বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৭ পি.এম
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা কেবল জনগণের প্রতি। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সাংবাদিকদের স্বাধীন, সত্যনিষ্ঠ ও ন্যায়নিষ্ঠ হতে হবে। সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের একমাত্র উপায় হলো জনগণের প্রতি যে দায়, তার প্রতি নিষ্ঠাবান থাকা এবং অসত্য না লেখা।’
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য ‘সাংবাদিকতা, ভিডিও সাংবাদিকতা ও মোবাইল সাংবাদিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারি চাকরিজীবীদের বিশেষ প্রণোদনা বাতিল হচ্ছে। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রওনক জাহান।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান) ড. মো. মারুফ নাওয়াজের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ প্রকৌশল) পারভীন সুলতানা রাব্বী, উপপরিচালক (বেতার অনুষ্ঠান) মো. আবুজার গাফফারীসহ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা।
কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন ঘটনা ও তথ্য সংগ্রহ করে তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ বা প্রচার করার একটি প্রক্রিয়া। সাংবাদিকের প্রধান কাজ হলো তথ্যগুলো সঠিক ও নির্ভুল কি না, তা যাচাই করা।
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতার উদ্দেশ্য হলো জনগণকে দেশের এবং বিশ্বের সঠিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করা। সমাজে ঘটা অন্যায় বা অনিয়ম তুলে ধরে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং মানুষের বিবেক ও সচেতনতা বাড়ানো।’
সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা করা। যা সত্য, তা-ই তুলে ধরা। কারণ সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণে সাংবাদিকতা হয় না।’
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা একজন সাংবাদিককে সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে।’
ভালো সাংবাদিক হওয়ার জন্য বই ও পত্রিকা পড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার ওপর লেখা বই সংগ্রহ করে নিয়মিত পাঠ ও অনুশীলন করতে হবে। জানার জন্য পড়ালেখার বিকল্প নেই।’
সাংবাদিকদের ‘জাতির বিবেক’ বলা হয় উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘বিবেকের সঙ্গে প্রতারণা করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই দলদাসে পরিণত হওয়া যাবে না। জনগণ দাসত্বের সাংবাদিকতাকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। তাই তাদের ‘পেট ডগ’ বা পোষা কুকুরে পরিণত হওয়া যাবে না। থাকতে হবে সমাজের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায়।’
সংবাদপত্রকে ‘নিউজপেপার ইজ দ্য পিপলস পার্লামেন্ট অলওয়েজ ইন সেশন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবাদপত্রই জনগণের সংসদ, যার অধিবেশন সর্বদা চলমান।
কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘এখানে আমরা সাংবাদিকরা হলাম শিক্ষার্থী, পরীক্ষা দিই। আর আমাদের খাতা দেখেন, আমাদের পরীক্ষা নেন দেশের ১৮ কোটি মানুষ। আমরা কি ভুল লিখেছি, কি সত্য লিখেছি, কি মিথ্যা লিখেছি, লেখাটা বস্তুনিষ্ঠ কি না সেটাও কিন্তু জনগণ প্রতিদিন আমাদের পরীক্ষা করেন। তাই আমাদের দায়িত্ববোধ অনেক বেশি।’
অনলাইন সাংবাদিকতা প্রসঙ্গে বাসসের প্রধান সম্পাদক বলেন, ‘অনলাইন সাংবাদিকতা অনেকটা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্যাটিংয়ের মতো। শুরুতেই খেলার সুতা ধরতে জানতে হবে। প্রথম ওভারে না হোক, অন্তত পাওয়ার প্লেতে ভালো রান করতে হবে।’
তিনি বলেন, প্রথম ওভার বলতে তিনি ব্রেকিং নিউজ এবং পাওয়ার প্লে বলতে এর ফলো-আপ অথবা বিশ্লেষণের কথা বলেছেন।
অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ‘সবার আগে সঠিক সংবাদ’ এই নীতি মেনে চলতে হবে উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘সবার আগে সংবাদ দিতে হবে, আবার সঠিক সংবাদও দিতে হবে। সবার আগে দিতে গিয়ে মিথ্যা, অর্ধসত্য বা অর্ধমিথ্যা সংবাদ দেওয়া যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) -এর চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানকালে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, মশার কয়েল, নেশাজাতীয় সিরাপ, মদ, রসুন প্রভৃতি মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
আজ বুধবার সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ভোমরা, চান্দুড়িয়া ও ঝাঁউডাঙ্গা বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফলমোড় নামক স্থান হতে ভারতীয় মদ, বাংলাদেশী রসুন ও মশার কয়েল জব্দ করে। এছাড়া, চান্দুড়িয়া বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার কাটাখালি নামক স্থান হতে ভারতীয় নেশাজাতীয় উইনকেরেক্স কফ সিরাপ এবং ঝাঁউডাঙ্গা ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হরিণামোড় নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে। জব্দকৃত মালামালের সর্বমোট বাজার মূল্য আনুমানিক তিনলাখ চারহাজার ছয়শ’ টাকা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি’র সাতক্ষীরা ব্যাটেলিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল কাস্টমসে জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরী করে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের নিমিত্তে বিজিবি ষ্টোরে জমা রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী এলাকায় এক মেয়ে শিশু দুই হাত ও দুই পায়ে মোট ২৮টি আঙুল নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। শিশুটির ঠোঁট কাটা রয়েছে, তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, এটি চিন্তার কোনো বিষয় নয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার মালিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম ও লিজা বেগমের প্রথম সন্তান হিসেবে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়।
শিশুটির বর্তমান অবস্থান তার বাবা-মায়ের বাড়িতে। জন্মের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে দেখতে ভিড় করছেন। স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ জানিয়েছেন, তারা এর আগে এ ধরনের শিশুর জন্ম দেখেননি।
স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন মন্তব্য করেছেন, ‘সাধারণত একটি শিশুর হাতে-পায়ে মোট ২০টি আঙুল থাকে। কিন্তু এই শিশুটির মোট ২৮টি আঙুল। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে। তবে তার ঠোঁটে সামান্য কাটা রয়েছে। এটি আল্লাহ তাআলার নিদর্শন ও সৃষ্টি। এ সৃষ্টিতে কারো হাত নেই। শিশুটির পরিবারও এ নিয়ে সন্তুষ্ট রয়েছে।’
অন্য এক স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, ‘আরিফুল ইসলামের প্রথম সন্তান হিসেবে মেয়ে শিশুটির জন্ম হয়েছে। আমাদের এলাকায় এ ধরনের শিশুর জন্ম এর আগে দেখিনি। জীবনে এটাই প্রথম দেখলাম।’
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘শিশুটির দুই হাত ও দুই পায়ে মোট ২৮টি আঙুল রয়েছে। এমন শিশু জীবনে কখনো দেখিনি। এই প্রথম দেখলাম।’
শিশুটির মা লিজা বেগম জানিয়েছেন, আল্লাহ যেভাবে দিয়েছেন তাতেই তিনি খুশি, সন্তান সুস্থ আছে এটাই তার কাছে বড় পাওয়া।
শিশুটির বাবা আরিফুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার একটি মেয়ে সন্তান হয়েছে। সাধারণত বাচ্চাদের ২০টি আঙুল থাকে, কিন্তু আমার মেয়ের ২৮টি আঙুল হয়েছে। তারপরও আমরা সন্তুষ্ট। এ নিয়ে আমাদের কোনো মন খারাপ নেই।’
ফুলবাড়ী উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান জানিয়েছেন, তারা শিশুটির সম্পর্কে অবগত, মা ও শিশু সুস্থ আছে। ২৮টি আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া চিন্তার কোনো বিষয় নয়, চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারা এখনো আমাদের কাছে আসেনি। আমাদের কাছে এলে আমরা সঠিক পরামর্শ দেব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গুম হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা মো. আলামিনের মা জেসমিন বেগম দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন। জেসমিন বেগমের অসুস্থতার খবর জানার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন জেসমিন বেগমের খোঁজ নিতে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আলামিনের বাসায় গিয়ে উপস্থিত হয়। প্রতিনিধিদলটি জেসমিন বেগমের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেয়, তার চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা করে এবং প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেয়।
এ সময় সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমেদ এবং ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়েছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম। এই সময় তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। তবে বাইরে কিছু স্বাস্থ্যকর্মীকে গল্প করতে দেখা যায় এই সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তার উপস্থিতির খবর শুনে ছুটে আসেন ওই ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হাসান আল মামুন। তিনি উপস্থিত থাকলেও তার কাছে চাবি ছিল না। পরে এমপি কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে তালা ভেঙে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেন।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক বা মেডিক্যাল অফিসারকে পাওয়া যায়নি। মরিচাধরা গেট দেখে তার মনে হয়েছে, তালা অনেক বছর আগে লাগানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি অনেক সময় অপেক্ষা করে এক পাশের দেয়াল টপকে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করি।”
তিনি আরও বলেন, “এখানে কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নেই, চিকিৎসক নেই, মেডিক্যাল অফিসারও নেই। কয়েকজন কর্মচারীকে ভেতরে বসে গল্প ও আড্ডা দিতে দেখা গেছে। এলাকাটি একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এখানকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া জরুরি। উপজেলা ও জেলা শহরে গিয়ে চিকিৎসাসেবা নেওয়াও তাদের জন্য কষ্টসাধ্য। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালুর বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হাসান আল মামুন বলেন, “তাড়াহুড়া করে আসায় ভুলে চাবি নিয়ে আসতে পারেননি।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ জানান, “স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাঁচটি পদের বিপরীতে বর্তমানে একজনও কর্মরত নেই। কয়েকজন মাঠকর্মী মাঠে যাওয়ার আগে সেখানে মিটিং করেন। হঠাৎ এমপি সেখানে যাওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি হয়েছে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ