছর পরও মেক্সিকো উপসাগরে সামুদ্রিক প্রাণীর সংখ্যা বিপর্যস্ত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন