ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অস্ট্রেলিয়ায় জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্ব গঠন


অস্ট্রেলিয়ায় জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্ব গঠন

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত জগন্নাথ হলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া (জেএইচএএএ) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেটি শনিবার টুংগ্যাবি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভায় গঠিত হয়।

সভায় সংগঠনের বিগত এক বছরের কার্যক্রমের পর্যালোচনা, বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন, আর্থিক বিবরণী অনুমোদন এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বিদায়ী কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এই প্রতিবেদনে গত বছরের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংগঠনিক বিভিন্ন কার্যক্রম উল্লেখ করা হয়, যার পাশাপাশি আর্থিক হিসাব এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এরপর উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিতে প্রতিবেদনটি অনুমোদিত হয়।

আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনের পর ইরান আক্রমণের নতুন পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ফলে কাজল রায় সভাপতি, ড. সুভাষ চন্দ্র সাহা সহ-সভাপতি, গৌতম দাস (মিঠু) সাধারণ সম্পাদক এবং মলয় সাহা কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হন।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নিকেশ নাগ, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, ড. সজল রায় ও আকাশ কর।

নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. সমীর সরকার। তিনি সহকারী নির্বাচন কমিশনার পঙ্কজ বাড়ৈর সহযোগিতা পেয়েছিলেন।

সভায় উপস্থিত সদস্যরা নবনির্বাচিত কমিটিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া আরও শক্তিশালী এবং গতিশীল সংগঠন হিসেবে প্রবাসী জগন্নাথ হলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য, বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে।

আরও পড়ুন: যে পাপ করেছি, তার মাসুল এখন দিতে হচ্ছে: রুমিন ফারহানা

পাশাপাশি সংগঠনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং সেবামূলক কর্মকাণ্ডকে আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা সংগঠনের উন্নয়নে সব সদস্যের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন এবং একটি আরও সমৃদ্ধ, ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাস্পিয়ান সাগরে প্রাণঘাতী জাহাজ হামলা, ইউক্রেনকে দায়ী করল তেহরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০২ পি.এম


কাস্পিয়ান সাগরে প্রাণঘাতী জাহাজ হামলা, ইউক্রেনকে দায়ী করল তেহরান

ঢাকা, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : ইরান শনিবার ইউক্রেনকে দায়ী করেছে কাস্পিয়ান সাগরে দেশটির একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে একজন নাবিককে হত্যা এবং অপর একজনকে আহত করার জন্য। তেহরান একই সাথে এ ঘটনার জবাব দেওয়ার জন্যও সতর্কবার্তা প্রদান করেছে।

এই অভিযোগের সুত্রপাত ঘটেছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একটি উল্লেখযোগ্য ঘোষণার পর, যেখানে তিনি কাস্পিয়ান সাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক মালামাল বহনকারী জাহাজে দূরপাল্লার হামলার কথা জানান। ইরানের এই অভিযোগ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সংঘাত সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, শনিবার সকালে ওই হামলার ফলে জাহাজটিতে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন নাবিক নিহত ও অপর একজন আহত হন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ‘রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাতে কখনোই হস্তক্ষেপ করেনি।’

উল্লেখ্য, শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী কাস্পিয়ান সাগরে দূরপাল্লার হামলায় ‘খুবই শক্তিশালী সাফল্য’ অর্জন করেছে। এতে ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজ এবং একটি যুদ্ধজাহাজও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অপরদিকে, ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ টেলিগ্রামে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সব মালবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা পরিচালিত হয়েছে, যেগুলো ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক মালামাল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে এ ‘বৈরী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদ জানাতে।

ইরনা আরও জানাচ্ছে যে, এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এ হামলার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘কঠোর জবাব’ দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহী চীন, সমঝোতার উদ্যোগ সামিটের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৫ পি.এম


ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহী চীন, সমঝোতার উদ্যোগ সামিটের

দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) মধ্যে একটিতে ত্রুটি বোঝার কারণে দেশে তীব্র গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করার কাজে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি একাধিক প্রতিষ্ঠান এ প্রকল্পে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আলোচনা চলছে চীনের চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিএনইই) এবং দেশের সামিট গ্রুপের সঙ্গে।

যুগান্তরের প্রতিবেদনে জানা যায়, তৃতীয় এফএসআরইউ স্থাপনের ব্যাপারে সিএনইইর একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছে। চলতি সপ্তাহেই তারা জ্বালানি বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

এই সময়ে সামিট গ্রুপও বাতিল হওয়া চুক্তি পুনর্বহালের জন্য সরকারের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা শুরু করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রচলিত প্রক্রিয়ার বাইরে বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে জোর তৎপরতা চলছে।

সূত্র জানায়, তৃতীয় এফএসআরইউ নিয়ে আগের চুক্তি বাতিলের পর সরকারকে সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছে সামিট গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি বাতিল ঘটনার পর তারা হাইকোর্টে বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করেছে এবং মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে।

সামিটের ঘনিষ্ঠরা মনে করেন, বিএনপি সরকার চাইলে আদালতের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান সম্ভব। তবে জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাবে এখনো তেমন আগ্রহ প্রকাশিত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, দেশের গ্যাস সংকট মোকাবিলায় গত চার বছর ধরে তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সামিটের চুক্তি বাতিলের পাশাপাশি সৌদি আরামকোর সঙ্গে আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়। পরে চলতি জুলাইয়ে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিতে ১২টি দেশ ও প্রতিষ্ঠানের কাছে রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি) পাঠানো হলেও অজ্ঞাত কারণে সেই প্রক্রিয়াও বাতিল হয়ে গেছে।

এদিকে সিএনইইর প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর এবং সামিটের সমঝোতার প্রস্তাব নতুন করে আলোচনায় এসেছে। জানা গেছে, চীনের সিএমসি গ্রুপের মাধ্যমে সিএনইই বাংলাদেশে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সরকারের এক শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকও প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আগ্রহী বলে জানা যায়। খুব শিগগিরই সিএনইই জ্বালানি বিভাগের কাছে তাদের প্রস্তাব উপস্থাপন করতে পারে। ওই উপস্থাপনায় জ্বালানি বিভাগের নীতিনির্ধারকেরা উপস্থিত থাকবেন। এরপর পরিষ্কার হবে প্রতিষ্ঠানটি কী ধরনের প্রস্তাব নিয়ে প্রকল্পে অংশ নিতে চায়। তবে আরএফপি প্রক্রিয়া বাতিলের পর সরাসরি এ উদ্যোগ কেন নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

চলতি মাসে সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি পেট্রোবাংলাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, সরকার চাইলে সমঝোতার ভিত্তিতে তারা আবারও তৃতীয় এফএসআরইউ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বাতিল হওয়া চুক্তি পুনর্বহাল করা হলে মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে নতুন টার্মিনাল চালু হবে। সমঝোতার হলে তারা হাইকোর্টে চলমান মামলাও প্রত্যাহার করে নেবে।

২০২৪ সালের ৩০ মার্চ বিশেষ আইনের অধীনে সামিটকে তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের কাজ দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের নভেম্বরে টার্মিনালটি চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পেট্রোবাংলা সেই চুক্তি বাতিল করে। পরে বিষয়টি আদালতে নিয়ে যায় সামিট গ্রুপ।

গত ১৩ জুলাই মামলার শুনানিতে সামিট আদালতের কাছে পেট্রোবাংলার সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ চাইলেও হাইকোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী আগস্টের মাঝামাঝি নির্ধারিত রয়েছে।

সামিট এলএনজি কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সায়েদুল আলম সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আদালতের বাইরে সরকারের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এতে মামলার কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি হবে না। অন্যদিকে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, সামিটের প্রস্তাবের বিষয়ে মতামত জানতে জ্বালানি বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে, তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সরকারি কর্মকর্তা দাবি করেন, সামিট গ্রুপ অতীত সরকারের সময় জ্বালানি খাতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি। তাদের ভাষ্য, বিশেষ আইনের অধীনে একাধিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ নানা সুবিধা পেয়েছিল সামিট। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রধান কার্যালয় সিঙ্গাপুরে স্থানান্তর করলেও ব্যবসা পরিচালনা করছে বাংলাদেশে। এসব কারণে বর্তমান সরকারের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাব নিয়ে খুব বেশি আগ্রহ নেই বলে তারা জানান।

অন্তর্বর্তী সরকার চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরামকোর সঙ্গে এফএসআরইউ প্রকল্প নিয়ে সমঝোতার উদ্যোগ নিলেও জাতীয় নির্বাচনের কারণ দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি তখন চুক্তি করতে রাজি হয়নি। পরে বুয়েটের উপাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি প্রকল্পটি পর্যালোচনা করে। কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আরামকো প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের বিপরীতে কঠোর শর্ত দিয়েছে। ১৮ মাসে প্রকল্প শেষ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও তারা ৩০ মাস সময় লাগবে বলে জানায়। এই কারণে আরামকোর সঙ্গে আলোচনা বাতিল করে নতুন করে জি-টু-জি পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার সুপারিশ করা হয়।

এক্ষেত্রে, গত মাসে জ্বালানি বিভাগ ওমান, সৌদি আরব, আজারবাইজান, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ১২টি প্রতিষ্ঠানকে আরএফপি পাঠায়। একই সঙ্গে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনগুলোকেও চিঠি দেওয়া হয়। তবে পরে পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়। বর্তমানে চীনের সিএনইইর সম্ভাব্য প্রস্তাব নিয়ে বেশি আলোচনা চলছে।

বর্তমানে দেশে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ২৬০ থেকে ২৬৫ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আসে প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এ অবস্থায় একটি টার্মিনালে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সংকট আরও প্রকট হয়েছে।

এদিকে নতুন গ্যাস সংযোগের জন্য সরকারের কাছে ১ হাজার ৮৫৭টি আবেদন জমা রয়েছে। এর মধ্যে ৫৫০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ডিমান্ড নোটের অর্থ জমা দেওয়ার চার বছর পরেও গ্যাস সংযোগ পায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনা সহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানির তারিখ ১৩ আগস্ট নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


শেখ হাসিনা সহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানির তারিখ ১৩ আগস্ট নির্ধারণ

জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় মো. হোসেন নামে এক ট্রাকচালক হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানির তারিখ আগামী ১৩ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত রবিবার (২৬ জুলাই) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

আসামির পক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে ফোরকান নামে এক আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে চার্জগঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। একই সঙ্গে আসামি পক্ষ থেকেও আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক আগামী ১৩ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

তিনি আরো জানান, মামলায় মোট ৩৪ জন আসামির মধ্যে আজকে ৪ জনকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা ৮ জনও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিতে নিহত হন মো. হোসেন। তিনি সেদিন গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফিরছিলেন, সেই সময়ে চাঁদ উদ্যান এলাকায় তিনি গুলি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহত ব্যক্তির মা রীনা বেগম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক আকরামুজ্জামান আদালতে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান। অন্যান্য আসামির মধ্যে আছেন আসিফ আহম্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু, তোফায়েল সিদ্দিক ওরফে তুহিন, রহমান মিয়া ওরফে এ কে এম অহিদুর রহমান, পলাশ, ওলিউর রহমান, খলিলুর রহমান, ইমন, এস এম রিয়াজুল হক তামিম, মাসুদুর রহমান বিপ্লব, আব্দুস সাত্তার ভূইয়া ওরফে এম এ সাত্তার, পারভেজ ওরফে গোল্ডেন পারভেজ, সুমন মিয়া ওরফে কাইল্লা সুমন, মিলন হোসেন, সোহেল ওরফে ভূইয়া সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল, সলিম উল্লাহ সলু, ইরফান, মুহাম্মদ বদিউল আলম ওরফে বদিউজ্জামান, ফুরকান হোসেন, শাহজাহান খান, সাজ্জাদ হোসেন এবং ফারুক হোসেন অভি।

আসামিদের মধ্যে পলক, সাদেক, ফুরকান এবং শাহজাহান এখন কারাগারে আটক রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়াকে ৩০ হাজার সেনা সহায়তা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কির দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


রাশিয়াকে ৩০ হাজার সেনা সহায়তা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কির দাবি

রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে সুবিধা পেতে সদ্য উত্তর কোরিয়া থেকে ৩০ হাজার নতুন সৈন্য আনার পরিকল্পনা করছে। এই দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, যিনি শনিবার (২৫ জুলাই) একটি ভিডিও বার্তায় এটি উল্লেখ করেছেন।

জেলেনস্কি জানান, নতুন সেনাদের জন্য মস্কো ইতোমধ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। এই সেনাদলকে অভ্যর্থনা ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য তারা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ২০২৪ সালে মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রথম দফায় উত্তর কোরিয়া প্রায় ১৪ হাজার সৈন্য রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে পাঠিয়েছিল।

এবার ক্রেমলিন আরও ৩০ হাজার সৈন্য আনার পরিকল্পনা করেছে। জেলেনস্কির দাবি অনুযায়ী, নতুন আসা সৈন্যদের গ্রহণ করার জন্য রাশিয়ার ভোরোনেঝ অঞ্চলে চলতি বছরের জুন মাস থেকেই প্রস্তুতি চলছে।

সৈন্য পাঠানোর পাশাপাশি, উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক (লঞ্চার) সরবরাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তা জানান জেলেনস্কি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তর কোরিয়ার এই অংশগ্রহণ ইউক্রেনের জন্যই নয়, বরং সমগ্র এশিয়ার জন্য একটি বড় হুমকি। যুদ্ধের ময়দানে উত্তর কোরিয়া বাস্তব যুদ্ধের অভিজ্ঞতা অর্জন করছে এবং তাদের অস্ত্রের আধুনিকায়ন ঘটাচ্ছে। ফলে পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র সীমার মধ্যে থাকা এশিয়ার দেশগুলোর নিরাপত্তা গুরুতর ঝুঁকিতে পড়বে বলে তিনি মনে করছেন।

জেলেনস্কি এই সম্মিলিত হুমকির উপযুক্ত জবাব দেওয়ার কথা স্পষ্ট করে জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%